bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
/
Matthew 24
Matthew 24
Bengali 2017 (বাঙালি বাইবেল)
← Chapter 23
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 25 →
1
পরে যীশু মন্দির থেকে বের হয়ে নিজের রাস্তায় চলেছেন, এমন সময়ে তাঁর শিষ্যেরা তাঁকে মন্দিরের গাঁথনিগুলি দেখানোর জন্য কাছে গেলেন ।
2
কিন্তু তিনি তাঁদের বললেন, “তোমরা কি এইসব দেখছ না? আমি তোমাদের সত্যি বলছি, এই মন্দিরের একটা পাথর অন্য পাথরের উপরে থাকবে না, সবকিছুই ধ্বংস হবে।”
3
পরে তিনি জৈতুন পর্ব্বতের উপরে বসলে শিষ্যেরা গোপনে তাঁর কাছে এসে বললেন, “আমাদেরকে বলুন দেখি, এই সব ঘটনা কখন ঘটবে? আর আপনার আবার ফিরে আসার এবং যুগ শেষ হওয়ার চিহ্ন কি?”
4
যীশু এর উত্তরে তাঁদের বললেন, “সাবধান হও, কেউ যেন তোমাদের না ভোলায়।
5
কারণ অনেকেই আমার নাম ধরে আসবে, বলবে, আমিই সেই খ্রীষ্ট, আর অনেক লোককে ভোলাবে।
6
আর তোমরা যুদ্ধের কথা ও যুদ্ধের জনরব শুনবে, দেখো, অস্থির হয়োনা, কারণ এসব অবশ্যই ঘটবে, কিন্তু তখনও এর শেষ নয়।
7
কারণ জাতির বিরুদ্ধে জাতি ও রাজ্যের বিরুদ্ধে রাজ্য উঠবে এবং জায়গায় জায়গায় দুর্ভিক্ষ ও ভূমিকম্প হবে।
8
কিন্তু এই সবই যন্ত্রনা আরম্ভ মাত্র।
9
সেই সময়ে লোকেরা কষ্ট দেবার জন্য তোমাদের সমর্পণ করবে, ও তোমাদের বধ করবে, আর আমার নামের জন্য সমস্ত জাতি তোমাদের ঘৃণা করবে।
10
আর সেইসময় অনেকে বাধা পাবে, এক জন অন্যজনকে সমর্পণ করবে, একে অন্যকে ঘৃণা করবে।
11
আর অনেক ভন্ড ভাববাদী আসবে এবং অনেককে ভোলাবে।
12
আর পাপের বৃদ্ধি হওয়াতে অধিকাংশ লোকের প্রেম শীতল হয়ে যাবে।
13
কিন্তু যে কেউ শেষ পর্য্যন্ত স্থির থাকবে, সে উদ্ধার পাবে।
14
আবার সব জাতির কাছে সাক্ষ্য দাও য়ার জন্য রাজ্যের এই সুসমাচার সমস্ত জগতে প্রচার করা হবে, আর তখন শেষ সময় উপস্থিত হবে।
15
অতএব যখন দেখবে, ধ্বংসের যে ঘৃণার্হ বস্তুর বিষয়ে দানিয়েল ভাববাদী বলেছেন, যা পবিত্র স্থানে দাঁড়িয়ে আছে, যে ব্যক্তি এই বিষয়ে পড়ে সে বুঝুক,
16
তখন যারা যিহূদিয়াতে থাকে, তারা পাহাড়ি অঞ্চলে পালিয়ে যাক,
17
যে কেউ ছাদের উপরে থাকে, সে ঘর থেকে জিনিসপত্র নাও য়ার জন্য নীচে না নামুক,
18
আর যে কেউ ক্ষেতে থাকে, সে তার পোশাক নাও য়ার জন্য পেছনে ফিরে না যাক।
19
হায়, সেই সময়ে গর্ভবতী এবং যাদের কোলে দুধের বাচ্চা তাদের খুবই কষ্ট হবে!
