bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Mark 5
Mark 5
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 4
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 6 →
1
পরে তাঁরা সমুদ্রের ওপারে গেরাসেনীদের দেশে পৌঁছালেন ।
2
তিনি নৌকা থেকে বের হলেন তখনি এক জন লোক কবরস্থান থেকে তাঁর সামনে আসলো, তাকে মন্দ আত্মায় পেয়েছিল।
3
সে কবর স্থানে বাস করত এবং কেউ তাকে শিকল দিয়েও আর বেঁধে রাখতে পারত না।
4
লোকে বার বার তাকে বেড়ী ও শিকল দিয়ে বাঁধত, কিন্তু সে শিকল ছিঁড়ে ফেলত এবং বেড়ী ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করত; কেউ তাকে সামলাতে পারত না।
5
আর সে রাত দিন সবসময় কবরে কবরে ও পর্ব্বতে পর্ব্বতে চিৎকার করে বেড়াত এবং ধারালো পাথর দিয়ে নিজেই নিজের শরীরকে ক্ষতবিক্ষত করত।
6
সে দূর হতে যীশুকে দেখে দৌড়ে আসল এবং তাঁকে প্রণাম করল,
7
খুব জোরে চেঁচিয়ে সে বললো, হে যীশু, মহান ঈশ্বরের পুত্র, আপনার সঙ্গে আমার দরকার কি? আমি আপনাকে ঈশ্বরের দিব্যি দিয়ে বলছি, আমাকে যন্ত্রণা দেবেন না।
8
কারণ যীশু তাকে বলেছিলেন, হে মন্দ আত্মা, এই মানুষটির থেকে বের হয়ে যাও।
9
তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার নাম কি? সে উত্তর দিল, আমার নাম বাহিনী, কারণ আমরা অনেকে আছি।
10
পরে সে অনেক কাকুতি মিনতি করল, যেন তিনি তাদের সেই এলাকা থেকে বের না করে দেন।
11
সেই জায়গায় পাহাড়ের পাশে এক শুকরের পাল চরছিল।
12
আর তারা মিনতি করে বলল, ঐ শুকর পালের মধ্যে ঢুকতে দিন এবং আমাদেরকে পাঠিয়ে দিন।
13
তিনি তাদেরকে অনুমতি দিলেন। তখন সেই মন্দ আত্মারা বের হয়ে শুকরের পালের মধ্যে ঢুকলো; তাতে সেই শুকরপাল খুব জোরে দৌড়িয়ে ঢালু পাড় দিয়ে সমুদ্রে গিয়ে পড়ে ডুবে মরল। সেই পালে কমবেশি দুই হাজার শুকর ছিল।
14
যারা সেই শুকর গুলিকে চরাচ্ছিল, তারা পালিয়ে গিয়ে শহরে ও গ্রামে গ্রামে গিয়ে সংবাদ দিল। তখন কি ঘটেছে, দেখবার জন্য লোকেরা আসলো;
15
তারা যীশুর কাছে আসলো এবং যখন দেখল যাকে অনেকগুলো মন্দ আত্মায় পেয়েছিল সেই লোকটা কাপড় চোপড় পরে সুস্থ মনে বসে আছে; তাতে তারা ভয় পেল।
16
আর ঐ মন্দ আত্মায় পাওয়া লোকটীর ও শুকর পালের ঘটনা যারা দেখেছিল, তারা লোকদেরকে সব বিষয় বলল।
17
যারা সেখানে এসেছিল তারা নিজেদের এলাকা থেকে চলে যেতে তাঁকে অনুরোধ করতে লাগল।
18
পরে তিনি যখন নৌকোয় উঠেছেন, এমন সময় যাকে মন্দ আত্মায় পেয়েছিল, সে এসে তাঁকে অনুরোধ করল, যেন তাঁর সঙ্গে যেতে পারে।
19
কিন্তু তিনি তাকে অনুমতি দিলেন না, বরং বললেন, তুমি বাড়ীতে তোমার আত্মীয়দের কাছে যাও এবং ঈশ্বর তোমার জন্য যে যে মহৎ কাজ করেছেন ও তোমার জন্য যে করুণা করেছেন, তা তাদেরকে গিয়ে বল।
20
তখন সে চলে গেল, যীশু তার জন্য যে কত বড় কাজ করেছিলেন, তা দিকাপলিতে প্রচার করতে লাগল; তাতে সবাই আশ্চর্য্য হয়ে গেল ।
21
পরে যীশু নৌকায় আবার পার হয়ে ওপর পারে আসলে তাঁর কাছে বহু মানুষের ভিড় হল; তখন তিনি সমুদ্র-তীরে ছিলেন।
22
আর সমাজের মধ্য থেকে যায়ীর নামে এক জন নেতা এসে তাঁকে দেখে তাঁর পায়ে পড়লেন
