bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Romans 1
Romans 1
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 2 →
1
যীশু খ্রীষ্টের সেবক,* প্রেরিত শিষ্যরূপে আহূত, ঈশ্বরের সুসমাচার প্রচারের জন্য নিযুক্ত আমি পৌল এই পত্রখানি লিখছি।
2
বহুকাল পূর্বেই ঈশ্বর তাঁর প্রবক্তা নবীদের দ্বারা পবিত্র শাস্ত্রগ্রন্থে এই সুসমাচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
3
এই সুসমাচার তাঁর পুত্র সম্পর্কিত, তিনি যীশু খ্রীষ্ট, আমাদের প্রভু। মানবিক সত্তায় তিনি দাউদের বংশধর,
4
কিন্তু মৃতলোক থেকে পুনরুত্থান দ্বারা ঈশ্বরের পুত্ররূপে তাঁর পবিত্র সত্তার পরিচয় মহাপরাক্রমে ঘোষিত।
5
তাঁর দ্বারা আমরা ঐশী অনুগ্রহ পেয়েছি, তাঁর নামে প্রেরিত হয়েছি সর্বমানবেরর কাছে যেন তারার সকলেই বিশ্বাস করে তাঁর অনুগামী হয়।
6
রোম নগরের অধিবাসী —তোমরা যারা ঈশ্বরের প্রীতিভাজন, যারা খ্রীষ্টের আপন ও আহুতজন রূপে পরিচিত, তোমরাও এদের মধ্যে গণ্য। তোমাদের সকলের উদ্দেশেই আমার এই পত্র। আমাদের পিতা ঈশ্বর এবং প্রভু যীশু খ্রীষ্টের অনুগ্রহ ও শান্তি তোমাদের উপর বর্ষিত হোক।
8
সর্বপ্রথমে আমি যীশু খ্রীষ্টের নামে তোমাদের সকলের জন্য ঈশ্বরের চরণে কৃতজ্ঞতা নিবেদন করছি। কারণ তোমাদের বিশ্বাসের কথা সমগ্র জগতে স্বীকৃত।
9
সমস্ত অন্তর দিয়ে তাঁর পুত্র সম্বন্ধে সুসমাচার প্রচার করে আমি ঈশ্বরের সেবা করি। আমি যে আমার প্রার্থনায় অবিরত তেআমাদের স্মরণ করে থাকি এ বিষয়ে ঈশ্বরই আমার সাক্ষী।
10
সর্বদাই আমি ঈশ্বরের কাছে মিনতি জানাই, যেন তাঁর ইচ্ছায় যে কোনভাবে আমি তোমাদের কাছে গিয়ে পৌঁছাতে পারি।
11
তোমাদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আমি খুবই ইচ্ছুক, কারণ তোমাদের দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমি তোমাদের আত্মিক আশীর্বাদের অংশীদার করে নিতে চাই,
12
যেন তোমরা ও আমি উভয় পক্ষই, পারস্পরিক বিশ্বাসের সাহচর্যে নতুনভাবে উদ্দীপিত হই।
13
আমার প্রিয় বন্ধুগণ! আমি তোমাদের জানিয়ে দিতে চাই যে বহুবার তোমাদের কাছে যাবার সঙ্কল্প আমি করেছি কিন্তু সবসময়ে কিছু না কিছু আমার যাবার পক্ষে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যান্য জাতির মধ্যে থেকে যেমন খ্রীষ্টের জন্য কিছু মানুষকে জয় করতে পেরেছি ঠিক তেমনি তোমাদের মধ্যেও কিছু জনকে আমি খ্রীষ্টের জন্য পেতে চেয়েছিলাম।
14
গ্রীক, জ্ঞানী, মূর্খ নির্বিশেষে সকলের কাছে আমি দায়বদ্ধ।
15
কাজেই তোমরা যারা রোম নগরে বাস করছ, তোমাদের কাছে সুসমাচার প্রচারে আমি উৎসুক।
16
সুসমাচারের জন্য আমি গর্ববোধ করি কারণ এ হল ঈশ্বরের সেই শক্তি, যা সমস্ত ভক্তকে উদ্ধার করে। প্রথমে ইহুদী পরে অড়্যান্য সমস্ত জাতি এর দ্বারা উদ্ধার পায়।
17
