bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
John 20
John 20
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 19
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 21 →
1
সপ্তার প্রথম দিনের ভোর বেলায়, অন্ধকার থাকতেই মগ্দলীনী মরিয়ম সেই কবরের কাছে গেলেন। তিনি দেখলেন, কবরের মুখ থেকে পাথরখানা সরানো হয়েছে।
2
সেইজন্য তিনি শিমোন্তপিতর আর যে সাহাবীকে ঈসা মহব্বত করতেন সেই সাহাবীদের কাছে দৌড়ে গিয়ে বললেন, “লোকেরা হুজুরকে কবর থেকে নিয়ে গেছে। তাঁকে কোথায় রেখেছে আমরা তা জানি না।”
3
পিতর আর সেই অন্য সাহাবীটি তখন বের হয়ে কবরের দিকে যেতে লাগলেন।
4
দু’জন একসংগে দৌড়াচ্ছিলেন। অন্য সাহাবীটি পিতরের আগে আগে আরও তাড়াতাড়ি দৌড়ে প্রথমে কবরের কাছে আসলেন, কিন্তু তিনি কবরের ভিতরে গেলেন না।
5
তিনি নীচু হয়ে দেখলেন, ঈসার লাশে যে কাপড়গুলো জড়ানো হয়েছিল সেগুলো পড়ে আছে।
6
শিমোন্তপিতরও তাঁর পিছনে পিছনে এসে কবরের ভিতরে ঢুকলেন এবং কাপড়গুলো পড়ে থাকতে দেখলেন।
7
তিনি আরও দেখলেন, তাঁর মাথায় যে রুমালখানা জড়ানো ছিল তা অন্য কাপড়ের সংগে নেই, কিন্তু আলাদা করে এক জায়গায় গুটিয়ে রাখা হয়েছে।
8
যে সাহাবী প্রথমে কবরের কাছে পৌঁছেছিলেন তিনিও তখন ভিতরে ঢুকলেন এবং দেখে বিশ্বাস করলেন।
9
মৃত্যু থেকে ঈসার জীবিত হয়ে উঠবার যে দরকার আছে, পাক-কিতাবের সেই কথা তাঁরা আগে বুঝতে পারেন নি।
10
এর পরে সাহাবীরা ঘরে ফিরে গেলেন,
11
কিন্তু মরিয়ম কবরের বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদতে লাগলেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে নীচু হয়ে কবরের ভিতরে চেয়ে দেখলেন,
12
ঈসার লাশ যেখানে শোয়ানো ছিল সেখানে সাদা কাপড় পরা দু’জন ফেরেশতা বসে আছেন্ত একজন মাথার দিকে আর অন্যজন পায়ের দিকে।
13
তাঁরা মরিয়মকে বললেন, “কাঁদছ কেন?” মরিয়ম তাঁদের বললেন, “লোকেরা আমার প্রভুকে নিয়ে গেছে এবং তাঁকে কোথায় রেখেছে জানি না।”
14
এই কথা বলে মরিয়ম পিছনে ফিরে দেখলেন ঈসা দাঁড়িয়ে আছেন, কিন্তু তিনি যে ঈসা তা বুঝতে পারলেন না।
15
ঈসা তাঁকে বললেন, “কাঁদছ কেন? কাকে খুঁজছ?” ঈসাকে বাগানের মালী ভেবে মরিয়ম বললেন, “দেখুন, আপনি যদি তাঁকে নিয়ে গিয়ে থাকেন তবে বলুন কোথায় রেখেছেন। আমিই তাঁকে নিয়ে যাব।”
16
ঈসা তাঁকে বললেন, “মরিয়ম।” তাতে মরিয়ম ফিরে দাঁড়িয়ে আরামীয় ভাষায় ঈসাকে বললেন, “রব্বুনি।” রব্বুনি মানে ওস্তাদ।
17
