bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Matthew 23
Matthew 23
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 22
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 24 →
1
তখন যীশু লোকদের ও তাঁর শিষ্যদের বললেন,
2
“ব্যবস্তার শিক্ষকেরা ও ফরীশীরা মোশির আসনে বসেন।
3
অতএব তারা তোমাদের যা কিছু বলে, তা পালন করবে এবং তা মেনে চলবে, কিন্তু তাদের কাজের মতো কাজ করবে না, কারণ তারা যা বলে, তারা নিজেরা সেগুলো করে না।
4
তারা ভারী ও কঠিন বোঝা বেঁধে লোকদের কাঁধে চাপিয়ে দেয়, কিন্তু নিজেরা আঙ্গুল দিয়েও তা সরাতে চায় না।
5
তারা লোককে দেখানোর জন্যই তাদের সমস্ত কাজ করে, কারণ তারা নিজেদের জন্য শাস্ত্রের বাক্য লেখা বড় কবচ তৈরী করে এবং বস্ত্রের থোপ বড় করে,
6
আর ভোজে প্রধান স্থান, সমাজ-ঘরে প্রধান প্রধান আসন,
7
হাটে বাজারে শুভেচ্ছা এবং লোকের কাছে রব্বি (গুরু) বলে সম্মান সূচক অভিবাদন পেতে খুব ভাল বাসে।”
8
কিন্তু তোমরা ‘শিক্ষক’ বলে সম্ভাষিত হয়ো না, কারণ তোমাদের গুরু এক জন এবং তোমরা সবাই তার ভাই।
9
আর পৃথিবীতে কাউকেও ‘পিতা’ বলে ডেকো না, কারণ তোমাদের পিতা এক জন, যিনি স্বর্গে থাকেন।
10
তোমরা ‘শিক্ষক’ বলে সম্ভাষিত হয়ো না, কারণ তোমাদের গুরু এক জন, তিনি খ্রীষ্ট ।
11
কিন্তু তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ, সে তোমাদের সেবাকারী হবে।
12
আর যে কেউ, নিজেকে উঁচু করে, তাকে নত করা হবে, আর যে কেউ নিজেকে নত করে, তাকে উঁচু করা হবে।
13
কিন্তু ব্যবস্তার শিক্ষকেরা ও ফরীশীরা, হে ভন্ডরা, ধিক তোমাদের! কারণ তোমরা লোকেদের জন্য স্বর্গরাজ্যর দরজা বন্ধ করে থাক,
14
নিজেরাও তাতে প্রবেশ কর না এবং যারা প্রবেশ করতে আসে, তাদের ও প্রবেশ করতে দাও না।
15
ব্যবস্তার শিক্ষকেরা ও ফরীশীরা, হে ভন্ডরা, ধিক্ তোমাদের! কারণ এক জনকে যিহূদী ধর্মে নিয়ে আসার জন্য তোমরা সমুদ্রে ও বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে থাক, আর যখন কেউ হয়, তখন তাকে তোমাদের থেকেও দ্বিগুণ নরকের যোগ্য করে তোলো ।
16
অন্ধ পথ পরিচালনাকারীরা, ধিক্ তোমাদের! তোমরা বলে থাক, কেউ মন্দিরের দিব্যি করে তা পালন না করলে তা কিছুই নয়, কিন্তু কেউ মন্দিরের সোনার দিব্যি করলে তাতে সে আবদ্ধ হল।
17
তোমরা মুর্খেরা ও অন্ধেরা, বল দেখি, কোনটি শ্রেষ্ঠ? সোনা, না সেই মন্দির, যা সেই সোনাকে পবিত্র করেছে?
18
আরও বলে থাক, কেউ যজ্ঞবেদীর দিব্যি করলে তা কিছুই নয়, কিন্তু কেউ যদি তার উপরের উপহারের দিব্যি করে, তবে সে তার দিব্যিতে আবদ্ধ হল।
19
তোমরা অন্ধেরা, বল দেখি, কোনটি শ্রেষ্ঠ? উপহার না সেই যজ্ঞবেদী, যা উপহারকে পবিত্র করে?
