bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
John 10
John 10
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 9
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 11 →
1
“আমি আপনাদের সত্যিই বলছি, যে কেউ মেষের খোঁয়াড়ের দরজা দিয়ে না ঢুকে অন্য দিক দিয়ে ঢোকে সে চোর ও ডাকাত।
2
কিন্তু যে কেউ দরজা দিয়ে ভিতরে যায় সে-ই মেষদের পালক।
3
মেষের খোঁয়াড় যে পাহারা দেয় সে সেই পালককেই দরজা খুলে দেয়। মেষগুলো তার ডাক শোনে, আর সেই পালক তার নিজের মেষগুলোর নাম ধরে ডেকে বাইরে নিয়ে যায়।
4
তার নিজের সব মেষগুলো বের করবার পরে সে তাদের আগে আগে চলে, আর মেষগুলো তার পিছনে পিছনে যায় কারণ তারা তার ডাক চেনে।
5
তারা কখনও অচেনা লোকের পিছনে যাবে না বরং তার কাছ থেকে পালিয়ে যাবে, কারণ তারা অচেনা লোকের গলার আওয়াজ চেনে না।”
6
সেই ফরীশীদের শিক্ষা দেবার জন্য ঈসা এই কথা বললেন কিন্তু তিনি যে কি বলছিলেন তা তাঁরা বুঝলেন না।
7
সেইজন্য ঈসা আবার বললেন, “আমি আপনাদের সত্যিই বলছি, মেষগুলোর জন্য আমিই দরজা।
8
আমার আগে যারা এসেছিল তারা সবাই চোর আর ডাকাত, কিন্তু মেষগুলো তাদের কথা শোনে নি।
9
আমিই দরজা। যদি কেউ আমার মধ্য দিয়ে ভিতরে ঢোকে তবে সে নাজাত পাবে। সে ভিতরে আসবে ও বাইরে যাবে আর চরে খাবার জায়গা পাবে।
10
চোর কেবল চুরি, খুন ও নষ্ট করবার উদ্দেশ্য নিয়েই আসে। আমি এসেছি যেন তারা জীবন পায়, আর সেই জীবন যেন পরিপূর্ণ হয়।
11
“আমিই উত্তম মেষপালক। উত্তম মেষপালক তার মেষদের জন্য নিজের জীবন দেয়।
12
কেবল বেতনের জন্য যে পালকের কাজ করে সে নিজে পালক নয় আর মেষগুলোও তার নিজের নয়। নেকড়ে বাঘ আসতে দেখলেই সে মেষগুলো ফেলে পালিয়ে যায়, কারণ সে কেবল বেতন পাবার জন্য এই কাজ করে আর মেষগুলোর জন্য চিন্তাও করে না। নেকড়ে বাঘ তাদের ধরে নিয়ে যায় আর মেষগুলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
14
“আমিই উত্তম মেষপালক। পিতা যেমন আমাকে জানেন এবং আমি পিতাকে জানি তেমনি করে আমিও আমার মেষগুলোকে জানি এবং তারাও আমাকে জানে। আমি আমার মেষগুলোর জন্য আমার জীবন দিয়ে দিচ্ছি।
16
আরও মেষ আমার কাছে আছে যেগুলো এই খোঁয়াড়ের নয়; তাদেরও আমাকে আনতে হবে। তারা আমার ডাক শুনবে, আর তাতে একটা মেষপাল ও একজন পালক হবে।
17
পিতা আমাকে এইজন্য মহব্বত করেন, কারণ আমি আমার প্রাণ দেব যেন তা আবার ফিরিয়ে নিতে পারি।
18
কেউই আমার প্রাণ আমার কাছ থেকে নিয়ে যাবে না, কিন্তু আমি নিজেই তা দেব। প্রাণ দেবারও ক্ষমতা আমার আছে, আবার প্রাণ ফিরিয়ে নেবারও ক্ষমতা আমার আছে। এই দায়িত্ব আমি আমার পিতার কাছ থেকে পেয়েছি।”
19
ঈসার এই কথার জন্য ইহুদীদের মধ্যে আবার মতের অমিল দেখা দিল।
20
তাদের মধ্যে অনেকে বলল, “তাকে ভূতে পেয়েছে, সে পাগল; তোমরা তার কথা কেন শুনছ?”
21
অন্যেরা বলল, “কিন্তু এ তো ভূতে পাওয়া লোকের মত কথা নয়। ভূত কি অন্ধের চোখ খুলে দিতে পারে?”
