bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Genesis 30
Genesis 30
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 29
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 31 →
1
যাকোবের কোন সন্তানের জননী হতে পারলেন না বলে রাহেল তাঁর বোনকে ঈর্ষা করতে লাগলেন। তিনি যাকোবকে বললেন, আমাকে সন্তান দাও, নইলে আমি মরব।
2
এ কথা শুনে যাকোব রাহেলের উপর খুব রেগে গেলেন। বললেন, আমি কি ঈশ্বরের আসন গ্রহণ করতে পারি? তিনিই তোমাকে সন্তান ধারণে বঞ্চিত করেছেন।
3
রাহেল তখন বললেন, তুমি আমার দাসী বিল্হার কাছে যাও, তার সন্তান হলে আমি কোলে তুলে নেব, তার দ্বারাই আমি সন্তান লাভ করব।
4
এই কথা বলে তিনি তার দাসী বিল্হার সঙ্গে যাকোবের বিবাহ দিলেন।
5
তার সঙ্গে যাকোবের বিবাহের পর বিল্হা একটি পুত্র সন্তানের জননী হল।
6
রাহেল তখন বললেন, ঈশ্বর আমার প্রতি সুবিচার করেছেন। তিনি আমার কাতরোক্তি শুনে আমাকে একটি পুত্র সন্তান দিয়েছেন। এই জন্য তিনি ছেলেটির নাম রাখলেন দান (বিচার)।
7
এরপর রাহেলের দাসী বিল্হা আবার গর্ভধারণ করে যাকোবের দ্বিতীয় পুত্র সন্তানের জন্ম দিল।
8
রাহেল তখন বললেন, আমি আমার বোনের সঙ্গে প্রচণ্ড প্রতিদ্বন্দিতা করে জয়লাভ করেছি। তাই তিনি ছেলেটির নাম রাখলেন নপ্তালি (প্রতিদ্বন্দিতা)।
9
এদিকে লেয়া যখন দেখলেন তার আর কোন সন্তান হল না তখন তিনি তাঁর দাসী সিলপার সঙ্গে যাকোবের বিবাহ দিলেন।
10
লেয়ার দাসী সিল্পারও একটি পুত্র হল। লেয়া তখন বললেন, আমার সৌভাগ্যের উদয় হল। তিনি তাই ছেলেটির নাম রাখলেন গাদ (সৌভাগ্য)।
12
এর পর লেয়ার দাসী সিল্পার দ্বিতীয় পুত্র জন্মগ্রহণ করল।
13
তখন লেয়া বললেন, আমি সুখী, নারী মাত্রেই আমাকে সুখী বলবে। সেই জন্য তিনি ছেলেটির নাম রাখলেন আশের (সুখী)।
14
গম কাটার মরশুমে রূবেণ মাঠে গিয়ে এক জাতীয় কন্দ দেখতে পেল। সে সেগুলি তুলে এনে তার মা লেয়াকে দিল। এই দেখে রাহেল লেয়াকে বললেন, তোমার ছেলে যে কন্দ এনেছে তার কিছুটা আমাকে দাও।
15
লেয়া বললেন, তুমি আমার স্বামী কেড়ে নিয়েছ, সেটা কি সামান্য ব্যাপার? এখন আমার ছেলের আনা কন্দও কেড়ে নিতে চাও নাকি? রাহেল বললেন, বেশ তোমার ছেলের কন্দের বদলে তিনি আজ রাতে তোমার কাছে থাকবেন। সন্ধ্যা বেলায় যাকোব মাঠ থেকে ফিরে এলে লেয়া বাইরে গিয়ে তাঁকে বললেন,
16
তোমাকে আজ আমার কাছে আসতে হবে, কারণ আমি আজ আমার ছেলের আনা কন্দের বিনিময়ে তোমাকে অধিকার করেছি। যাকোব সেই রাত তাঁর সঙ্গে কাটালেন।
17
ঈশ্বর লেয়ার বিনতি গ্রাহ্য করায় তিনি যাকোবের পঞ্চম পুত্রের জন্মদান করলেন।
18
লেয়া বললেন, আমি আমার স্বামীর কাছে আমার দাসীকে দিয়েছিলাম, তার পুরস্কার ঈশ্বর আমাকে দিলেন। তিনি তাই ছেলেটির নাম রাখলেন ইষাখর (পুরস্কার)।
19
এর পর লেয়া আবার যাকোবের ষষ্ঠ পুত্রের জননী হলেন।
20
তিনি বললেন, ঈশ্বর আমাকে উৎকৃষ্ট উপহার দিয়েছেন। এবার থেকে আমার স্বামী আমাকে আদর ও সম্মান করবেন কারণ আমি তাঁর ছয়টি পুত্রের জননী হয়েছি। এই জন্য তিনি ছেলেটির নাম রাখলেন সবুলুন ।
21
এরপরে তাঁর একটি কন্যা হল, আর তিনি তার নাম রাখলেন দীনা। ঈশ্বর তখন রাহেলের প্রতি কৃপাপরবশ হলেন।
22
তাঁর বিনতি গ্রাহ্য করে তিনি তাঁকে সন্তানবতী করলেন।
23
রাহেল তখন একটি পুত্রের জন্ম দান করলেন। আর তিনি বললেন, ঈশ্বর আমার লজ্জা হরণ করেছেন।
24
