bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Jeremiah 38
Jeremiah 38
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 37
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 39 →
1
মত্তনের পুত্র শফটিয়, পশহুরের পুত্র গদলিয়, শেলিমিয়ের পুত্র যেহুকল এবং মল্কিয়ের পুত্র পশহুর শুনতে পেল যে আমি লোকদের বলেছি,
2
প্রভু পরমেশ্বর বলছেন, ‘যে কেউ নগরীর ভেতরে থাকবে, যুদ্ধে অথবা দুর্ভিক্ষে কিম্বা মহামারীতে তার মৃত্যু হবে। কিন্তু যে নগরীর বাইরে গিয়ে ব্যাবিলনীয়দের কাছে আত্মসমর্পণ করবে, সে মারা পড়বে না। অন্ততঃপক্ষে সে প্রাণে বেঁচে যাবে।’
3
সেই সাথে আমি তাদের বলেছিলাম যে, প্রভু পরমেশ্বর বলেছেন, এই নগরী আমি ব্যাবিলনীয়দের হাতে তুলে দিতে চলেছি, তারা নগরী অধিকার করবে।
4
পদস্থ কর্মচারীরা রাজার কাছে গিয়ে বলল, এই লোকটির মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। কারণ এই সমস্ত কথা বলে এ আমাদের সৈন্যদলের মনোবল ভেঙ্গে দিচ্ছে এবং নগরীতে অবশিষ্ট অধিবাসীদের মনও এভাবে দুর্বল করে তুলছে। মানুষকে সাহস দিয়ে সাহায্য করার কোনও চেষ্টাই নেই তার, বরং সে কেবল তাদের অমঙ্গল করতে চায়।
5
রাজা সিদিকিয় বললেন, বেশ, এ তো খুবই ভাল কথা। সে এখন তোমাদের হাতে। অতএব যাও, তার প্রতি তোমাদের যা ইচ্ছা তাই কর। তোমাদের আমি বাধা দিতে পারি না।
6
তখন তারা আমাকে নিয়ে গিয়ে যুবরাজ মল্কিয়ের কূপে দড়ি দিয়ে নামিয়ে দিল। ঐ কূপটি ছিল রাজপ্রাসাদের প্রাঙ্গণে। পাঁকে ভরা জলহীন সেই কূপ এবং তাতে আমি প্রায় ডুবেই গিয়েছিলাম।
7
সেই সময় এবদমেলক নামে এক সুদানীয় নপুংসক রাজপ্রাসাদে কাজ করত। সে শুনতে পেল যে আমাকে কূপের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে। রাজা তখন বিন্যামীনের তোরণে রাজসভার কাজ পরিচালনা করছিলেন।
8
এবদমেলক সেখানে গিয়ে রাজাকে বলল, মহারাজ, লোকদের এ কি অন্যায়! তারা যিরমিয়কে কূপে ফেলে দিয়েছে। সেখানে সে না খেতে পেয়ে মরে যাবে। নগরে খাদ্যের জোগানও তেমন নেই।
10
রাজা তখন এবদমেলককে তিনজন লোক সঙ্গে নিয়ে মরবার আগেই আমাকে কূপ থেকে উদ্ধার করার আদেশ দিলেন।
11
সে তখন লোকদের নিয়ে রাজপ্রাসাদের ভাণ্ডার থেকে কিছু ছেঁড়া কাপড় এনে দড়ি দিয়ে কূপের মধ্যে আমার কাছে নামিয়ে দিল।
12
সে ঐ কাপড়গুলো আমার বগলে ভাল করে লাগিয়ে নিতে বলল, যাতে দড়িতে আমার ব্যথা না লাগে। আমি তাই করলাম।
13
এবার তারা আমাকে টেনে তুলল। তারপর আমাকে প্রাসাদ প্রাঙ্গণেই রাখা হল।
14
রাজা সিদিকিয় আবার একদিন যিরমিয়কে ডেকে পাঠালেন এবং প্রভু পরমেশ্বরের মন্দিরের তৃতীয় প্রবেশ পথে তাঁকে নিজের কাছে আনালেন। যিরমিয়কে রাজা বললেন, আমি তোমাকে একটি কথা জিজ্ঞাসা করব। আমি চাই, তুমি কোন কিছু গোপন করবে না, সব সত্য বলবে।
15
আমি বললাম, মহারাজ, যদি আমি সত্য কথা বলি, তাহলে আপনি আমার মৃত্যুদণ্ড দেবেন। আর, আমি যদি আপনাকে সুপরামর্শ দিই, তাতে আপনি কানই দেবেন না।
16
