bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Luke 18
Luke 18
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 19 →
1
আর তিনি তাদের এইরকম এক কাহিনি বললেন যে, তাদের সবসময় প্রার্থনা করা উচিত, নিরুৎসাহ হওয়া উচিত নয় ।
2
তিনি বললেন, কোনো শহরে এক বিচারক ছিল, সে ঈশ্বরকে ভয় করত না, মানুষকেও মানত না ।
3
আর সেই শহরে এক বিধবা ছিল, সে তার কাছে এসে বলত, অন্যায়ের প্রতিকার করে আমার বিপক্ষ থেকে আমাকে উদ্ধার করুন!
4
বিচারক কিছুদিন পর্যন্ত কিছুই করলেন না; কিন্তু পরে মনে মনে বলল, যদিও আমি ঈশ্বরকে ভয় করি না, মানুষকেও মানি না,
5
তবুও এই বিধবা আমাকে কষ্ট দিচ্ছে, সেইজন্য অন্যায় থেকে একে উদ্ধার করব, না-হলে সর্বদা আমাকে জ্বালাতন করবে ।
6
পরে প্রভু বললেন, শোন, ঐ অধার্মিক বিচারক কী বলে।
7
তবে ঈশ্বর কি তাঁর সেই মনোনীতদের পক্ষে অন্যায়ের প্রতিকার করবেন না, যারা দিনরাত তাঁর কাছে ক্রন্দন করে, যদিও তিনি তাদের বিষয়ে দীর্ঘসহিষ্ণু?
8
আমি তোমাদের বলছি, তিনি শীঘ্রই তাদের পক্ষে অন্যায়ের প্রতিকার করবেন । কিন্তু মানবপুত্র যখন আসবেন, তখন কি পৃথিবীতে বিশ্বাস দেখতে পাবেন?
9
যারা নিজেদের উপরে বিশ্বাস রাখত, মনে করত যে, তারাই ধার্মিক, এবং অন্য সবাইকে তুচ্ছ করত, এমন কয়েকজনকে তিনি এই কাহিনি বললেন।
10
দুই ব্যক্তি প্রার্থনা করার জন্য ধর্মগৃহে গেল; এক জন ফরীশী, আর এক জন কর আদায়কারী।
11
ফরীশী দাঁড়িয়ে নিজের বিষয়ে এই প্রার্থনা করল, হে ঈশ্বর, আমি তোমার ধন্যবাদ করি যে, আমি অন্য সব লোকের মতো ঠগ, অসৎ ও ব্যাভিচারীদের মতো কিংবা ঐ কর আদায়কারীর মতো নই;
12
আমি সপ্তাহের মধ্যে দুবার উপবাস করি, সমস্ত আয়ের দশমাংশ দান করি।
13
কিন্তু কর আদায়কারী দূরে দাঁড়িয়ে স্বর্গের দিকে চোখ তুলতেও সাহস পেল না, বরং সে বুক চাপড়াতে চাপড়াতে বলল, হে ঈশ্বর, আমার প্রতি, এই পাপীর প্রতি দয়া কর।
14
আমি তোমাদের বলছি, এই ব্যক্তি ধার্মিক বলে গণ্য হয়ে নিজ বাড়িতে চলে গেল, ঐ ব্যক্তি ধার্মিক নয়; কারণ যেকেউ নিজেকে উঁচু করে, তাকে নীচু করা যাবে; কিন্তু যে নিজেকে নীচু করে, তাকে উঁচু করা যাবে।
15
আর লোকেরা নিজেদের ছোট শিশুদেরও তাঁর কাছে আনল, যেন তিনি তাদের স্পর্শ করেন। শিষ্যেরা তা দেখে তাদের তিরস্কার করতে লাগলেন।
16
কিন্তু তিনি তাদের কাছে ডাকলেন, বললেন,” শিশুদের আমার কাছে আসতে দাও, ওদের বারণ কর না, কারণ ঈশ্বরের রাজ্য এদের মত লোকদেরই।
17
আমি তোমাদের সত্য বলছি, যে কেউ শিশুর মতো হয়ে ঈশ্বরের রাজ্য গ্রহণ না করে, সে কোন মতে তাতে প্রবেশ করতে পারবে না।”
18
এক জন অধ্যক্ষ তাঁকে জিজ্ঞাসা করল,” হে সদগুরু, কী করলে আমি অনন্ত জীবনের অধিকারী হব?”
