bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Acts 16
Acts 16
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 15
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 17 →
1
পৌল ও সীল সাইলেসিয়া থেকে গেলেন দর্বি ও লিস্ত্রায়। সেখানে তিমথি নামে পৌলের একজন শিষ্য ছিলেন। তাঁর মা ছিলেন একজন খ্রীষ্টবিশ্বাসী ইহুদী মহিলা এবং তাঁর বাবা ছিলেন গ্রীক।
2
লিস্ত্রা ও ইকনিয়ামের খ্রীষ্টানেরা তিমথির সুখ্যাতি করতেন।
3
পৌল তাঁকেও সঙ্গে নিতে চাইলেন। তাই তিনি তাঁকে নিয়ে সুন্নত সংস্কার করিয়ে নিলেন। কারণ সেই অঞ্চলের ইহুদীরা সকলেই জানতেন যে তিমথির বাবা জাতিতে গ্রীক।
4
জেরুশালেমে প্রেরিত শিষ্য ও প্রবীণ ব্যক্তিরা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন, বিভিন্ন শহরের মধ্যে দিয়ে যাত্রাকালে সেই সিদ্ধান্তের কথা তাঁরা খ্রীষ্টবিশ্বাসীদের জানিয়ে দিতে লাগলেন যাতে তারা সেগুলি পালন করে।
5
এর ফলে মণ্ডলীর বিশ্বাস দৃঢ় হতে লাগল এবং সভ্যসংখ্যাও দিনে দিনে বাড়তে লাগল।
6
সেখান থেকে তাঁরা ফ্রিজিয়া ও গালাতীয়া অঞ্চলে পরিভ্রমণ করতে লাগলেন, কারণ পবিত্র আত্মা তাঁদের এশিয়া প্রদেশে সুসমাচার প্রচার করতে নিষেধ করেছিলেন।
7
মাইশিয়া প্রদেশের সীমান্তে এসে যখন তাঁরা বিথিনিয়া প্রদেশে প্রবেশ করার উদ্যোগ করলেন, তখন যীশুর আত্মা তাঁদের নিরস্ত করলেন।
8
তখন তাঁরা মাইশিয়া আতিক্রম করে ত্রোয়াতে গিয়ে পৌঁছালেন।
9
সেখানে রাত্রে পৌল এক দিব্যদর্শন লাভ করলেন। দেখলেন, ম্যাসিডনের একটি লোক তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে অনুরোধ করে বলছে, আপনি ম্যাসিডনে এসে আমাদের সাহায্য করুন।
10
পৌলের এই দিব্যদর্শন লাভের পর আমরা ম্যাসিডনে যাত্রার জন্য তৈরী হলাম। আমরা স্থির করলাম যে, সেখানে সুসমাচার প্রচার করার জন্য ঈশ্বরই আমাদের আহ্বান জানাচ্ছেন।
11
ত্রোয়া থেকে জলপথে আমরা তখন সোজা গেলাম সামোথ্রাসে। সেখান থেকে তার পরের দিন নিয়াপলিসে।
12
নিয়াপলিস থেকে গেলাম ফিলিপিতে। এই শহরটি ম্যাসিডনের একটি প্রথম শ্রেণীর শহর এবং একটি রোমীয় উপনিবেশ। এই শহরে আমরা কিছুদিন থাকলাম।
13
সাব্বাথ দিনে আমরা গেলাম নগরের বাইরে নদীর ধারে। ভেবেছিলাম, সেখানে ইহুদীদের প্রার্থনা করার উপযুক্ত জায়গা পাওয়া যাবে। সেখানে সমবেত মহিলাদের সঙ্গে আমরা কথাবার্তা বললাম।
14
এঁদের মধ্যে একজন মহিলা আমাদের কথা শুনে বিশ্বাস করলেন। প্রভু তাঁর হৃদয় উন্মুক্ত করে দেওয়ায় তিনি পৌলের প্রচারে উদ্বুদ্ধ হলেন। তিনি ও তাঁর পরিবারের সকলেই বাপ্তিষ্ম গ্রহণ করলেন। থিয়াতিরা নিবাসী ঈশ্বরপরায়ণা এই মহিলার নাম ছিল লিডিয়া। তিনি বেগুনী বস্ত্রের ব্যবসা করতেন। তিনি আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বললেন, যদি আপনারা আমাকে প্রভুতে বিশ্বাসী বলে মনে করেন, তাহলে দয়া করে আমার বাড়িতে এসে থাকুন। তিনি আমাদের নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যাবার জন্য পীড়াপীড়ি করতে লাগলেন।
16
একদিন আমরা আমাদের প্রার্থনাসভায় যাচ্ছিলাম। পথে একটি আপদেবতাগ্রস্ত ক্রীতদাসী মেয়ের সঙ্গে দেখা হল। অপদেবতাগ্রস্ত ক্রীতদাসী মেয়ের সঙ্গে দেখা হল। অপদেবতার ভারে সে লোকের ভবিষ্যতের কথা বলে দিতে পারত। এইভাবে লোককে ভবিষ্যতের কথা বলে দিয়ে সে তার মনিবের জন্য প্রচুর অর্থ উপার্জন করত।
17
সে পৌল আর আমাদের সকলকে অনুসরণ করে চীৎকার করে বলতে লাগল, এঁরা পরাৎপর ঈশ্বরের দাস। এঁরা পরিত্রাণের উপায় তোমাদের কাছে ঘোষণা করতে এসেছেন।
18
এইভাবে দিনের পর দিন সে এই কথা বলে চলল। শেষে পৌল একদিন বিরক্ত হয়এ সেই অপদেবতাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, যীশু খ্রীষ্টের নামে তোমাকে আমি আদেশ করছি, বেরিয়ে এস ওর ভিতর থেকে। সেই মুহূর্তে অপদেবতা তার মধ্যে থেকে বার হয়ে গেল।
