bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Luke 16
Luke 16
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 15
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 17 →
1
আর তিনি শিষ্যদের ও বললেন,” এক জন ধনী লোক ছিল, তার এক প্রধান কর্মচারী ছিল; সে মনিবের টাকা-পয়সা নষ্ট করত বলে তার কাছে অপমানিত হল।
2
পরে সে তাকে ডেকে বলল, তোমার সম্পর্কে এ-কি কথা শুনছি? তোমার কাজের হিসাব দাও, কারণ তুমি আর প্রধান কর্মচারী থাকতে পারবে না।
3
তখন সেই প্রধান কর্মচারী মনে মনে বলল, কী করব? আমার মনিব তো আমাকে প্রধান কর্মচারী-পদ থেকে ছাড়িয়ে দিচ্ছেন; মাটি কাটবার শক্তি আমার নেই, ভিক্ষা করতে আমার লজ্জা করে।
4
আমার প্রধান কর্মচারী-পদ গেলে লোকে যেন আমাকে তাদের বাড়িতে থাকতে দেয়, এজন্য আমি কী করব, তা জানি।
5
পরে সে নিজের মনিবের প্রত্যেক ঋণীকে ডেকে প্রথম জন কে বলল, আমার মনিবের কাছে তোমার ধার কত?
6
সে বলল, একশো লিটার অলিভ তেল। তখন সে তাকে বলল, তোমার হিসাবের কাগজটি নাও, এবং তাড়াতাড়ি তাতে পঞ্চাশ লেখ।
7
পরে সে আর এক জনকে বলল, তোমার ধার কত? সে বলল, একশো মণ গম। তখন সে বলল, তোমার কাগজ নিয়ে আশি লেখ।
8
তাতে সেই মনিব সেই অসৎ প্রধান কর্মচারীর প্রশংসা করল, কারণ সে বুদ্ধিমানের কাজ করেছিল। এই জগতের লোকেরা নিজের জাতির সম্বন্ধে আলোর লোকদের থেকে বেশি বুদ্ধিমান।
9
আর আমিই তোমাদের বলছি, নিজেদের জন্যে অধার্মিকতার টাকা-পয়সা দিয়ে লোকের সঙ্গে বন্ধুত্ব কর, যেন ওটা শেষ হলে তারা তোমাদের সেই চিরকালের থাকবার জায়গায় গ্রহণ করে।
10
যে অল্প বিষয়ে বিশ্বস্ত, সে অনেক বিষয়েও বিশ্বস্ত; আর যে অল্প বিষয়েও অবিশ্বস্ত, সে অনেক বিষয়ে অবিশ্বস্ত।
11
অতএব তোমরা যদি জগতের ধনে বিশ্বস্ত না হয়ে থাক, তবে কে বিশ্বাস করে তোমাদের কাছে সত্য ধন রাখবে?
12
আর যদি পরের বিষয়ে বিশ্বস্ত না হয়ে থাক, তবে কে তোমাদের নিজের বিষয় তোমাদের দেবে?
