bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Ezekiel 33
Ezekiel 33
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 32
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 34 →
1
প্রভু পরমেশ্বর বললেন,
2
হে মর্ত্যমানব, মনে কর, কোন একটি দেশে আমি বহিঃশত্রুর আক্রমণে যুদ্ধ বিগ্রহ ঘটালাম এবং সেই দেশের লোকেরা নিজেদের মধ্যে থেকে একজনকে প্রহরীরূপে নিযুক্ত করল।
3
শত্রুকে আসতে দেখলে সে সবাইকে সাবধান করার জন্য তূরী বাজাবে।
4
কেউ যদি সেই তূরীধ্বনি শুনেও মনোযোগ না দেয়, ফলে শত্রু এসে তাকে হত্যা করে, তাহলে নিজের মৃত্যুর জন্য সে নিজেই দায়ী হবে।
5
নিজের দোষেই তার মৃত্যু ঘটবে কারণ সে সতর্কতার সঙ্কেতধ্বনি উপেক্ষা করেছে। তা যদি না করত তাহলে প্রাণে বেঁচে যেত।
6
আবার যদি সেই প্রহরী শত্রুকে আসতে দেখেও সঙ্কেত ধ্বনি না করে তার ফলে লোকদের পাপস্খালনের সুযোগ পাবার আগেই অসতর্ক অবস্থায় শত্রু এসে কাউকে হত্যা করে, তাহলে তার মৃত্যুর জন্য ঐ প্রহরীকেই আমি দায়ী করব।
7
অতএব হে মর্ত্যমানব, আমি তোমাকে ইসরায়েল জাতির প্রহরী নিযুক্ত করলাম। তুমি আমার সতর্কবাণী তাদের কাছে পৌঁছে দেবে।
8
কোন দুষ্ট লোকের সম্বন্ধে আমি যদি বলি, সে মরবে এবং তুমি তাকে পরিবর্তনের সুযোগ দেবার জন্য যদি সতর্ক করে না দাও, তাহলে সে সেই অবস্থাতেই মারা যাবে। তার মৃত্যুর জন্য তখন আমি তোমাকেই দায়ী করব।
9
আর যদি তুমি কোন দুষ্ট লোককে সতর্ক করে দাও সে যদি তোমার কথায় কান না দেয়, তাহলে সেই পাপে লিপ্ত অবস্থাতেই তার মৃত্যু হবে। এক্ষেত্রে তোমার প্রাণ বেঁচে যাবে।
10
প্রভু পরমেশ্বর আমাকে বললেন, হে মর্ত্যমানব, ইসরায়েল জাতিকে বল, তোমরা যে অনুযোগ কর–আমরা আমাদের পাপ অপরাধের ভারে জর্জরিত। আমরা শেষ হয়ে যাচ্ছি। বাঁচার পথ কোথায়?
11
তাদের বল যে, আমি সদাজাগ্রত ঈশ্বর, এ কথা যেমন সত্য, তেমনি ধ্রুব সত্য এ কথাও যে, পাপীর মৃত্যুতে আমার আনন্দ নেই। বরং আমি চাই তারা পাপ পরিত্যাগ করুক এবং বাঁচুক। হে ইসরায়েল, মন্দপথ পরিহার কর। কেন তোমরা মরবে?
12
অতএব হে মর্ত্যমানব, ইসরায়েলীদের বল, সৎলোক যখন পাপ করে তখন তার সৎকাজ তাকে বাঁচাতে পারে না। আবার যদি কোন মন্দ লোক মন্দপথ ত্যাগ করে, তাহলে তার আর দণ্ড হবে না এবং যদি কোন সৎ লোক অসৎ কাজ করতে শুরু করে তাহলে তারও মৃত্যুর হাত থেকে রেহাই নেই।
13
সৎ ব্যক্তিকে আমি জীবনের প্রতিশ্রুতি দিতে পারি, কিন্তু এক্ষেত্রে সে যদি ভাবে যে তার অতীতের সৎকর্মই জীবন লাভের পক্ষে যথেষ্ট এবং পাপ করতে শুরু করে তাহলে আমি তার সমস্ত সৎকর্মই অগ্রাহ্য করব।
14
আবার কোন একজন দুষ্ট লোককে যদি আমি বলি যে তার মৃত্যু অনিবার্য, তখন সে যদি পাপের পথ ত্যাগ করে ন্যায় ও সত্যের পথে চলে–—
15
যেমন সে যদি বন্ধকী জিনিস ফেরৎ দেয় অথবা চুরি করে আনা জিনিস ফিরিয়ে দেয়, পাপকর্ম ত্যাগ করে জীবনের বিধান মেনে চলে, তাহলে তার মৃত্যু হবে না, সে লাভ করবে জীবন।
16
আমি তার সমস্ত পাপ ক্ষমা করব, সে জীবন লাভ করবে কারণ যা কিছু সৎ এবং ন্যায্য সে তাই-ই করেছে।
17
এর পরেও তোমার স্বজাতির লোকেরা কি করে বলে যে, আমি ন্যায্য কাজ করি না! বস্তুতঃ অন্যায় তারাই করে।
18
