bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
/
John 9
John 9
Bengali Bangladesh MBCL (Kitabul Mukkadas)
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 10 →
1
পথ দিয়ে যাবার সময় ঈসা একজন অন্ধ লোককে দেখতে পেলেন। সে জন্ম থেকেই অন্ধ ছিল।
2
তখন সাহাবীরা ঈসাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “হুজুর, কার গুনাহে এই লোকটি অন্ধ হয়ে জন্মেছে? তার নিজের, না তার মা-বাবার?”
3
ঈসা জবাব দিলেন, “গুনাহ্ সে নিজেও করে নি, তার মা-বাবাও করে নি। এটা হয়েছে যেন আল্লাহ্র কাজ তার মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়।
4
যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন, বেলা থাকতে থাকতে তাঁর কাজ করা আমাদের দরকার। রাত আসছে, তখন কেউই কাজ করতে পারবে না।
5
যতদিন আমি দুনিয়াতে আছি আমি দুনিয়ার নূর।”
6
এই কথা বলবার পরে তিনি মাটিতে থুথু ফেলে কাদা করলেন। তারপর সেই কাদা তিনি লোকটির চোখে লাগিয়ে দিয়ে বললেন,
7
“যাও, শীলোহের পুকুরে গিয়ে ধুয়ে ফেল।” শীলোহ মানে পাঠানো হল। লোকটি গিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলল এবং চোখে দেখতে পেয়ে ফিরে আসল। এ দেখে তার প্রতিবেশীরা আর যারা তাকে আগে ভিক্ষা করতে দেখেছিল তারা সবাই বলতে লাগল,
8
“এ কি সেই লোকটি নয়, যে বসে বসে ভিক্ষা করত?”
9
কেউ কেউ বলল, “জ্বী, এ-ই সেই লোক।” আবার কেউ কেউ বলল, “যদিও দেখতে তারই মত তবুও সে নয়।” কিন্তু লোকটি নিজে বলল, “জ্বী, আমিই সেই লোক।”
10
তারা তাকে বলল, “কিন্তু কেমন করে তোমার চোখ খুলে গেল?”
11
সে জবাব দিল, “ঈসা নামে সেই লোকটি কাদা করে আমার চোখে লাগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘শীলোহের পুকুরে গিয়ে ধুয়ে ফেল।’ আমি গিয়ে ধুয়ে ফেললাম আর দেখতে পেলাম।”
12
তারা তাকে বলল, “সেই লোকটি কোথায়?” সে বলল, “আমি জানি না।”
13
যে লোকটি অন্ধ ছিল লোকেরা তাকে ফরীশীদের কাছে নিয়ে গেল।
14
যেদিন ঈসা কাদা করে তার চোখ খুলে দিয়েছিলেন সেই দিনটা ছিল বিশ্রামবার।
15
এইজন্য তাকে ফরীশীরাও আবার জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি কেমন করে দেখতে পেলে?” সে ফরীশীদের বলল, “তিনি আমার চোখের উপরে কাদা লাগিয়ে দিলেন, আর আমি তা ধুয়ে ফেলতেই দেখতে পেলাম।”
16
এতে ফরীশীদের মধ্যে কয়েকজন বললেন, “ঐ লোকটি আল্লাহ্র কাছ থেকে আসে নি, কারণ সে বিশ্রামবার পালন করে না।” অন্য ফরীশীরা বললেন, “যে লোক গুনাহ্গার সে কেমন করে এই রকম অলৌকিক কাজ করতে পারে?” এইভাবে তাঁদের মধ্যে মতের অমিল দেখা দিল।
17
তখন তাঁরা সেই লোকটিকে আবার জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি তার সম্বন্ধে কি বল? কারণ সে তো তোমারই চোখ খুলে দিয়েছে।” লোকটি বলল, “তিনি একজন নবী।”
18
ইহুদী নেতারা কিন্তু লোকটির পিতা-মাতাকে ডেকে জিজ্ঞাসা না করা পর্যন্ত বিশ্বাস করলেন না যে, সেই লোকটি আগে অন্ধ ছিল আর এখন দেখতে পাচ্ছে।
19
তাঁরা লোকটির পিতা-মাতাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “এ-ই কি তোমাদের সেই ছেলে যার সম্বন্ধে তোমরা বল যে, সে অন্ধ হয়ে জন্মেছিল? এখন তবে সে কেমন করে দেখতে পাচ্ছে?”