মানুষের উদ্ধারের ঐশ্বরিক পন্থা এই সুসমাচারের মধ্য দিয়েই অভিব্যক্ত, এই পন্থা সর্বতোভাবে বিশ্বাসভিত্তিক। শাস্ত্রে এ কথা লেখা আছে, ‘বিশ্বাসের বলে যে ধার্মিক সেই বাঁচবে’।
18
যারা নিজেদের অধর্মের দ্বারা সত্যের প্রতিরোধ করে, সেই ভাগ্যহীন ও অধার্মিকদের উপর স্বর্গ থেকে ঈশ্বরের ক্রোধের দণ্ড নেমে আসছে।
19
কারণ ঈশ্বরের সম্বন্ধে মানুষের পক্ষে যা কিছু জানা সম্ভব, সবই তাদের কাছে স্পষ্ট। ঈশ্বর স্বয়ং তাদের কাছে তা প্রকাশ করেছেন।
20
তাঁর অদৃশ্য প্রকৃতি, অর্থাৎ তাঁর সনাতন শক্তিমত্তা এবং ঐশী সত্তা তাঁর সৃষ্ট সমস্ত বস্তুর মধ্যে সৃষ্টির পত্তন থেকেই সুস্পষ্টভাবে অভিব্যক্ত। কাজেই নিজেদের আচরণের সমর্থনে কোন কৈফিয়ৎ তাদের নেই।
21
ঈশ্বরকে জেনেও তারা তাঁর ঐশী মহিমাকে স্বীকৃতি দেয়নি, কিম্বা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেনি। তাই তাদের সমস্ত চিন্তা অসারতায় পর্যবসিত হয়েছে এবং তাদের বিভ্রান্ত হৃদয় তমসাচ্ছন্ন হয়েছে।
22
নিজেদের জ্ঞানী প্রতিপন্ন করতে গিয়এ তারা তাদের মূর্খতাই প্রকাশ করেছে
23
এবং নশ্বর মানুষ, পশুপক্ষী ও সরীসৃপের প্রতিমূর্তির উপর অবিনশ্বর ঈশ্বরের মহিমা আরোপ করেছে।
24
অশুচিতার প্রতি আসক্তির জন্য ঈশ্বর তাদের অভিলাষ অনুইসারে চলতে দিয়েছেন। পরস্পর কুৎসিৎ আচরণে লিপ্ত হয়ে তারা দেহকে কলুষিত করেছে।
25
তারা ঐশ্বরিক সত্যের পরিবর্তে মিথ্যাকে বরণ করেছে। সৃষ্টবস্তুর পূজা ও অর্চনায় আত্মনিয়োগ করেছে, বিমুখ হয়েছে স্বয়ং স্রষ্টার প্রতি —যিনি চিরআরাধ্য। আমেন।
26
এ জন্যই ঈশ্বর তাদের ঘৃণ্য রিপুর বশে সমর্পণ করেছেন। তাদের নারীরা স্বাভাবিক আচরণের পরিবর্তে অস্বাভাবিকভাবে দৈহিক লালসা পূরণ করেছে,
27
আর পুরুষেরা অনুরূপভাবে স্বাভাবিক নারী সংসর্গ পরিহার করে সমকামিতার অনলে দগ্ধ হচ্ছে। পুরুষেরা পুরুষের সঙ্গে কুৎসিৎ আচরণে লিপ্ত এবং এই আচরণের যোগ্য প্রতিফল তাদের দেহে প্রকট হয়ে উঠেছে।
28
তারা যেমন ঈশ্বরকে মান্য করার প্রয়োজন বোধ করেনি, তেমনি ঈশ্বর তাদের ভ্রষ্ট মতির বশে সমর্পণ করে তাদের অসঙ্গত কাজে রত হতে দিয়েছেন।
29
সর্ববিধ অধার্মিকতা, লাম্পট্য, লালসা, হিংসা বিদ্বেষে তারা পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, ঈর্ষা, বিদ্বেষ, প্রতারণা, কলহ ও হত্যার চিন্তায় তাদের মন আচ্ছন্ন।
30
তারা হয়েছে কুৎসা রটনাকারী, পরনিন্দুক, ঈশ্বরবিদ্বেষী, উদ্ধত, দাম্ভিক, আত্মন্তরী,
31
কুচক্রী, পিতামাতার অবাধ্য, নির্বোধ, অবিশ্বস্ত, হৃদয়হীন, নিষ্ঠুর।
32
যারা এসব আচরণ করে তারা মৃত্যুদণ্ডের যোগ্য —ঈশ্বরের এই আদেশ জেনেও তারা এই সমস্ত কাজ করে, শুধু তাই নয়, অন্য যারা এ ধরণের আচরণ করে তাদেরও তারা একাজে উৎসাহ দেয়।
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 2 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16