bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Acts 15
Acts 15
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 16 →
1
যিহুদীয়া থেকে কয়েকজন লোক এণ্টিয়কে এসে নবদীক্ষিত ভ্রাতৃবৃন্দের কাছে প্রচার করে বলতে লাগল, মোশির প্রবর্তিত প্রথা অনুযায়ী তোমরা যদি সুন্নত সংস্কার গ্রহণ না কর তাহলে কিছুতেই পরিত্রাণ পাবে না।
2
এই বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে পৌল ও বারনাবাসের প্রচণ্ড বিতর্ক ও মতভেদ দেখা দিল। পরে ঠিক হল যে এণ্টিয়ক থেকে পৌল ও বারনাবাস এবং আরও কয়েকজন জেরুশালেমে প্রেরিত শিষ্য ও প্রবীণদের কাছে এই প্রশ্নের সমাধানের জন্য যাবেন।
3
মণ্ডলীয় সভ্যেরা তাঁদের বিদায় দিলেন। ফিনিসিয়া ও শমরীয়া দেশের মধ্যে দিয়ে যাবার পথে তাঁরা সেখানকার খ্রীষ্টভক্তদের কাছে অইহুদীদের খ্রীষ্টীয় বিশ্বাসে দীক্ষিত হওয়ার কথা বললেন। একথা শুনে তারা অত্যন্ত আনন্দিত হেলন।
4
জেরুশালেমে পৌঁছে তাঁরা মণ্ডলীর সভ্য; প্রেরিত শিষ্য ও প্রবীণদের কাছে সাদর অভ্যর্থনা লাভ করলেন। ঈশ্বর তাঁদের কাজে কিভাবে সাহায্য করেছিলেন, সমস্ত কথা তাঁরা সেখানে তাঁদের কাছে বললেন।
5
কিন্তু ফরিশী সম্প্রদায় থেকে আসা কযেকজন খ্রীষ্টবিশ্বাসী তখন উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, তাদের অবশ্যই সুন্নত সংস্কার গ্রহণ করতে হবে এবং মোশির দেওয়া বিধানও পালন করার নির্দেশ তাদের দেওয়া উচিত।
6
প্রেরিতশিষ্য ও প্রবীণেরা তখন এই বিষয়টি বিবেচনার জন্য সমবেত হলেন।
7
বহু তর্ক বিতর্কের পর পিতর উঠে দাঁড়িয়ে তাঁদের সম্বোধন করে বললেন, হে বন্ধুগণ, আপনারা সকলেই জানেন যে ঈশ্বর বহুদিন আগেই আপনাদের মধ্য থেকে আমাকে মনোনীত করেছেন যাতে আমার মুখ থেকে অইহুদীরা সুসমাচারের বাণী শুনে বিশ্বাস করে।
8
অন্তর্যামী ঈশ্বর আমাদের মত তাদেরও পবিত্র আত্মা দান করে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, তারাও তাঁর কাছে গ্রাহ্য,
9
আমাদের সঙ্গে তিনি তাদের কোন প্রভেদ রাখেননি। তারা তাঁর উপরে বিশ্বাসে নির্ভর করেছিল বলে তিনি তাদের পাপ ক্ষমা করেছেন।
10
তাহলে যে বোঝা আমরা অথবা আমাদের পূর্বপুরুষ কেউই বহন করতে পারেনি, সেই বোঝা খ্রীষ্টবিশ্বাসী শিষ্যদের ঘাড়ে চাপিয়ে কেন ঈশ্বরকে পরীক্ষা করছেন?
11
আমরা বিশ্বাস করি যে প্রভু যীশুর অনুগ্রহে আমরা পরিত্রাণ লাভ করেছি আর এ কথা তাদের পক্ষেও সমান সত্য।
12
একথা শুনে সভার সকলে নীরব হয়ে রইলেন। শুনতে লাগলেন পৌল আর বারনাবাসের কথা। তাঁরা বর্ণনা করতে লাগলেন অইহুদীদের মাঝখানে ঈশ্বরের অলৌকিক নিদর্শন ও কীর্তিরর কথা।
13
তাঁদের ভাষণ সেষ হলে যাকোব বললেন,
14
বন্ধুগণ, আমার কথা শুনুন। শিমোন আপনাদের কাছে বলেছেন যে ঈশ্বর কিভাবে প্রথমে অইহুদী জাতিসমূহের প্রতি কৃপা করেছেন এবং তাদের মধ্যে থেকেও নিজ নামের গৌরবের জন্য নিজস্ব প্রজা সংগ্রহ করেছেন।
15
এ সবই শাস্ত্রে লিখিত নবীদের বাণী অনুসারেই ঘটেছে। শাস্ত্রে লেখা আছেঃ
16
‘এরপর আমি ফিরে আসব, দাউদের অধঃপতিত বংশধারাকে আবার সংগঠত করব আমি, তার ধ্বংসাবশেষকে করবপুনরায় প্রতিষ্ঠিত,
17
যেন তারা এবং ইহুদী ভিন্ন মানবজাতির অপরাপর বংশযাদের আমি নিজস্ব প্রজারূপে গ্রহণ করেছি,তারাও প্রভুর অন্বেষণ করতে পারে।’
18
প্রভুই একথা বলেছেন এবং বহুদিন আগেই তিনি তা করেছেন ব্যক্ত।
19
সুতরাং আমার মতে, যে সমস্ত অইহুদী ঈশ্বরের কাছে ফিরে এসেছে, তাদের পথে কোনও বাধা সৃষ্টি করা আমাদের উচিত নয়।