19
ঐ ক্রীতদাসীর মনিবেরা যখন দেখল যে তাদের উপার্জনের সব আশা নিভে গেল, তখন তারা পৌল ও সীলকে ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেল বাজারের মাঝখানে, পৌরকর্তৃপক্ষের কাছে।
20
রোমীয় সাসকদের কাছে তাঁদের উপস্থিত করে তারা অভিযোগ করল, এই ইহুদী লোকগুলো আমাদের শহরে বড় গণ্ডগোল শুরু করেছে।
21
ওরা এমন সব রীতিনীতি প্রচার করছে, যা রোমীয় নাগরিক হিসাবে আমাদের পক্ষে গ্রহণ করা অথবা পালন করা অবৈধ।
22
একথা সুনে স্থানীয় জনতাও তাদের সঙ্গে যোগ দিল। রোমীয় শাসকেরা পৌল ও সীলের পরণের কাপড় ছিঁড়ে তাঁদের চাবুক মারা হুকুম দিল।
23
প্রচণ্ড প্রহারের পর তারা তাঁদের কারাগারে নিক্ষেপ করল এবং কারাধ্যক্ষকে এঁদের কড়া পাহারায় রাখার হুকুম দিল।
24
হুকুম পেয়ে সে কারাগারের একেবারে ভিতরের ঘরে তাঁদের নিয়ে গিয়ে ভারি কাঠের হাড়িকাঠে পা বেঁধে রেখে দিল।
25
মাঝরাতে পৌল ও সীল ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা ও স্তব করছিলেন। সমস্ত বন্দীরা তাঁদের গান শুনছিল।
26
এমন সময় হঠাৎ প্রচণ্ড ভূমিকম্পে কারাগারের ভিত্তি নড়ে উঠল এবং সঙ্গে সঙ্গে কারাগারের সমস্ত দরজা খুলে গেল। খুলে পড়ল বন্দীদের হাত-পায়ের শৃঙ্খল।
27
ঘুম ভেঙে জেগে উঠে কারাধ্যক্ষ দেখল সব দরজা খোলা। সে ভাবল তাহলে সমস্ত বন্দীরা পালিয়ে গেছে। সে তখন নিজের তরোয়াল খুলে আত্মহত্যা করতে উদ্যত হল।
28
পৌল তখন চীৎকার করে বললেন, ও মশাই, আত্মঘাতী হবেন না। আমরা সকলে এখানেই আছি।
29
কারাধ্যক্ষ তখন আলো আনতে বলে দৌড়ে গিয়ে পৌল ও সীলের সামনে ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে পড়ে গেল।
30
তারপর তাঁদের বাইরে এনে বলল, মহাশয়, পরিত্রাণ পেতে হলে আমাকে কি করতে হবে?
31
তাঁরা বললেন, প্রভু যীশুতে বিশ্বাস কর, তাহলে তুমি ও তোমার পরিবারের সকলেই পরিত্রাণ পাবে।
32
কারাধ্যক্ষ ও তার বাড়ির সকলের কাছে তাঁরা সুসমাচারের বাণী প্রচার করলেন।
33
কারাধ্যক্ষ সেই রাত্রেই তাঁদের বেত্রাঘাতের ক্ষত ধুয়ে দিল এবং সপরিবারে বাপ্তিষ্ম গ্রহণ করল।
34
তারপর তাঁদের নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাঁদের আহারের ব্যবস্থা করল। ঈশ্বরের উপর আস্থা স্থাপনের আনন্দে সে ও তার পরিবারের সকলে উদ্বেলিত হয়ে উঠল।
35
সকাল হলে রোমীয় শাসকেরা কর্মচারী মারফৎ বন্দীদের ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ পাঠালেন।
36
কারাধ্যক্ষ পৌলের কাছে গিয়ে এই সংবাদ জানিয়ে বলল, রোমীয় শাসকেরা আপনাদের মুক্তি দিতে বলেছেন। আপনারা কারাগার থেকে চলে যান। আপনাদের যাত্রা শুভ হোক।
37
কিন্তু পৌল তাকে বললেন, আমরা রোমীয় নাগরিক। বিনা অপরাধে তারা আমাদের জনসমক্ষে প্রহার করেছে, কারাগারে বন্দী করে রেখেছে। আর এখন গোপনে আমাদের সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে? না, আমরা যাব না। ওরা আসুক এবং নিজেরা এসে আমাদের বের করে নিয়ে যাক।
38
কর্মচারীরা রোমীয় শাসকদের কাছে গিয়ে এই সংবাদ জানাল। তাঁরা যখন শুনলেন যে বন্দীরা রোমীয় নাগরিক, তাঁরা ভয় পেয়ে গেলন।
39
তাঁরা পৌল ও সীলের কাছে গিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন ও তাঁদের মুক্ত করে বাইরে নিয়ে এলেন এবং সেই নগর ছেড়ে চলে যেতে অনুরোধ করলেন।
40
পৌল ও সীল কারাগার থেকে বেরিয়ে লিডিয়ার বাড়িতে গেলেন। সেখানে অন্যান্য সব ভাইদের সঙ্গেও দেখা হল তাঁদের। তাঁর তাঁদের উৎসাহ দান করে সেখান থেকে প্রস্থান করলেন।
← Chapter 15
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 17 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28