bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Acts 20
Acts 20
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 19
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 21 →
1
সমস্ত গণ্ডগোল থেমে গেলে পৌল তাঁর শিষ্যদের ডেকে তাঁদের আশ্বস্ত করলেন। তারপর তাঁদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে তিনি যাত্রা করলেন ম্যাসিডনিয়া অভিমুখে।
2
তিনি ঐ সমস্ত অঞ্চলে পরিভ্রমণ করে সেই সব জায়গার খ্রীষ্টানদের প্রচুর উৎসাহ দান করলেন। তারপর গেলেন গ্রীসে।
3
সেখানে তিনি তিন মাস কাটালেন। সেখান থেকে তিন ইযখন জলপতে সিরিয়াতে যাবার জন্য তৈরী হচ্ছিলেন তখন জানতে পারলেন যে ইহুদীরা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যনত্র করছে। তিনি তখন ম্যাসিডনিয়া হয়ে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।
4
পৌলের সঙ্গ নিলেন বোরিয়া নিবাসী পাইরাসের পুত্র সোপাতের, থেসালনিকা নিবাসী আরিস্টারকাস ও সেকেন্দাস, দর্বির গায়াস ও তিমথি এবং এশিয়া প্রদেশ থেকে টাইকিসাস ও ট্রফিমাস।
5
তাঁরার আগে থেকেই ত্রোয়াতে গিযে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তারণোৎসবের পরে আমরা ফিলিপি থেকে জলপথে রওনা হলাম।
6
পাঁচ দিনের মধ্যে ত্রোয়াতে তাঁদের কাছে গিয়ে পৌঁছালাম এবং সেখানে সাতদিন রইলাম।
7
শনিবার দিন রাত্রিবেলা আমরা সকলে একসঙ্গে আহারের জন্য সমবেত হলাম। পৌল পরের দিন চলে যাবেন বলে মধ্যরাত্রি পর্যন্ত তিনি সকলের কাছে বক্তৃতা দিলেন।
8
উপরতলার যে ঘরে আমরা মিলিত হয়এছিলাম সেখানে অনেক প্রদীব জ্বলছিল। ইউটিকাস নামে একটি যুবক জানালার উপর বসেছিল।
9
পৌলের দীর্ঘ বক্তৃতা চলার সময় সে ঘুমিয়ে পড়ল। তারপর ঘুমের ঘোরে তিনতলা থেকে পড়ে গেল একেবারে নীচে। সকলে তাকে তুলতে গিয়ে দেখল, সে মারা গেছে।
10
পৌল নীচে তার কাছে গেলেন এবং ঝুঁকে পড়ে তাকে দুহাতে বুকে জড়িয়ে ধরে সবাইকে বললেন, উদ্বিগ্ন হয়ো না, মরেনি।
11
তারপর আবার উপরে ফিরে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করলেন। এরপর সূর্যোদয় পর্যন্ত আরও অনেকক্ষণ সকলের সঙ্গে কথা বলে সেখান থেকে বিদায় নিলেন।
12
তারা যুবকটিকে জীবন্ত ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পেরে দুশ্চিন্তামুক্ত হল।
13
জাহাজে করে আমরা আগেই চলে গিয়েছিলাম আসোসে। সেখানেই পৌলকে জাহাজে তুলে নেওয়ার কথা ছিল। তিনি নিজে স্থলপথে যাবেন বলে এই ব্যবস্থা করেছিলেন। আসোসে পৌল আমাদের সঙ্গে দেখা করলেন।
14
আমরা তাঁকে জাহাজে তুলে দিয়ে মিতুলিনীতে গেলাম।
15
সেখান থেকে তারা পরের দিন জাহাজে করে আমরা খিয় দ্বীপের সামনে গিয়ে পৌঁছালাম। দ্বিতীয় দিন আমরা পৌঁছালাম মিলিতা দ্বীপে।
16
ইফিসাসের পাশ কাটিয়এ চলে যাওয়অই পৌলল স্থির করেছিলেন যাতে এশিয়া প্রদেশে তাঁর সময় নষ্ট না হয়। কারণ জেরুশালেএ ফেরার জন্য তিনি ব্যগ্র হয়এ উঠেছিলেন, যাতে পঞ্চাশত্তমীর দিনে সেখানে থাকতে পারেন।
17
তাই মিলিতাস থেকে তিনি লোক পাঠিয়ে ইফিসাসের মণ্ডলীর প্রবীণ নেতাদের ডেকে পাঠালেন।
18
তাঁরা তাঁর কাছে গেলে তিনি বললেন, এশিযা প্রদেশে পদার্পণের প্রথম দিন থেকেই আমি তোমাদের সঙ্গে ছিলাম। তোমরা জান, কিভাবে আমার দিনগুলি কেটেছে।
