bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Luke 19
Luke 19
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 18
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 20 →
1
পরে তিনি যিরীহোতে প্রবেশ করে শহরের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন।
2
আর দেখ, সক্কেয় নামে এক ব্যক্তি; সে এক জন প্রধান কর আদায়কারী, এবং সে ধনবান ছিল।
3
আর কে যীশু, সে দেখতে চেষ্টা করছিল, কিন্তু ভিড় থাকাতে দেখতে পারল না, কারণ সে বেঁটে ছিল।
4
তাই সে আগে দৌড়িয়ে গিয়ে তাঁকে দেখবার জন্য একটি সুকমোর গাছে উঠল, কারণ তিনি সেই পথে যাচ্ছিলেন।
5
পরে যীশু যখন সেই জায়গায় আসলেন, তখন উপরের দিকে চেয়ে তাকে বললেন, সক্কেয়, শীঘ্র নেমে এসো, কারণ আজ তোমার ঘরে আমাকে থাকতে হবে।
6
তাতে সে শীঘ্র নেমে আসল, এবং আনন্দের সাথে তাঁর আতিথ্য করল।
7
তা দেখে সবাই বচসা করে বলতে লাগল, ইনি এক জন পাপীর ঘরে রাত্রি-যাপন করতে গেলেন।
8
তখন সক্কেয় দাঁড়িয়ে প্রভুকে বলল, প্রভু, দেখুন, আমার সম্পত্তির অর্ধেক আমি গরিবদের দান করি; আর যদি অন্যায় করে কারোর কিছু জিনিস নিয়ে থাকি, তার চারগুণ ফিরিয়ে দেব।
9
তখন যীশু তাকে বললেন, আজ এই ঘরে পরিত্রান এলো; যেহেতু এ ব্যক্তিও অব্রাহামের সন্তান।
10
কারণ যা হারিয়ে গিয়েছিল, তার খোঁজ ও পরিত্রান করতে মানবপুত্র এসেছেন।
11
যখন তারা এইসব কথা শুনছিল, তখন তিনি একটি কাহিনিও বললেন, কারণ তিনি জিরুশালেমের কাছে এসেছিলেন; আর তারা অনুমান করছিল যে, ঈশ্বরের রাজ্যের প্রকাশ তখনই হবে।
12
অতএব তিনি বললেন, ভদ্রবংশীয় এক ব্যক্তি রাজপদ ফিরিয়ে নিয়ে আসবেন বলে দুরদেশে গেলেন।
13
আর তিনি নিজের দশ জন চাকরকে ডেকে দশটি মুদ্রা দিয়ে বললেন, আমি যে পর্যন্ত না আসি, এ দিয়ে ব্যবসা কর।
14
কিন্তু তাঁর প্রজারা তাকে ঘৃণা করত, তারা তাঁর পিছনে লোক পাঠিয়ে দিল, বলল, আমাদের ইচ্ছা নয় যে, এ ব্যক্তি আমাদের উপরে রাজত্ব করে।
15
পরে তিনি রাজপদ প্রাপ্ত হয়ে যখন ফিরে আসলেন, তখন, যাদেরকে টাকা দিয়েছিলেন, সেই দাসদেরকে তাঁর কাছে ডেকে আনতে বললেন, যেন তিনি জানতে পারেন, তারা ব্যবসায়ে কে কত লাভ করেছে।
16
তখন প্রথম ব্যক্তি কাছে এসে বলল, প্রভু, আপনার মুদ্রা থেকে আর দশ মুদ্রা হয়েছে।
17
তিনি তাকে বললেন, ধন্য! উত্তম দাস, তুমি অতি অল্প বিষয়ে বিশ্বস্ত হলে; এজন্য দশটা শহরের উপরে কর্তৃত্ব কর।
18
দ্বিতীয় ব্যক্তি এসে বলল, প্রভু, আপনার মুদ্রা থেকে আর পাঁচ মুদ্রা হয়েছে।
19
তিনি তাকেও বললেন, তুমিও পাঁচ শহরের কর্তা হও।
20
পরে আর এক জন এসে বলল, প্রভু, দেখুন, এই আপনার মুদ্রা; আমি এটা রুমালে বেঁধে রেখেছিলাম;
21
কারণ আমি আপনার সম্বন্ধে ভীত ছিলাম, কারণ আপনি কঠিন লোক, যা রাখেননি, তা তুলে নেন, এবং যা বোনেননি, তা কাটেন।
22
তিনি তাকে বললেন, দুষ্ট দাস, আমি তোমার মুখের প্রমাণে তোমার বিচার করব। তুমি না জানতে, আমি কঠিন লোক, যা রাখিনা তাই তুলে নিই, এবং যা বুনিনা তাই কাটি?