20
আর প্রার্থনা কর, যেন তোমাদের শীতকালে কিম্বা বিশ্রামবারে পালাতে না হয় ।
21
কারণ সেসময় এমন “মহাসংকট উপস্থিত হবে, যা জগতের আরম্ভ থেকে এ পর্য্যন্ত কখনও হয় নি, আর কখনও হবেও না।
22
আর সেই দিনের সংখ্যা যদি কমিয়ে দাও য়া না হত, তবে কোন প্রাণীই রক্ষা পেত না, কিন্তু যারা মনোনীত তাদের জন্য সেই দিনের সংখ্যা কমিয়ে দাও য়া হবে।
23
তখন যদি কেউ তোমাদের বলে, দেখ, সেই খ্রীষ্ট এখানে, কিম্বা ওখানে, তোমরা বিশ্বাস কর না।
24
কেননা ভন্ড খ্রীষ্টেরা ও ভন্ড ভাববাদীরা উঠবে এবং এমন মহান মহান চিহ্ন ও আশ্চর্য্য আশ্চর্য্য কাজ দেখাবে যে, যদি হতে পারে, তবে মনোনীতদেরও ভোলাবে।
25
দেখ, আমি আগেই তোমাদের বললাম।
26
অতএব লোকে যদি তোমাদের বলে, ‘দেখ, তিনি মরুভূমিতে,’ তোমরা বাইরে যেও না, ‘দেখ, তিনি গোপন ঘরে,’ তোমরা বিশ্বাস করো না।
27
কারণ বিদ্যুৎ যেমন পূর্বদিক থেকে বের হয়ে পশ্চিম দিক পর্য্যন্ত প্রকাশ পায়, তেমন ভাবেই মনুষ্যপুত্রের আগমনও হবে।
28
যেখান মড়া থাকে সেইখানে শকুন জুটবে।
29
আর সেই সময়ের সংকটের পরেই “সূর্য্য অন্ধকার হবে, চাঁদও জ্যোৎস্না দেবে না, আকাশ থেকে তারা খসে পড়বে ও আকাশমন্ডলের সমস্ত ক্ষমতা ।
30
আর তখন মনুষ্যপুত্রের চিহ্ন আকাশে দেখা যাবে, আর তখন পৃথিবীর সমস্ত জাতি বিলাপ করবে এবং মনুষ্যপুত্রকে আকাশে মেঘরথে পরাক্রম ও মহা প্রতাপে আসতে দেখবে।
31
আর তিনি মহা তূরীধ্বনির সঙ্গে তাঁর দূতকে পাঠাবেন, তাঁরা আকাশের এক সীমা থেকে আর এক সীমা পর্য্যন্ত, চার দিক থেকে তাঁর মনোনীতদের একত্রীত করবেন।
32
ডুমুরগাছ থেকে শিক্ষা নাও, যখন তার ডালে কচি পাতা বের হয়, তখন তোমরা জানতে পার, গ্রীষ্মকাল এসে গেছে,
33
তেমনি তোমরা ঐসব ঘটনা দেখলেই জানবে, তিনিও আসছেন, এমন কি, দরজার কাছে উপস্থিত।
34
আমি তোমাদের সত্যি বলছি, এই যুগের লোকদের লোপ হবে না, যে পর্য্যন্ত না এ সমস্ত কিছু পূর্ণ হয়।
35
আকাশের ও পৃথিবীর লোপ হবে কিন্তু আমার বাক্যের লোপ কখনও হবে না।
36
কিন্তু সেই দিনের ও সেই মুহূর্তের বিষয় কেউই জানে না, স্বর্গের দূতেরাও জানেন না, পুত্রও জানেন না, শুধু পিতা জানেন।
37
যেমন নোহের সময়ে হয়েছিল, মনুষ্যপুত্রের আগমনও তেমন হবে।
38
কারণ বন্যা আসার আগে থেকে, জাহাজে নোহের প্রবেশের দিন পর্য্যন্ত, লোকে যেমন খাওয়া-দাওয়া করত, বিয়ে করত, ও বিয়ে দিয়েছে ।
39
এবং ততক্ষণ বুঝতে পারল না, যতক্ষণ না বন্যা এসে সবাইকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল, তেমন মনুষ্যপুত্রের আগমনের সময়েও হবে।
40
তখন দুই জন ক্ষেতে থাকবে, এক জনকে নিয়ে নাও য়া হবে এবং অন্য জনকে ছেড়ে দাও য়া হবে।
41
দুটো মহিলা যাঁতা পিষবে, এক জনকে নিয়ে যাওয়া হবে এবং অন্য জনকে ছেড়ে দাও য়া হবে।
42
অতএব জেগে থাক, কারণ তোমাদের প্রভু কোন্ দিন আসবেন, তা তোমরা জান না।
43
কিন্তু এটা জেনে রাখো, চোর কোন্ সময় আসবে, তা যদি বাড়ির মালিক জানত, তবে জেগে থাকত, নিজের বাড়িতে সিঁধ কাটতে দিত না।
44
এইজন্য তোমরাও প্রস্তুত থাক, কারণ যে সময় তোমরা মনে করবে তিনি আসবেন না, সেই সময়ই মনুষ্যপুত্র আসবেন।”
45
এখন, সেই বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান দাস কে, যাকে তার প্রভু তাঁর পরিজনের উপরে নিযুক্ত করেছেন, যেন সে তাদের উপযুক্ত সময়ে খাবার দেয়?
46
ধন্য সেই দাস, যাকে তার প্রভু এসে তেমন করতে দেখবেন।
47
আমি তোমাদের সত্যি বলছি, তিনি তাকে তাঁর সবকিছুর উপরে নিযুক্ত করবেন।
48
কিন্তু সেই দুষ্টু দাস যদি মনে মনে বলে, ‘আমার প্রভুর আসা দেরি আছে,’
49
আর যদি তার সহদাসদের মারতে এবং মাতাল লোকদের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করতে, আরম্ভ করে,
50
তবে যে দিন সে অপেক্ষা করবে না এবং যে মুহূর্তের আশা সে করবে না, সেই দিন ও সেই মুহূর্তে সেই দাসের প্রভু আসবেন,
51
আর তাকে দুই খন্ড করে ভন্ডদের মধ্যে তার স্থান ঠিক করবেন, সে সেই জায়গায় কাঁদবে ও দাঁতে দাঁত ঘষবে।
← Chapter 23
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 25 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28