bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Isaiah 14
Isaiah 14
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 13
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 53
Chapter 54
Chapter 55
Chapter 56
Chapter 57
Chapter 58
Chapter 59
Chapter 60
Chapter 61
Chapter 62
Chapter 63
Chapter 64
Chapter 65
Chapter 66
Chapter 15 →
1
প্রভু পরমেশ্বর আবার তঁরা প্রজা ইসরায়েলকে করুণা করবেন, আবার তাদের আপন সন্তানরূপে মনোনীত করবেন। তিনি আবার তাদের নিজেদের দেশে বসতি করাবেন এবং বিদেশীরা আবার আসবে, বাস করবে তাদের সঙ্গে।
2
প্রভু পরমেশ্বরের দেওয়া দেশে ফিরে যাবার জন্য বহু জাতি ইসরায়েলীয়দের সাহায্য করবে এবং সেই সমস্ত জাতি সেখানে ইসরায়েলীদের দাসত্ব করবে। একসময় যারা ইসরায়েলীদের বন্দী করেছিল এবার ইসরায়েলীরাই তাদের বন্দী করবে এবং এক সময় যারা তাদের নিপীড়ন করেছিল, এবার ইসরায়েলীরা তাদের উপর কর্তৃত্ব করবে।
3
অত্যাচারীর নিপীড়ন ও যন্ত্রণা থেকে এবং দাসত্বের কঠোর পরিশ্রম থেকে প্রভু পরমেশ্বর ইসরায়েল জাতিকে যখন মুক্তি দেবেন,
4
তখন তারা ব্যাবিলনরাজের উদ্দেশে উপহাস করে বলবে: নৃশংস রাজার পতন হয়েছে! সে আর কোনদিন কাউকে নিপীড়ন করবে না!
5
প্রভু পরমেশ্বর দুষ্ট শাসকদের ক্ষমতা চূর্ণ করেছেন!
6
এরা বিজিত জাতিবৃন্দকে নির্মম পীড়নে জর্জরিত করেছে অবিরাম।
7
অবশেষে, এ ধরণী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে, লাভ করেছে শান্তি, মর্ত্যবাসী মুখর হয়েছে আনন্দে।
8
দেবদারু ও লেবাননের সীডার তরু রাজার পতনে উল্লসিত, কারণ তাদের ছেদন করত যে, সে আর নাই, পতন হয়েছে তার!
9
ব্যাবিলনরাজকে অভ্যর্থনা করার জন্য মৃত্যুলোকে প্রস্তুতি চলছে। মর্ত্যলোকে যারা ক্ষমতাবান ছিল, তাদের প্রেতাত্মারা সেখানে আলোড়ন তুলেছে। রাজন্যবর্গের প্রেতাত্মারা সিংহাসন ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছে।
10
তাকে তারা ডেকে বলছে, ‘এবার তুমিও আমাদেরই মত হীনবল হলে। আজ তুমি আমাদেরই একজন!
11
একদিন বীণার ঝঙ্কারে তোমাকে সসম্মানে অভ্যর্থনা করা হতো, কিন্তু আজ তুমি মৃত্যুলোকের অধিবাসী! তুমি শুয়ে আছ জঘন্য কীটের বিছানায়, অসংখ্য কীট আচ্ছাদন করেছে তোমার সর্বাঙ্গ!
12
হে ব্যাবিলনরাজ, উজ্জ্বল প্রভাতী তারা, হে ঊষানন্দন! স্বর্গ থেকে পতন হয়েছে তোমার! অতীতে তুমি জয় করেছ বহু রাজ্য, কিন্তু আজ তুমি নিক্ষিপ্ত হয়েছ ধরার দূলায়।
13
তুমি চেয়েছিলে স্বর্গে আরোহণ করে নক্ষত্রলোকের ঊর্ধ্বে স্থাপন করবে তোমার সিংহাসন। ভেবেছিলে, উত্তরের ঐ পর্বত শিখরে, যেখানে সমাগত হয় দেবতাবৃন্দ, সেইখানে উপবেশন করবে তুমি রাজ সমারোহে।
14
তুমি চেয়েছিলে, মেঘলোকের উপরে পরাৎপর প্রভু পরমেশ্বরের মত অধিষ্ঠান করতে।
15
কিন্তু তার পরিবর্তে তোমাকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে মৃত্যুলোকের গভীর গহ্বরে! অতল গভীরে!
16
মৃতেরা বিস্ময়ে তোমার দিকে চেয়ে থাকবে, আর ভাববে এই ব্যক্তিই না একদিন কাঁপিয়ে তুলতো পৃথিবীকে, রাজ্যসমূহকে কাঁপিয়ে তুলতো দারুণ দাপটে?
17
এই ব্যক্তিই না নগর-জনপদ ধ্বংস করে পৃথিবীকে পরিণত করেছে ঊষর মরুতে? এই ব্যক্তিই না বন্দীদের মুক্তি দেয় নি কোনদিন ফিরে যেতে দেয় নি তাদের মাতৃ-ভূমিতে?
