bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Mark 1
Mark 1
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 2 →
1
যীশু খ্রীষ্টের সুসমাচারের শুরু; তিনি ঈশ্বরের পুত্র।
2
যিশাইয় ভাববাদীর বইতে যেমন লেখা আছে, “দেখ, আমি নিজের দূতকে তোমার অাগে পাঠাচ্ছি; সে তোমার পথ তৈরী করবে।
3
প্রান্তরের মধ্যে একজনের চিত্কার, সে জানাচ্ছে, তোমরা প্রভুর পথ তৈরী কর, তাঁর রাজপথ সোজা কর,”
4
সেই ভাবে যোহন হাজির হলেন ও প্রান্তরে বাপ্তিষ্ম দিতে লাগলেন এবং পাপের ক্ষমা, মন পরিবর্তন এবং বাপ্তিষ্মের বিষয় প্রচার করতে লাগলেন।
5
তাতে সব যিহূদিয়া দেশ ও যিরূশালেমে বসবাসকারী সবাই বের হয়ে তাঁর কাছে যেতে লাগল; আর নিজ নিজ পাপ স্বীকার করে যর্দ্দন নদীতে তাঁর মাধ্যমে বাপ্তিষ্ম নিতে লাগলো।
6
সেই যোহন উটের লোমের কাপড় পরতেন, তাঁর কোমরে চামড়ার কোমরবন্দ (বেল্ট) ছিল, এবং তিনি পঙ্গপাল ও বনমধু খেতেন ।
7
তিনি প্রচার করে বলতেন, যিনি আমার থেকে শক্তিমান, তিনি আমার পরে আসছেন; আমি নিচু হয়ে তাঁর জুতোর বাঁধন খোলার যোগ্যও না।
8
আমি তোমাদের জলে বাপ্তিষ্ম দিচ্ছি, কিন্তু তিনি তোমাদের পবিত্র আত্মায় বাপ্তিষ্ম দেবেন।
9
সে সময়ে যীশু গালীলের নাসরৎ শহর থেকে এসে যোহনের কাছে যর্দন নদীতে বাপ্তাইজিত হলেন।
10
আর সঙ্গে সঙ্গেই জলের মধ্য থেকে উঠবার সময় দেখলেন, আকাশ দুইভাগ হল এবং পবিত্র আত্মা পায়রার মত তাঁর ওপরে নেমে আসছেন।
11
আর স্বর্গ থেকে এই বাণী হল, ‘তুমিই আমার প্রিয় পুত্র, তোমাতেই আমি সন্তুষ্ট’।
12
আর সেইমুহূর্তে আত্মা তাঁকে প্রান্তরে পাঠিয়ে দিলেন,
13
সেই প্রান্তরে তিনি চল্লিশ দিন থেকে শয়তানের মাধ্যমে পরীক্ষিত হলেন; আর তিনি বন্য পশুদের সঙ্গে থাকলেন এবং স্বর্গীয় দূতগণ তাঁর সেবা যত্ন করতেন।
14
আর যোহনকে ধরে জেল খানায় ঢোকানোর পর যীশু গালীলে এসে ঈশ্বরের সুসমাচার প্রচার করে বলতে লাগলেন,
15
‘সময় সম্পূর্ণ হয়েছে, ঈশ্বরের রাজ্য কাছে এসে গেছে; তোমরা পাপ থেকে মন ফেরাও ও সুসমাচারে বিশ্বাস কর’।
16
পরে গালীল-সমুদ্রের পার দিয়ে যেতে যেতে যীশু দেখলেন, শিমোন ও তাঁর ভাই আন্দ্রিয় সমুদ্রে জাল ফেলছেন, কারণ তাঁরা পেশায় জেলে ছিলেন।
17
যীশু তাঁদেরকে বললেন, “আমার সঙ্গে এসো,” আমি তোমাদেরকে মানুষ ধরা জেলে করব।
18
আর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁরা জাল ফেলে দিয়ে তাঁর সঙ্গে গেলেন ।
19
পরে তিনি কিছু আগে গিয়ে সিবদিয়ের পুত্র যাকোব ও তাঁর ভাই যোহনকে দেখতে পেলেন; তাঁরাও নৌকোতে ছিলেন, জাল সরাই করছিলেন।
20
তিনি তখনই তাঁদেরকে ডাকলেন, তাতে তাঁরা তাদের পিতা সিবদিয়র কর্মচারীদের সঙ্গে নৌকো ছেড়ে যীশুর সঙ্গে চলে গেলেন।
21
পরে তাঁরা কফরনাহূমে গেলেন আর তখনই তিনি বিশ্রামবারে সমাজ-ঘরে গিয়ে শিক্ষা দিতে লাগলেন।
22
লোকেরা তাঁর শিক্ষায় আশ্চর্য্য হল, কারণ তিনি সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব সম্পন্ন মানুষের মতো তাদেরকে শিক্ষা দিচ্ছিলেন, ধর্ম শিক্ষকের মতো নয়।
23
