bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Romans 3
Romans 3
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 2
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 4 →
1
তাহলে ইহুদী হবার সার্থকতা কি? আর সুন্নত-সংস্কারেরই বা মূল্য কি?
2
সার্থকতা অনেক, নানা দিক দিয়ে। প্রথমতঃ ঈশ্বরের বিধান ইহুদীদেরই দেওয়া হয়েছিল।
3
এ কথা সত্যি, তাদের কেউ কেউ এই সুসমাচারে বিশ্বাস করে না, এতে কি এই বোঝায় যে ঈশ্বরে আস্থা স্থাপন করা যায় না?
4
কখনো না, কারণ সমস্ত মানুষ যদি মিথ্যাবাদীও হয়, তবুও ঈশ্বরই সত্য। কারণ শাস্ত্রে লেখা আছেঃতোমার কথা ন্যায্য প্রতিপন্ন হবে,বিচারে তুমিই হবে জয়ী।
5
যদি আমাদের অধর্মের ফলে ঈশ্বরের ধার্মিকতা প্রমাণিত হয়, তাহলে আমরা কি বলব, আমাদের উপর ঈশ্বরের ক্রোধ অন্যায্য? আমি সাধারণ মানুষের মতই এ কথা বলছি।
6
না, কখনো না, তাহলে ঈশ্বর জগতের বিচার করবেন কিভাবে?
7
কিন্তু আমার মিথ্যাচারণের দ্বারা যদি ঈশ্বরের সত্যনিষ্ঠা উজ্জ্বলতর মহিমায় প্রকাশিত হয়, তাহলে পাপী হিসাবে আমার দণ্ড হবে কেন? কেউ কেউ এভাবে আমাদের বক্তব্যকে বিকৃত করে বলে যে আমরা নাকি বলি, ‘এস, অসৎ কর্ম করি, তাতেই মঙ্গল হবে।’ তারা উপযুক্ত দণ্ড পাবে।
9
তবে? আমরা ইহুদীরা কি অন্যদের চেয়ে ভাল? না, মোটেই না। কারণ আমি আগেই এ কথা প্রমাণ করেছি যে ইহুদী ও অন্যান্যরা জাতি নির্বিশেষে সকলেই পাপের বশীভূত।
10
কারণ শাস্ত্রে লেখা আছেঃকেউই ধার্মিক নয়, একজনও না,
11
বোধসম্পন্ন কেউ নেই,কেউ নেই ঈশ্বর অন্বেষী।
12
সকলেই পথভ্রষ্ট, সমভাবে কলুষিত সকলেই,সৎকর্ম করে এমন একজনও নেই।
13
তাদের কণ্ঠ খোলা কবরের মত,ছলনাপটু তাদের জিহ্বা।ওদের ওষ্ঠাধরে নিহিত কালসাপের বিষ
14
তাদের মুখে তিক্ততা ও অভিশাপ।
15
রক্তপাতে ক্ষিপ্রগতি তাদের চরণ
16
তাদের চলার পতে বিনাশ ও দুর্দশা
17
শান্তির সরণি তাদের অজানা,
18
ঈশ্বরের প্রতি সম্ভ্রমবোধ নেই তাদের অন্তরে।
19
আমরা জানি, শাস্ত্রের বিধানে যা বলা হয়েছে, বিধান যারা স্বীকার করে তাদের প্রতি তা প্রযোজ্য, ফলে কারুরই কিছু বলার থাকে না এবং সমগ্র জগত ঈশ্বরের বিচারের সম্মুখীন হয়।
20
কারণ বিধানসম্মত কর্মের দ্বারা ‘কোন মানুষ তাঁর দৃষ্টিতে ধার্মিক প্রতিপন্ন হয় না, কারণ বিধান শুধু পাপবোধ জাগাতে সক্ষম।’
21
এখন কিন্তু শাস্ত্রীয় বিধান ব্যতিরেকেই ঈশ্বরের ধার্মিকতা প্রকাশিত হয়েছে, যা শাস্ত্রীয় বিধান ও নবীদের সাক্ষ্যে সমর্থিত।
22
ঈশ্বরের সেই ধার্মিকতা খ্রীষ্টের প্রতি বিশ্বাসের মধ্য দিয়েই নির্বিশেষে সকল বিশ্বাসী ভক্তের জন্যই দেওয়া হয়েছে।
23
সকলেই পাপ করেছে এবং সকলেই ঈশ্বরদত্ত মহিমা থেকে বিচ্যুত হয়েছে,
24
যেন তাঁরই অনুগ্রহের দান যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে উদ্ধার লাভ করে তারা ধার্মিকরূপে গণ্য হয়।
25
ঈশ্বর তাঁকে পাপের প্রায়শ্চিত্ত সাধনের মাধ্যমরূপে নিরূপিত করেছেন এবং তিনি নিজ রক্তে সেই কর্মসাধন করেছেন, যার ফল একমাত্র বিশ্বাসেই পাওয়অ যায়। এভাবেই ঈশ্বর তাঁর ধার্মিকতা দেখিয়েছেন, তাঁর ঐশ্বরিক সহিষ্ণুতায় তিনি মানুষের পূর্বকৃত পাপসমূহকে উপেক্ষা করেছেন।
26
এইভাবেই তিনি এই যুগে তাঁর ধর্মময়তা হয় যে তিনি স্বয়ং ধর্মময় এবং যারা যীশু নির্ভর তাদেরও তিনি ধার্মিক প্রতিপন্ন করেন।
27
তাহলে আমাদের অহমিকার দম্ভ প্রকাশের সুযোগ কোথায়? সে সুযোগ সমূলে বিনষ্ট হয়ে গেছে কোন যুক্তিতে? শাস্ত্রবিধি পালনের ভিত্তিতে? না, তা নয়, বিশ্বাসের ভিত্তিতে।
28
কারণ আমাদের সিদ্ধান্ত এই যে, শাস্ত্রীয় বিধানসম্মত কর্ম ব্যতিরেকে মানুষ বিশ্বাসের দ্বারা ধার্মিক প্রতিপন্ন হয়।
29
ঈশ্বর কি কেবল ইহুদীদের ঈশ্বর? তিনি কি অন্যান্য জাতিরও ঈশ্বর নন? নিশ্চয়, অন্যান্য জাতিরও ঈশ্বর তিনি।
30
ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়, তিনি এই বিশ্বাসের ভিত্তিতেই সুন্নত-সংস্কার প্রাপ্ত ইহুদী ও সুন্নতবিহীন অন্যান্য জাতিকে ধার্মিক প্রতিপন্ন করবেন।
31
তবে কি আমরা এই বিশ্বাসের যুক্তিতে শাস্ত্রীয় বিধানকে প্রত্যাখ্যান করছি? নিশ্চয়ই না। আমরা বরং শাস্ত্রীয় বিধানকেই দৃঢ়রূপে প্রতিষ্ঠিত করছি।
← Chapter 2
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 4 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16