19
কত দীনতায় আর চোখের জলে প্রভুর সেবা করেছি আমি।
20
ইহুদীদের চক্রান্তে কত বাধাবিপত্তি এসেছে আমার জীবনে। তোমাদের কল্যাণের জন্য আমি অকুণ্ঠভাবে সুসমাচার প্রচার করেছি। প্রকাশ্যে এবং তোমাদের ঘরে ঘরে গিয়েও আমি শিক্ষাদান করেছি।
21
ইহুদী, গ্রীক নির্বিচারে সবাইকেই বিশেষভাবে বলেছি, ঈশ্বরের কাছে ফিরে এসে আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে।
22
এবার আমি পবিত্র আত্মার নির্দেশে জেরুশালেমে যাচ্ছি। জানি না, সেখানে আমার ভাগ্যে কি ঘটবে।
23
শুধু জানি, প্রতি শহরেই বন্দীদশা ও নির্যাতন আমার জন্য অপেক্ষা করছে। পবিত্র রাত্মা এ কথা আমায় জানিয়েছেন।
24
আমার নিজের বিচারে আমার জীবন নগণ্য। প্রভু যীশুর কাছ থেকে ঈশ্বরের অনুগ্রহের সুসমাচার প্রচার করার যে দায়িত্ব আমি পেয়েছি ও সেবাব্রত গ্রহণ করেছি তা যদি পালন ও উদ্যাপন করতে পারি তাহলেই আমার কর্তব্য সুসম্পন্ন হবে।
25
আর একটা কথা, এতদিন আমি তোমাদের কাচে ঈশ্বরের রাজ্যের সুসমাচার ঘোষণা করেছি, কিন্তু আমি জানতে পেরেছি যে এখন থেকে তোমরা আর আমাকে দেখতে পাবে না।
26
তাই আজ আমি তোমাদের কাছে বলে যাচ্ছি যে তোমাদের কারো কোন অশুভ পরিণামের জন্য আমি দায়ী নই।
27
কারণ তোমাদের কাছে ঈশ্বরের সার্বিক উদ্দেশ্য আমি ব্যক্ত করেছি, কিছুই গেআপাড় করিনি।
28
তোমরা নিজেরা সতর্ক থেকো এবং প্রভুর মণ্ডলীর পালক হিসাবে পবিত্র রাত্মা যাদের ভার তোমাদের হাতে দিয়েছেন, তাদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখ। কারণ এই মণ্ডলীকে প্রবু নিজেই তাঁরর রক্তমূল্যে আপন করে নিয়েছেন।
29
আমি জানি, আমি চলে যাবার পর হিংস্র নেকড়েরা তোমাদের মাঝে হানা দেবে, মেষপালককে রেহাই দেবে না।
30
এমনকি তোমাদের দলের মধ্যে থেকেই কিছু লোক সত্যকে বিকৃত করে এদলে ভাঙন ধরাবে এবং ভক্তদের নিজেদের পক্ষে টেনে নেবে।
31
সুতরাং সাবধান, মনে রেখ, তিনটি বছর রাত্রিদিন নিরবচ্ছিন্নভাবে আমি তোমাদের প্রত্যেককে শিক্ষাদান করেছি। অনেক অশ্রু বিসর্জন করতে হয়েছে আমাকে।
32
এবার আমি ঈশ্বর এবং তাঁর অনুগ্রহের বাণীর আশ্রয়ে তোমাদের সমর্পণ করছি। কারণ যারা তাঁর কাচে নিবেদিত, তাদের গড়ে তোলার এবং উত্তরাধিকারে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষমতা তাঁর আছে।
33
আমি কারো কাছে নিজের জন্য অর্থসম্পদ বা পোষাক-পরিচ্ছদ চাইনি।
34
সকলেই তোমরা জান যে, আমার এই দুটি হাত আমার নিজের এবং আমার সঙ্গীদের প্রয়োজন মিটাতে যথেষ্ট উপার্জন করেছে।
35
আমি তোমাদের দেখিয়েছি যে, এভাবেই কঠোর পরিশ্রম করে দুর্বলদের সাহায্য করা উচিত। আমাদের স্মরণে রাখা প্রয়োজন প্রভু যীশুর নিজ মুখের কথা —‘গ্রহণের চেয়ে দানেই বেশী আনন্দ’।
36
এই সব কথা বলে পৌল সকলের সঙ্গে নতজানু হয়ে প্রার্থনা নিবেদন করলেন।
37
তারপর সকলে খুব কাঁদতে লাগল। পৌলকে তারা জড়িয়ে ধরে বিদায়চুম্বন দিতে লাগল।
38
পৌলকে আর তারা দেখতে পাবে না। —এ কথাই তাদের পক্ষে খুব মর্মান্তিক হয়েছিল। তারা সকলে মিলে পৌলকে জাহাজে তুলে দিল।
← Chapter 19
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 21 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28