18
মর্ত্যলোকের রাজারা তাদের আড়ম্বরপূর্ণ সমাধিতে শুয়ে আছে কিন্তু
19
তোমার কোন সমাধি নাই, তোমার মৃতদেহ নিক্ষেপ করা হয়েছে বাইরে যাতে গলে পচে শেষ হয়ে যায়। গহ্বরে নিক্ষিপ্ত হয়েছে তোমার দেহ, ঢাকা পড়ে গেছে যুদ্ধে নিহত মৃতসৈনিকদের মৃতদেহের নীচে। পাথর চাপা দেওয়া হয়েছে তার উপরে। তারপর তাদের সকলের সঙ্গে তোমার দেহও হয়েছে পদদলিত।
20
তুমি নিজের দেশ ধ্বংস করেছ, নিধন করেছ স্বজাতিকে। তাই অন্যান্য রাজন্যবর্গের মত তুমি সসম্মানে সমাধিলাভ করবে না।তোমার দুরাচারী বংশের কেউ রক্ষা পাবে না।
21
এবার আরম্ভ হতে দাও নিধন যজ্ঞ! পূর্বপুরুষদের পাপে এই রাজার সন্তানেরা নিহত হবে। এই পৃথিবীতে তারা কেউ রাজত্ব করতে পারবে না, গড়ে তুলতে পারবে না নগর-জনপদ।
22
সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর বলেছেনঃ আমি ব্যাবিলন আক্রমণ করব এবং ধ্বংস করব সম্পূর্ণভাবে। কোন সন্তান-সন্ততি, বংশধর, কাউকে বাকী রাখব না, আমি, প্রভু পরমেশ্বর, এই কথা বললাম।
23
ব্যাবিলনকে আমি পরিণত করব জলাভূমিতে, সেখানে বাস করবে পেচককুল! ব্যাবিলনের সব কিছু আমি সম্মার্জনী দিয়ে আবর্জনার মত পরিষ্কার করে ফেলে দেব। আমি প্রভু পরমেশ্বর, এই কথা বললাম।
24
সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর শপথ করে বলেছেনঃ আমার সঙ্কল্প অবশ্যই কার্যে পরিণত হবে। যে কাজ করার সিদ্ধান্ত আমি গ্রহণ করেছি, তা আমি করবই।
25
আমার ইসরায়েল ভূমিতে বসবাসকারী আসিরীয়দের আমি ধ্বংস করব, আমার পর্বতমালার উপরে ওদের পিষ্ট, পদদলিত করব। আমার প্রজাদের মুক্ত করব আমি আসিরীয় যোঁয়ালির ভার থেকে, মুক্ত করব তাদের ভার বহনের কঠোর শ্রম ও পীড়ন থেকে।
26
সমগ্র পৃথিবীর জন্য এই হল আমার পরিকল্পনা, জাতিবৃন্দকে শাস্তি দেবার জন্য আমার হাত উদ্যত হয়ে আছে।
27
সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বরের এই হল স্থির সঙ্কল্প, কে তাঁকে রোধ করতে পারে? দণ্ডদানে উদ্যত তাঁর হাত কে থামাতে পারে?
28
রাজা আহসের মৃত্যুর বৎসরে এই দৈববাণী হয়:
29
যে দণ্ড তোমাকে প্রহার করত হে ফিলিস্তিয়া, সেই দণ্ড ভেঙ্গে গেছে বলে উল্লসিত হয়ো না। একটি সাপের মৃত্যু হলে তার চেয়ে ভয়ানক আর একটি সাপ এসে সেই স্থান দখল করে। তার ডিম থেকে ফুটে বার হবে বিষধর উড়ুক্কু সাপ।
30
প্রভু পরমেশ্বরে তাঁর দীন-অসহায় প্রজাদের পালক হবেন, তাদের বসতি করবেন নিরাপদ। কিন্তু হে ফিলিস্তিনী, তোমাদের উপরে তিনি প্রেরণ করবেন ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, তার হাত থেকে তোমরা কেউ বাঁচবে না।
31
হে ফিলিস্তিয়ার নগর-জনপদ, হাহাকার কর, চীৎকার করে কাঁদ সাহায্যের জন্য। ভয়ে, আতঙ্কে সন্ত্রস্ত হয়ে ওঠ সকলে! উত্তর দিক থেকে ধূলিমেঘ ছুটে আসছে, এ হল এমন এক সৈন্যবাহিনী, যেখানে কাপুরুষের কোন স্থান নাই।
32
ফিলিস্তিয়ার দূতদলকে আমরা কি উত্তর দেব? আমরা বলব, প্রভু পরমেশ্বর সিয়োনের ভিত্তিভূমিকে সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তাঁর দীন দুঃখী প্রজাবৃন্দ সেখানে নিরাপদ আশ্রয় লাভ করবে।
← Chapter 13
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 53
Chapter 54
Chapter 55
Chapter 56
Chapter 57
Chapter 58
Chapter 59
Chapter 60
Chapter 61
Chapter 62
Chapter 63
Chapter 64
Chapter 65
Chapter 66
Chapter 15 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52
53
54
55
56
57
58
59
60
61
62
63
64
65
66