bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Luke 6
Luke 6
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 5
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 7 →
1
এক দিন বিশ্রামবারে যীশু ও তাঁর শিষ্যরা শস্যর ক্ষেত দিয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময়ে তাঁর শিষ্যরা শীষ ছিঁড়ে ছিঁড়ে হাতে ডলে খাচ্ছিলেন ।
2
তাতে কয়েকজন ফরীশী বলল, “বিশ্রামবারে যা করা উচিত নয়, তোমরা কেন তাই করছ?”
3
যীশু উত্তরে তাদের বললেন, “দায়ূদ ও তাঁর সঙ্গীদের খিদে পেলে তিনি কি করেছিলেন, সেটা কি তোমরা পড়নি?
4
তিনি ঈশ্বরের বাড়িতে প্রবেশ করে, যে দর্শন-রুটি কেবল যাজক ছাড়া আর কারও খাওয়া উচিত নয়, সেই রুটি নিয়ে নিজেও খেয়েছিলেন এবং তাঁর সঙ্গীদেরও দিয়েছিলেন ।”
5
পরে তিনি তাদের বললেন, “মনুষ্যপুত্র বিশ্রামবারের কর্তা।”
6
আর এক বিশ্রামবারে তিনি সমাজগৃঘে প্রবেশ করে উপদেশ দিলেন; সেখানে একটি লোক ছিল, তার ডান হাত শুকিয়ে গিয়েছিল ।
7
আর ব্যবস্থার শিক্ষকেরা ও ফরীশীরা, তিনি বিশ্রামবারে সুস্থ করেন কি না, দেখবার জন্য তাঁর দিকে নজর রাখল, যেন তাঁকে দোষারোপ করার কারণ খুঁজে পায়।
8
কিন্তু তিনি তাদের চিন্তা জানতেন, আর সেই ব্যক্তি যার হাত শুকিয়ে গিয়েছিল তাকে বললেন, “ওঠ, সবার মাঝখানে দাঁড়াও। তাতে সে উঠে দাঁড়াল।”
9
পরে যীশু তাদের বললেন, “তোমাদের জিজ্ঞাসা করি, বিশ্রামবারে কী করা উচিত? ভাল করা না মন্দ করা? প্রাণ রক্ষা করা না হত্যা করা?”
10
পরে তিনি চারিদিকে তাদের সবার দিকে তাকিয়ে সেই লোকটিকে বললেন, “তোমার হাত বাড়িয়ে দাও ।” সে তাই করল, আর তার হাত সুস্থ হল।
11
কিন্তু তারা প্রচণ্ড রেগে গেল, আর যীশুর প্রতি কী করবে, তাই তাদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল।
12
সেই সময়ে তিনি এক দিন প্রার্থনা করার জন্য পর্বতে গেলেন, আর ঈশ্বরের কাছে সমস্ত রাত ধরে প্রার্থনায় সময় কাটালেন ।
13
পরে যখন সকাল হল, তিনি তাঁর শিষ্যদের ডাকলেন এবং তাঁদের মধ্য থেকে বারো জনকে মনোনীত করলেন, আর তাঁদের ‘প্রেরিত’ নাম দিলেন;-
14
শিমোন, যাঁকে তিনি পিতর নামও দিলেন ও তাঁর ভাই আন্দ্রিয় এবং যাকোব ও যোহন এবং ফিলিপ ও বর্থলময়
15
এবং মথি ও থোমা এবং আলফেয়ের [পুত্র] যাকোব ও শিমোন যাকে জীলট্ উদযোগী অর্থাৎ আগ্রহে পূর্ণ বলা হত, যাকোবের [পুত্র] যিহুদা ।
16
এবং ঈস্করিয়োতীয় যিহুদা, যে তাঁকে শত্রুর হাতে সমর্পণ করেছিল।
17
পরে তিনি তাঁদের সঙ্গে পাহাড় থেকে নেমে এক সমান ভূমির উপরে গিয়ে দাঁড়ালেন; আর তাঁর অনেক শিষ্য এবং সমস্ত যিহুদিয়া ও জিরুশালেম এবং সোর ও সীদোনের সমুদ্র উপকূল থেকে অনেক লোক এসে উপস্থিত হল।
18
তারা তাঁর কথা শুনবার ও নিজেদের অশুচি আত্মার অত্যাচার ও রোগ থেকে সুস্থ হবার জন্য তাঁর কাছে এসেছিল।
19
আর, সমস্ত লোক তাঁকে স্পর্শ করতে চেষ্টা করল, কারণ তাঁর মধ্যে দিয়ে শক্তি বের হয়ে সবাইকে সুস্থ করছিল ।
