bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Revelation 21
Revelation 21
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 20
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 22 →
1
এর পরে আমি এক নূতন আকাশ ও নূতন পৃথিবী দেখলাম। প্রথম আকাশ ও প্রথম পৃথিবী লুপ্ত হয়েছিল। সমুদ্রের অস্তিত্ব আর ছিল না।
2
আমি দেখলাম, পবিত্র নগরী নূতন জেরুশালেম স্বর্গ থেকে, ঈশ্বরের কাছ তেকে নেমে আসছে। বরের সঙ্গে মিলনোন্মুখ বধূর মত তার প্রস্তুতি ও সাজসজ্জা।
3
তখন আমি সিংহাসন থেকে উচ্চকণ্ঠে ঘোষিত এই বাণী শুনলাম:দেখ, মানুষের মাঝেপ্রভু পরমেশ্বরের আবাসতিনি তাদের সঙ্গে বাস করবেন,তারা হবে তাঁর প্রজা।পরমেশ্বর স্বয়ং তাদের সঙ্গে থাকবেনহবেন তাদের ঈশ্বর।
4
তিনি মুছিয়ে দেবেন অশ্রুধারা। থাকবে না আর মৃত্যুর অস্তিত্ব। শোক, আর্তনাদ, আর থাকবে না। পুরাতন সব কিছুই হয়েছে বিলীন।”
5
সিংহাসনে যিনি আসীন, তিনি বললেন, “দেখ, আমি সব কিছুই নবায়িত করছি।” তিনি আমাকে বললেন, “একথা লিখে রাখ, কারণ এ সবই বিশ্বাস্য ও সত্য।”
6
এর পরে তিনি বললেন, “সুসম্পন্ন হল। আমিই আল্ফা এবং ওমেগা, আদি ও অন্ত। যে তৃষ্ণার্ত তাকে আমি জীবন জলের উৎস থেকে বিনামূল্যে পান করতে দেব।
7
যে জয়ী হবে, এ সব কিছুই হবে তার। আমি হব তার ঈশ্বর, সে হবে আমার সন্তান।
8
কিন্তু যারা ভীরু, অবিশ্বাসী, কলুষিত, নরঘাতক, ব্যভিচারী, যাদুকর, পৌত্তলিক ও মিথ্যাবাদী তাদের সকলেরই গতি হবে জ্বলন্ত অগ্নিময় গন্ধক হ্রদে। এই সেই দ্বিতীয় মৃত্যু।”
9
যে সপ্ত স্বর্গদূতের কাছে শেষ সপ্ত আঘাতে পূর্ণ সাতটি পাত্র ছিল, তাঁদের একজন এসে আমাকে বললেন, “এস, আমি তোমাকে দেখাব এক কন্যাকে, যিনি মেষশাবকের বধূ।”
10
পবিত্র আত্মার প্রভাবে তিনি আমাকে সুউচ্চ এক পর্বত শীর্ষে নিয়ে গেলেন। দেখালেন, স্বর্গ থেকে, ঈশ্বরের কাছ তেকে নেমে আসা পবিত্র নগরী জেরুশালেম।
11
ঈশ্বরের গৌরবে সে প্রদীপ্ত। তার জ্যোতি দুষ্প্রাপ্য সূর্যকান্ত মণির মত, স্ফটিকের মত স্বচ্ছ।
12
তার চারিদিকে বিরাট উঁচু প্রাচীর এবং তার বারোটি তোরণ। সেই তোরণগুলিতে বারোজন স্বর্গদূত প্রহরারত। তোরণগুলির শীর্ষে ইসরায়েল-সন্তানদের দ্বাদশ বংশের নাম উৎকীর্ণ।
13
নগরীর পূর্বদিকে তিনটি, উত্তরে তিনটি, দক্ষিণে তিনটি এবং পশ্চিমে তিনটি তোরণ।
14
নগরীর প্রাচীরের বারোটি ভিত্তিপ্রস্তর, সেগুলির উপরে মেষশাবকের বারোজন প্রেরিত শিষ্যের বারোটি নাম উৎকীর্ণ।
15
আমার সঙ্গে যিনি কথা বলছিলেন তাঁর হাতে ঐ নগরী ও তার তোরণগুলি ও প্রাচীর জরীপ করার জন্য একটি সুবর্ণ মানদণ্ড ছিল।
16
নগরীটি চতুষ্কোণ। দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে সমান। তিনি তাঁর মানদণ্ড দিয়ে নগরীটি মাপলেন। এর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান এবং প্রত্যেকটির মাপ 2400 কিলোমিটার ।
17
তিনি এর প্রাচীরও মাপলেন। এর উচ্চতা ষাট মিটার।
18
প্রাচীর সূর্যকান্ত মণি দিয়ে গড়া, আর নগরীটি কাঁচের মত চক্চকে খাঁটি সোনায় তৈরী।
19
নগর-প্রকারের ভিত্তিগুলি বিভিন্ন মণিখচিত। প্রথমটি সূর্যকান্ত মণি, দ্বিতীয়টি নীলকান্ত মণি, তৃতীয় তাম্র মণি, চতুর্থটি মরকত মণি।
20
পঞ্চম বৈদূর্য মণি, ষষ্ঠ রুধিরাখ্য মণি, সপ্তম গোমেদ মণি, অষ্টম ফিরোজা মণি, নবম পোখরাজ মণি, দশম হেমকান্ত মণি, একাদশতম রক্তাভ মণি এবং দ্বাদশতমটির ভিত্তি পিঙ্গলমণির।
21
বারোটি তোরণ বারোটি মুক্তায় গটিত। প্রত্যেকটি তোরণ একটি অখণ্ড মুক্তায় নির্মিত। নগরের পথগুলি স্বচ্ছ কাঁচের মত, খাঁটি সোনায় তৈরী।
22
আমি নগরীর মধ্যে কোন মন্দির দেখতে পেলাম না। কারণ সর্বশক্তিমান প্রভু পরমেশ্বর এবং মেষশাবকই তার মন্দির।
23
সেই নগরে আলোর জন্য সূর্য বা চন্দ্রের দরকার নেই। ঈশ্বরের গৌরবেই তা আলোকিত। মেষশাবক স্বয়ং তার প্রদীপ।
24
সেই নগরীর আলোকে সর্বজাতি যাতায়াত করবে। পৃথিবীর নৃপতিরা তাদের ঐশ্বর্য সেখানে নিয়ে আসবে।
25
নগরীর তোরণগুলি সারাদিন কখনও বন্ধ করা হবে না —আর রাত সেখানে হবেই না।
26
সর্বজাতির সম্পদ ও ঐশ্বর্য সেখানে সংগৃহীত হবে।
27
কিন্তু অশুচি কোন বস্তু, কিম্বা ঘৃণ্য ও মিথ্যাচারী কেউ সেই নগরে প্রবেশ করতে পারবে ন।আ মেষশাবকের জীবনপঞ্জীতে যাদের নাম লিখিত আছে, কেবলমাত্র তারাই সেই নগরীতে প্রবেশ করবে।
← Chapter 20
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 22 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22