bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Jeremiah 2
Jeremiah 2
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 3 →
1
জেরুশালেমের প্রতিজনের কাছে এই বার্তা আমাকে ঘোষণা করতে বললেন প্রভু পরমেশ্বর:
2
যৌবনে তুমি কত অনুরক্ত ছিলে আমার প্রতি,আমার স্মরণে আছে সে কথা! আমাদের বিবাহের পর কত ভালবাসতে তুমি আমায়, মরুভূমিতে তুমি আমায় অনুসরণ করে চলতে, অনুসরণ করতে আমায় অকর্ষিত প্রান্তরে।
3
হে ইসরায়েল, তখন তুমি ছিলে শুধু আমারই, ছিলে আমার পবিত্র অধিকার,আমাতেই নিবেদিত। যারা তোমায় আঘাত করেছে, তাদের প্রত্যেকের উপর নেমে এসেছে আমার চরম আঘাত, যন্ত্রণা ও বিপর্যয়। আমি, প্রভু পরমেশ্বর এই কথা বললাম।
4
হে যাকোবের বংশধরগণ, ইসরায়েলের সমস্ত কুল, শোন প্রভু পরমেশ্বরের বার্তা!
5
প্রভু পরমেশ্বর বলেছেনঃ আমার বিরুদ্ধে তোমাদের পূর্বপুরুষেরা কি কি অভিযোগ এনেছে? আমার মধ্যে কোন দোষ তারা পেয়েছে, যাতে তারা আমার কাছ থেকে চলে গেছে মুখ ফিরিয়ে? অসার প্রতিমার পূজা করে তারাও হয়েছে অসার।
6
আমার কথা তারা ভাবল না একবারও, আমি তাদের উদ্ধার করে আনলাম মিশর থেকে, মরুপ্রান্তরের মধ্যে দিয়ে নিয়ে এলমা পথ দেখিয়ে। মরুভূমি আর বালিয়াড়ি ভরা বন্ধুর পথ, ধূ ধূ মরুদেশ তিমির অন্ধকার, জনপ্রাণীর চিহ্ন সেখানে নেই, চলে না সে পথে কোনও পথচারী।
7
আমি নিয়ে এলাম তাদের উর্বরা এক সুজলা সুফলা দেশে, ফুলে-ফলে, শস্যসম্ভারে প্রাচুর্যের মাঝখানে। পরিবর্তে তারা এসে দূষিত করে দিল সব, অশুচি করে দিল আমার সে দেশ যা আমি দিয়েছিলাম তাদের।
8
আমার বিধি ব্যবস্থায় প্রাজ্ঞ যারা, সেই যাজকেরা জানল না আমাকে, পুরোহিতেরাও করল না অন্বেষণ, এল না আমার কাছে। শাসকেরা বিদ্রোহ করল আমার বিরুদ্ধে, নবীরা ভাবের আবেগে উচ্চারণ করল বেলদেবের প্রশস্তি, আরাধনা করল তুচ্ছ অসার প্রতিমার।
9
তাই আমি প্রভু পরমেশ্বর, আবার অভিযোগ আনব আমার প্রজাদের বিরুদ্ধে, অভিযোগ আনব তাদের বংশধরদের বিরুদ্ধে।
10
পশ্চিমে সাইপ্রাস দ্বীপে যাও, পূর্বদিকে কেদরদেশে পাঠিয়ে দাও কাউকে, দেখবে, এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি আগে।
11
কোনও জাতি কি কখনও আরাধ্য দেবতা বদল করেছে, অবশ্য যদিও সে প্রকৃত দেবতা নয়? কিন্তু আমার প্রজারা তাদের দেবতা আমাকে করেছে বদল, যে আমি তাদের এনে দিয়েছিলাম সম্মান ও গৌরব। ঐ দেবতারা তাদের জন্য কিছুই করতে পারেনি।
12
এই ঘটনায়, হে অন্তরীক্ষ, চমকিত হও, ঘৃণায় আতঙ্কে শিহরিত হও, স্তম্ভিত হও বিস্ময়ে!
