bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
2 Chronicles 18
2 Chronicles 18
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 19 →
1
যিহোশাফটের অনেক ধন-সম্পদ ও সম্মান ছিল। তিনি বিয়ের মধ্য দিয়ে আহাবের সংগে বন্ধুত্ব করলেন।
2
কয়েক বছর পরে আহাবের সংগে দেখা করবার জন্য তিনি সামেরিয়াতে গেলেন। আহাব তাঁর ও তাঁর সংগের লোকদের খাওয়াবার জন্য অনেক ভেড়া ও গরু কাটলেন। ইসরাইলের বাদশাহ্ আহাব এহুদার বাদশাহ্ যিহোশাফটকে তাঁর সংগে রামোৎ-গিলিয়দ আক্রমণ করতে যাবার জন্য এই বলে অনুরোধ করলেন, “রামোৎ-গিলিয়দের বিরুদ্ধে আপনি কি আমার সংগে যাবেন?” জবাবে যিহোশাফট বললেন, “আমি ও আপনি, আমার লোক ও আপনার লোক সবাই এক; আমরা আপনার সংগে যুদ্ধে যোগ দেব।”
4
তবে যিহোশাফট ইসরাইলের বাদশাহ্কে এই কথাও বললেন, “আপনি প্রথমে মাবুদের পরামর্শ নিন।”
5
কাজেই ইসরাইলের বাদশাহ্ নবীদের ডেকে একত্র করলেন। তাদের সংখ্যা ছিল চারশো। তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, “রামোৎ-গিলিয়দের বিরুদ্ধে কি আমরা যুদ্ধ করতে যাব, না যাব না?” তারা বলল, “যান, কারণ আল্লাহ্ ওটা বাদশাহ্র হাতেই তুলে দেবেন।”
6
কিন্তু যিহোশাফট বললেন, “এখানে কি মাবুদের কোন নবী নেই যার কাছে আমরা জিজ্ঞাসা করতে পারি?”
7
জবাবে ইসরাইলের বাদশাহ্ এহুদার বাদশাহ্ যিহোশাফটকে বললেন, “এখনও এমন একজন লোক আছে যার মধ্য দিয়ে আমরা মাবুদের কাছে জিজ্ঞাসা করতে পারি, কিন্তু আমি তাকে ঘৃণা করি, কারণ সে আমার সম্বন্ধে কখনও উন্নতির কথা বলে না, সব সময় অবনতির কথাই বলে। সে হল য্নিের ছেলে মিকায়।” জবাবে যিহোশাফট বললেন, “বাদশাহ্ যেন ঐরকম কথা না বলেন।”
8
তখন ইসরাইলের বাদশাহ্ তাঁর একজন কর্মচারীকে ডেকে বললেন, “তুমি এখনই য্নিের ছেলে মিকায়কে ডেকে নিয়ে এস।”
9
ইসরাইলের বাদশাহ্ ও এহুদার বাদশাহ্ যিহোশাফট রাজপোশাক পরে সামেরিয়া শহরের দরজার কাছে গম ঝাড়বার জায়গায় তাঁদের সিংহাসনের উপরে বসে ছিলেন আর নবীরা সবাই তাঁদের সামনে ভবিষ্যতের কথা বলছিল।
10
তখন কনানার ছেলে সিদিকিয় লোহার শিং তৈরী করে নিয়ে এই কথা ঘোষণা করল, “মাবুদ বলছেন যে, সিরীয়রা শেষ হয়ে না যাওয়া পর্যন্ত আপনি এগুলো দিয়েই তাদের আঘাত করতে থাকবেন।”
11
অন্যান্য নবীরাও একই রকম কথা বলল। তারা বলল, “রামোৎ-গিলিয়দ আক্রমণ করে তা জয় করে নিন, কারণ মাবুদ সেটা মহারাজের হাতে তুলে দেবেন।”
12
যে লোকটি মিকায়কে ডেকে আনতে গিয়েছিল সে তাঁকে বলল, “দেখুন, অন্যান্য নবীরা সবাই একবাক্যে বাদশাহ্র সফলতার কথা বলছেন। আপনার কথাও যেন তাঁদের কথার মতই হয়। আপনি উন্নতির কথাই বলবেন।”
13
কিন্তু মিকায় বললেন, “আল্লাহ্র কসম যে, আমার মাবুদ যা বলবেন আমি কেবল সেই কথাই বলব।”
14
মিকায় আসলে পর বাদশাহ্ তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, “মিকায়, আমরা কি রামোৎ-গিলিয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যাব, না যাব না?” জবাবে মিকায় বললেন, “জ্বী, যান যান, আক্রমণ করে জয়লাভ করুন, কারণ সেখানকার লোকদের আপনাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।”
15
বাদশাহ্ তাঁকে বললেন, “কতবার আমি তোমাকে এই কসম খেতে বলব যে, মাবুদের নামে তুমি সত্যি কথা ছাড়া আর কিছু বলবে না?”
16
জবাবে মিকায় বললেন, “আমি দেখলাম, বনি-ইসরাইলরা সবাই রাখালহীন ভেড়ার মত পাহাড়ের উপরে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই মাবুদ বললেন, ‘এদের কোন মালিক নেই, কাজেই তারা শান্তিতে যে যার বাড়ীতে চলে যাক।’ ”
17
তখন ইসরাইলের বাদশাহ্ যিহোশাফটকে বললেন, “আমি কি আপনাকে আগেই বলি নি যে, সে আমার সম্বন্ধে অবনতি ছাড়া উন্নতির কথা বলবে না?”
