bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Luke 7
Luke 7
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 6
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 8 →
1
লোকদের কাছে নিজের সমস্ত কথা শেষ করে তিনি কফরনাহূমে প্রবেশ করলেন ।
2
সেখানে এক জন শতপতির একটি ক্রীতদাস ছিল যে অসুস্থ হয়ে মরবার মত হয়েছিল, সে তাঁর খুবই প্রিয় ছিল ।
3
তিনি যীশুর সংবাদ শুনে যিহুদিদের কয়েকজন নেতাকে (প্রাচীন) তাঁর কাছে অনুরোধ করার জন্য পাঠালেন, যেন তিনি এসে তাঁর দাসকে বাঁচান ।
4
তাঁরা যীশুর কাছে গিয়ে বিশেষভাবে অনুরোধ করে বলতে লাগলেন, “আপনি যেন তাঁর জন্য এই কাজ করেন, তিনি এর যোগ্য,”
5
কারণ তিনি আমাদের জাতিকে ভালোবাসেন, আর আমাদের সমাজগৃহ তিনি তৈরি করে দিয়েছেন ।
6
যীশু তাঁদের সঙ্গে গেলেন, আর তিনি বাড়ির কাছাকাছি আসতেই শতপতি কয়েক জন বন্ধুদের দিয়ে তাঁকে বলে পাঠালেন, “প্রভু, নিজেকে কষ্ট দেবেন না; কারণ আমি এমন যোগ্য নই যে, আপনি আমার ছাদের নীচে আসেন;
7
সে জন্য আমাকেও আপনার কাছে আসার যোগ্য বলে মনে হলো না; আপনি শুধু মুখে বলুন, তাতেই আমার দাস সুস্থ হবে।
8
কারণ আমিও অন্যের কর্তৃত্বের অধীনে নিযুক্ত লোক, আবার সেনাগণ আমার অধীনে; আর আমি তাদের এক জনকে, ‘যাও’ বললে সে যায় এবং অন্যকে ‘এসো’ বললে সে আসে, আর আমার দাসকে ‘এই কাজ কর’ বললে সে তা করে।”
9
এ সমস্ত কথা শুনে যীশু তাঁর বিষয়ে আশ্চর্য হলেন এবং যে লোকেরা তাঁর পিছনে আসছিল, তিনি তাদের দিকে ফিরে বললেন, “আমি তোমাদের বলছি, ইস্রায়েলের মধ্যে এত বড় বিশ্বাস কখনো দেখতে পাইনি ।”
10
পরে যাঁদের পাঠান হয়েছিল, তাঁরা বাড়ি ফিরে গিয়ে সেই দাসকে সুস্থ দেখতে পেলেন ।
11
কিছু দিন পরে তিনি নায়িন নামে এক শহরে গেলেন এবং তাঁর শিষ্যেরা ও অনেক লোক তাঁর সঙ্গে যাচ্ছিল ।
12
যখন তিনি সেই শহরের ফটকের (নগরদ্বার) কাছে এলেন, তখন দেখতে পেলেন, লোকেরা একটি মৃত মানুষকে বয়ে বাইরে নিয়ে যাচ্ছিল; সে তার মায়ের একমাত্র ছেলে এবং সেই মা বিধবা ছিলেন; আর শহরের অনেক লোক তার সঙ্গে ছিল ।
13
তাকে দেখে প্রভুর খুবই দয়া হল এবং তাকে বললেন, “কেঁদো না ।”
14
পরে তিনি কাছে গিয়ে খাট স্পর্শ করলেন; আর যারা বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল তারা দাঁড়াল । তিনি বললেন, “হে যুবক, তোমাকে বলছি ওঠো ।”
15
তাতে সেই মরা মানুষটি উঠে বসলো এবং কথা বলতে লাগলো; পরে তিনি তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলেন ।
16
তখন সবাই ভয় পেল এবং ঈশ্বরের গৌরব করে বলতে লাগল, 'আমাদের মধ্যে এক জন মহান ভাববাদী এসেছেন,' আর 'ঈশ্বর নিজের প্রজাদের সাহায্য করেছেন।'
17
পরে সমস্ত যিহুদিয়াতে এবং আশেপাশের সমস্ত অঞ্চলে যীশুর বিষয়ে এই কথা ছড়িয়ে পড়ল ।
18
আর যোহনের শিষ্যরা তাঁকে এই সমস্ত বিষয়ে সংবাদ দিল ।
19
তাতে যোহন নিজের দুজন শিষ্যকে ডাকলেন ও তাদের প্রভুর কাছে জিজ্ঞাসা করতে পাঠালেন, 'যাঁর আগমন হবে, সেই ব্যক্তি কি আপনি? না, আমরা অন্য কারও অপেক্ষায় থাকব?'