13
দুটি পাপ করেছে আমার প্রজারা; তারা আমার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে চলে গেছে, ত্যাগ করেছে নিরন্তর উৎসারিত জলের প্রস্রবণ, আর মাটি খুঁড়ে তৈরি করেছে জলাধার, যাতে ফাটল ধরেছে, জল থাকে না সেখানে।
14
ইসরায়েল ক্রীতদাস ছিল না, দাসত্বের মধ্যে জন্ম হয়নি তার, তাহলে কেন তার শত্রুরা তাকে তাড়া করে ফেরে?
15
তাকে দেখে সিংহের মত গর্জন করে তারা, মরুভূমি করে দিয়েছে তার দেশ বিধ্বস্ত হয়েছে তার নগর-জনপদ, সব আজ পরিত্যক্ত নির্জন।
16
মেম্ফিস আর তফনহেষের মিশরীরা তার মাথা ভেঙ্গে দিয়েছে।
17
ইসরায়েল, তুমি নিজেই ডেকে এনেছ এ দুর্দৈব নিজের উপর! তুমি তোমার প্রভু পরমেশ্বর, আমাকে পরিত্যাগ করেছ, যখন আমি তোমাকে নিয়ে আসছিলাম পথ দেখিয়ে, তখনই।
18
তুমি কি ভেবেছ মিশরে ফিরে গেলে, নীল নদীর জল পান করলে তুমি লাভবান হবে? ভেবেছ কি, আসিরিয়ায় ফিরে গেলে, ইউফ্রেটিস নদীর জল পান করলে লাভবান হবে তুমি?
19
তোমার নিজের পাপ তোমার দণ্ডবিধান করবে, আমার কাছ তেকে তোমার এই চলে যাওয়া দোষী সাব্যস্ত করবে তোমায়। আমাকে, তোমার প্রভু পরমেশ্বরকে, ত্যাগ করে যাওয়া, আমার প্রতি আর অনুরক্ত না থাকা –এ যে কত বড় ভুল—কত তিক্ত এ অবস্থা সেদিনই তুমি উপলব্ধি করবে মর্মে মর্মে। আমি, সর্বাধিপতি সর্বশক্তিমান ঈশ্বর, বললাম এ কথা।
20
সর্বাধিপতি প্রভু বলেনঃ হে ইসরায়েল, বহুকাল আগে তুমি আমার কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করেছিলে, করেছিলে অস্বীকার আমার বাধ্য হয়ে চলতে, আরাধনা করতে আমায়। প্রতিটি উচ্চ পর্বতে, প্রতিটি শ্যামল বৃক্ষতলে আরাধনা করতে তুমি উর্বরতা দানের দেবতাদের।
21
সেরা একটি দ্রাক্ষালতার চারার মত তোমায় রোপণ করেছিলাম আমি। সে চারা তৈরি করা হয়েছিল উৎকৃষ্ট বীজ থেকে। কিন্তু দেখ, এখন তুমি কি হয়েছ! তুমি এখন একটি নিকৃষ্ট বুনো দ্রাক্ষালতা।
22
প্রচুর সাবান দিয়ে ধুলেও মুছবে না সে পাপ, আমি তোমার পাপের কলঙ্ক দেখতে পাব।
23
কেন তুমি বল যে নিজেকে অশুচি করনি তুমি, আরাধনা করনি কখনও বেল দেবতার? দেখ, কি ভাবে তুমি পাপাচার করেছ উপত্যকার বুকে। কামনায় জর্জরিত বন্য গর্দভীর মত
24
ছুটে চলেছ তুমি মরুভূমির দিকে স্খলিত চরণে। সে যকন কামাবেগে মত্ত হয়, তখন কে পারে তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে? কোন গর্দভকে তখন তার পিছনে ছুটে ক্লান্ত হতে হয় না, প্রজননের সময়ে তাকে পাওয়া যায় সহজেই।
25
হে ইসরায়েল, অপর দেবতাদের পিছনে ছুটে ক্লান্ত করো না চরণ তোমার, তৃষিত হয়ো না তাদের জন্য। কিন্তু তুমি বললে, না আমি আর ফিরতে পারি না। কনানীয় দেবতাদের আমি ভালবেসেছি, আমি তাদেরই করব অনুসরণ।
