bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Matthew 15
Matthew 15
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 16 →
1
তখন যিরুশালেম থেকে ফরীশীরা ও আইনের শিক্ষকেরা যীশুর কাছে এসে বললেন,
2
আপনার শিষ্যরা কি জন্য প্রাচীন পূর্বপুরুষদের নিয়ম কানুন পালন করে না? কারণ খাওয়ার সময়ে তারা হাত ধোয় না।
3
তিনি এর উত্তরে তাদের বললেন, “তোমরাও তোমাদের পরম্পরাগত নিয়ম কানুনের জন্য ঈশ্বরের আদেশ পালন কর না কেন?”
4
কারণ ঈশ্বর বলেছেন, “তুমি তোমার বাবাকে ও মাকে সম্মান করবে, আর যে কেউ বাবার কি মায়ের নিন্দা করে, তার মৃত্যুদণ্ড অবশ্যই হবে।”
5
কিন্তু তোমরা বলে থাক, যে ব্যক্তি বাবাকে কি মাকে বলে, 'আমি যা কিছু দিয়ে তোমার উপকার করতে পারতাম, তা ঈশ্বরকে উত্সর্গ করা হয়েছে,' সেই ব্যক্তির বাবাকে বা তার মাকে আর সম্মান করার দরকার নেই,
6
এইভাবে তোমরা নিজেদের পরম্পরাগত নিয়ম কানুনের জন্য ঈশ্বরের আদেশকে অগ্রাহ্য করছ।
7
ভণ্ডেরা, যিশাইয় ভাববাদী তোমাদের বিষয়ে একদম ঠিক ভাববাণী বলেছেন,
8
“এই লোকেরা খালি মুখেই আমার সম্মান করে, কিন্তু এদের হৃদয় আমার থেকে দূরে থাকে.
9
আর এরা বৃথাই আমার আরাধনা করে এবং মানুষের বানানো আদেশকে প্রকৃত আদেশ বলে শিক্ষা দেয়।”
10
পরে তিনি লোকদেরকে কাছে ডেকে বললেন, “তোমরা শোনো ও বোঝ।
11
মুখের ভেতরে যা কিছু যায়, তা যে মানুষকে অপবিত্র করে, এমন নয়, কিন্তু মুখ থেকে যা বের হয়, সেসব মানুষকে অপবিত্র করে।”
12
তখন শিষ্যরা কাছে এসে তাঁকে বললেন, “আপনি কি জানেন, এই কথা শুনে ফরীশীরা আঘাত পেয়েছে?”
13
তিনি এর উত্তরে বললেন, “আমার স্বর্গীয় পিতা যে সমস্ত চারা রোপণ করেন নি, সে সমস্তই উপড়িয়ে ফেলা হবে।”
14
ওদের কথা বাদ দাও, ওরা নিজেরা অন্ধ হয়ে অন্য অন্ধদেরকে পথ দেখায়, অন্ধ যদি অন্ধকে পথ দেখায় তবে দুজনেই গর্ত্তে পড়বে।
15
পিতর তাঁকে বললেন, “এই কথার অর্থ আমাদেরকে বুঝিয়ে দিন।”
16
তিনি বললেন, “তোমরাও কি এখনও বুঝতে পার না?
17
এটা কি বোঝ না যে, যা কিছু মুখের ভিতরে যায়, তা পেটের মধ্যে যায়, পরে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়?
