bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Isaiah 49
Isaiah 49
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 48
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 53
Chapter 54
Chapter 55
Chapter 56
Chapter 57
Chapter 58
Chapter 59
Chapter 60
Chapter 61
Chapter 62
Chapter 63
Chapter 64
Chapter 65
Chapter 66
Chapter 50 →
1
শোন আমার কথা হে সুদূরের জাতিবৃন্দ, শোন তোমরা বসতি যাদের বহুদূরে! প্রভু পরমেশ্বর আমার জন্মের পূর্বেই মনোনীত করেছেন আমাকে, করেছেন নিয়োগ আমায় তাঁর দাসের পদে।
2
আমার মুখের কথাকে তিনি করেছেন তীক্ষ্ণধার তরবারির মত, সুরক্ষা করেছেন আমায় আপন হাতের অন্তরালে। তিনি করেছেন আমায় শাণিত বাণস্বরূপ, রেখেছেন প্রস্তুত আপন তূণে।
3
তিনি বলেছেন আমায়, হে ইসরায়েল, তুমি আমার দাস, তোমারই কারণে মানুষ দেবে আমায় গৌরব ও মহিমা।
4
আমি বললাম, পরিশ্রম করেছি আমি কিন্তু সকলই হয়েছে ব্যর্থ! সমস্ত শক্তি আমার নিয়োগ করেছি আমি কিন্তু বৃথা গেছে সব। তবু প্রভু পরমেশ্বরে আমার আস্থা অবিচল আমি পাব তাঁর সুবিচার তিনি দেবেন আমায় আমার শ্রমের পুরস্কার।
5
প্রভু পরমেশ্বর তাঁর দাসরূপে নিয়োগ করার জন্যই সৃজন করেছেন আমায় মাতৃগর্ভে, জন্মের পূর্বেই আমি হয়েছি নিয়োজিত তাঁর প্রজা ইসরায়েলকে ফিরিয়ে আনার কাজে সমবেত করতে তাদের প্রভুর কাছে, তারা ছড়িয়ে আছে নানা দিকে। প্রভু পরমেশ্বর দিয়েছেন আমায় সম্মান ও গৌরব তিনিই আমার শক্তির উৎস।
6
প্রভু পরমেশ্বর বলেছেন আমায়, হে আমার দাস, আমি দেব তোমায় মহত্তর কর্মের মহান দায়িত্বভার। যাকোবের কুলকে পুনরুদ্ধার করে মহান জাতিরূপে প্রতিষ্ঠা করাই একমাত্র কাজ নয় তোমার, এ তো সামান্য কাজ। তুমি হবে আলোকস্বরূপ জাতিবৃন্দের কাছে, সারা জগতের কাছে তুমি পৌঁছে দেবে আমার পরিত্রাণ।
7
জাতিবৃন্দের ঘৃণার পাত্র, শাসকবর্গের ভৃত্য ও মানুষের অবজ্ঞার পাত্র সেই ব্যক্তিকে ইসরায়েলের মুক্তিদাতা পবিত্রতম ঈশ্বর বলেন, নৃপতিবৃন্দ তোমাকে দেখে সসম্ভ্রমে উঠে দাঁড়াবে, রাজপুরুষেরা প্রণিপাত করবে তোমায় সসম্মানে। পবিত্রতম প্রভু পরমেশ্বর মনোনীত করেছেন তাঁর দাসকে তিনি রক্ষা করেন তাঁর প্রতিশ্রুতি।
8
প্রভু পরমেশ্বর তাঁর প্রজাবৃন্দকে বলেছেন, উদ্ধারের সময় হলেই লাভ করবে তুমি আমার কৃপা, সাহায্যের জন্য তোমার কাতর ক্রন্দনে সাড়া দেব আমি। আমি রক্ষা করব তোমায় সতর্ক প্রহরায় তোমারই মাধ্যমে আমি সম্পাদন করব এক সন্ধিচুক্তি প্রজাবৃন্দের সাথে। তোমার আপন দেশে, যে দেশ আজ বিধ্বস্ত, বসতিহীন জনমানবশূন্য।
9
বন্দীদের আমি বলব, যাও, তোমরা মুক্ত! অন্ধকারে বসতি যাদের, তাদের আমি বলব, তোমরা আলোয় বেরিয়ে এস! তারা হবে পাহাড়ের বুকে চারণভূমির মেষের মত তৃপ্ত,
10
কখনও তারা ক্ষুধিত হবে না, হবে না কখনও তৃষিত। রৌদ্রের খরতাপ আর তপ্ত মরুবালি দগ্ধ করবে না তাদের, কারণ তাদের পরিচালনা করে নিয়ে যাবেন এমন একজন, যিনি ভালবাসেন তাদের, জলের উৎসমুখে তিনি নিয়ে যাবেন তাদের।
11
আমার প্রজাদের জন্য আমি তৈরী করব এক রাজপথ গিরিপর্বত সমতল করে।
12
বহুদূর দেশ থেকে আসবে আমার প্রজাবৃন্দ সেই পথ দিয়ে আসবে উত্তর ও পশ্চিম থেকে, আসবে দক্ষিণের আসোয়ান থেকে।
13