20
পরে তিনি তাঁর শিষ্যদের দিকে তাকিয়ে তাঁদের বললেন, “ধন্য যারা দরিদ্র, কারণ ঈশ্বরের রাজ্য তাদেরই।
21
ধন্য তোমরা, যারা এখন ক্ষুধিত, কারণ তোমরা পরিতৃপ্ত হবে । ধন্য তোমরা, যারা এখন কাঁদছে কারণ তোমরা হাসবে ।
22
ধন্য তোমরা, যখন লোকে মনুষ্যপুত্রের জন্য তোমাদের ঘৃণা করে, আর যখন তোমাদের তাদের সমাজ থেকে আলাদা করে দেয় ও নিন্দা করে এবং তোমাদের নামে মন্দ কথা বলে দূর করে দেয় ।
23
সে দিন আনন্দ কর ও নাচ, কারণ দেখ, স্বর্গে তোমাদের অনেক পুরস্কার আছে; কারণ তাদের বংশধরেরাও ভাববাদীদের প্রতি তাই করত ।
24
কিন্তু ধনবানেরা ধিক তোমাদের, কারণ তোমারা তোমাদের সান্ত্বনা পেয়েছ ।
25
ধিক তোমাদের, যারা এখন পরিতৃপ্ত, কারণ তোমরা ক্ষুধিত হবে; ধিক তোমাদের, যারা হাসে, কারণ তোমারা দুঃখ করবে ও কাঁদবে ।
26
ধিক তোমাদের, যখন সবাই তোমাদের বিষয়ে ভালো বলে, কারণ তোমাদের বংশধরেরা ভাক্ত ভাববাদীদের প্রতি তাই করত ।
27
কিন্তু তোমরা যারা শুনছ, আমি তোমাদের বলি, তোমরা নিজের নিজের শত্রুদের ভালোবাসো, যারা তোমাকে ঘৃণা করে, তাদের ভালো কর;
28
যারা তোমাদের অভিশাপ দেয়, তাদের আশীর্বাদ কর; যারা তোমাদের নিন্দা করে, তাদের জন্য প্রার্থনা কর।
29
যে তোমার এক গালে চড় মারে, তার দিকে অন্য এক গালও পেতে দাও এবং যে তোমার পোশাক জোর করে খুলে নিতে চায়, তাকে তোমার অন্তর্বাসও দিয়ে দাও, বারণ করও না।
30
যে কেউ তোমার কাছে কিছু চায়, তাকে সেটা দিও এবং যে তোমার জিনিস জোর করে নিয়ে নেয়, তার কাছে সেটা আর চেও না।
31
আর তোমরা যেমন ইচ্ছা কর যে, লোকে তোমাদের জন্য করুক তোমরাও তাদের প্রতি তেমনই কর।
32
আর যারা তোমাদের ভালবাসে, যদি শুধু তাদেরই ভালবাসো তবে তাতে প্রশংসার কী আছে? কেননা পাপীরাও, যারা তাদের ভালবাসে, তারাও তাদেরই ভালবাসে।
33
আর যারা তোমাদের উপকার করে, যদি তাদের উপকার কর, তবে তোমরা কী করে প্রশংসা পেতে পার? পাপীরাও তাই করে ।
34
আর যাদের কাছে পাবার আশা আছে, যদি তাদেরই ধার দাও, তবে তোমরা কেমন করে প্রশংসা পেতে পার? পাপীরাও পাপীদেরই ধার দেয়, যেন সেই পরিমাণে পুনরায় পায় ।
35
কিন্তু তোমরা নিজের নিজের শত্রুদেরও ভালোবাস, তাদের ভালো কর এবং কখনও নিরাশ না হয়ে ধার দিও, যদি তোমরা এমন কর তোমরা অনেক পুরস্কার পাবে এবং তোমরা মহান ঈশ্বরের সন্তান হবে, কারণ তিনি অকৃতজ্ঞ ও মন্দ লোকেদেরও দয়া করেন ।
36
তোমার পিতা যেমন দয়ালু, তোমরাও তেমন দয়ালু হও ।
37
আর তোমরা বিচার করও না, তাতে বিচারিত হবে না । আর কাউকে দোষ দিও না, তাতে তোমাদেরও দোষ ধরা হবে না । তোমরা ক্ষমা কর, তাতে তোমাদেরও ক্ষমা করা হবে ।
38
দাও, তাতে তোমাদেরও দেওয়া যাবে; লোকে আরো বেশি পরিমাণে চেপে চেপে ঝাঁকিয়ে উপচিয়ে তোমাদের কোলে দেবে; কারণ তোমরা যে পরিমাণে পরিমাণ কর, সেই পরিমাণে তোমাদের জন্যও পরিমাণ করা হবে ।”
39
আর তিনি তাদের একটি উদাহরণ দিলেন, অন্ধ কী অন্ধকে পথ দেখাতে পারে? দুজনেই কী গর্তে পড়বে না?
