bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Luke 12
Luke 12
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 13 →
1
এর মধ্যে হাজার হাজার লোক সমবেত হয়ে এক জন অন্যের উপর পড়তে লাগল, তখন তিনি তাঁর শিষ্যদের বলতে লাগলেন, “তোমরা ফরীশীদের খামির (ইস্ট) থেকে সাবধান থাক, তা ভণ্ডামি।
2
কিন্তু এমন ঢাকা কোনো কিছুই নেই, যা প্রকাশ পাবে না এবং এমন কিছুই গোপন নেই, যা জানা যাবে না।
3
অতএব তোমরা অন্ধকারে যা কিছু বলেছ, তা আলোতে শোনা যাবে এবং কোনো গোপন জায়গায় কানে কানে যা বলেছ, তা ছাদের উপরে প্রচারিত হবে ।
4
আর, হে আমার বন্ধুরা, আমি তোমাদের বলছি, যারা শরীর বধ করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না, তাদের ভয় পেও না ।
5
তবে কাকে ভয় করবে, তা বলে দিই, বধ করে নরকে ফেলার যাঁর ক্ষমতা আছে, তাকেই ভয় কর ।
6
পাঁচটী চড়াই পাখি কি দুই পয়সায় বিক্রি হয় না? আর তাদের মধ্যে একটিও ঈশ্বরের দৃষ্টির আড়ালে থাকে না ।
7
এমন কী, তোমাদের মাথার চুলগুলিও সব গোনা আছে । ভয় করো না, তোমরা অনেক চড়াই পাখির থেকেও শ্রেষ্ঠ ।”
8
আর আমি তোমাদের বলছি, “যে কেউ লোকদের সামনে আমাকে স্বীকার করে, মনুষ্যপুত্রও ঈশ্বরের দূতগনের সামনে তাকে স্বীকার করবেন;
9
কিন্তু যে কেউ লোকেদের সামনে আমাকে অস্বীকার করে, ঈশ্বরের দূতগণের সামনে তাকে অস্বীকার করা হবে ।
10
আর যে কেউ মনুষ্যপুত্রের বিরুদ্ধে কোন কথা বলে, সে ক্ষমা পাবে, কিন্তু যে কেউ পবিত্র আত্মার নিন্দা করে, সে ক্ষমা পাবে না ।
11
আর লোকে যখন তোমাদের সমাজগৃহে এবং শাসনকর্ত্তাদের ও নেতাদের কাছে নিয়ে যাবে, তখন কীভাবে কী উত্তর দেবে, অথবা কী বলবে, সে বিষয়ে চিন্তা করো না,
12
কারণ কী বলা উচিৎ, তা পবিত্র আত্মা সেই সময়ে তোমাদের শিক্ষা দেবেন ।”
13
পরে লোকেদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, “হে গুরু, আমার ভাইকে বলুন, যেন আমার সঙ্গে পৈতৃক সম্পত্তি ভাগ করে ।”
14
কিন্তু তিনি তাকে বললেন, “তোমাদের উপরে বিচারকর্তা বা বিভাগকর্তা করে আমাকে কে নিযুক্ত করেছে?”
15
পরে তিনি তাদের বললেন, “সাবধান, সমস্ত লোভ থেকে নিজেদের রক্ষা কর, কারণ মানুষের ধন সম্পত্তি অধিক হলেও তা তার জীবন হয় না ।”
16
আর তিনি তাদের এই গল্প বললেন, “এক জন ধনীর জমিতে অনেক শস্য উৎপন্ন হয়েছিল ।
17
তাতে সে, মনে মনে চিন্তা করতে লাগল, কী করি? আমার তো শস্য রাখার জায়গা নেই ।
18
পরে বলল, “আমি এমন করব, আমার গোলাঘরগুলো ভেঙ্গে বড় বড় গোলাঘর তৈরি করব এবং তার মধ্যে আমার সমস্ত শস্য ও আমার অন্য জিনিস রাখব ।
19
আর নিজের প্রাণকে বলব, প্রাণ, অনেক বছরের জন্য, তোমার জন্য অনেক জিনিস সঞ্চিত আছে, বিশ্রাম কর, খাও, পান কর ও আনন্দে মেতে থাক ।”
20
কিন্তু ঈশ্বর তাকে বললেন, “হে নির্বোধ, আজ রাতেই তোমার প্রাণ তোমার কাছ থেকে দাবি করে নেওয়া হবে, তবে তুমি এই যে আয়োজন করলে, এসব কার হবে?”