হে আকাশমণ্ডল মুখরিত হও সঙ্গীতে! আনন্দ ধ্বনি কর হে ধরিত্রী! পর্বতমালা উচ্ছ্বসিত হোক গানে গানে! প্রভু পরমেশ্বর দূর করবেন তাঁর প্রজাবৃন্দের দুঃখ দুর্দশা, দান করবেন তাদের সান্ত্বনা, দুঃখভারে জর্জরিত প্রজাদের উপর বর্ষণ করবেন করুণাধারা।
14
কিন্তু জেরুশালেমের মানুষ বলল, প্রভু পরমেশ্বর আমাদের পরিত্যাগ করেছেন তিনি ভুলে গেছেন আমাদের।
15
প্রভু পরমেশ্বর তখন বললেন, কোন নারী কি তার শিশুসন্তানকে ভুলে থাকতে পারে? পারে কি তাকে স্নেহবঞ্চিত করতে যাকে সে করেছে গর্ভে ধারণ? জননী যদি বা ভোলে সন্তানকে তার আমি কখনও ভুলবো না তোমায়।
16
জেরুশালেম, কখনও আমি ভুলবো না তোমায়, আমি লিখেছি তোমার নাম আমার হাতের তালুতে।
17
যারা পুনরায় নির্মাণ করবে তোমায় শীঘ্রই আসছে তারা এবং যারা করেছিল ধ্বংস তোমায় তারা চলে যাবে।
18
চেয়ে দেখ চারিদিকে, কি ঘটনা ঘটছে তোমাকে ঘিরে! তারা একত্রে সমবেত হচ্ছে, ঘরে ফিরে আসছে সন্তানেরা তোমার। আমি যে জাগ্রত ঈশ্বর, এ যেমন ধ্রুব সত্য এ তেমনই সত্য কথা, তুমি গর্বিত হবে তোমার প্রজাগৌরবে, যেমন গর্বিত হয় বধূ তার মহামূল্য অলঙ্কারে।
19
বিধ্বস্ত ও জনমানবশূন্য হয়েছিল তোমার দেশ আজ যারা ফিরে আসছে এখানে বসতি করতে এ দেশের পরিসর হবে বড় ছোট তাদের পক্ষে। আর যারা তোমায় করেছিল পরিত্যাগ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বিদূরিত হবে তারা।
20
তোমার যে প্রজাদের জন্ম হয়েছিল প্রবাসে, তারা একদিন বলবে তোমায়, বড় ক্ষুদ্র এ দেশ—আমাদের আরও স্থান চাই।
21
তখন তুমি বলবে আপন মনে, আমি তো সর্বহারা, হারিয়েছি আমার সন্তানদের, কেউ নেই আর আমার। তবে কে এদের ধারণ করেছে আমার জন্য? আমি ছিলাম নির্বাসিত, বিতাড়িত, পরিত্যক্ত, একাকিনী, কোথা থেকে এই এই সন্তান দল?
22
সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর তাঁর প্রজাদের বলেন, আমি সঙ্কেত পাঠাব জাতিবৃন্দের কাছে, তারা তোমার সন্তানদের ফিরিয়ে আনবে ঘরে।
23
নৃপতিবৃন্দ হবে তোমার পালক পিতা, রাণীরা হবে ধাত্রীস্বরূপা জননী তোমার। নতশিরে তারা সম্মান জানাবে তোমায়, সসম্ভ্রমে আনত হবে তারা সম্মুখে তোমার। তখনই জানবে তুমি, আমিই প্রভু পরমেশ্বর! যারা আমার ভরসায় থাকে, কখনও হতাশ হবে না তারা।
24
শক্তিমানের হাত থেকে লুণ্ঠিত দ্রব্য কেড়ে আনা যায় কি কখনও, বন্দীদের উদ্ধার করা কি যায় স্বৈরাচারীর হাত থেকে?
25
প্রভু পরমেশ্বর যা বলেছেন, ঠিক তাই-ই ঘটতে চলেছে, বন্দীদের মুক্ত করে আনা হবে শক্তিমানের হাত থেকে, স্বৈরাচারীর কবল থেকে কেড়ে আনা হবে তার লুন্ঠিত দ্রব্য সম্ভার। যে তোমার বিরোধীতা করে আমি স্বয়ং রোধ করব তাকে, উদ্ধার করব তোমার সন্তান সন্ততিদের।
26
তোমার উপরে যারা অত্যাচার করে সেই অত্যাচারীর নিজেদের মধ্যেই হানাহানি করে একে অপরকে হত্যা করবে, উন্মত্ত হয়ে উঠবে তারা রক্তের নেশায়। তখন সর্বমানব জানবে, আমিই প্রভু পরমেশ্বর, সেই মুক্তিদাতা, উদ্ধারকর্তা তোমাদের, ইসরায়েলের আরাধ্য মহাশক্তিমান ঈশ্বর।
← Chapter 48
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 53
Chapter 54
Chapter 55
Chapter 56
Chapter 57
Chapter 58
Chapter 59
Chapter 60
Chapter 61
Chapter 62
Chapter 63
Chapter 64
Chapter 65
Chapter 66
Chapter 50 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52
53
54
55
56
57
58
59
60
61
62
63
64
65
66