bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
John 18
John 18
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 19 →
1
এই সব কথা বলবার পরে ঈসা তাঁর সাহাবীদের সংগে কিদ্রোণ নামে একটা উপত্যকার ওপাশে গেলেন। সেখানে একটা বাগান ছিল। ঈসা আর তাঁর সাহাবীরা সেই বাগানে গেলেন।
2
ঈসাকে শত্রুদের হাতে যে পরে ধরিয়ে দিয়েছিল সেই এহুদাও এই জায়গাটা চিনত, কারণ ঈসা প্রায়ই তাঁর সাহাবীদের সংগে সেখানে এক সংগে মিলিত হতেন।
3
প্রধান ইমামেরা ও ফরীশীরা এহুদাকে এক দল সৈন্য এবং কয়েকজন কর্মচারী দিলেন। তখন এহুদা তাদের সংগে বাতি, মশাল আর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সেখানে উপস্থিত হল।
4
তাঁর নিজের উপর যা ঘটবে ঈসা তা সবই জানতেন। এইজন্য তিনি বের হয়ে এসে সেই লোকদের বললেন, “আপনারা কাকে খুঁজছেন?”
5
তারা বলল, “নাসরতের ঈসাকে।” ঈসা তাদের বললেন, “আমিই সেই।” ঈসাকে যে শত্রুদের হাতে ধরিয়ে দিয়েছিল সেই এহুদাও তাদের সংগে দাঁড়িয়েছিল।
6
ঈসা যখন তাদের বললেন, “আমিই সেই,” তখন তারা পিছিয়ে গিয়ে মাটিতে পড়ে গেল।
7
ঈসা আবার তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনারা কাকে খুঁজছেন?” তারা বলল, “নাসরতের ঈসাকে।”
8
তখন ঈসা বললেন, “আমি তো আপনাদের বলেছি যে, আমিই সেই। যদি আপনারা আমারই খোঁজে এসে থাকেন তবে এদের চলে যেতে দিন।”
9
এটা ঘটল যাতে ঈসার বলা এই কথাটা পূর্ণ হয়, “যাদের তুমি আমাকে দিয়েছ তাদের একজনকেও আমি হারাই নি।”
10
শিমোন্তপিতরের কাছে একটা ছোরা ছিল। পিতর সেই ছোরাটা বের করে তার আঘাতে মহা-ইমামের গোলামের ডান কানটা কেটে ফেললেন। সেই গোলামের নাম ছিল মল্ক।
11
এতে ঈসা পিতরকে বললেন, “তোমার ছোরা খাপে রাখ। পিতা আমাকে যে দুঃখের পেয়ালা দিয়েছেন তা কি আমি গ্রহণ করব না?”
12
তখন সেই সৈন্যেরা আর তাদের সেনাপতি ও ইহুদী নেতাদের কর্মচারীরা ঈসাকে ধরে বাঁধল।
13
প্রথমে তারা ঈসাকে হাননের কাছে নিয়ে গেল, কারণ যে কাইয়াফা সেই বছরের মহা-ইমাম ছিলেন হানন ছিলেন তাঁর শ্বশুর।
14
এই কাইয়াফাই ইহুদী নেতাদের পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, গোটা জাতির বদলে বরং একজনের মৃত্যু হওয়াই ভাল।
15
শিমোন্তপিতর এবং আর একজন সাহাবী ঈসার পিছনে পিছনে গেলেন। সেই অন্য সাহাবীকে মহা-ইমাম চিনতেন। সেই সাহাবী ঈসার সংগে সংগে মহা-ইমামের উঠানে ঢুকলেন,
16
কিন্তু পিতর বাইরে দরজার কাছে দাঁড়িয়ে রইলেন। তখন মহা-ইমামের চেনা সেই সাহাবী বাইরে গিয়ে দরজার পাহারাদার মেয়েটিকে বলে পিতরকে ভিতরে আনলেন।
17
সেই মেয়েটি পিতরকে বলল, “তুমিও কি এই লোকটির সাহাবীদের মধ্যে একজন?” পিতর বললেন, “না, আমি নই।”
18
তখন খুব শীত পড়েছিল। এইজন্য গোলামেরা এবং কর্মচারীরা কাঠকয়লার আগুন জ্বেলে সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আগুন পোহাচ্ছিল। পিতরও তাদের সংগে দাঁড়িয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন।
19
মহা-ইমাম তখন ঈসাকে তাঁর সাহাবীদের বিষয়ে আর তাঁর শিক্ষার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন।
20
ঈসা জবাবে বললেন, “আমি লোকদের কাছে খোলাখুলিভাবেই কথা বলেছি। যেখানে ইহুদীরা সবাই এক সংগে মিলিত হয় সেই সব মজলিস-খানায় ও বায়তুল-মোকাদ্দসে আমি সব সময় শিক্ষা দিয়েছি। আমি তো গোপনে কিছু বলি নি;
21
তবে কেন আমাকে জিজ্ঞাসা করছেন? আমার কথা যারা শুনেছে তাদেরই জিজ্ঞাসা করুন আমি তাদের কি বলেছি। আমি যা বলেছি তা তাদের অজানা নেই।
22
ঈসা যখন এই কথা বললেন তখন যে কর্মচারীরা কাছে দাঁড়িয়ে ছিল তাদের মধ্যে একজন তাঁকে চড় মেরে বলল, “তুমি মহা-ইমামকে এইভাবে জবাব দিচ্ছ?”
