bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Matthew 12
Matthew 12
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 13 →
1
সেই সময়ে যীশু বিশ্রামবারে শস্যক্ষেতের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন; আর তাঁর শিষ্যেরা ক্ষুধিত হওয়াতে শীষ ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেতে লাগলেন।
2
কিন্তু ফরীশীরা তা দেখে তাঁকে বলল, “দেখ, বিশ্রামবারে যা উচিত নয়, তাই তোমার শিষ্যরা করছে।”
3
তিনি তাদের বললেন, “দায়ূদ ও তাঁর সঙ্গীরা ক্ষুধিত হলে তিনি যা করেছিলেন, তা কি তোমরা পড়নি?”
4
তিনি তো ঈশ্বরের ঘরে প্রবেশ করলেন এবং তাঁরা দর্শন-রুটি খেলেন, যা তাঁর ও তাঁর সঙ্গীদের খাওয়া উচিত ছিল না, কেবল যাজকদেরই উচিত ছিল।
5
আর তোমরা কি নিয়মে পড়নি যে, বিশ্রামবারে যাজকেরা ধর্মগৃহে বিশ্রামবার লঙ্ঘন করলেও নির্দোষ থাকে?
6
কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, এই জায়গায় ধর্মগৃহ থেকেও মহান এক ব্যক্তি আছেন।
7
কিন্তু “আমি দয়াই চাই, বলিদান নয়,” এই কথার মানে কি, তা যদি তোমরা জানতে, তবে নির্দোষদেরকে দোষী করতে না।
8
কারণ মানবপুত্র বিশ্রামবারের কর্তা।
9
পরে তিনি সেখান থেকে চলে গিয়ে তাদের সমাজ-ঘরে প্রবেশ করলেন।
10
আর দেখ, একটি লোক, তার একখানি হাত শুকিয়ে গিয়েছিল। তখন তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, বিশ্রামবারে সুস্থ করা কি উচিত? তার উপরে দোষ দাও য়ার জন্য এই বলল।
11
তিনি তাদের বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তি কে, যার একটি মেষ আছে, আর সেটি যদি বিশ্রামবারে গর্তে পড়ে যায়, সে কি তা তুলবে না?
12
তবে মেষ থেকে মানুষ্ আরও কত শ্রেষ্ঠ! অতএব বিশ্রামবারে ভালো কাজ করা উচিত।
13
তখন তিনি সেই লোকটিকে বললেন, তোমার হাত বাড়িয়ে দাও; তাতে সে বাড়িয়ে দিল, আর তা অন্যটীর মতো আবার সুস্থ হল।
14
পরে ফরীশীরা বাইরে গিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মন্ত্রণা করতে লাগল, কিভাবে তাঁকে শেষ করতে পারে।
15
যীশু তা জানতে পেরে সেখান থেকে চলে গেলেন; অনেক লোক তাঁকে অনুসরণ করল, আর তিনি সবাইকে সুস্থ করলেন,
16
এবং এই দৃঢ় আদেশ দিলেন, তোমরা আমার পরিচয় দিও না।-
17
যেন যিশাইয় ভাববাদীর মাধ্যমে বলা এই কথা পূর্ণ হয়,
18
“দেখ, আমার দাস, তিনি আমার মনোনীত, আমার প্রিয়, আমার প্রাণ তাঁতে সন্তুষ্ট, আমি তাঁর উপরে নিজের আত্মাকে রাখব, আর তিনি জাতিদের কাছে ন্যায়বিচার করবেন।
19
তিনি ঝগড়া করবেন না, চিত্কার ও আওয়াজ করবেন না, পথে কেউ তাঁর স্বর শুনতে পাবে না।
20
তিনি থেঁতলা নল ভাঙ্গবেন না, জ্বলতে থাকা পলতেকে নিভিয়ে দেবেন না, যে পর্য্যন্ত না ন্যায়বিচার জয়ীরূপে প্রচলিত করেন।
21
আর তাঁর নামে পরজাতিরা আশা রাখবে।”
22
তখন এক জন ভূতগ্রস্থকে তাঁর কাছে নিয়ে এলো, সে অন্ধ ও বোবা; আর তিনি তাকে সুস্থ করলেন, তাতে সেই বোবা কথা বলতে ও দেখতে লাগল।
23
এতে সব লোক চমৎকৃত হল ও বলতে লাগল, ইনিই কি সেই দায়ূদ সন্তান?
24
কিন্তু ফরীশীরা তা শুনে বলল, এ ব্যক্তি আর কিছুতে নয়, কেবল ভূতদের অধিপতি বেলসবূলের মাধমেই ভূত ছাড়ায়।
25
তাদের চিন্তা বুঝতে পেরে তিনি তাদের বললেন, যে কোনো রাজ্য নিজের বিপক্ষে আলাদা হয়, তা ধ্বংস হবে এবং যে কোনো শহর কিংবা পরিবার আপনার বিপক্ষে ভিন্ন হয়, তা স্থির থাকবে না।
26
আর শয়তান যদি শয়তানকে ছাড়ায়, সে তো নিজেরই বিপক্ষে ভিন্ন হল; তবে তার রাজ্য কিভাবে স্থির থাকবে?