22
এর পরে জেরুজালেমে বায়তুল-মোকাদ্দস প্রতিষ্ঠার ঈদ উপস্থিত হল।
23
তখন শীতকাল। ঈসা বায়তুল-মোকাদ্দসের মধ্যে বাদশাহ্ সোলায়মানের বারান্দায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন।
24
সেই সময় ইহুদী নেতারা ঈসার চারপাশে জমায়েত হয়ে বললেন, “আর কত দিন তুমি আমাদের সন্দেহের মধ্যে রাখবে? তুমি যদি মসীহ্ হও তবে স্পষ্ট করে আমাদের বল।”
25
ঈসা জবাবে বললেন, “আমি তো আপনাদের বলেছি, কিন্তু আপনারা ঈমান আনেন নি। আমার পিতার নামে আমি যে সব কাজ করি সেগুলোও আমার বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়।
26
কিন্তু আপনারা ঈমান আনেন নি, কারণ আপনারা আমার ভেড়া নন।
27
আমার মেষগুলো আমার ডাক শোনে। আমি তাদের জানি আর তারা আমার পিছনে পিছনে চলে।
28
আমি তাদের অনন্ত জীবন দিই। তারা কখনও বিনষ্ট হবে না এবং কেউই আমার হাত থেকে তাদের কেড়ে নেবে না।
29
আমার পিতা, যিনি তাদের আমাকে দিয়েছেন, তিনি সকলের চেয়ে মহান। কেউই পিতার হাত থেকে কিছু কেড়ে নিতে পারে না।
30
আমি আর পিতা এক।”
31
তখন ইহুদী নেতারা তাঁকে মারবার জন্য আবার পাথর কুড়িয়ে নিলেন।
32
ঈসা তাঁদের বললেন, “পিতার হুকুম মত অনেক ভাল ভাল কাজ আমি আপনাদের দেখিয়েছি। সেগুলোর মধ্যে কোন্ কাজের জন্য আপনারা আমাকে পাথর মারতে চান?”
33
নেতারা জবাবে বললেন, “ভাল কাজের জন্য আমরা তোমাকে পাথর মারি না, কিন্তু তুমি কুফরী করছ বলেই মারি। মানুষ হয়েও তুমি নিজেকে আল্লাহ্ বলে দাবি করছ।”
34
ঈসা বললেন, “আপনাদের শরীয়তে কি লেখা নেই যে, ‘আমি বললাম, তোমরা যেন আল্লাহ্’?
35
আল্লাহ্র কালাম যাদের কাছে এসেছিল তাদের তো তিনি আল্লাহ্র মত বলেছিলেন। পাক-কিতাবের কথা কি বাদ দেওয়া যেতে পারে? পারে না।
36
তাহলে পিতা নিজের উদ্দেশ্যে যাঁকে আলাদা করলেন এবং দুনিয়াতে পাঠিয়ে দিলেন সেই আমি যখন বললাম, ‘আমি ইব্নুল্লাহ্,’ তখন আপনারা কেমন করে বলছেন, ‘তুমি কুফরী করছ’?
37
আমার পিতার কাজ যদি আমি না করি তবে আপনারা আমার উপর ঈমান আনবেন না।
38
কিন্তু যদি করি তবে আমার উপর ঈমান না আনলেও আমার কাজগুলো অন্ততঃ বিশ্বাস করুন। তাতে আপনারা জানতে ও বুঝতে পারবেন যে, পিতা আমার মধ্যে আছেন আর আমি পিতার মধ্যে আছি।”
39
তখন ইহুদী নেতারা আবার ঈসাকে ধরবার চেষ্টা করলেন, কিন্তু তিনি তাঁদের হাত এড়িয়ে চলে গেলেন।
40
এর পরে তিনি আবার জর্ডান নদীর ওপারে গিয়ে থাকতে লাগলেন। সেখানেই ইয়াহিয়া প্রথমে তরিকাবন্দী দিতেন।
41
অনেক লোক ঈসার কাছে গেল এবং বলাবলি করতে লাগল, “ইয়াহিয়া নবী কোন অলৌকিক কাজ করেন নি বটে, কিন্তু তবুও তিনি এই লোকটির বিষয়ে যা যা বলেছিলেন তা সবই সত্যি।”
42
আর সেখানে অনেক লোক ঈসার উপর ঈমান আনল।
← Chapter 9
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 11 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21