bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Revelation 14
Revelation 14
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 13
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 15 →
1
এর পরে আমি চেয়ে দেখলাম মেষশাবক সিয়োন পর্বতের উপর দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছে এক লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার লোক, তাদের ললাটে তাঁর ও তাঁর পিতার নাম অঙ্কিত।
2
আমি স্বর্গ থেকে জলধি কল্লোল ও প্রচণ্ড ধ্বনির মত কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম। সেই কণ্ঠস্বর শুনে মনে হল যেন একদল বীণকার তাদের বীণায় ঝঙ্কার তুলেছে।
3
তাঁরা সিংহাসনের সম্মুখে এবং প্রাণীচতুষ্টয় ও প্রবীণদের সম্মুখে একটি নতুন গান গাইছিলেন। পৃথিবী থেকে উদ্ধারপ্রাপ্ত সেই এক লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার লোক ছাড়া আর কেউ সেই গান শিখতে পারল না।
4
এঁরা কেউ নারী সংস্পর্শে কলুষিত হয়নি, কারণ এঁরা কৌমারব্রতী। মেষশাবক যেখানে যান এঁরাও সেখানে তাঁর অনুসরণ করেন। ঈশ্বর ও মেষশাবকের উদ্দেশ্যে এঁরা মানবজাতির শ্রেষ্ঠাংশরূপে উদ্ধারপ্রাপ্ত।
5
এঁদের মুখে কোন মিথ্যা উচ্চারিত হয়নি, এঁরা নিষ্কলঙ্ক।
6
এর পর আমি মধ্যাকাশে উ্জীন এক স্বর্গদূতকে দেখলাম। তাঁর কাচে রয়েছে শাশ্বত সুসমাচার, পৃথিবীর সর্বজাতি, গোষ্ঠী, সমাজ ও ভাষাভাষী লোকের কাছে প্রচাএরর জন্য।
7
তিনি উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করেলন, “ঈশ্বরকে সম্ভ্রম কর, তাঁর মর্যাদা স্বীকার কর, কারণ তাঁর বিচাররে লগ্ন সমুপস্থিত। স্বপর্গ, মর্ত্য, সমুদ্র ও জলধির সমস্ত উৎসের স্রষ্টা যিনি তাঁরই আরাধনা কর।”
8
তাঁর পরে দ্বিতীয় এক স্বর্গদূত এসে ঘোষণা করলেনঃ “পতন হল, পতন হল মহীয়সী ব্যাবিলনের! যে সর্বজাতিকে পান করিয়েছে তার অসুচি কামনার তীব্র মদিরা।”
9
এঁদের পরে তৃতীয় আর একজন স্বর্গদূত এসে উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করলেনঃ “কেউ যদি এই পশু ও তার মূর্তির পূজা করে এবং ললাট কিম্বা হস্তে তার প্রতীকচিহ্ন ধারণ করে,
10
তাহলে তাকে পান করতে হবে ঈশ্বরের রোষের অবিমিশ্র সুরা যা ঢালা হয়েছে তাঁর ক্রোধের পানপাত্রে। পবিত্র স্বর্গদূতগণ ও মেষশাবকের সম্মুখে তাকে অগ্নি ও গন্ধকের দ্বারা যন্ত্রণা দেওয়অ হবে।
11
যন্ত্রণাদায়ক সেই ধোঁয়া চিরকাল উঠতে থাকবে। যারা সেই পশু ও তার মূর্তির উপাসক, যারা তার নামের প্রতীকচিহ্ন ধারণ করে, দিনে কিম্বা রাত্রে কখনও তারা স্বস্তি পাবে না।
12
পুণ্যাত্মা ব্যক্তি যারা ঈশ্বরের নির্দেশ পালন করে, যীশুর প্রতি বিশ্বাসে অটল থাকে, এখানেই তাদের ধৈর্যের পরীক্ষা হবে।
13
এর পরে আমি স্বর্গ থেকে এই বাণী সুনলাম: “লেখ, এখন থেকে প্রভুর আশ্রিতরূপে যাদের মৃত্যু হবে, তারা ধন্য। পবিত্র আত্মা বলছেন, অবশ্যই তারা ধন্য, শ্রম থেকে অব্যাহতি লাভ করবে তারা, কারণ তাদের কীর্তি তাদের অনুসরণ করবে।”
14
এর পরে আমি শুক্লবর্ণ একখণ্ড মেঘ দেখতে পেলাম। সেই মেঘের উপরে মানবপুত্রের মত এক ব্যক্তি বসে রয়েছেন। তাঁর মাথায় সোনার মুকুট এবং হাতে তীক্ষ্ণধার এক কাস্তে।
15
তখন মন্দির থেকে একজন স্বর্গদূত বেরিয়ে এসে মেঘবাহনে উপবিষ্ট সেই ব্যক্তিকে উচ্চকণ্ঠে সম্বোধন করে বললেন, আপনার কাস্তে এবার লাগান, ফসল কাটুন, কারণ ফসল কাটার সময় হয়েছে, পৃথিবীর ফসল এখন সম্পূর্ণভাবে পরিপক্ক হয়েছে।
16
তখন সেই মেঘবাহনে আসীন ব্যক্তি পৃথিবীতে তাঁর কাস্তে লাগালেন। পৃথিবীর ফসল কাটা হল।
17
এর পরে স্বর্গের মন্দির থেকে বেরিয়ে এলনে এক স্বর্গদূত, তাঁর হাতেও ছিল তীক্ষ্ণধার এক কাস্তে।
18
বেদী থেকে বেরিয়ে এলেন আর একজন স্বর্গদূত, আগুনের উপর ছিল তাঁর কর্তৃত্ব। তিনি উচ্চকণ্ঠে সেই তীক্ষ্ণধার কাস্তেধারী স্বর্গদূতকে ডেকে বলেলন, “তুমি কাস্তে লাগিয়ে পৃথিবীর সমস্ত দ্রাক্ষাগুচ্ছ সংগ্রহ কর, কারণ পৃথিবীর দ্রাক্ষাফলসম্ভার পরিপক্ক হয়েছে।”
19
তখন সেই স্বর্গদূত পৃথিবীতে তাঁর কাস্তে চালিয়ে সমস্ত দ্রাক্ষাগুচ্ছ সংগ্রহ করলেন এবং ঐশী রোষের বিরাট কুণ্ডে নিক্ষেপ করলেন।
20
তারপর নগরের বাইরে সেই দ্রাক্ষাকুণ্ডে তা পেষণ করা হল। তখন সেই কুণ্ড থেকে দুই মিটার উঁচু এক রক্তস্রোত নির্গত হয়ে তিনশো মিটার 6 পর্যন্ত প্রবাহিত হল।
← Chapter 13
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 15 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22