bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Matthew 9
Matthew 9
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 10 →
1
পরে তিনি নৌকায় উঠে পার হলেন এবং নিজের শহরে এলেন। আর দেখ, কয়েকটি লোক তাঁর কাছে এক জন পক্ষাঘাতীকে আনল, সে খাটের উপরে শোয়ানো ছিল।
2
যীশু তাদের বিশ্বাস দেখে সেই পক্ষাঘাতীকে বললেন, বৎস, সাহস কর, তোমার পাপের ক্ষমা হল।
3
আর দেখ, কয়েকজন ধর্ম-শিক্ষকরা মনে মনে বলল, “এ ব্যক্তি ঈশ্বর নিন্দা করছে।”
4
তখন যীশু তাদের চিন্তা বুঝতে পেরে বললেন, “তোমরা মনে মনে কেন কুচিন্তা করছ?
5
কারণ কোনটা সহজ, ‘তোমার পাপ ক্ষমা হল’ বলা, না ‘তুমি উঠে বেড়াও’ বলা?
6
কিন্তু পৃথিবীতে পাপ ক্ষমা করতে মানবপুত্রের ক্ষমতা আছে, এটা যেন তোমরা জানতে পার,” এই জন্য তিনি সেই পক্ষাঘাতীকে বললেন “ওঠ, তোমার বিছানা তুলে নাও এবং তোমার ঘরে চলে যাও।”
7
তখন সে উঠে নিজের ঘরে চলে গেল।
8
তা দেখে সব লোক ভয় পেয়ে গেল, আর ঈশ্বর মানুষকে এমন ক্ষমতা দিয়েছেন বলে তার গৌরব করল।
9
সেই জায়গা থেকে যেতে যেতে যীশু দেখলেন, মথি নামে এক ব্যক্তি কর আদায়ের জায়গায় বসে আছে; তিনি তাকে বললেন, “আমার পিছনে এস।” তাতে সে উঠে তাঁকে অনুসরণ করল।
10
পরে তিনি ঘরের মধ্যে খাবার খেতে বসেছেন, আর দেখ, অনেক কর আদায়কারী ও পাপী লোকেরা এসে যীশুর এবং তাঁর শিষ্যদের সাথে বসল।
11
তা দেখে ফরীশীরা তাঁর শিষ্যদের বলল, তোমাদের গুরু কেন কর আদায়কারী ও পাপীদের সাথে খাবার খান?
12
তা শুনে তিনি বললেন, সুস্থ লোকদের চিকিৎসকের প্রয়োজন নেই, বরং অসুস্থদেরই প্রয়োজন আছে।
13
কিন্তু তোমরা গিয়ে শেখো, এই কথার মানে কি, “আমি দয়াই চাই, বলিদান নয়”; কারণ আমি ধার্মিকদের নয়, কিন্তু পাপীদেরকে ডাকতে এসেছি।
14
তখন যোহনের শিষ্যরা তাঁর কাছে এসে বলল, “ফরীশীরা ও আমরা অনেক বার উপবাস করি, কিন্তু আপনার শিষ্যরা উপবাস করে না, এর কারণ কি?”