23
ঈসা তাকে বললেন, “আমি যদি খারাপ কিছু বলে থাকি তবে তা দেখিয়ে দিন। কিন্তু যদি ভাল বলে থাকি তবে কেন আমাকে মারছেন?”
24
তখন হানন ঈসাকে বাঁধা অবস্থায়ই মহা-ইমাম কাইয়াফার কাছে পাঠিয়ে দিলেন।
25
যখন শিমোন্তপিতর দাঁড়িয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন তখন লোকেরা তাঁকে বলল, “তুমিও কি ওর সাহাবীদের মধ্যে একজন?” পিতর অস্বীকার করে বললেন, “না, আমি নই।”
26
পিতর যার কান কেটে ফেলেছিলেন তার এক আত্মীয় মহা-ইমামের গোলাম ছিল। সে বলল, “আমি কি তোমাকে বাগানে তার সংগে দেখি নি?”
27
পিতর আবার অস্বীকার করলেন, আর তখনই একটা মোরগ ডেকে উঠল।
28
ইহুদী নেতারা ভোর বেলায় ঈসাকে কাইয়াফার কাছ থেকে রোমীয় প্রধান শাসনকর্তা পীলাতের বাড়ীতে নিয়ে গেলেন। তাঁরা কিন্তু সেই বাড়ীর ভিতরে ঢুকলেন না যেন পাক-সাফ থেকে উদ্ধার-ঈদের মেজবানী খেতে পারেন।
29
তখন পীলাত বাইরে তাঁদের কাছে এসে বললেন, “এই লোকটিকে তোমরা কি দোষে দোষী করছ?”
30
ইহুদী নেতারা বললেন, “এ যদি খারাপ কাজ না করত তবে আমরা তাকে আপনার কাছে আনতাম না।”
31
পীলাত তাঁদের বললেন, “একে তোমরা নিয়ে গিয়ে তোমাদের শরীয়ত মতে বিচার কর।” এতে ইহুদী নেতারা পীলাতকে বললেন, “কিন্তু কাউকে মৃত্যুর শাস্তি দেবার ক্ষমতা তো আমাদের হাতে নেই।”
32
কিভাবে নিজের মৃত্যু হবে ঈসা আগেই তা বলেছিলেন। এটা ঘটল যাতে তাঁর সেই কথা পূর্ণ হয়।
33
তখন পীলাত আবার বাড়ীর মধ্যে ঢুকলেন এবং ঈসাকে ডেকে বললেন, “তুমিই কি ইহুদীদের বাদশাহ্?”
34
ঈসা বললেন, “আপনি কি নিজে থেকেই এই কথা বলছেন, না অন্যেরা আমার বিষয়ে আপনাকে বলেছে?”
35
পীলাত জবাব দিলেন, “আমি কি ইহুদী? তোমার জাতির লোকেরা আর প্রধান ইমামেরা তোমাকে আমার হাতে দিয়েছে। তুমি কি করেছ?”
36
ঈসা বললেন, “আমার রাজ্য এই দুনিয়ার নয়। যদি আমার রাজ্য এই দুনিয়ার হত তবে আমি যাতে ইহুদী নেতাদের হাতে না পড়ি সেইজন্য আমার লোকেরা যুদ্ধ করত; কিন্তু আমার রাজ্য তো এখানকার নয়।”
37
পীলাত ঈসাকে বললেন, “তাহলে তুমি কি বাদশাহ্?” ঈসা বললেন, “আপনি ঠিকই বলেছেন যে, আমি বাদশাহ্। সত্যের পক্ষে সাক্ষ্য দেবার জন্য আমি জন্মেছি আর সেইজন্যই আমি দুনিয়াতে এসেছি। যে কেউ সত্যের সে আমার কথা শোনে।”
38
পীলাত তাঁকে বললেন, “সত্য কি?” এই কথা বলে তিনি আবার বাইরে ইহুদী নেতাদের কাছে গিয়ে বললেন, “আমি এর কোনই দোষ দেখতে পাচ্ছি না।
39
তবে তোমাদের একটা নিয়ম আছে, উদ্ধার-ঈদের সময়ে আমি তোমাদের একজন কয়েদীকে ছেড়ে দিই। তোমরা কি চাও যে, আমি ইহুদীদের বাদশাহ্কে ছেড়ে দিই?”
40
এতে সকলে চেঁচিয়ে বলল, “ওকে নয়, বারাব্বাকে।” সেই বারাব্বা একজন ডাকাত ছিল।
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 19 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21