21
যে কেউ নিজের জন্য ধন সঞ্চয় করে সে ঈশ্বরের কাছে ধনবান নয়, তার অবস্থা এমনই হয় ।”
22
পরে তিনি তাঁর শিষ্যদেরকে বললেন, “এই জন্য আমি তোমাদের বলছি, ‘কী খাব’ বলে প্রাণের বিষয়ে, কিংবা ‘কী পরব’ বলে শরীরের বিষয়ে ভেব না ।
23
কেননা খাবারের থেকে প্রাণ ও পোশাকের থেকে শরীর বড় বিষয় ।
24
কাকদের বিষয় চিন্তা কর, তারা বোনেও না, কাটেও না, তাদের ভাণ্ডারও নেই, গোলাঘরও নেই, কিন্তু ঈশ্বর তাদেরও খাবার দিয়ে থাকেন ।
25
পাখিদের থেকেও তোমরা কত বেশি শ্রেষ্ঠ! আর তোমাদের মধ্যে কে চিন্তা করে নিজের বয়স এক হাত বড় করতে পারে?
26
অতএব তোমরা এত ছোট কাজও যদি করতে না পার, তবে অন্য অন্য বিষয়ে কেন চিন্তিত হও?
27
লিলি ফুলের বিষয়ে চিন্তা কর, সেগুলি কেমন বাড়ে, সেগুলি কোন পরিশ্রম করে না, সুতোও কাটে না, কিন্তু আমি তোমাদেরকে বলছি, শলোমনও তাঁর সমস্ত গৌরবেও এদের একটির মতোও নিজেকে সাজাতে পারেননি ।
28
ভাল, মাঠের যে ঘাস আজ আছে তা কাল আগুনে ফেলে দেওয়া হবে, তা যদি ঈশ্বর এমন সুন্দর করে সাজিয়েছেন, তবে হে অল্পবিশ্বাসীরা, তোমাদের কত বেশি করে নিশ্চয় সাজাবেন!
29
আর, কী খাবে, কী পান করবে, এ বিষয়ে তোমরা ব্যস্ত হয়ো না এবং চিন্তা কর না,
30
কারণ জগতের জাতিরা এসব জিনিস পাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়, কিন্তু তোমাদের পিতা জানেন যে, এই সমস্ত জিনিস তোমাদের প্রয়োজন আছে ।
31
তোমরা বরং তার রাজ্যর বিষয়ে চিন্তিত হও, তা হলে এইসব তোমাদের দেওয়া হবে ।
32
হে ছোট্ট মেষপাল, ভয় করোও না, কারণ তোমাদের সেই রাজ্য দিতে তোমাদের পিতা পরিকল্পনা করেছেন ।
33
তোমাদের যা আছে, বিক্রি করে দান কর । নিজেদের জন্য এমন থলি তৈরি কর, যা কখনো পুরনো হবে না, স্বর্গে এমন ধন সঞ্চয় কর যা কখনো শেষ হবে না, যেখানে চোর আসে না,
34
এবং পোকা নষ্ট করে না, কারণ যেখানে তোমাদের ধন, সেইখানে তোমাদের মনও থাকবে ।
35
তোমাদের কোমর বেঁধে রাখ ও প্রদীপ জ্বেলে রাখ ।
36
তোমরা এমন লোকের মতো হও, যারা তাদের প্রভুর অপেক্ষায় থাকে যে, তিনি বিয়ের ভোজ থেকে কখন ফিরে আসবেন, যেন তিনি এসে দরজায় আঘাত করলে তারা তখনই তাঁর জন্য দরজা খুলে দিতে পারে ।
37
ধন্য সেই দাসেরা, যাদেরকে প্রভু এসে জেগে থাকতে দেখবেন । আমি তোমাদেরকে সত্য বলছি, তিনি কোমর বেঁধে তাদেরকে খেতে বসাবেন এবং কাছে এসে তাদের সেবা করবেন ।
38
যদি মাঝ রাতে কিংবা যদি শেষ রাতে এসে তিনি তেমনই দেখেন, তবে তারা ধন্য!
39
কিন্তু এটা জেনে রাখো চোর কোন মুহূর্তে আসবে, তা যদি বাড়ির মালিক জানত, তবে সে জেগে থাকত, নিজের বাড়িতে সিঁধ কাটতে দিত না ।
40
তোমরাও তৈরী থাক, কারণ যে সময়ে তোমরা মনে করবে তিনি আসবেন না, সেই সময়েই মনুষ্যপুত্র আসবেন ।”
41
তখন পিতর বললেন, “প্রভু, আপনি কি আমাদের, না সবাইকে এই কথা বলছেন?”
