bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
2 Samuel 22
2 Samuel 22
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 21
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 23 →
1
1 যেদিন প্রভু পরমেশ্বর শৌল ও অন্যান্য শত্রুদের হাত থেকে দাউদকে উদ্ধার করেছিলেন, সেদিন তিনি প্রভু পরমেশ্বরের উদ্দেশে এই স্তব নিবেদন
2
করেনঃ প্রভু পরমেশ্বরই আমার শৈল, আমার দুর্গ আমার উদ্ধার কর্তা,
3
আমার ঈশ্বর, আমার সুদৃঢ শৈল, আমি তাঁরই শরণাগত। তিনিই আমার ঢাল, আমার পরিত্রাতা, আমার সুউচ্চ নিরাপদ আশ্রয়।
4
আমি প্রভুকেই করব আবাহন তিনিই স্তুতির যোগ্য, শত্রুদের হাত থেকে তাহলে আমি পাব উদ্ধার।
5
মৃত্যুর তরঙ্গ আমায় ঘিরে রেখেছিল, সর্বনাশের বন্যায় আমি বিধ্বস্ত হয়েছিলাম,
6
পাতাল পুরীর মরণ-পাশে আমি বাঁধা পড়েছিলাম। আমার সামনে পাতা ছিল মরণের ফাঁদ।
7
সেই সঙ্কটে আমি ডাকলাম প্রভু পরমেশ্বরকে, আমি ডাকলাম আমার ঈশ্বরকে। তাঁর মন্দির থেকে তিনি শুনলেন আমার ডাক, আমার কান্না পৌঁছাল তাঁর কানে।
8
তখন জ্বলে উঠল তাঁর ক্রোধ পৃথিবী টলতে লাগল, কাঁপতে লাগল পর্বতমালার ভিত্তি দুলে উঠল, কাঁপতে লাগল থর থর করে।
9
তাঁর নাসারন্ধ্র থেকে উদ্গীর্ণ হল ধূম, মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে লাগল সর্বগ্রাসী অগ্নিশিখা, জ্বলন্ত অঙ্গার।
10
গগনমণ্ডল অবনত করে তিনি নেমে এলেন তাঁর পদতলে ছিল গাঢ় অন্ধকার।
11
করূবপৃষ্ঠে আরোহণ করে তিনি হলেন উড্ডীয়মান, প্রভঞ্জনের পাখায় ভর করে তিনি উড়ে এলেন।
12
তিনি অন্ধকারে নিজেকে ঢেকে ফেললেন, আকাশের ঘোর ঘনঘটায় রচনা করলেন আবরণ।
13
তাঁর শ্রীমুখের তেজপুঞ্জ থেকে জ্বলে উঠল অঙ্গার রাশি,
14
প্রভু পরমেশ্বর আকাশ থেকে বজ্রনাদ করলেন, বজ্রনির্ঘোষে ধ্বনিত হল পরাৎপরের কন্ঠস্বর।
15
শর নিক্ষেপ করে তিনি শত্রুকুলকে করলেন ছত্রভঙ্গ, অজস্র বিদ্যুৎ চমকে তারা হল ইতঃস্তত বিক্ষিপ্ত।
16
প্রভু পরমেশ্বরের হুঙ্কারে, তাঁর প্রচণ্ড ফুৎকারে সাগরের জল সরে গেল, প্রকাশিত হল পৃথিবীর ভিত্তিমূল।
17
ঊর্ধ্ব থেকে হাত বাড়িয়ে তিনি আমাকে ধারণ করলেন, অথৈ জল থেকে, আমায় তিনি টেনে তুললেন।
18
তিনি আমায় উদ্ধার করলেন প্রবল শত্রুর কবল থেকে, উদ্ধার করলেন আমার বিদ্বেষীদের হাত থেকে, কারণ তারা ছিল আমার চেয়ে শক্তিমান।
19
বিপদের দিনে তারা আমায় আক্রমণ করল কিন্তু প্রভু পরমেশ্বর হলেন আমার সহায়।
20
তিনি আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে এলেন মুক্ত অঙ্গনে, প্রসন্ন ছিলেন তিনি আমার উপর, তাই আমায় আনলেন উদ্ধার করে।
21
আমার ন্যায়নিষ্ঠা অনুযায়ী প্রভু পরমেশ্বর পুরস্কার দিলেন আমায়, আমার কলঙ্কহীন হাতদুখানির জন্য আবার আমায় দিলেন প্রতিষ্ঠা।
22
প্রভু পরমেশ্বরের নির্দেশিত পথেই আমি চলেছি, মতিচ্ছন্ন হয়ে আমি পরিত্যাগ করি নি আমার ঈশ্বরকে।
23
তাঁর সমস্ত বিধান আমি পালন করেছি, আমি অমান্য করি নি তাঁর অনুশাসন।
24
তিনি জানেন, আমি নির্দোষ, অপরাধ থেকে আমি নিজেকে দূরে রেখেছি।
25
তাই প্রভু পরমেশ্বর আমার ন্যায়নিষ্ঠার পুরস্কার দিলেন। কারণ তিনি জানেন আমার হাত অমলিন।
26
তোমার প্রতি যারা একনিষ্ঠ তাদের প্রতি তুমিও নিষ্ঠাবান নিখুঁত মানুষের সাথে খুঁতহীন তোমারও আচরণ।
27
শুদ্ধাচারীর কাছে প্রকাশ কর তুমি নিজের শুদ্ধতা, কুটিলের কুটিলতা তোমার কাছে হার মানে।
28
নত-নম্র মানুষকে তুমি উদ্ধার কর কিন্তু গর্বোদ্ধতকে তুমি কর অবনমিত।
29
হে প্রভু পরমেশ্বর, তুমিই আমার প্রদীপ, তুমিই আমার ঈশ্বর, আমার আঁধারের আলো।
30
তুমি সহায় হলে আমি ধ্বংস করতে পারি শত্রুসেনানী হে আমার ঈশ্বর, তোমার শক্তিতে আমি লঙ্ঘন করতে পারি বাধার প্রাচীর।
31
ইনিই ঈশ্বর, এঁর পথ নির্ভুল প্রভু পরমেশ্বরের প্রতিজ্ঞা নির্ভরযোগ্য, তিনি তাঁর শরণাগতের ঢালস্বরূপ।
32
প্রভু পরমেশ্বর ছাড়া ঈশ্বর আর কে আছে? আমাদের ঈশ্বর ছাড়া আশ্রয় শৈল আর কে আছে?
