bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Luke 13
Luke 13
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 14 →
1
সেই সময়ে কয়েকজন লোক যীশুকে সেই গালীলীয়দের বিষয়ে বলল, যাদের রক্ত পীলাত তাদের বলির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছিলেন l
2
তিনি তাদের বললেন,” তোমরা কি মনে কর, সেই গালীলীয়দের এই শাস্তি হয়েছে বলে তারা অন্য সব গালীলীয়দের থেকে কি বেশি পাপী ছিল?
3
আমি তোমাদের বলছি, তা নয়; আর যদি মন না ফেরাও, তবে তোমরাও তাদের মত বিনষ্ট হবে l
4
সেই আঠারো জন, যাদের উপরে শীলোহের উঁচু দূর্গের চূড়া চাপা পড়ে গিয়ে মারা গিয়েছিল, তোমরা কি তাদের বিষয়ে মনে করছ যে, তারা কি জিরুশালেমের অন্য সব লোকদের থেকে বেশি পাপী ছিল?
5
আমি তোমাদের বলছি, তা নয়; আর যদি মন না ফেরাও, তবে তোমরাও সেভাবে ধ্বংস হবে l”
6
এরপর যীশু তাদের শিক্ষা দেবার জন্য এই দৃষ্টান্তটি (ছোট গল্প) বললেন;” কোনো এক জন লোকের আঙ্গুর ক্ষেতে একটা ডুমুর গাছ লাগানো ছিল; আর তিনি এসে সেই গাছে ফলের খোঁজ করলেন, কিন্তু পেলেন না l
7
তাতে তিনি মালীকে বললেন, দেখ, আজ তিন বছর ধরে এই ডুমুর গাছে ফলের খোঁজ করছি, কিন্তু কিছুই পাচ্ছি না; এটাকে কেটে ফেল; এটা কেন জমি নষ্ট করবে l
8
সে তাঁকে বলল, প্রভু, এ বছর ওটা রেখে দিন, আমি ওর চারপাশ খুঁড়ে সার দেব,
9
তারপর যদি ওই গাছে ফল হয় তো ভালই, না হলে ওটা কেটে ফেলবেন l”
10
কোনো এক বিশ্রামবারে যীশু কোনও একটা সমাজগৃহে শিক্ষা দিচ্ছিলেন।
11
“সেখানে এক জন স্ত্রীলোক ছিল, যাকে আঠারো বছর ধরে একটা দুষ্ট-আত্মা ধরেছিল, সে কুঁজো ছিল, কোনো মতে সোজা হতে পারত না ।
12
তাকে দেখে যীশু কাছে ডাকলেন, আর বললেন, হে নারী, তুমি দুষ্ট-আত্মা থেকে মুক্ত হলে ।”
13
পরে তিনি তার উপরে হাত রাখলেন; তাতে সে তখনই সোজা হয়ে দাঁড়াল, আর ঈশ্বরের গৌরব করতে লাগল।
14
কিন্তু বিশ্রামবারে যীশু সুস্থ করেছিলেন বলে, সমাজগৃহের নেতা রেগে গেলেন এবং সে উত্তর করে লোকদের বলল, ছয় দিন আছে, সেইসব দিনে কাজ করা উচিত; অতএব ঐ সব দিনে এসে সুস্থ হও, বিশ্রামবারে নয়।
15
কিন্তু যীশু তাকে উত্তর করে বললেন,” ভণ্ডরা, তোমাদের প্রত্যেক জন কি বিশ্রামবারে নিজের নিজের বলদ কিংবা গাধাকে গোয়াল থেকে খুলে নিয়ে জল খাওয়াতে নিয়ে যাও না?
16
তবে এই স্ত্রীলোক, অব্রাহামের কন্যা, যাকে দুষ্ট-আত্মা, দেখ, আজ আঠারো বছর ধরে বেঁধে রেখেছিল, এর এই বন্ধন থেকে বিশ্রামবারে মুক্তি পাওয়া কী উচিত নয়?”
17
তিনি এইকথা বললে, তাঁর বিরোধিরা সবাই লজ্জিত হল; কিন্তু তাঁর মাধ্যমে যে সমস্ত মহিমার কাজ হচ্ছিল, তাতে সমস্ত সাধারণ লোক আনন্দিত হল।
18
তখন তিনি বললেন,” ঈশ্বরের রাজ্য কীসের মত? আমি কীসের সঙ্গে তার তুলনা করব?”