23
তবে আমার টাকা পোদ্দারদের কাছে কেন রাখনি? তা করলে আমি এসে সুদের সাথে তা আদায় করতাম।
24
আর যারা কাছে দাঁড়িয়েছিল, তিনি তাদের বললেন, এর কাছ থেকে ঐ মুদ্রা নাও, এবং যার দশ মুদ্রা আছে, তাকে দাও।
25
তারা তাঁকে বলল, প্রভু, ওর যে দশটি মুদ্রা আছে।-
26
আমি তোমাদের বলছি, যার আছে, তাকে দেওয়া যাবে; কিন্তু যার নেই, তার যা আছে, তাও তার কাছ থেকে নেওয়া যাবে।
27
কিন্তু আমার এই যে শত্রুরা যারা চাইনি যে, আমি তাদের উপরে রাজত্ব করি, তাদের এখানে আন, আর আমার সামনে হত্যা কর।
28
এই সব কথা বলে তিনি তাদের আগে আগে চললেন, জেরুশালেমের দিকে উঠতে লাগলেন।
29
পরে যখন জৈতুন নামক পর্বতের পাশে বৈৎফগী ও বৈথনিয়ার কাছে আসলেন, তখন তিনি দুই জন শিষ্যকে পাঠিয়ে দিলেন, বললেন,
30
ঐ সামনের গ্রামে যাও, সেখানে প্রবেশ করামাত্র একটি গাধার বাচ্চাকে বাঁধা দেখতে পাবে, যাতে কোন মানুষ কখনও বসেনি; সেটি খুলে আন।
31
আর যদি কেউ তোমাদের জিজ্ঞাসা করে, এটি কেন খুলছো? তবে এইভাবে বলবে, এতে প্রভুর প্রয়োজন আছে।
32
তখন যাদের পাঠানো হল, তারা গিয়ে, তিনি যেমন বলেছিলেন, সেইরকমই দেখতে পেলেন।
33
যখন তারা গাধার বাচ্চাটিকে খুলছিলেন, তখন মালিকেরা তাদেরকে বলল, গাধার বাচ্চাটিকে খুলছো কেন?
34
তারা বললেন, এতে প্রভুর প্রয়োজন আছে।
35
পরে তারা সেটিকে যীশুর কাছে নিয়ে আসলেন, এবং তার পিঠে নিজেদের কাপড় পেতে তার উপরে যীশুকে বসালেন।
36
পরে যখন তিনি যেতে লাগলেন, লোকেরা নিজের নিজের কাপড় রাস্তায় পেতে দিতে লাগল।
37
আর তিনি জৈতুন পর্বত থেকে নামবার কাছাকাছি জায়গায় এসেছেন, এমন সময়ে, সেই শিষ্যেরা যে-সব পরাক্রম-কাজ দেখেছিল, সেই সবের জন্য আনন্দের সাথে চিৎকার করে ঈশ্বরের প্রশংসা করে বলতে লাগল,
38
“ধন্য সেই রাজা, যিনি প্রভুর নামে আসছেন; স্বর্গে শান্তি এবং উর্দ্ধলোকে মহিমা।”
39
তখন লোকদের মধ্যে থেকে কয়েক জন ফরীশী তাঁকে বলল, গুরু, আপনার শিষ্যদের ধমক দিন।
40
তিনি উত্তর করলেন, আমি তোমাদের বলছি, এরা যদি চুপ করে থাকে, পাথর সব চেঁচিয়ে উঠবে।
41
পরে যখন তিনি কাছে আসলেন, তখন শহরটি দেখে তার জন্য ক্রন্দন করলেন,
42
বললেন, তুমি, তুমিই যদি আজকের দিনে, যা যা শান্তিজনক, তা বুঝতে! কিন্তু এখন সেসব তোমার দৃষ্টি থেকে গোপন থাকল।
43
কারণ তোমার উপরে এমন সময় আসবে, যে-সময়ে তোমার শত্রুরা তোমার চারদিকে দেয়াল বাঁধবে, তোমাকে ঘিরে রাখবে, তোমাকে সবদিকে অবরোধ করবে,
44
এবং তোমাকে ও তোমার মধ্যবর্তী তোমার লোকদের ভূমিসাৎ করবে, তোমার মধ্যে পাথরের উপরে পাথর থাকতে দেবে না; কারণ তোমার ঈশ্বরের আগমনের সময় তুমি বোঝো নি।
45
পরে তিনি ধর্মগৃহে প্রবেশ করলেন, এবং বিক্রেতাদের বাইরে বের করে দিতে শুরু করলেন,
46
তাহাদের বললেন, লেখা আছে, “আমার গৃহ প্রার্থনা-গৃহ হবে,” কিন্তু তোমরা এটা “ডাকাতদের আড্ডাখানা” করে তুলেছ।
47
আর তিনি প্রতিদিন ধর্মগৃহে উপদেশ দিতেন। আর প্রধান যাজকেরা ও অধ্যাপকরা এবং লোকদের প্রধানেরাও তাঁকে মেরে ফেলার চেষ্টা করতে লাগল;
48
কিন্তু কীভাবে তা করবে তার কোনো উপায় তারা খুঁজে পেল না, কারণ লোকেরা সবাই একমনে তাঁর কথা শুনত।
← Chapter 18
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 20 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24