15
যীশু তাদের বললেন, “বর সঙ্গে থাকতে কি বাসরঘরের লোকে দুঃখ করতে পারে?” কিন্তু এমন সময় আসবে, যখন তাদের কাছ থেকে বর চলে যাবেন; তখন তারা উপবাস করবে।
16
পুরাতন কাপড়ে কেউ নতুন কাপড়ের তালী দেয় না, কারণ তার তালীতে কাপড় ছিঁড়ে যায়এবং আরও খারাপ ছিদ্র হয়।
17
আর লোকে পুরাতন চামড়ার থলিতে নতুন আঙুরেররস রাখে না; রাখলে চামড়ার থলিগুলি ফেটে যায়, তাতে দ্রাক্ষারস পড়ে যায়, চামড়ার থলিগুলিও নষ্ট হয়; কিন্তু লোকে নূতন চামড়ার থলিতে টাটকা দ্রাক্ষারস রাখে, তাতে উভয়েরই রক্ষা হয়।
18
তিনি তাদের এই সব কথা বলছেন, আর দেখ, এক জন তত্ত্বাবধায়ক এসে তাঁকে প্রণাম করে বললেন, আমার মেয়েটি এতক্ষনে মারা গিয়েছে; কিন্তু আপনি এসে তার উপরে হাত রাখুন, তাতে সে বাঁচবে।
19
তখন যীশু উঠে তাঁর পিছনে গেলেন, তাঁর শিষ্যরাও চললেন।
20
আর দেখ, বারো বছর ধরে রক্তস্রাব রোগগ্রস্ত একটি স্ত্রীলোক তাঁর পিছন দিকে এসে তাঁর পোশাকের ঝালর স্পর্শ করল;
21
কারণ সে মনে মনে বলছিল, ওনার পোশাক মাত্র স্পর্শ করতে পারলেই আমি সুস্থ হব।
22
তখন যীশু মুখ ফিরিয়ে তাকে দেখে বললেন, বৎসে, সাহস কর, তোমার বিশ্বাস তোমাকে সুস্থ করল। সেই সময়ে স্ত্রীলোকটী সুস্থ হল।
23
পরে যীশু সেই তত্ত্বাবধায়কের বাড়িতে এসে যখন দেখলেন, বংশীবাদকরা রয়েছে, ও লোকেরা হৈ-চৈ করছে,
24
তখন যীশু বললেন, সরে যাও, মেয়েটী তো মরে যায় নি, ঘুমিয়ে রয়েছে। তখন তারা তাঁকে ঠাট্টা করল।
25
কিন্তু লোকদেরকে বের করে দাও য়া হলে তিনি ভিতরে গিয়ে মেয়েটীর হাত ধরলেন, তাতে সে উঠে বসল ।
26
আর এই কথা সেই দেশে ছড়িয়ে পড়ল।
27
পরে যীশু সেখান থেকে প্রস্থান করলে, দুই জন অন্ধ তাঁকে অনুসরণ করছিল; তারা চেঁচিয়ে বলতে লাগল, “হে দায়ূদ-সন্তান, আমাদের প্রতি দয়া করুন।”
28
তিনি ঘরের মধ্যে প্রবেশ করলে পর সেই অন্ধেরা তাঁর কাছে এলো; তখন যীশু তাদের বললেন, “তোমরা কি বিশ্বাস কর যে, আমি এটা করতে পারি?” তারা তাঁকে বলল, “হ্যাঁ হয় প্রভু।”
29
তখন তিনি তাদের চোখ স্পর্শ করলেন, আর বললেন, “তোমাদের বিশ্বাস অনুসারে তোমাদের প্রতি হোক।” তখন তাদের চোখ খুলে গেল।
30
আর যীশু তাদের দৃঢ়ভাবে নিষেধ করে দিলেন, বললেন, “দেখ, যেন কেউ এটা জানতে না পায়।”
31
কিন্তু তারা বাইরে গিয়ে সেই দেশের সমস্ত জায়গায় তাঁর বিষয়ে বলতে লাগল।
32
তারা বাইরে যাচ্ছে, আর দেখ, লোকেরা এক ভূতগ্রস্থ বোবাকে তাঁর কাছে আনল।
33
ভূত ছাড়ানো হলে সেই বোবা কথা বলতে লাগল; তখন সব লোক অবাক হয়ে বলল, “ইস্রায়েলের মধ্যে এমন কখনও দেখা যায়নি।”
34
কিন্তু ফরীশীরা বলতে লাগল, “ভূতদের অধিপতির মাধ্যমে সে ভূত ছাড়ায়।”
35
আর যীশু সব নগর ও গ্রামে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন; তিনি লোকদের সমাজ ঘরে উপদেশ দিলেন ও রাজ্যের সুসমাচার প্রচার করলেনএবং সবরকম রোগ ও সবরকম অসুখ থেকে সুস্থ করলেন।
36
কিন্তু প্রচুর লোক দেখে তাদের প্রতি যীশুর করুনা হল, কারণ তারা ব্যাকুল হয়ে ছড়িয়েছিটিয়ে ছিল, যেন পালকবিহীন মেষপাল।
37
তখন তিনি নিজের শিষ্যদেরকে বললেন, ফসল প্রচুর বটে, কিন্তু কাটার লোক অল্প;
38
এইজন্য ফসলের মালিকের কাছে অনুরোধ কর, যেন তিনি নিজের ফসল কাটার জন্য লোক পাঠিয়ে দেন।
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 10 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28