23
এবং অনেক মিনতি করে বললেন, আমার মেয়েটী মরে যাওয়ার মত হয়েছে, আপনি এসে তার ওপরে আপনার হাত রাখুন, যেন সে সুস্থ হয়ে বেঁচে উঠে।
24
তখন তিনি তাঁর সঙ্গে গেলেন; তখন অনেক লোক তাঁর সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছিল ও তাঁর চারপাশে ঠেলাঠেলি করছিল।
25
আর একটী স্ত্রীলোক বারো বছর ধরে রক্তস্রাব রোগে ভুগছিল,
26
অনেক চিকিত্সকের মাধ্যমে বহু কষ্ট ভোগ করেছিল এবং তার যা টাকা ছিল সব ব্যয় করেও সুস্থতা পায়নি, বরং আরও অসুস্থ হয়েছিল।
27
সে যীশুর সমন্ধে শুনেছিল ভিড়ের মধ্যে যখন তিনি হাঁটছিলেন তখন তাঁর পিছন দিক থেকে এসে তাঁর কাপড় স্পর্শ করলো।
28
কারণ সে বললো, আমি যদি কেবল ওনার কাপড় ছুঁতে পারি, তবেই সুস্থ হব।
29
যখন সে ছুঁলো, তখনই তার রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে গেল এবং নিজের শরীর বুঝতে পারল যে ঐ যন্ত্রনাদায়ক রোগ হতে সে সুস্থ হয়েছে।
30
সঙ্গে সঙ্গে যীশু নিজে মনে জানতে পারলেন যে, তাঁর থেকে শক্তি বের হয়ে গেছে, তাই ভিড়ের মধ্যে মুখ ফিরিয়ে বললেন, কে আমার কাপড় ছুঁয়েছে?
31
তাঁর শিষ্যেরা বললেন, আপনি দেখেছেন, মানুষেরা ঠেলাঠেলি করে আপনার গায়ের ওপরে পড়ছে, আর আপনি বলছেন, কে আমাকে ছুঁলো?
32
কিন্তু কে এটা করেছিল, তাকে দেখবার জন্য তিনি চারদিকে দেখলেন ।
33
সেই স্ত্রীলোকটি জানত তার জন্য কি ঘটেছে, সেকারণে সে ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে তাঁর সামনে এসে শুয়ে পড়ল এবং সব সত্যি ঘটনা তাঁকে বলল।
34
তখন তিনি তাকে বললেন, মেয়ে, তোমার বিশ্বাস তোমাকে ভালো করেছে, শান্তিতে চলে যাও এবং স্বাস্থ্যবান হও ও তোমার রোগ হতে ভাল থাক।
35
তিনি যখন এই কথা তাকে বলছেন, এমন সময় সমাজ-ঘরের নেতা যায়ীরের বাড়ি থেকে লোক এসে তাঁকে বললো, আপনার মেয়ে মারা গেছে। গুরুকে আর কেন জালাতন করছ?
36
কিন্তু যীশু তাদের কথা শুনতে পেয়ে সমাজ-ঘরের নেতাকে বললেন, ভয় করো না, শুধুমাত্র বিশ্বাস কর।
37
আর তিনি পিতর, যাকোব এবং যাকোবের ভাই যোহন, এই তিন জন ছাড়া আর কাউকে নিজের সঙ্গে যেতে দিলেন না।
38
পরে তাঁরা সমাজের নেতার বাড়ীতে আসলেন, আর তিনি দেখলেন, সেখানে অনেকে মন খারাপ করে বসে আছে এবং লোকেরা খুব চিত্কার করে কাঁদছে ও বিলাপ করছে।
39
তিনি ভিতরে গিয়ে তাদেরকে বললেন, তোমরা চিত্কার করে কাঁদছ কেন? মেয়েটি মরেনি, ঘুমিয়ে রয়েছে।
40
এতে তারা তাঁকে উপহাস করল; কিন্তু তিনি সবাইকে বের করে দিয়ে, মেয়েটির বাবা ও মাকে এবং নিজের শিষ্যদের নিয়ে, যেখানে মেয়েটি ছিল সেই ঘরের ভিতরে গেলেন ।
41
পরে তিনি মেয়েটির হাত ধরে তাকে বললেন, টালিথা কুমী; অনুবাদ করলে এর মানে হয়, খুকুমনি, তোমাকে বলছি, ওঠ।
42
সঙ্গে সঙ্গে মেয়েটি তখনি উঠে বেড়াতে লাগল, কারণ তার বয়স বারো বছর ছিল। এতে তারা খুব অবাক ও বিস্মিত হল।
43
পরে তিনি তাদেরকে কড়া আদেশ দিলেন, যেন কেউ এটা জানতে না পারে, আর তিনি মেয়েটিকে কিছু খাবার দেবার জন্য বললেন।
← Chapter 4
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 6 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16