তিনি তাঁর পুত্রের নাম রাখলেন যোষেফ । তিনি বললেন, প্রভু পরমেশ্বর আমাকে আরও একটি সন্তান দান করুন।
25
রাহেলের গর্ভে যোষেফের জন্ম হওয়ার পর যাকোব লাবণকে বললেন, আমাকে এবার বিদায় দিন। আমি স্বদেশে, নিজের বাড়িতে ফিরে যাব।
26
আমি যাদের জন্য আপনার সেবা করেছি, সেই স্ত্রী ও সন্তানদেরও আমার সঙ্গে যেতে দিন। তাদের জন্য আমি যে কি ভাবে আপনার সেবা করেছি তা আপনি জানেন।
27
লাবণ তাঁকে সবিনয়ে অনুরোধ করে বললেন, আমার প্রতি অনুগ্রহ কর, কেননা আমি বিচার-বিবেচনা করে বুঝতে পেরেছি যে তোমার জন্যই প্রভু পরমেশ্বর আমাকে আশীর্বাদ করেছেন।
28
তিনি আরও বললেন, তোমার একটা বেতন স্থির করে আমাকে বল, আমি তোমাকে তাই দেব।
29
যাকোব তাঁকে বললেন, আমি কি ভাবে আপনার কাজকর্ম করেছি, আমার হাতে আপনার পশুধনের সমৃদ্ধি কেমন হয়েছে সে কথা আপনি জানেন।
30
আমি আসার আগে আপনার সম্পদ ছিল সামান্য, কিন্তু তা বৃদ্ধি পেয়ে প্রচুর হয়েছে। আমার সব কাজেই প্রভু পরমেশ্বর আপনাকে আশীর্বাদ করেছেন। কিন্তু এখন আমাকে নিজের পরিবারের জন্য উপার্জন করতে হবে।
31
লাবণ বললেন, তোমাকে কত মজুরী দিতে হবে? যাকোব বললেন, আমাকে আপনার কিছুই দিতে হবে না। আপনি শুধু আমার জন্য একটি কাজ করুন, তাহলে আমি আবার আপনার পশুপাল চরাব এবং তদারক করব।
32
আজ আমি আপনার বাথানে যাব, আর ভেড়ার পালের মধ্যে যেগুলি কালো এবং ছাগলের পালের মধ্যে যেগুলির গায়ে ফুটকি ও রঙবেরঙের দাগ আছে সেগুলিকে পৃথক করব।
33
সেগুলিই হবে আমার মজুরী। এর পর আপনি যখন আমার মজুরী যাচাই করতে আসবেন তখন আমার কোন অসাধুতা থাকলে তা ধরা পড়বে। আমার ছাগপালের মধ্যে যেগুলির গায়ে ফুটকি বা রঙবেরঙের দাগ থাকবে না এবং মেষ পালের মধ্যে যেগুলি কালো হবে না সেগুলি চুরি করা সম্পত্তি বলে গণ্য হবে।
34
লাবণ বললেন, বেশ, তুমি যা বললে তা-ই হবে।
35
কিন্তু লাবণ সেইদিনই তাঁর মেষ ও ছাগপালের মধ্যে যেগুলির গায়ে ফুটকি ও রঙবেরঙের দাগ ছিল এবং যেগুলির গায়ে সাদা ছোপ ছিল সেই ছাগী ও কালো রঙের সব মেষগুলিকে পৃথক করে তাঁর পুত্রদের হাতে দিলেন
36
এবং তিনদিনে যতদূর যাওয়া যায়, যাকোবের কাছ থেকে তিনি ততদূরে চলে গেলেন। যাকোব লাবণের অবশিষ্ট পশুপাল চরাতে লাগলেন।
37
যাকোব দেবদারু, বাদাম ও আরমোন গাছের কচি ডাল কেটে ছাল ছাড়িয়ে ভিতরের সাদা ডাঁটাগুলো বের করলেন।
38
তার পর পশুপাল যেখানে জল খেতে যায় সেখানে জলের চৌবাচ্চার মধ্যে সেই সাদা ডাঁটাগুলি পুঁতে রাখলেন। জল খাওয়ার সময় পশুগুলি পাল নিত।
39
সেই ডালগুলির সামনে পাল নেওয়ার জন্য তাদের ফুটকি-দেওয়া ও রঙবেরঙের ছোপওয়ালা বাচ্চা হত।
40
যাকোব সেই বাচ্চাগুলিকে পৃথক করে রাখতেন এবং লাবণের ছাগী ও কালো রঙের মেষ ও মেষগুলির দিকে লক্ষ্য রাখতেন। তিনি নিজের পশুপালকে লাবণের পালের সঙ্গে না রেখে পৃথক করে রাখতেন।
41
যখন হৃষ্টপুষ্ট পশুগুলি পাল নিত তখন যাকোব জলের চৌব্বাচার মধ্যে পশুগুলির সামনে ঐ ডাল গুলি রাখতেন, যাতে ঐ ডালের সামনেই তাদের গর্ভাধান হতে পারে।
42
রোগা পশুগুলির সামনে তিনি ঐ ডাল রাখতেন না, তার ফলে রোগা পশুগুলি লাবণের অংশে এবং হৃষ্টপুষ্ট পশুগুলি যাকোবের অংশে পড়ত।
43
যাকোব এই ভাবে অত্যন্ত বর্ধিষ্ণু হয়ে উঠলেন। তাঁর পশুপাল, দাসদাসী এবং উট ও গাধার সংখ্যা অত্যন্ত বেড়ে গেল।
← Chapter 29
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 31 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50