33
এই ঈশ্বরই আমার সুদৃঢ় দুর্গ, তিনি নিরঙ্কুশ করেছেন আমার চলার পথ।
34
তিনি আমার চরণযুগলে দিয়েছেন হরিণীচরণের ক্ষিপ্রতা, শৈল শিখরেও আমায় তিনি নিরাপদে রাখেন।
35
তিনি আমার এই হাতদুখানিকে শিখিয়েছেন রণকৌশল তাই আমার বাহুদ্বয় তাম্রনির্মিত ধনুক নোয়াতে পারে।
36
তুমি আমায় দিয়েছ তোমার পরিত্রাণের ঢাল তোমার অমায়িকতা আমায় করেছে মহান,
37
তুমি আমায় দিয়েছ চলার জন্য প্রশস্ত পথ তাই স্খলিত হয় নি আমার চরণ।
38
শত্রুরা পালিয়ে রক্ষা পায় নি আমি ধ্বংস করেছি তাদের, একেবারে শেষ না করে, আসি নি ফিরে-
39
আমি তাদের ধ্বংস করেছি, সংহার করেছি সমূলে। যাতে তারা আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, তারা পরাজিত, শায়িত আমার পদতলে।
40
কারণ তুমিই দিয়েছ আমায় যুদ্ধ করার শক্তি আমায় যারা আক্রমণ করেছিল তাদের উপর তুমি আমায় করেছ বিজয়ী।
41
আমার শত্রুদের তুমি পলায়নে বাধ্য করেছ, আমার বিদ্বেষীদের আমি করেছি নিধন।
42
তারা সাহায্যের জন্য কেঁদেছিল কিন্তু তাদের রক্ষা করতে কেউ আসে নি তারা ডেকেছিল প্রভু পরমেশ্বরকে, কিন্তু তিনিও দেন নি সাড়া।
43
আমি তাদের গুঁড়িয়ে ধুলো করে দিলাম, পথের কাদার মত পায়ে দলে ছুঁড়ে ফেললাম।
44
তুমি আমাকে বিদ্রোহী প্রজার হাত থেকে রক্ষা করেছ, জাতিবৃন্দের উপরে তুমি আমার কর্তৃত্ব বজায় রেখেছ, যাদের আমি চিনতাম না তারা আমার বশ্যতা স্বীকার করেছে।
45
বিদেশীরা আমার কাছে নতি স্বীকার করেছে, আমার কথা শোনামাত্রই তারা আমার আজ্ঞা পালন করে।
46
তারা সাহস হারিয়েছে, কাঁপতে কাঁপতে বেরিয়ে এসেছে তাদের দুর্গ থেকে।
47
প্রভু পরমেশ্বর চিরজাগ্রত। ধন্য আমার আশ্রয়দুর্গ আমার পরিত্রাতা ঈশ্বরের মহিমা হোক।
48
তুমিই সেই ঈশ্বর, তুমি আমায় শত্রুর ওপর বিজয়ী করেছ, জাতিবৃন্দকে করেছ আমার পদানত।
49
তুমিই সেই ঈশ্বর, তুমি আমায় শত্রুর কবল থেকে উদ্ধার করে এনেছ, বিপক্ষের উপরে করেছ আমায় বিজয়ী, উদ্ধার করেছ আমায় দুর্বৃত্তের হাত থেকে।
50
তাই আমি, হে প্রভু পরমেশ্বর, জাতিবৃন্দের মাঝে কীর্তন করব মহিমা তোমার! স্তবগান, করব আমি তোমারই নামে।
51
তিনি তাঁর রাজাকে ভূষিত করেন মহাবিজয় গৌরবে। তাঁর অভিষিক্তের প্রতি, দাউদ ও তাঁর বংশের প্রতি প্রদর্শন করেন তাঁর অবিচল প্রেম।
← Chapter 21
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 23 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24