19
যীশু তাকে বললেন,” আমাকে সৎ কেন বলছ? এক জন ছাড়া সৎ আর কেউ নেই, তিনি ঈশ্বর।
20
তুমি শাস্ত্রের আদেশ সকল জান, “ব্যভিচার কর না, নরহত্যা কর না, চুরি কর না, মিথ্যা কথা বল না, তোমার পিতামাতা কে সম্মান কর।”
21
সে বলল, ছোট থেকে এইসব পালন করে আসছি।”
22
এ কথা শুনে যীশু তাকে বললেন, “এখনও একটি বিষয়ে তোমার ভুল আছে; তোমার যা কিছু আছে, সব বিক্রি কর, আর দরিদ্রদের বিতরণ কর, তাতে স্বর্গে ধন পাবে; আর এসো, আমার অনুসরণ কর।”
23
কিন্তু একথা শুনে সে খুব দুঃখিত হল, কারণ সে খুব ধনবান ছিল।
24
তখন তার দিকে চেয়ে যীশু বললেন,” যাদের ধন আছে, তাদের পক্ষে ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করা কত কঠিন!
25
ঈশ্বরের রাজ্যে ধনবানের প্রবেশ করার থেকে বরং সুঁচের ছিদ্র দিয়ে উটের প্রবেশ করা সহজ।”
26
যারা শুনল, তারা বলল, “তবে কার পরিত্রান হতে পারে?”
27
তিনি বললেন, “যা মানুষের কাছে অসাধ্য তা ঈশ্বরের পক্ষে সাধ্য।”
28
তখন পিতর বললেন,” দেখুন, আমারা যা যা নিজের, সে সব ছেড়ে দিয়ে আপনার অনুগামী হয়েছি।”
29
তিনি তাদের বললেন, “আমি তোমাদের সত্য বলছি, এমন কেউ নেই, যে ঈশ্বরের রাজ্যের জন্য বাড়ি কি স্ত্রী কি ভাইদের কি বাবা-মা কি ছেলেমেয়েদের ত্যাগ করলে,
30
এইকালে তার বহুগুণ এবং আগামী যুগে অনন্ত জীবন পাবে না ।”
31
পরে তিনি সেই বারো জনকে কাছে নিয়ে তাদের বললেন, দেখ, আমরা জিরুশালেমে যাচ্ছি; আর ভাববাদীদের মাধ্যমে যা যা লেখা হয়েছে, সেসব মানবপুত্রে পূর্ণ হবে।
32
কারণ তিনি পরজাতির লোকদের হাতে সমর্পিত হবেন, এবং লোকেরা তাঁকে ঠাট্টা করবে, তাঁকে অপমান করবে, তাঁর গায়ে থুথু দেবে;
33
এবং চাবুক দিয়ে মেরে তাঁকে মেরে ফেলবে; পরে তিন দিনের দিন তিনি পুনরায় উঠবেন।
34
এসবের কিছুই তাঁরা বুঝলেন না, এই কথা তাদের থেকে গোপন থাকল, এবং কী কী বলা হচ্ছে, তা তারা বুঝে উঠতে পারল না।
35
আর যখন তিনি যিরীহোর কাছে আসলেন, এক জন অন্ধ পথের পাশে বসে ভিক্ষা করছিল;
36
সে লোকদের যাওয়ার শব্দ শুনে জিজ্ঞাসা করল, এর কারণ কী?
37
লোকে তাকে বলল, নাসরতীয় যীশু সেখান দিয়ে যাচ্ছেন।
38
তখন সে চিৎকার করে বলল, হে যীশু, দায়ুদ-সন্তান, আমার প্রতি দয়া করুন।
39
যারা আগে আগে যাচ্ছিল, তারা চুপ চুপ বলে তাকে ধমক দিল, কিন্তু সে আরও অধিক চেঁচিয়ে বলতে লাগল, হে দায়ুদ-সন্তান, আমার প্রতি দয়া করুন।
40
তখন যীশু থেমে গিয়ে তাকে তাঁর কাছে আনতে আদেশ করলেন; পরে সে কাছে আসলে তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কী চাও?
41
আমি তোমার জন্য কী করব? সে বলল, প্রভু, যেন দেখতে পাই।
42
যীশু তাকে বললেন, দেখ; তোমার বিশ্বাস তোমাকে সুস্থ করল।
43
তাতে সে তক্ষুনি দেখতে পেল, এবং ঈশ্বরের গৌরব করতে করতে তাঁর পিছন পিছন চলল। তা দেখে সব লোক ঈশ্বরের স্তব করল।
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 19 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24