26
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, চোর ধরা পড়লে যেমন সে অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়, ঠিক তেমনই লাঞ্ছিত হবে ইসরায়েলের সমস্ত মানুষ—তোমাদের রাজা, রাজকর্মচারী, পুরোহিত ও প্রবক্তা নবী সকলেই।
27
তোমরা, যারা গাছকে পিতা বল আর পাহাড়কে বল মাতা—তোমরা সকলেই হবে লাঞ্ছিত ও অপমানিত। এই ঘটনা ঘটবেই কারণ তোমরা আমার কাছে ফিরে না এসে মুখ ফিরিয়ে চলে গেছ। কিন্তু বিপদে পড়লে আমাকেই ডাক উদ্ধার করার জন্য।
28
কোথায় তোমার সেই দেবকুল, যাদের তুমি গড়েছ নিজেদের জন্য? তোমরা যেদিন বিপদে পড়বে, সেদিন তাদেরই বলো উদ্ধার করতে, যদি তারা পারে। যিহুদীয়া, তোমার যত নগর আছে, দেবতাও আছে ততগুলিই।
29
তোমার অভিযোগ কি? আমাকে অভিযুক্ত করার অধিকার তোমার নেই, কারণ তুমিই তো আমাকে ত্যাগ করেছ।
30
আমি তোমাকে শাস্তি দিয়েছি, কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি। তোমাকে সংশোধন করতে তুমি আমাকে দিলে না। ক্রুদ্ধ সিংহের মত তুমি হত্যা করেছ তোমার প্রবক্তা নবীদের।
31
শোন, হে ইসরায়েলের মানুষ, শোন আমার কথা। আমি কি তোমাদের কাছে মরুভূমির মত, অন্ধকার একটি বিপদসঙ্কুল দেশের মত? কেন তবে তোমরা বল, তোমরা যা ইচ্ছা তাই করবে, আমার কাছে আর ফিরে আসবে না?
32
কোনও যুবতী কন্যা কি তার অলঙ্কারের কথা ভুলতে পারে কিম্বা নববধূ কি ভুলতে পারে তার বিবাহের বেশ? কিন্তু আমার প্রজারা আমাকে ভুলে গেছে বার বার। সে যে কতবার, সে কথা আর মনে নেই!
33
নিশ্চিতভাবেই তুমি জান, প্রেমিকদের পিছনে কি করে ছুটতে হয়। অতি নিকৃষ্ট রমণীও এই বিদ্যা তোমার কাছে শিখতে পারে।
34
দস্যুর রক্তে নয়, নিরপরাধ দীন-দরিদ্রের রক্তেই তোমার পোশাক কলঙ্কিত। কিন্তু এসব সত্ত্বেও
35
তুমি বল, আমি নিরপরাধ, নির্দোষ। প্রভু পরমেশ্বর নিশ্চয়ই আর আমার উপর ক্রুদ্ধ থাকবেন না। কিন্তু আমি, প্রভু পরমেশ্বর, তোমাকে শাস্তি দেব, কারণ তুমি তোমার পাপ অস্বীকার করেছ।
36
কত সহজেই তুমি আমায় পরিত্যাগ করে নিজেকে ছোট করে ফেলেছ, অসার ধর্মাচরণে অনুরক্ত হয়েছ। আসিরিয়ার মত মিশরের কাছেও তুমি হতাশ হবে।
37
মিশরের কাছ থেকে তোমায় লজ্জায় মাথা নীচু করে ফিরে আসতে হবে। যারা তোমার আস্থাভাজন ছিল, তাদের আমি প্রত্যাখ্যান করেছি, তাদের কাছ থেকে কিছুই লাভ হবে না তোমার।
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 3 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52