27
আর আমি যদি বেলসবূলের মাধ্যমে ভূত ছাড়াই, তবে তোমাদের সন্তানেরা কার মাধ্যমে ছাড়ায়? এই জন্য তারাই তোমাদের বিচারকর্তা হবে।
28
কিন্তু আমি যদি ঈশ্বরের আত্মার মাধ্যমে ভূত ছাড়াই, তবে ঈশ্বরের রাজ্য তোমাদের কাছে এসে পড়েছে।
29
আর আগে সেই শক্তিমান ব্যক্তিকে না বেঁধে কে কেমন করে তার ঘরের জিনিস লুঠ করতে পারবে? বাঁধলে পরে সে তার ঘর লুঠ করবে।
30
যে আমার পক্ষে নয়, সে আমার বিপক্ষ এবং যে আমার সাথে কুড়ায় না, সে ছড়িয়ে ফেলে।
31
এই কারণে আমি তোমাদের বলছি, মানুষদের সব পাপ ও নিন্দার ক্ষমা হবে, কিন্তু পবিত্র আত্মার নিন্দার ক্ষমা হবে না।
32
আর যে কেউ মানবপুত্রের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলে, সে ক্ষমা পাবে; কিন্তু যে কেউ পবিত্র আত্মার বিরুদ্ধে কথা বলে, সে ক্ষমা পাবে না, এইকালেও নয়, পরকালেও নয়।
33
হয় গাছকে ভাল বলএবং তার ফলকেও ভাল বল; নয় গাছকে খারাপ বলএবং তার ফলকেও খারাপ বল; কারণ ফলের মাধমেই গাছকে চেনা যায়।
34
হে সাপের বংশেরা, তোমরা খারাপ হয়ে কেমন করে ভাল কথা বলতে পার? কারণ অন্তরে যা আছে, মুখ তাই বলে।
35
ভাল মানুষ ভাল ভান্ডার থেকে ভাল জিনিস বের করেএবং খারাপ মানুষ খারাপ ভাণ্ডার থেকে খারাপ জিনিস বের করে।
36
আর আমি তোমাদের বলছি, মানুষেরা যত বাজে কথা বলে, বিচার দিনে সেই সবের হিসাব দিতে হবে।
37
কারণ তোমার কথার মাধ্যমে তুমি নির্দোষ বলে গণ্য হবে, আর তোমার কথার মাধমেই তুমি দোষী বলে গণ্য হবে।
38
তখন কয়েক জন ধর্ম-শিক্ষক ও ফরীশী তাঁকে বলল, “হে গুরু, আমরা আপনার কাছে একটি চিহ্ন দেখতে ইচ্ছা করি।”
39
তিনি উত্তর করে তাদের বললেন, “এই সময়ের খারাপ ও ব্যভিচারী লোকে চিহ্নের খোঁজ করে, কিন্তু যোনা ভাববাদীর চিহ্ন ছাড়া আর কোনো চিহ্ন এদেরকে দাও য়া যাবে না।
40
কারণ যোনা যেমন তিন দিন তিন রাত বড় মাছের পেটে ছিলেন, সেইরকম মানবপুত্রও তিন দিন তিন রাত পৃথিবীর অন্তরে থাকবেন।
41
নীনবীয় লোকেরা বিচারে এই সময়ের লোকদের সাথে দাঁড়িয়ে এদেরকে দোষী করবে, কারণ তারা যোনার প্রচারে মন ফিরিয়েছিল, আর দেখ, যোনা থেকে মহান এক ব্যক্তি এখানে আছেন।
42
দক্ষিণ দেশের রানীর বিচারে এই সময়ের লোকদের সাথে উঠে এদেরকে দোষী করবেন; কারণ শলোমনের জ্ঞানের কথা শুনবার জন্য তিনি পৃথিবীর শেষ থেকে এসেছিলেন, আর দেখ, শলোমন থেকে মহান এক ব্যক্তি এখানে আছেন।”
43
আর খারাপ আত্মা যখন মানুষ থেকে বের হয়ে যায়, তখন জলশূন্য নানা জায়গা দিয়ে ভ্রমণ করতে করতে বিশ্রামের খোঁজ করে, কিন্তু তা পায় না।
44
তখন সে বলে, আমি যেখান থেকে বের হয়ে এসেছি, আমার সেই ঘরে ফিরে যাই; পরে সে এসে তা খালি, পরিষ্কার ও সাজানো দেখে।
45
তখন সে গিয়ে নিজে থেকে খারাপ অন্য সাত আত্মাকে সঙ্গে নিয়ে আসে, আর তারা সেই জায়গায় প্রবেশ করে বাস করে; তাতে সেই মানুষের প্রথম দশা থেকে শেষ দশা আরও খারাপ হয়। এই সময়ের লোকদের প্রতি তাই ঘটবে।
46
তিনি সবলোককে এই সব কথা বলছেন, এমন সময়ে দেখ, তাঁর মা ও ভাইয়েরা তাঁর সাথে কথা বলবার চেষ্টায় বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
47
তখন এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, দেখুন, আপনার মা ও ভাইয়েরা আপনার সাথে কথা বলবার জন্য বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন।
48
কিন্তু এই যে কথা বলল, তাকে তিনি উত্তর করলেন, আমার মা কে? আমার ভাই বা কারা?
49
পরে তিনি নিজের শিষ্যদের দিকে হাত বাড়িয়ে বললেন, এই দেখ, আমার মা ও আমার ভাইয়েরা;
50
কারণ যে কেউ আমার স্বর্গস্থ পিতার ইচ্ছা পালন করে, সেই আমার ভাই ও বোন ও মা।
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 13 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28