20
যে ব্যক্তি যজ্ঞবেদীর দিব্যি করে, সে তো বেদীর ও তার উপরের সবকিছুরই দিব্যি করে।
21
আর যে মন্দিরের দিব্যি করে, সে মন্দিরের, যিনি সেখানে বাস করেন, তাঁরও দিব্যি করে।
22
আর যে স্বর্গের দিব্যি করে, সে ঈশ্বরের সিংহাসনের এবং যিনি তাতে বসে আছেন, তাঁরও দিব্যি করে।
23
ব্যবস্তার শিক্ষকেরা ও ফরীশীরা, ভন্ডরা, ধিক্ তোমাদের! কারণ তোমরা পুদিনা, মৌরি ও জিরার দশমাংশ দিয়ে থাক, আর ব্যবস্থার মধ্যে প্রধান বিষয়, ন্যায়বিচার, দয়া ও বিশ্বাস ত্যাগ করেছ, কিন্তু এ সব পালন করা এবং ঐ গুলিও ত্যাগ না করা, তোমাদের উচিত ছিল।
24
অন্ধ পথ-পরিচালনাকারীরা, তোমরা মশা ছেঁকে ফেল, কিন্তু উট গিলে খাও।
25
ব্যবস্তার শিক্ষকেরা ও ফরীশীরা, হে ভন্ডরা, ধিক্ তোমাদের! কারণ তোমরা পান করার পাত্র ও খাওয়ার পাত্রের বাইরে পরিস্কার করে থাক, কিন্তু সেগুলির ভেতরে দৌরাত্ম্য ও অন্যায়ে ভরা।
26
অন্ধ ফরীশী, আগে পান পাত্রের ও খাওয়ার পাত্রের ভেতরেও পরিস্কার কর, যেন তা বাইরেও পরিস্কার হয়।
27
ব্যবস্তার শিক্ষকেরা ও ফরীশীরা, হে ভন্ডরা, ধিক্ তোমাদের! কারণ তোমরা চুনকাম করা কবরের মতো, যা বাইরে দেখতে খুবই সুন্দর, কিন্তু ভেতরে মরা মানুষের হাড় ও সব রকমের মন্দতায় ভরা।
28
একইভাবে তোমরাও বাইরে লোকদের কাছে নিজেদের ধার্মিক বলে দেখিয়ে থাক, কিন্তু ভিতরে তোমরা ভন্ডামি ও পাপে পরিপূর্ণ।
29
ব্যবস্তার শিক্ষকেরা ও ফরীশীরা, হে ভন্ডরা, ধিক্ তোমাদের! কারণ তোমরা ভাববাদিদের কবর গেঁথে থাক এবং ধার্মিকদের সমাধি-স্তম্ভ সাজিয়ে থাক, আর তোমরা বল,
30
আমরা যদি আমাদের পূর্বপুরুষদের সময়ে থাকতাম, তবে আমরা ভাববাদিদের রক্তপাতে তাঁদের সহভাগী হতাম না।
31
অতএব, তোমরা নিজেদের বিষয়ে এই সাক্ষ্য দিচ্ছ যে, যারা ভাববাদিদের বধ করেছিল, তোমরা তাদেরই সন্তান।
32
তোমরাও তোমাদের পূর্বপুরুষদের পাপের পরিমাণ পূর্ণ করছ।
33
হে সাপের দল, কালসাপের বংশেরা, তোমরা কেমন করে বিচারে নরকদন্ড এড়াবে?
34
অতএব, দেখ, আমি তোমাদের কাছে ভাববাদী, জ্ঞানবান ও ব্যবস্তার শিক্ষকদের পাঠাব, তাঁদের মধ্যে কয়েক জনকে তোমরা বধ করবে ও ক্রুশে দেবে, কয়েক জনকে তোমাদের সমাজ-ঘরে চাবুক মারবে এবং এক শহর থেকে আর এক শহরে তাড়া করবে,
35
যেন পৃথিবীতে যত ধার্মিক লোকের রক্তপাত হয়ে আসছে, সে সমস্তর দন্ড তোমাদের উপরে আসে, সেই ধার্মিক হেবলের রক্তপাত থেকে, বরখিয়ের ছেলে যে সখরিয়কে তোমরা ঈশ্বরের মন্দিরের ও যজ্ঞবেদির মাঝখানে বধ করেছিলে, তাঁর রক্তপাত পর্য্যন্ত ।
36
আমি তোমাদের সত্যি বলছি, এই যুগের লোকদের উপরে এসমস্ত দন্ড আসবে ।
37
যিরূশালেম, যিরূশালেম, তুমি ভাববাদিদেরকে বধ করেছ ও তোমার কাছে যাদের পাঠানো হয়, তাদের তোমরা পাথর মেরে থাক! মুরগি যেমন তার বাচ্চাদের ডানার নীচে একত্র করে, তেমন আমিও কত বার তোমার সন্তানদেরকে একত্র করতে ইচ্ছা করেছি, কিন্তু তোমরা রাজি হলে না।
38
দেখ, তোমাদের বাড়ি, তোমাদের জন্য খালি হয়ে পড়ে থাকবে।
39
কারণ আমি তোমাদের বলছি, তোমরা এখন থেকে আমাকে আর দেখতে পাবে না, যে পর্য্যন্ত না বলবে, “ধন্য তিনি, যিনি প্রভুর নামে আসছেন।”
← Chapter 22
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 24 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28