ঈসা মরিয়মকে বললেন, “আমাকে ধরে রেখো না, কারণ আমি এখনও উপরে পিতার কাছে যাই নি। তুমি বরং ভাইদের কাছে গিয়ে বল, যিনি আমার ও তোমাদের পিতা, যিনি আমার ও তোমাদের আল্লাহ্, আমি উপরে তাঁর কাছে যাচ্ছি।”
18
তখন মগ্দলীনী মরিয়ম সাহাবীদের কাছে গিয়ে সংবাদ দিলেন, তিনি ঈসাকে দেখেছেন আর ঈসাই তাঁকে এই সব কথা বলেছেন।
19
সেই একই দিনে, সপ্তার প্রথম দিনের সন্ধ্যাবেলায় সাহাবীরা ইহুদী নেতাদের ভয়ে ঘরের সমস্ত দরজা বন্ধ করে এক জায়গায় মিলিত হয়েছিলেন। তখন ঈসা এসে তাঁদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বললেন, “আস্সালামু আলাইকুম।”
20
এই কথা বলে তিনি তাঁর দুই হাত ও পাঁজরের দিকটা তাঁর সাহাবীদের দেখালেন। ঈসাকে দেখতে পেয়ে সাহাবীরা খুব আনন্দিত হলেন।
21
পরে ঈসা আবার তাঁদের বললেন, “আস্সালামু আলাইকুম। পিতা যেমন আমাকে পাঠিয়েছেন আমিও তেমনি তোমাদের পাঠাচ্ছি।”
22
এই কথা বলে তিনি সাহাবীদের উপর ফুঁ দিয়ে বললেন, “পাক-রূহ্কে গ্রহণ কর।
23
তোমরা যদি কারও গুনাহ্ মাফ কর তবে তার গুনাহ্ মাফ করা হবে, আর যদি কারও গুনাহ্ মাফ না কর তবে তার গুনাহ্ মাফ করা হবে না।”
24
ঈসা যখন এসেছিলেন তখন থোমা নামে সেই বারোজন সাহাবীদের মধ্যে একজন তাঁদের সংগে ছিলেন না। এই থোমাকে যমজ বলা হত।
25
অন্য সাহাবীরা পরে থোমাকে বললেন, “আমরা হুজুরকে দেখেছি।” থোমা তাঁদের বললেন, “আমি তাঁর দুই হাতে যদি পেরেকের চিহ্ন না দেখি, সেই চিহ্নের মধ্যে আংগুল না দিই এবং তাঁর পাঁজরে হাত না দিই, তবে কোনমতেই আমি বিশ্বাস করব না।”
26
এর এক সপ্তা পরে সাহাবীরা আবার ঘরের মধ্যে মিলিত হলেন, আর থোমাও তাঁদের সংগে ছিলেন। যদিও সমস্ত দরজা বন্ধ ছিল তবুও ঈসা এসে তাঁদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বললেন, “আস্সালামু আলাইকুম।”
27
পরে তিনি থোমাকে বললেন, “তোমার আংগুল এখানে দিয়ে আমার হাত দু’খানা দেখ এবং তোমার হাত বাড়িয়ে আমার পাঁজরে রাখ। অবিশ্বাস কোরো না বরং বিশ্বাস কর।”
28
তখন থোমা বললেন, “প্রভু আমার, আল্লাহ্ আমার।”
29
ঈসা তাঁকে বললেন, “থোমা, তুমি কি আমাকে দেখেছ বলে ঈমান এনেছ? যারা না দেখে ঈমান আনে তারা ধন্য।”
30
ঈসা সাহাবীদের সামনে চিহ্ন হিসাবে আরও অনেক অলৌকিক কাজ করেছিলেন; সেগুলো এই কিতাবে লেখা হয় নি।
31
কিন্তু এই সব লেখা হল যাতে তোমরা ঈমান আন যে, ঈসাই মসীহ্, ইব্নুল্লাহ্, আর ঈমান এনে যেন তাঁর মধ্য দিয়ে জীবন পাও।
← Chapter 19
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 21 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21