20
বরং তাঁদের কাছে চিঠি লিখে জানিয়ে দেওয়া হোক যে, প্রতিমার সংস্পর্শে অপবিত্র কোন বস্তু গ্রহণ, ব্যভিচার, শ্বাসরোধ করে হত্যা করা, কোন প্রাণীর মাংস ভোজন অথবা রক্ত পান থেকে তারা যেন বিরত থাকে।
21
কারণ সেই আদি যুগ থেকেই মোশির এই বিধান প্রতি সাব্বাথ দিনে ইহুদীদের সমস্ত সমাজভবনে পাঠ করা হয়েছে এবং নগরে প্রচারিত হয়েছ।
22
তখন প্রেরিত শিষ্য ও প্রবীণেরা মণ্ডলীর সকলের অনুমোদনক্রমে স্থির করলেন যে তাঁদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে প্রতিনিধিস্বরূপ পৌল ও বারনাবাসের সঙ্গে পাঠানো হবে। ভ্রাতৃগমের মধ্যে থেকে যিহুদা ওরফে বারনাবাস ও সীল —এই দুজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির হাতে নিম্নলিখিত পত্রখানি পাঠাল হলঃ
23
‘এণ্টিয়ক, সিরিয়া ও সাইলেসিয়ার অইহুদী খ্রীষ্টীয় ভাইদের আমরা; প্রেরিত শিষ্য ও প্রবীণ ভাইয়েরা অভিনন্দন জানাচ্ছি।
24
আমরা শুনলাম এয আমাদের কিছু লোক আমাদের অনুমতি ছাড়াই তোমাদের কাছে গিয়ে এমন কতকগুলি কথা বলেছে, যাতে তোমরা বিচলিত হয়েছ।
25
আমরা সর্বসম্মতিক্রমে আমাদের প্রিয় বন্ধু এবং প্রভু যীশু খ্রীষ্টের সেবায় উৎসর্গিত প্রাণ বারনাবাস ও পৌলের সঙ্গে আমাদের প্রতিনিধিদের তোমাদের কাছে পাঠালাম।
27
আমাদের এই প্রতিনিধিরা —যিহুদা ও সীল ব্যক্তিগতভাবে চিঠির সমস্ত বক্তব্য তোমাদের কাছে বলবেন।
28
স্বয়ং পবিত্র আত্মা ও আমরা এই একান্ত প্রয়োজনীয় কর্তব্যগুলি ছাড়া অতিরিক্ত কোন বাধ্যবাধকতার বোঝা তোমাদের উপরে চাপাতে চাই না।
29
প্রতিমার কাছে উৎসর্গীত কোন দ্রব্য, রক্ত এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করা কোন প্রাণীর মাংস তোমরা গ্রহণ করো না। ব্যভিচার পরিহার কর। এগুলি থেকে তোমরা যদি বিরত থাক, তাহলেই তোমরা সঠিক পথে থাকবে। ইতি।’
30
তাঁরা এণ্টিয়কে রওনা হয়ে গেলেন। সেখানে পৌঁছে মণ্ডলীর সকলকে একত্র করে তাঁরা চিঠিখানি তাদের দিলেন।
31
চিঠিখানি পড়ে তারা আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠল।
32
যিহুদা আর সীল ছিলেন নবী। তাঁরা তাদের মনে শক্তি সঞ্চার করার জন্য অনেক উৎসাহব্যঞ্জক কথা বললেন।
33
সেখানে কিছুদিন কাটিয়ে যিহুদা ও সীল স্থানীয় ভ্রাতৃবৃন্দের শুভেচ্ছাসহ বিদায় নিয়ে জেরুশালেমে ফিরে গেলেন।*
35
কিন্তু পৌল ও বারনাবাস এণ্টিয়কে থেকে গেলেন এবং আরও অন্যান্যদের সঙ্গে প্রভুর বাণী প্রচার ও শিক্ষা দিতে লাগলেন।
36
কিছুদিন পরে পৌল বারনাবাসকে বললেন, চল, যে সমস্ত শহরে আমরা প্রভুর বাণী প্রচার করেছি, সেগুলি পরিদর্শন করে আসি। দেখে আসি, সেখানকার ভাইরা কিভাবে চলছে।
37
বারনাবাস তখন মার্ক ওরফে যোহনকে সঙ্গে নিতে চাইলেন।
38
কিন্তু যিনি পাম্ফিলিয়াতেই তাঁদের কাজে অংশ গ্রহণ না করে চলে গিয়েছিলেন, তাঁকে পৌল সঙ্গে না নেওয়াই সমীচীন মনে করলেন।
39
ফলে তাঁদের মধ্যে মতবিরোধ এত তীব্র হয়ে উঠল যে তাঁরার পৃথকভাবে যাত্রা করলেন।
40
বারনাবাস মার্ককে সঙ্গে নিয়ে জলপথে সাইপ্রাসে চলে গেলেন। পৌল সঙ্গে নিলেন সীলকে। সেখানকার ভ্রাতৃমণ্ডলী তাঁদের প্রভুর হস্তে সমর্পণ করলেন। তাঁরাও রওনা হয়ে গেএলন।
41
সিরিয়া ও সাইলেসিয়ায় সমস্ত মণ্ডলী পরিদর্শন করে তাঁরা সেগুলিতে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চারিত করলেন।
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 16 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28