20
পরে সেই দুই ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, “বাপ্তিস্মদাতা যোহন আমাদের আপনার কাছে এই কথা বলে পাঠিয়েছেন, যাঁর আগমন হবে, সেই ব্যক্তি কী আপনি? না, আমরা অন্য কারও অপেক্ষায় থাকব?”
21
সে সময় তিনি অনেক লোককে রোগ, ব্যাধি ও মন্দ আত্মা থেকে সুস্থ করলেন এবং অনেক অন্ধের চোখ ভাল করে দিলেন ।
22
পরে তিনি সেই দুই জনকে এই উত্তর দিলেন, “তোমরা যাও এবং যা দেখলে ও শুনলে, তার সংবাদ যোহনকে দেও; অন্ধরা দেখতে পাচ্ছে, খোঁড়ারা হাঁটছে, কুষ্ঠ রুগীরা সুস্থ হচ্ছে, বধিরেরা শুনতে পাচ্ছে, মৃতেরা জীবিত হচ্ছে, দরিদ্রদের কাছে সুসমাচার প্রচার করা হচ্ছে;
23
আর ধন্য সেই ব্যক্তি, যে আমার কাজ দেখে সন্দেহ না করে ।”
24
যোহনের দূতেরা চলে যাওয়ার পর তিনি লোকেদের যোহনের বিষয়ে বলতে লাগলেন, “তোমরা মরুভূমিতে কী দেখতে গিয়েছিলে?
25
কী একটি নল (ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ) বাতাসে দুলছে? তবে কী দেখতে গিয়েছিলে? কী সুন্দর পোশাক পরা কোনও লোককে? দেখ, যারা দামী পোষাক পরে এবং ভোগ বিলাসে জীবন যাপন করে, তারা রাজবাড়িতে থাকে ।
26
তবে কী দেখতে গিয়েছিলে? কী এক জন ভাববাদীকে? হ্যাঁ, আমি তোমাদের বলছি ভাববাদীর থেকেও মহান ব্যক্তিকে ।
27
ইনি সেই ব্যক্তি,” যাঁর বিষয়ে লেখা আছে, “দেখ আমি আমার দূতকে তোমার আগে পাঠাব, সে তোমার আগে তোমার জন্য রাস্তা তৈরি করবে ।
28
আমি তোমাদের বলছি, স্ত্রীলোকের গর্ভজাতদের মধ্যে যোহনের থেকে মহান কেউ নেই; তবুও ঈশ্বরের রাজ্যে সবথেকে ছোট (যে ব্যক্তি) যে ব্যক্তি, সে তাঁর থেকেও মহান ।”
29
আর সমস্ত লোক ও কর আদায়কারীরা যারা যোহনের বাপ্তিস্মে বাপ্তাইজিত হয়েছে এই কথা শুনে তারা ঈশ্বরকে ধার্মিক বলে স্বীকার করল;
30
কিন্তু ফরীশী ও ব্যবস্থার শিক্ষকেরা যারা যোহনের কাছে বাপ্তিস্ম নেয়নি তারা নিজেদের বিষয়ে ঈশ্বরের পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করল ।
31
অতএব আমি কার সঙ্গে এই যুগের লোকদের তুলনা করব? তারা কী রকম?