18
কিন্তু যা যা মুখ থেকে বের হয়, তা হৃদয় থেকে আসে, আর সেগুলোই মানুষকে অপবিত্র করে।”
19
কেননা হৃদয় থেকে কুচিন্তা, নরহত্যা, ব্যভিচার, বেশ্যাগমন, চুরি, মিথ্যাসাক্ষ্য, নিন্দা বের হয়ে আসে।
20
এই সমস্তই মানুষকে অপবিত্র করে, কিন্তু হাত না ধুয়ে খাবার খেলে মানুষ তাতে অপবিত্র হয় না।
21
পরে যীশু সেই জায়গা ছেড়ে সোর ও সীদোন অঞ্চলে গেলেন।
22
আর দেখ, ঐ অঞ্চলের একটি কনানীয় মহিলা এসে চিত্কার করে বলতে লাগল, হে প্রভু, দায়ূদ-সন্তান, আমাকে দয়া করুন, আমার মেয়েটি ভূতগ্রস্থ হয়ে অত্যন্ত কষ্ট পাচ্ছে।
23
কিন্তু তিনি তাকে কিছুই উত্তর দিলেন না। তখন তাঁর শিষ্যেরা কাছে এসে তাঁকে অনুরোধ করলেন, একে বিদায় করুন, কেননা এ আমাদের পিছন পিছন চিত্কার করছে।
24
তিনি এর উত্তরে বললেন, “ইস্রায়েলের হারান মেষ ছাড়া আর কারও কাছে আমাকে পাঠানো হয় নি।”
25
কিন্তু মহিলাটি এসে তাঁকে প্রণাম করে বলল, “প্রভু, আমার উপকার করুন।”
26
তিনি বললেন, “সন্তানদের খাবার নিয়ে কুকুরদের কাছে ফেলে দাও য়া ভাল না।”
27
তাতে সে বলল, “হ্যাঁ, প্রভু, কারণ কুকুরেরাও তাদের মালিকের টেবিল থেকে সেই সব খাবারের টুকরো পড়ে, তারা খায়।”
28
তখন যীশু এর উত্তরে তাকে বললেন, “হে নারী, তোমার বড়ই বিশ্বাস, তোমার যেমন ইচ্ছা, তেমনি তোমার প্রতি হোক।” আর সেই মুহুর্তেই তার মেয়ে সুস্থ হল।
29
পরে যীশু সেখান থেকে গালীল সমুদ্রের ধারে উপস্থিত হলেন এবং পাহাড়ে উঠে সেই জায়গায় বসলেন।
30
আর অনেক লোক তাঁর কাছে আসতে লাগল, তারা তাদের সঙ্গে খোঁড়া, অন্ধ, বোবা, নুলা এবং আরও অনেক লোককে নিয়ে তাঁর পায়ের কাছে ফেলে রাখল, আর তিনি তাদের সুস্থ করলেন।
31
আর এইভাবে বোবারা কথা বলছিল, নুলারা সুস্থ হচ্ছিল, খোঁড়ারা হাঁটতে পারছিল এবং অন্ধেরা দেখতে পাচ্ছিল, তখন তারা এইসব দেখে খুবই আশ্চর্য্য হল এবং ইস্রায়েলের ঈশ্বরের গৌরব করল।
32
তখন যীশু তাঁর শিষ্যদেরকে কাছে ডেকে বললেন, “এই লোকদের জন্য আমার করুনা হচ্ছে, কারণ এরা আজ তিন দিন আমার সঙ্গে আছে এবং এদের কাছে খাবার কিছুই নেই, আর আমি এদেরকে না খাইয়ে বিদায় করতে চাই না, কারণ এরা রাস্তায় দুর্বল হয়ে পড়বে ।”
33
শিষ্যেরা তাঁকে বললেন, “এই ফাঁকা জায়গায় আমরা কোথায় এত রুটি পাব এবং এত লোককে কি ভাবে তৃপ্ত করব?”
34
যীশু তাঁদের বললেন, “তোমাদের কাছে কতগুলি রুটি আছে?” তাঁরা বললেন, “সাতখানা, আর কয়েকটি ছোট মাছ আছে।”
35
তখন তিনি লোকদেরকে মাটিতে বসতে আদেশ দিলেন।
36
পরে তিনি সেই সাতখানা রুটি ও সেই কয়েকটি মাছ নিলেন, ধন্যবাদ দিয়ে ভাঙ্গলেন এবং শিষ্যদেরকে দিলেন, শিষ্যেরা লোকদেরকে দিলেন।
37
তখন সবাই খাবার খেয়ে তৃপ্ত হল এবং যে সমস্ত খাবারের টুকরো অবশিষ্ট ছিল তা তাঁরা একজায়গায় জমা করলেন এবং সাতটা ঝুঁড়ি ভর্তি করে তুলে নিলেন ।
38
যারা খাবার খেয়েছিল, তাদের মধ্যে মহিলা ও শিশু বাদে, শুধু পুরুষের সংখ্যাই ছিল চার হাজার।
39
পরে তিনি লোকদেরকে বিদায় করে, নৌকা করে মগদনের সীমাতে উপস্থিত হলেন।
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 16 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28