40
শিষ্য গুরুর থেকে বড় নয়, কিন্তু যে কেউ পোরিপ্ক্ব হয়, সে তার গুরুর তুল্য হবে ।
41
আর তোমার ভাইয়ের চোখে যে ছোট খড়ের টুকরো আছে, সেটা কেন দেখছ, অথচ তোমার নিজের চোখে যে তক্তা আছে, সেটা কেন দেখছ না?
42
তোমার চোখে যে তক্তা আছে, সেটা যখন দেখতে পাচ্ছ না, তখন তুমি কেমন করে নিজের ভাইকে বলতে পার, ভাই, এসো, আমি তোমার চোখ থেকে খড়ের কুটোটা বের করে দিই? তোমার নিজের চোখে যে তক্তা আছে, সেটা তো তুমি দেখছ না! হে ভণ্ড, আগে নিজের চোখ থেকে তক্তা বার কর, তার পর তোমার ভাইয়ের চোখে যে কুটো আছে, তা বার করার জন্য স্পষ্ট দেখতে পাবে ।
43
কারণ এমন ভালো গাছ নেই, যাতে খারাপ ফল ধরে এবং এমন খারাপ গাছও নেই, যাতে ভালো ফল ধরে ।
44
নিজের নিজের ফল দ্বারাই প্রত্যেক গাছকে চেনা যায়; লোকে কাঁটাবন থেকে ডুমুর সংগ্রহ করে না এবং বুনো ঝোপ থেকে আঙ্গুর সংগ্রহ করে না ।
45
ভালো মানুষ নিজের হৃদয়ের ভালো ভাণ্ডার থেকে ভালো জিনিসই বের করে এবং মন্দ লোক মন্দ ভাণ্ডার থেকে মন্দ জিনিসই বের করে; কারণ তার হৃদয়ে যা থাকে সে মুখেও তাই বলে ।
46
আর তোমরা কেন আমাকে হে প্রভু, হে প্রভু বলে ডাক, অথচ আমি যা যা বলি, তা করও না?
47
যে কেউ আমার কাছে এসে আমার কথা শুনে পালন করে, সে কার মতো তা আমি তোমাদের জানাচ্ছি ।
48
সে এমন এক ব্যক্তির মতো, যে বাড়ি তৈরির সময় খুঁড়ল, খুঁড়ে গভীর করল ও পাথরের উপরে বাড়ির ভিত গাঁথল; পরে বন্যা হলে সেই বাড়ি জলের প্রবল স্রোতের মধ্যে পড়ল, কিন্তু বাড়িটিকে হেলাতে পারল না, কারণ বাড়িটিকে ভালোভাবে তৈরি করা হয়েছিল ।
49
কিন্তু যে শুনে পালন না করে, সে এমন এক ব্যক্তির মতো, যে মাটির উপরে, বিনা ভিতে, বাড়ি তৈরি করল; পরে প্রচণ্ড জলের স্রোত এসে সেই বাড়িতে লাগল, আর অমনি তা পড়ে গেল এবং সেই বাড়ি সম্পূর্ণ ভাবে ধ্বংস হল। “
← Chapter 5
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 7 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24