20
তার মা-বাবা জবাব দিল, “আমরা জানি এ আমাদেরই ছেলে, আর এ অন্ধ হয়েই জন্মেছিল।
21
কিন্তু কেমন করে সে এখন দেখতে পাচ্ছে তা আমরা জানি না; আর কে যে তার চোখ খুলে দিয়েছে তাও জানি না। ওর বয়স হয়েছে, ওকেই জিজ্ঞাসা করুন। ও নিজের বিষয় নিজেই বলুক।”
22
তার মা-বাবা ইহুদী নেতাদের ভয়ে এই সব কথা বলল, কারণ ইহুদী নেতারা আগেই ঠিক করেছিলেন যে, কেউ যদি ঈসাকে মসীহ্ বলে স্বীকার করে তবে তাকে সমাজ থেকে বের করে দেওয়া হবে।
23
সেইজন্যই তার মা-বাবা বলেছিল, “ওর বয়স হয়েছে, ওকেই জিজ্ঞাসা করুন।”
24
যে লোকটি আগে অন্ধ ছিল নেতারা তাকে দ্বিতীয় বার ডেকে বললেন, “তুমি সত্যি কথা বলে আল্লাহ্র প্রশংসা কর। আমরা তো জানি ঐ লোকটা গুনাহ্গার।”
25
সে জবাব দিল, “তিনি গুনাহ্গার কি না তা আমি জানি না; তবে একটা বিষয় জানি যে, আগে আমি অন্ধ ছিলাম আর এখন দেখতে পাচ্ছি।”
26
নেতারা বললেন, “সে তোমাকে কি করেছে? কেমন করে সে তোমার চোখ খুলে দিয়েছে?”
27
জবাবে লোকটি তাঁদের বলল, “আমি তো আগেই আপনাদের বলেছি, কিন্তু আপনারা শোনেন নি। কেন তবে আপনারা আবার শুনতে চান? আপনারাও কি তাঁর উম্মত হতে চান?”
28
এতে নেতারা লোকটিকে খুব গালাগালি দিয়ে বললেন, “তুই সেই লোকের উম্মত, কিন্তু আমরা মূসার উম্মত।
29
আমরা জানি আল্লাহ্ মূসা নবীর সংগে কথা বলেছিলেন, কিন্তু ঐ লোকটা কোথা থেকে এসেছে তা আমরা জানি না।”
30
তখন সেই লোকটি তাঁদের জবাব দিল, “কি আশ্চর্য! আপনারা জানেন না তিনি কোথা থেকে এসেছেন অথচ তিনিই আমার চোখ খুলে দিয়েছেন।
31
আমরা জানি আল্লাহ্ গুনাহ্গারদের কথা শোনেন না। কিন্তু যদি কোন লোক আল্লাহ্ভক্ত হয় ও তাঁর ইচ্ছামত কাজ করে তবে আল্লাহ্ তার কথা শোনেন।
32
দুনিয়া সৃষ্টির পর থেকে কখনও শোনা যায় নি, জন্ম থেকে অন্ধ এমন কোন লোকের চোখ কেউ খুলে দিয়েছে।
33
যদি উনি আল্লাহ্র কাছ থেকে না আসতেন তবে কিছুই করতে পারতেন না।”
34
জবাবে নেতারা বললেন, “তোর জন্ম হয়েছে একেবারে গুনাহের মধ্যে, আর তুই আমাদের শিক্ষা দিচ্ছিস?” এই বলে তাঁরা তাকে সমাজ থেকে বের করে দিলেন।
35
ঈসা শুনলেন যে, নেতারা লোকটিকে বের করে দিয়েছেন। পরে তিনি সেই লোকটিকে খুঁজে পেয়ে বললেন, “তুমি কি ইব্ন্তেআদমের উপর ঈমান এনেছ?”
36
সে জবাব দিল, “হুজুর, তিনি কে? আমাকে বলুন যাতে আমি তাঁর উপর ঈমান আনতে পারি।”
37
ঈসা তাকে বললেন, “তুমি তাঁকে দেখেছ, আর তিনিই তোমার সংগে কথা বলছেন।”
38
তখন লোকটি বলল, “হুজুর, আমি ঈমান আনলাম।” এই বলে সে ঈসাকে সেজদা করল।
39
ঈসা বললেন, “আমি এই দুনিয়াতে বিচার করবার জন্য এসেছি, যেন যারা দেখতে পায় না তারা দেখতে পায় এবং যারা দেখতে পায় তারা অন্ধ হয়।”
40
কয়েকজন ফরীশীও ঈসার সংগে ছিলেন। তাঁরা এই কথা শুনে তাঁকে বললেন, “তবে আপনি কি বলতে চান যে, আমরা অন্ধ?”
41
ঈসা তাঁদের বললেন, “আপনারা যদি অন্ধ হতেন তাহলে আপনাদের কোন দোষ থাকত না। কিন্তু আপনারা বলেন যে, আপনারা দেখতে পান, সেইজন্যই আপনাদের দোষ রয়েছে।
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 10 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21