32
তারা এমন ছোট বালকের মতো, যারা বাজারে বসে এক জন অন্য এক জনকে ডেকে বলল, ‘আমরা তোমার কাছে বাঁশী বাজালাম, তোমরা নাচলে না; আমরা দুঃখ প্রকাশ করলাম, তোমরা কাঁদলে না;’
33
কারণ বাপ্তিস্মদাতা যোহন এসে রুটি খান না, আঙ্গুর রসও পান করেন না, আর তোমরা বল, সে ভূতগ্রস্ত।
34
মনুষ্যপুত্র এসে ভোজন পান করেন, আর তোমরা বল, ঐ দেখ, এক জন পেটুক ও মদ্যপ, কর আদায়কারী ও পাপীদের বন্ধু ।
35
কিন্তু প্রজ্ঞা তার সমস্ত সন্তানের মাধ্যমেই নির্দোষ বলে প্রমাণিত হলেন ।
36
আর ফরীশীদের মধ্যে এক জন যীশুকে তার সঙ্গে ভোজন করতে নিমন্ত্রণ করল । তাতে তিনি সেই ফরীশীর বাড়িতে গিয়ে ভোজনে বসলেন ।
37
আর দেখ, সেই শহরে এক পাপী স্ত্রীলোক ছিল; সে যখন জানতে পারল, তিনি সেই ফরীশীর বাড়িতে খেতে বসেছেন, তখন একটি শ্বেত পাথরের পাত্রে সুগন্ধি তেল নিয়ে আসল
38
এবং পিছন দিকে তাঁর পায়ের কাছে দাঁড়িয়ে কেঁদে কেঁদে সে চোখের জলে তাঁর পা ভেজাতে লাগল এবং তার মাথার চুল দিয়ে পা মুছিয়ে দিল, আর তাঁর পায়ে চুমু দিয়ে সেই সুগন্ধি তেল মাখাতে লাগল ।
39
এই দেখে, যে ফরীশী তাঁকে নিমন্ত্রণ করেছিল, সে মনে মনে বলল, এ যদি ভাববাদী হত, তবে নিশ্চয় জানতে পারত, একে যে স্পর্শ করছে, সে কে এবং কী ধরনের স্ত্রীলোক, কারণ সে পাপী ।
40
তখন যীশু উত্তরে তাকে বললেন, “শিমোন, তোমাকে আমার কিছু বলার আছে ।” সে বলল, “গুরু বলুন ।”
41
এক মহাজনের কাছে দু-জন ঋণী ছিল; এক জনের পাঁচশো সিকি ঋণ ছিল, আর এক জন পঞ্চাশ ।
42
তাদের শোধ করার ক্ষমতা না থাকার জন্য তিনি দুজনকেই ক্ষমা করলেন । ভালো, তাদের মধ্যে কে তাঁকে বেশি ভালোবাসবে?
43
শিমোন বলল, “আমার মনে হয়, যার বেশি ঋণ ক্ষমা করা হয়েছিল, সেই ।” তিনি বললেন, “ঠিক বিচার করেছ ।”
44
আর তিনি সেই স্ত্রীলোকটির দিকে ফিরে শিমোনকে বললেন, “এই স্ত্রীলোকটিকে দেখছ? আমি তোমার বাড়িতে প্রবেশ করলাম, তুমি আমার পা ধোয়ার জল দিলে না, কিন্তু এই স্ত্রীলোকটি চোখের জলে আমার পা ভিজিয়েছে ও নিজের চুল দিয়ে পা মুছিয়ে দিয়েছে।
45
তুমি আমাকে চুমু দিলে না, কিন্তু আমি ভিতরে আসার পর থেকে, এ আমার পায়ে চুমু দিয়েই চলেছে, থামেনি ।
46
তুমি তেল দিয়ে আমার মাথা অভিষেক করলে না, কিন্তু এ সুগন্ধি জিনিসে আমার পা অভিসিক্ত করেছে ।
47
তাই, তোমাকে বলছি, এর বেশি পাপ থাকলেও, তার ক্ষমা হয়েছে; কারণ সে বেশি ভালোবেসেছে; কিন্তু যাকে অল্প ক্ষমা করা হয়, সে অল্প ভালোবাসে ।
48
পরে তিনি সেই স্ত্রীলোককে বললেন, তোমার সমস্ত পাপ ক্ষমা হয়েছে ।”
49
তখন যারা তাঁর সঙ্গে খেতে বসেছিল, তারা মনে মনে বলতে লাগল, “এ কে যে পাপও ক্ষমা করে?”
50
কিন্তু তিনি সেই মহিলাটিকে বললেন, “তোমার বিশ্বাস তোমাকে পরিত্রাণ দিয়েছে শান্তিতে চলে যাও।”
← Chapter 6
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 8 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24