18
মিকায় বলতে লাগলেন, “তাহলে আপনারা মাবুদের কথা শুনুন। আমি দেখলাম, মাবুদ তাঁর সিংহাসনে বসে আছেন এবং তাঁর ডান ও বাঁ দিকে সমস্ত ফেরেশতারা রয়েছেন।
19
তখন মাবুদ বললেন, ‘রামোৎ-গিলিয়দ আক্রমণ করবার জন্য কে ইসরাইলের বাদশাহ্ আহাবকে ভুলিয়ে সেখানে নিয়ে যাবে যাতে সে মারা যায়?’ তখন এক একজন এক এক কথা বললেন।
20
শেষে একটি রূহ্ এগিয়ে এসে মাবুদের সামনে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আমি তাকে ভুলিয়ে নিয়ে যাব।’ মাবুদ জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেমন করে করবে?’
21
সে বলল, ‘আমি গিয়ে তার সব নবীদের মুখে মিথ্যা বলবার রূহ্ হব।’ মাবুদ বললেন, ‘তুমিই তাকে ভুলিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। তুমি গিয়ে তা-ই কর।’
22
এইজন্যই মাবুদ এখন আপনার এই নবীদের মুখে মিথ্যা বলবার রূহ্ দিয়েছেন। আপনার সর্বনাশ হবার জন্য মাবুদ রায় দিয়েছেন।”
23
তখন কনানার ছেলে সিদিকিয় গিয়ে মিকায়ের গালে চড় মেরে বলল, “মাবুদের রূহ্ তোর সংগে কথা বলবার জন্য আমার কাছ থেকে বেরিয়ে কোন্ পথে গিয়েছিলেন?”
24
জবাবে মিকায় বললেন, “তুমি সেই দিন তা জানতে পারবে যেদিন তুমি নিজেকে লুকাবার জন্য ভিতরের ঘরে গিয়ে ঢুকবে।”
25
ইসরাইলের বাদশাহ্ তখন এই হুকুম দিলেন, “মিকায়কে শহরের শাসনকর্তা আমোন ও রাজপুত্র যোয়াশের কাছে আবার পাঠিয়ে দাও।
26
তাদের বল বাদশাহ্ বলেছেন এই লোকটিকে যেন জেলে রাখা হয় এবং বাদশাহ্ নিরাপদে ফিরে না আসা পর্যন্ত তাকে অল্প পানি ও অল্প রুটি ছাড়া আর কিছু না দেওয়া হয়।”
27
তখন মিকায় বললেন, “যদি আপনি সত্যিই নিরাপদে ফিরে আসেন তবে জানবেন মাবুদ আমার মধ্য দিয়ে কথা বলেন নি।” তারপর তিনি আবার বললেন, “আপনারা সবাই আমার কথাটা শুনে রাখুন।”
28
এর পরে ইসরাইলের বাদশাহ্ আহাব ও এহুদার বাদশাহ্ যিহোশাফট রামোৎ-গিলিয়দ আক্রমণ করতে গেলেন।
29
আহাব যিহোশাফটকে বললেন, “আমাকে যাতে লোকেরা চিনতে না পারে সেইজন্য আমি অন্য পোশাক পরে যুদ্ধে যোগ দেব, কিন্তু আপনি আপনার রাজপোশাকই পরুন।” এই বলে ইসরাইলের বাদশাহ্ অন্য পোশাক পরে যুদ্ধ করতে গেলেন।
30
সিরিয়ার বাদশাহ্ তাঁর রথগুলোর সেনাপতিদের এই হুকুম দিয়ে রেখেছিলেন, “একমাত্র ইসরাইলের বাদশাহ্ ছাড়া আপনারা ছোট কি বড় আর কারও সংগে যুদ্ধ করবেন না।”
31
রথের সেনাপতিরা যিহোশাফটকে দেখে ভেবেছিলেন যে, তিনি নিশ্চয়ই ইসরাইলের বাদশাহ্। কাজেই তাঁরা ফিরে তাঁকে আক্রমণ করতে গেলেন কিন্তু যিহোশাফট চেঁচিয়ে উঠলেন, তখন মাবুদ আল্লাহ্ তাঁকে সাহায্য করলেন আর তাতে তাঁরা তাঁর কাছ থেকে চলে গেলেন।
32
এতে সেনাপতিরা বুঝলেন যে, তিনি ইসরাইলের বাদশাহ্ নন, সেইজন্য তাঁরা আর তাঁর পিছনে তাড়া করলেন না।
33
কিন্তু একজন লোক লক্ষ্য স্থির না করেই তার ধনুকে টান দিয়ে ইসরাইলের বাদশাহ্র বুক ও পেটের বর্মের মাঝামাঝি ফাঁকে আঘাত করে বসল। তখন বাদশাহ্ তাঁর রথচালককে বললেন, “রথ ঘুরিয়ে তুমি যুদ্ধের জায়গা থেকে আমাকে বাইরে নিয়ে যাও। আমি আঘাত পেয়েছি।”
34
সারা দিন ধরে ভীষণ যুদ্ধ চলল আর ইসরাইলের বাদশাহ্কে রথের মধ্যে সিরীয়দের মুখোমুখি করে বসিয়ে রাখা হল, আর সূর্য ডুবে যাবার সময় তিনি মারা গেলেন।
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 19 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36