13
কোন চাকর দুই মনিবের দাসত্ব করতে পারে না, কারণ সে হয় এক জনকে ঘৃণা করবে, অন্য জনকে ভালোবাসবে, নয় তো এক জনের প্রতি মনোযোগ দেবে, অন্য জনকে তুচ্ছ করবে। তোমরা ঈশ্বর এবং ধন দুইয়ের দাসত্ব করতে পার না।”
14
তখন ফরীশীরা, যারা টাকা ভালোবাসতেন, এ সব কথা শুনছিল, আর তারা তাঁকে ঠাট্টা করতে লাগল।
15
তিনি তাহাদের বললেন,” তোমরাই তো মানুষের সামনে নিজেদের ধার্মিক দেখিয়ে থাক, কিন্তু ঈশ্বর তোমাদের মনের অবস্থা জানেন; কারণ মানুষের কাছে যা সম্মানিত, তা ঈশ্বরের চোখে ঘৃণার যোগ্য।
16
বাপ্তিস্মদাতা যোহনের সময় পর্যন্ত মোশির আইনকানুন ও ভাববাদীদের লেখা চলত; সেই সময় থেকে ঈশ্বরের রাজ্যের সুসমাচার প্রচার হচ্ছে, এবং প্রত্যেক জন আগ্রহী হয়ে জোরের সঙ্গে সেই রাজ্যে প্রবেশ করছে।
17
কিন্তু আইনকানুনের এক বিন্দু বাদ পড়ার চেয়ে বরং আকাশের ও পৃথিবীর লোপ হয়ে যাওয়া সহজ।
18
যে কেউ নিজের স্ত্রীকে ছেড়ে দিয়ে আর এক জনকে বিবাহ করে, সে ব্যাভিচার করে; এবং যে কেউ স্বামী যাকে ছেড়ে দিয়েছে সেই স্ত্রীকে বিবাহ করে, সে ব্যাভিচার করে।
19
এক জন ধনবান লোক ছিল, সে বেগুনী রঙের কাপড় ও দামী দামী কাপড় পরতো, এবং প্রতিদিন জাঁকজমকের সাথে আমোদ-প্রমোদ করত।
20
তার দরজার সামনে লাসার নামে এক জন ভিখারীকে রাখা হয়েছিল, তার সারা শরীর ঘায়ে ভরা ছিল,
21
এবং সেই ধনবানের টেবিল থেকে যে গুঁড়াগাঁড়া পড়ত তাই খেয়ে সে পেট ভরাতে চাইত; আবার কুকুরেরাও এসে তার ঘা চেটে দিত।
22
একদিন ঐ কাঙাল মারা গেল, আর স্বর্গদূতরা এসে তাকে নিয়ে গিয়ে অব্রাহামের কোলে বসালেন,। পরে সেই ধনবানও মারা গেল, এবং তাকে কবর দেওয়া হল।
23
আর পাতালে, যন্ত্রণার মধ্যে, সে চোখ তুলে দূর থেকে অব্রাহামকে ও তার কোলে লাসারকে দেখতে পেল।
24
তাতে সে চিৎকার করে বলল, পিতা অব্রাহাম, আমাকে দয়া করুন, লাসারকে পাঠিয়ে দিন, যেন সে আঙুলের আগা জলে ডুবিয়ে আমার জিভ ঠান্ডা করে, কারণ এই আগুনে আমি কষ্ট পাচ্ছি।
25
কিন্তু অব্রাহাম বললেন, মনে কর; তুমি যখন বেঁচেছিলে তখন কত সুখ ভোগ করেছ, আর লাসার কত দুঃখ ভোগ করেছে; এখন সে এখানে সান্ত্বনা পাচ্ছে, আর তুমি কষ্ট পাচ্ছ।
26
আর এছাড়া আমাদের ও তোমাদের মধ্যে এক বিরাট ফাঁক রয়েছে, যেন এখান থেকে তোমাদের কাছে কেউ যেতে না পারে, আবার ওখান থেকে আমাদের কাছে কেউ পার হয়ে আসতে না পারে।”
27
তখন সে বলল,” তবে আমি আপনাকে অনুরোধ করি, পিতা আমার বাবার বাড়িতে ওকে পাঠিয়ে দিন;
28
কারণ আমার পাঁচ ভাই আছে; সে গিয়ে তাদের কাছে সাক্ষ্য দিক, যেন তারাও এই যন্ত্রণার জায়গায় না আসে।
29
কিন্তু অব্রাহাম বললেন, তাদের কাছে মোশি ও ভাববাদীরা আছেন; তাদেরই কথা তারা শুনুক।”
30
তখন সে বলল,” তা নয়, পিতা অব্রাহাম, বরং মৃতদের মধ্যে থেকে যদি কেউ তাদের কাছে যায়, তা হলে তারা মন ফেরাবে “।
31
কিন্তু তিনি বললেন,” তারা যদি মোশির ও ভাববাদীদের কথা না শোনে, তবে মৃতদের মধ্যে থেকে কেহ উঠলেও তারা মানবে না। “
← Chapter 15
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 17 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24