19
তা সরষে-দানার মত, যা কোনো লোক নিয়ে নিজের বাগানে ছড়ালো; পরে তা বেড়ে গাছ হয়ে উঠল, এবং পাখিরা এসে তার ডালে বাসা বাঁধলো।
20
আবার তিনি বললেন, “আমি কীসের সাথে ঈশ্বরের রাজ্যের তুলনা করব?
21
তা এমন খামির মত, যা কোনো স্ত্রীলোক নিয়ে ময়দার মধ্যে ঢেকে রাখল, শেষে পুরোটাই খামিতে পূর্ণ হয়ে উঠল।”
22
আর তিনি শহরে শহরে ও গ্রামে গ্রামে ঘুরে শিক্ষা দিতে দিতে জিরুশালেমের দিকে যাচ্ছিলেন।
23
তখন এক জন লোক তাঁকে বলল, প্রভু, যারা উদ্ধার পাচ্ছে, তাদের সংখ্যা কি অল্প?
24
তিনি তাদেরকে বললেন, “সরু দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে প্রাণপণে চেষ্টা কর; কারণ আমি তোমাদের বলছি, অনেকে ঢুকতে চেষ্টা করবে, কিন্তু পারবে না।
25
ঘরের মালিক উঠে দরজা বন্ধ করলে পর তোমরা বাইরে দাঁড়িয়ে দরজায় কড়া নাড়াতে নাড়াতে বলবে, প্রভু, আমাদের জন্য দরজা খুলে দিন; আর তিনি উত্তর করে তোমাদের বলবেন, আমি জানি না, তোমরা কোথা থেকে এসেছ;
26
তখন তোমরা বলবে, আমরা আপনার সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করেছি, এবং আমাদের রাস্তায় রাস্তায় আপনি উপদেশ দিয়েছেন।
27
কিন্তু তিনি বলবেন, তোমাদের বলছি, আমি জানি না, তোমরা কোথা থেকে এসেছ; হে অধর্মচারী সবাই, আমার কাছ থেকে চলে যাও।
28
সেই জায়গায় কান্নাকাটি ও দাঁতে দাঁত ঘর্ষণ হবে; তখন তোমরা দেখবে, অব্রাহাম, ইসহাক ও যাকোব এবং ভাববাদী সবাই ঈশ্বরের রাজ্যে আছেন, আর তোমাদের বাইরে ফেলে দেওয়া হচ্ছে।
29
আর পূর্ব ও পশ্চিম থেকে এবং উত্তর ও দক্ষিণ থেকে লোকরা এসে ঈশ্বরের রাজ্যে বসবে।
30
আর দেখ, যারা শেষের, এমন কোনো কোনো লোক প্রথম হবে, এবং যারা প্রথম, এমন কোনো কোনো লোক শেষে পড়বে। “
31
সেই সময়ে কয়েক জন ফরীশী কাছে এসে তাঁকে বলল, “চলে যাও, এখান থেকে চলে যাও; কারণ হেরোদ তোমাকে হত্যা করতে চাইছেন।”
32
তিনি তাদের বললেন, তোমরা গিয়ে শিয়ালকে বল, দেখ, আজ ও কাল আমি ভূত ছাড়াচ্ছি, ও রোগীদের সুস্থ করছি, এবং তৃতীয় দিনে আমি আমার কাজ শেষ করব।
33
যাই হোক, আজ, কাল ও পরশু দিনের পর আমাকে চলে যেতে হবে; কারণ এমন হতে পারে না যে, জিরুশালেমের বাইরে আর কোথাও কোনো ভাববাদী বিনষ্ট হয়।
34
জিরুশালেম, জিরুশালেম, তুমি ভাববাদীদের হত্যা করে থাক, ও তোমার কাছে যাদের পাঠানো হয়, তাদের পাথর মেরে থাক! মুরগি যেমন নিজের বাচ্চাদের তার ডানার নীচে জড়ো করে, তেমনি আমি কত বার তোমার সন্তানদের জড়ো করতে ইচ্ছা করেছি, কিন্তু তোমরা রাজি হলে না।
35
দেখ, তোমাদের সেই ঘর তোমাদের জন্য বাদ হয়ে পড়ে থাকল। আর আমি তোমাদের বলছি, যত দিন না পর্যন্ত তোমরা না বলবে, “ধন্য তিনি, যিনি প্রভুর নামে আসছেন,” তত দিন পর্যন্ত তোমরা আমাকে আর দেখতে পাবে না।”
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 14 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24