42
প্রভু বললেন, “সেই বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান গৃহকর্তা কে, যাকে তার প্রভু তাঁর অন্য দাসদের উপরে নিযুক্ত করবেন, যেন সে তাদের উপযুক্ত সময়ে খাবারের নিরুপিত অংশ দেয়?
43
ধন্য সেই দাস, যাকে তার প্রভু এসে তেমন করতে দেখবেন ।
44
আমি তোমাদের সত্যি বলছি, তিনি তাকে তাঁর সবকিছুর উপরে প্রধান পরিচালক করে নিযুক্ত করবেন ।
45
কিন্তু সেই দাস যদি মনে মনে বলে, আমার প্রভুর আসতে দেরি হবে এবং সে দাস দাসীদেরকে মারধোর করে, ভোজন ও পান করতে এবং মাতাল হতে আরম্ভ করে,
46
তবে সে যেদিন আশা না করবে ও যে সময়ের চিন্তা না করবে, সেই দিন সেই মুহূর্তে সেই দাসের প্রভু আসবেন এবং তাকে দু'খণ্ড করবেন এবং অবিশ্বস্তদের মধ্যে তার অংশ ভাগ করবেন ।
47
আর সেই দাস, যে তার প্রভুর ইচ্ছা জেনেও তৈরি হয় নি, ও তাঁর ইচ্ছা মতো কাজ করে নি, সে অনেক শাস্তি পাবে ।
48
কিন্তু যে না জেনে শাস্তির কাজ করেছে, সে অল্প শাস্তি পাবে । আর যে কোন ব্যক্তিকে বেশি দেওয়া হয়েছে, তার কাছে বেশি দাবি করা হবে এবং লোকে যার কাছে বেশি রেখেছে, তার কাছে বেশি চাইবে ।
49
আমি পৃথিবীতে আগুন নিক্ষেপ করতে এসেছি, আর এখন যদি তা প্রজ্বলিত হয়ে থাকে, তবে আর কী চাই?
50
কিন্তু আমাকে এক বাপ্তিস্মে বাপ্তিস্ম নিতে হবে, আর তা যতক্ষণ সিদ্ধ না হয়, ততক্ষণ আমি কতই না হয়রান হচ্ছি ।
51
তোমরা কি মনে করছ, আমি পৃথিবীতে শান্তি দিতে এসেছি? তোমাদেরকে বলছি, তা নয়, বরং বিভেদ ।
52
কারণ এখন থেকে এক বাড়িতে পাঁচ জন আলাদা হবে, তিনজন দুইজনের বিরুদ্ধে ও দুইজন তিনজনের বিরুদ্ধে,
53
বাবা ছেলের বিরুদ্ধে এবং ছেলে বাবার বিরুদ্ধে, মা মেয়ের বিরুদ্ধে এবং মেয়ে মায়ের বিরুদ্ধে, শাশুড়ি বউয়ের বিরুদ্ধে এবং বউ শাশুড়ির বিরুদ্ধে যাবে ।
54
আর তিনি লোকদের বললেন, তোমরা যখন পশ্চিমদিকে মেঘ উঠতে দেখ, তখন বল যে বৃষ্টি আসছে, আর তেমনই ঘটে ।
55
আর যখন দক্ষিণ বাতাস বইতে দেখ, তখন বল আজ খুব গরম পড়বে এবং তাই ঘটে ।
56
ভণ্ডরা, তোমরা পৃথিবীর ও আকাশের ভাব বুঝতে পার, কিন্তু এই বর্তমান সময়ের অবস্থা বুঝতে পার না, এ কেমন?
57
আর সত্য কী, তা নিজেরাই কেন বিচার কর না?
58
যখন বিপক্ষের সঙ্গে বিচারকের কাছে যাও, রাস্তায় তার সঙ্গে মীমাংসা করে নাও, না হলে যদি সে তোমাকে বিচারকের কাছে টেনে নিয়ে যায়, আর বিচারক তোমাকে সৈনোর হাতে সমর্পণ করবে এবং সৈন্য তোমাকে জেলখানায় নিয়ে যাবে ।
59
আমি তোমাকে বলছি, যে পর্যন্ত না তুমি শেষ পয়সাটা শোধ করবে, সেই পর্যন্ত তুমি কোন মতেই সেখান থেকে বের হয়ে আসতে পারবে না ।”
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 13 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24