যখন কোন ধর্মনিষ্ঠ ব্যক্তি সৎকাজ ত্যাগ করে অসৎ কাজ করতে শুরু করে, তখন তাকে এজন্য মরতেই হবে।
19
আবার কোন মন্দ বা অসৎ ব্যক্তি যদি পাপকর্ম পরিত্যাগ করে সৎ ও ন্যায্য কাজ করে তাহলে সে বাঁচবে।
20
অতএব, হে ইসরায়েল, তোমরা কি করে বল যে, আমি ন্যায্য কাজ করি না। তাই এবার তোমাদের কাজ দিয়েই আমি তোমাদের বিচার করব।
21
আমাদের নির্বাসনের দ্বাদশ বৎসরের দশম মাসের পঞ্চম দিনে জেরুশালেম থেকে একটি লোক পালিয়ে এসে আমাকে সংবাদ দিল যে জেরুশালেমের পতন হয়েছে।
22
তার আসার আগের দিন সন্ধ্যেবেলায় প্রভু পরমেশ্বরের উপস্থিতির প্রবল প্রভাব আমি অনুভব করেছিলাম। পরের দিন সকালে সে এলে প্রভু পরমেশ্বর আমার বাক্-শক্তি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
23
প্রভু পরমেশ্বর আমাকে বললেন,
24
মর্ত্যমানব, ইসরায়েল ভূমির সমস্ত বিধ্বস্ত নগরীর অধিবাসীরা বলছে, অব্রাহাম ছিলেন মাত্র একজন ব্যক্তি। পুরো একটি দেশ যদি তার একার হতে পারে, তাহলে সংখ্যায় আমরা এত জন আছি, এ দেশের অধিকার কেন আমাদের হবেন না?
25
তাদের বল, আমি, সর্বাধিপতি প্রভু বলছি: তোমরা রক্ত সমেত মাংস খেয়ে থাক, তোমরা অলীক মূর্তি পূজা কর, নরহত্যা কর। তারপরেও তোমরা কি করে ভাব যে এ দেশের উপরে তোমাদের অধিকার?
26
নিজেদের বাহুবলই তোমাদের ভরসা। ঘৃণ্য তোমাদের আচরণ। তোমরা প্রত্যেকে ব্যভিচার কর। তারপরেও তোমরা কি করে ভাব যে এ দেশের উপরে তোমাদের অধিকার?
27
তাদের বল, আমি সর্বাধিপতি প্রভু তাদের সাবধান করে দিচ্ছি যে, আমি সদাজাগ্রত প্রভু, এ কথা যেমন সত্য, তেমনি ধ্রুব সত্য এই কথা, যারা ঐ সমস্ত বিধ্বস্ত নগরীতে বাস করছে, তাদের মৃত্যু নিশ্চিত। যারা খোলা মাঠে থাকবে, তারা হবে বন্যজন্তুর শিকার এবং যারা দুর্গম পর্বতে বা গুহায় আশ্রয় নেবে তাদের মৃত্যু হবে মহামারীতে।
28
এ দেশ আমি ধ্বংস করব, এদেশ হবে জন-মানবশূন্য পরিত্যক্ত ভূমি। তাদের শক্তির দম্ভ চূর্ণ হবে। ইসরায়েলের পাহাড়ী এলাকা হিংস্র বন্য জন্তুর আবাস হয়ে উঠবে, সেখান দিয়ে কেউ চলাফেরা করতে পারবে না।
29
লোকদের জঘন্য অনাচারের জন্য যখন আমি তাদের দেশ ছারখার করে পতিত ভূমি করে দেব, তখনই তারা জানবে যে, আমিই প্রভু পরমেশ্বর।
30
প্রভু পরমেশ্বর বললেন, হে মর্ত্যমানব, তোমার স্বজাতির লোকেরা নগর প্রাকারের কাছে অথবা তাদের বাড়ির সামনে পরস্পর দেখা হলেই তোমার সম্বন্ধে আলোচনা করে। তারা বলে, চল, আমরা যাই, ঈশ্বরের কাছে থেকে কী বার্তা এসেছে, গিয়ে শুনে আসি।
31
তাই তারা দল বেঁধে ভিড় করে তোমার কথা শুনতে আসে। আসলে কিন্তু তুমি তাদের যা করতে বল, সেই মত কাজ আদৌ তারা করবে না কারণ এ তাদের মুখের কথা, মনের কথা নয়। তারা নিজেদের লোভ-লালসার পথেই চলতে থাকে।
32
তুমি তাদের কাছে মনোরঞ্জনকারী একজন সুকন্ঠ গায়কমাত্র যে প্রেমের গান গায় কিন্বা একজন বীণাবাদক। তারা তোমার কথা শোনে কিন্তু একটি কথাও মানে না।
33
কিন্তু যখন তোমার সমস্ত কথা ফলে যাবে এবং সেই সমস্ত ঘটনা ঘটবে—তখনই তারা বুঝবে যে তাদের মাঝে একজন সত্যদ্রষ্টা প্রবক্তা ছিলেন।
← Chapter 32
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 34 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48