তখন রাজা সিদিকিয় গোপনে আমার কাছে প্রতিজ্ঞা করে বললেন, যিনি আমাদের এই জীবন দান করেছেন, আমি সেই জাগ্রত প্রভু পরমেশ্বরের নামে শপথ করে বলছি, আমি তোমাকে মৃত্যুদণ্ড দেব না, অথবা যারা তোমাকে হত্যা করতে চায়, তাদের হাতেও তোমাকে তুলে দেব না।
17
তখন আমি রাজা সিদিকিয়কে বললাম, সর্বশক্তিমান প্রভু পরমেশ্বর, ইসরায়েলের আরাধ্য ঈশ্বর বলেছেন যে, ব্যাবিলনীয় সৈন্যাধ্যক্ষদের হাতে আপনি যদি আত্মসমর্পণ করেন, তাহলে আপনার জীবন রক্ষা পাবে, এবং এই নগরীও আর পুড়িয়ে দেওয়া হবে না, আপনি ও আপনার পরিবারও রক্ষা পাবে।
18
কিন্তু তা যদি না করেন, তাহলে এই নগরী ব্যাবিলনীয়দের হাতে তুলে দেওয়া হবে, তারা নগরী পুড়িয়ে দেবে, আপনিও তাদের হাত থেকে রেহাই পাবেন না।
19
রাজা বললেন, যে সব ইসরায়েলী ব্যাবিলনীয়দের পক্ষে যোগ দিয়েছিল, তাদের আমি ভয় করি। হয়তো তাদেরই হাতে আমাকে তুলে দেওয়া হবে। তারা আমার উপর অকথ্য অত্যাচার করবে।
20
আমি তাঁকে বললাম, আপনাকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে না। আমার অনুরোধ, আপনি প্রভু পরমেশ্বরের বার্তা শুনুন, পালন করুন তাঁর কথা। তাহলে সর্বতোভাবে আপনার মঙ্গল হবে, আপনার জীবনও রক্ষা পাবে।
21
কিন্তু, আপনি যদি আত্মসমর্পণে রাজী না হন, প্রত্যাখ্যান করেন তাঁকে, তাহলে যা ঘটবে, সেই ঘটনা এক দিব্যদর্শনে প্রভু পরমেশ্বর আমাকে দেখিয়ে দিয়েছেন।
22
আমি দিব্যদর্শনে দেখেছি যে, যিহুদীয়ার রাজপ্রাসাদে যত রমণী অবশিষ্ট আছেন, তাদের সকলকে ব্যাবিলনীয় রাজকর্মচারীদের কাছে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যাবার সময় তারা কি বলে গেছে, শুনুনঃরাজার একান্ত বন্ধুজনেরা প্রতারণা করেছে তাঁকে,করেছে তাঁকে পরাজিত, বিপথগামী। তাঁর পা দুটি এখন ডুবে গেছে পাঁকে,পলাতক আজ তাঁর সে সব বন্ধুরা।
23
আপনার রাণীদের ও আপনার সন্তানদের নিয়ে যাওয়া হবে ব্যাবিলনীয়দের কাছে, আপনিও নিস্তার পাবেন না। ব্যাবিলনের রাজা আপনাকে বন্দী করে নিয়ে যাবে এবং নগরীতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেবে।
24
সিদিকিয় তখন বললেন, আমাদের মধ্যে এইসব আলোচনার বিষয় কাউকে বলবেন না। আপনার কোনও বিপদের ভয় নেই।
25
রাজকর্মচারীরা যদি শোনে আপনার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, তাহলে তারা এসে আপনার কাছে সব কথা জানতে চাইবে। তারা আপনার কাছে প্রতিজ্ঞা করে বলবে, যদি আপনি তাদের সব কথা বলে দেন, তবে আপনাকে তারা হত্যা করবে না।
26
কিন্তু আপনি শুধু তাদের এই কথাই বলবেন যে আপনি আমার কাছে এই ভিক্ষা চাইছিলেন যেন আপনাকে আর কারাগারে মরবার জন্য পাঠানো না হয়।
27
সমস্ত রাজকর্মচারী আমার কাছে সব কথা জানতে চাইলে আমি রাজার শেখানো কথাই তাদের সকলকে বললাম। তাদের কোন কিছু করার ক্ষমতা ছিল না, কারণ রাজার সঙ্গে আমার আলাপের কোনও কথাই তাদের কানে যায় নি।
28
আমি জেরুশালেম অধিকৃত হওয়ার দিন পর্যন্ত রাজপ্রাসাদের রক্ষীদের প্রাঙ্গণে কারাগারে বন্দী হয়ে রইলাম।
← Chapter 37
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 39 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52