তখন তাদের সমাজ-ঘরে একজন লোক ছিল, তাকে মন্দ আত্মায় পেয়েছিল; সে চেঁচিয়ে বললো,
24
হে নাসরতীয় যীশু, আপনার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কি? আপনি কি আমাদেরকে ধ্বংস করতে আসলেন? আমি জানি আপনি কে; আপনি ঈশ্বরের সেই পবিত্রব্যক্তি।
25
তখন যীশু সেই মন্দ আত্মাকে ধমক্ দিয়ে বললেন, চুপ কর, ওর মধ্য থেকে বের হও।
26
তাতে সেই মন্দ আত্মা তাকে মুচড়ে ধরলো এবং খুব জোরে চিৎকার করে তার মধ্য থেকে বের হয়ে গেল।
27
এতে সবাই আশ্চর্য্য হলো, এমন কি, তারা একে অপরকে বলতে লাগলো, আ! এটা কি? এ কেমন নতুন উপদেশ! উনি ক্ষমতার সঙ্গে মন্দ আত্মাদেরকেও আদেশ দেন, আর তারা ওনার আদেশ মানে।
28
তাঁর কথা খুব তাড়াতাড়ি গালীল প্রদেশের সবদিকে ছড়িয়ে পড়ল।
29
পরে সমাজ-ঘর থেকে বের হয়ে তখনই তাঁরা যাকোব ও যোহনের সঙ্গে শিমোন ও অন্দ্রিয়ের বাড়িতে গেলেন।
30
তখন শিমোনের শ্বাশুড়ীর জ্বর হয়েছে বলে শুয়ে ছিলেন; আর তাঁরা দেরী না করে তার কথা যীশুকে বললেন;
31
তখন তিনি কাছে গিয়ে তার হাত ধরে তাকে ওঠালেন। তখন তার জ্বর ছেড়ে গেল, আর যীশু তাঁদের সেবাযত্ন করতে লাগলেন।
32
পরে সন্ধ্যার সময়, সূর্য্য ডুবে যাওয়ার পর মানুষেরা সব অসুস্থ লোককে এবং ভূতগ্রস্তদের তাঁর কাছে অানল।
33
আর শহরের সমস্ত লোক দরজার কাছে জড়ো হল।
34
তাতে তিনি নানা প্রকার রোগে অসুস্থ অনেক লোককে সুস্থ করলেন এবং অনেক ভূত ছাড়ালেন আর তিনি ভূতদের কথা বলতে দিলেন না, কারণ তারা তাঁকে চিনত যে, তিনি কে।
35
খুব সকালে যখন অন্ধকার ছিল, তিনি উঠে বাইরে গেলেন এবং নির্জ্জন জায়গায় গিয়ে সেখানে প্রার্থনা করলেন।
36
শিমোন ও তাঁর সঙ্গীরা যারা যীশুর সঙ্গে ছিল তাঁকে খুঁজতে গেলেন।
37
তাঁকে পেয়ে তারা বললেন, সবাই আপনার খোঁজ করছে।
38
তিনি তাঁদেরকে বললেন, “চল, আমরা অন্য জায়গায় যাই, কাছাকাছি কোনো গ্রামে যাই, আমি সেই সব জায়গায় প্রচার করব, কারণ সেই জন্যই আমি এসেছি।”
39
পরে তিনি গালীল দেশের সব জায়গায় লোকদের সমাজ-ঘরে গিযে প্রচার করলেন ও ভূত ছাড়াতে লাগলেন।
40
একজন কুষ্ঠ রুগী এসে তাঁর কাছে অনুরোধ করে ও হাঁটু গেড়ে বললো, যদি আপনার ইচ্ছা হয়, আমাকে শুদ্ধ করতে পারেন।
41
তিনি দয়ার সাথে হাত বাড়িয়ে তাকে ছুঁলেন এবং তাকে বললেন, আমার ইচ্ছা, তুমি শুদ্ধ হও।
42
সেই মুহূর্তে কুষ্ঠরোগ তাকে ছেড়ে গেল, সে শুদ্ধ হল।
43
তিনি তাকে কঠোর আদেশ দিয়ে তাড়াতাড়ি পাঠিয়ে দিলেন,
44
যীশু তাকে বললেন, কাউকেও কিছু বলো না; কিন্তু যাজকের কাছে গিয়ে নিজেকে দেখাও, এবং লোকদের কাছে তোমার শুদ্ধ হওয়ার জন্য মোশির দেওয়া আদেশ মত সাক্ষ্য দাও ।
45
কিন্তু সে বাইরে গিয়ে সেকথা এমন অধিক ভাবে প্রচার করতে ও চারদিকে বলতে লাগল যে, যীশু আর স্বাধীন ভাবে কোন শহরে ঢুকতে পারলেন না, কিন্তু তাঁকে বাইরে নির্জন জায়গায় থাকতে হলো; আর লোকেরা সব দিক থেকে তাঁর কাছে আসতে লাগল।
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 2 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16