bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Jeremiah 6
Jeremiah 6
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 5
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 7 →
1
হে বিন্যামীন গোষ্ঠীর লোকেরা, নিরাপদ স্থানে পালাও তোমরা। জেরুশালেম থেকে পালিয়ে যাও। তেকোয়াতে তুরীধ্বনি কর, বেথ-হক্কেরেম-এ আগুল জ্বেলে সঙ্কেত দেখাও। উত্তর দিক থেকে প্রায় এসে পড়েছে ধ্বংস ও বিপর্যয়।
2
সিয়োন নগরী অপরূপা, কিন্তু ধ্বংস হবে এ নগরী।
3
সৈন্যবাহিনীসহ রাজারা সেখানে ঘাঁটি স্থাপন করবে। নগরীর চারিদিকে তাদের শিবির স্থাপন করবে এবং যে যেখানে পারবে তাঁবু ফেলবে।
4
তারা বলবে, ‘জেরুশালেম, আক্রমণের জন্য তৈরি হও! আমরা আজ দুপুরেই আক্রমণ করব।’ কিন্তু তারপর তারা বলবে, ‘বড় দেরি হয়ে গেছে, প্রায় শেষ হয়ে এসেছে দিন, দীর্ঘতর হচ্ছে সন্ধ্যার ছায়া।
5
আমরা রাত্রে আক্রমণ করব, নগরের সমস্ত দুর্গ ধ্বংস করে দেব।’
6
প্রভু পরমেশ্বর এই সমস্ত রাজাদের জেরুশালেম আক্রমণ করার জন্য গাছপালা কেটে অবরোধ গড়ে তোলার আদেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি এই নগরীকে শাস্তি দেব, কারণ এই নগরী নিপীড়নে পরিপূর্ণ।
7
ঝর্ণা থেকে যেমন জল উৎসারিত হয়, তেমনই এই নগরী উৎসারিত করে দুষ্টতা। আমি শুনতে পাই নগরীতে হত্যা ও ধ্বংসের উন্মত্ত কোলাহল, দেখি মানুষের রুগ্নতা ও ক্ষতের জ্বালা।
8
হে জেরুশালেমবাসী, এ সমস্ত যন্ত্রণা তোমাদের কাছে সতর্কতার বাণীস্বরূপ। এখনও যদি সাবধান না হও, আমি তোমাদের পরিত্যাগ করব, এই নগরীকে আমি পরিণত করব মরুভূমিতে, যেখানে মানুষের বাস নেই।
9
সর্বশক্তিমান প্রভু পরমেশ্বর আমাকে বলেছেন, ইসরায়েলীদের অবশিষ্ট লোকেরা হবে এমন একটি দ্রাক্ষাক্ষেত্রের মত, যা কেটে পরিষ্কার করে ফেলা হয়েছে। সুতরাং এখনও সময় আছে। সময় থাকতে তুমি তোমার সাধ্য অনুযায়ী তাদের প্রত্যেককে উদ্ধার করে আন।
10
আমি বললাম, যদি আমি এইসব কথা বলতে যাই, কে আমার কথা শুনবে? ওরা জেদী, একগুঁয়ে। তোমার কথা তারা কানেই তুলবে না। তুমি আমাকে যা বলতে বললে, সেই কথা শুনে তারা হাসবে।
11
তাদের প্রতি তোমার প্রচণ্ড ক্রোধের আগুন আমার বুকেও জ্বলছে। হে প্রভু পরমেশ্বর, আমি যে আর ক্রোধ ধারণ করতে পারছি না। তখন প্রভু পরমেশ্বর আমাকে বললেন, রাস্তায় ছেলেমেয়েদের উপর আর যুবকদের সমাবেশের উপর আমার ক্রোধের আগুন ঢেলে দাও। স্বামী-স্ত্রী, এমন কি অতি বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও রেহাই পাবে না এর রাত থেকে।
12
তাদের ঘরবাড়ি অন্যদের দিয়ে দেওয়া হবে এবং তাদের ক্ষেত-খামার এমন কি তাদের স্ত্রীদেরও অপরকে দিয়ে দেওয়া হবে। আমি শাস্তি দিতে চলেছি এ দেশের মানুষকে।
13
ছোট বড় প্রত্যেকে অসদুপায়ে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করে। নবী এবং পুরোহিতেরাও মানুষকে প্রতারণা করে।
14
সমাজের দুষ্ট ক্ষতে তারা উপরে উপরে প্রলেপ দেয়, কিন্তু আমার প্রজাদের কষ্টের নিরাময় করে না। যখন দেশে কোনও কিছুই ঠিক ও স্বাভাবিক অবস্থায় নেই, তখন তারা বলে, “সব ঠিক আছে’’ ।
15
এইসব ঘৃণ্য কাজের জন্য তারা কি লজ্জিত? না, তারা বিন্দুমাত্র লজ্জিত নয়। তারা জানেই না লজ্জা কাকে বলে। কাজেই, আর সকলের যেভাবে পতন হয়েছে, সেইভাবে তাদেরও পতন হবে। আমি যখন তাদের শাস্তি দেব, সে-ই হবে তাদের শেষ পরিণাম। আমি, প্রভু পরমেশ্বর এই কথা বললাম।
16
প্রভু পরমেশ্বর তাঁর প্রজাদের বললেন, রাস্তার চৌমাথায় দাঁড়িয়ে লক্ষ্য কর, সন্ধান কর প্রাচীন সনাতন পথের, জিজ্ঞাসা করে জেনে নাও কোনটি সবচেয়ে ভাল পথ। সেই পথে চল, তোমরা শান্তিতে থাকবে। কিন্তু তারা বলল, না, আমরা ও পথে যাব না।
17
তখন প্রবু পরমেশ্বর প্রহরী নিযুক্ত করলেন তাদের সতর্ক করার জন্য। কিন্তু তারা বলল, ও সব আমরা শুনব না।
18
তখন প্রভু পরমেশ্বর বললেন, শোন হে জাতিবৃন্দ, দেখ, আমার প্রজাদের কি দশা হতে চলেছে।
19
শোন হে পৃথিবী, ওরা আমার উপদেশ প্রত্যাখান করেছে, আমার কোন কথা শোনে নি। তাই ওদের সমস্ত কুকর্মের জন্য আমি ওদের ধ্বংস করব।
20
আমার জন্য শেবা থেকে আনা ধূপ, দূর দেশ থেকে আনা সুগন্ধি মশলায় আমাকে খুশী করা যাবে না। আমি ওদের উপহার গ্রহণ করব না, তুষ্ট হব না ওদের বলিদানে।
21
আমি ওদের উছোট খাওয়াব, পতন হবে ওদের। পিতাদের ও পুত্রদের মৃত্যু হবে, তাদের বন্ধুবর্গ ও প্রতিবেশীদের হবে একই অবস্থা।
22
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, উত্তরদিক থেকে লোকেরা আসছে। সুদূরের এক শক্তিশালী জাতি প্রস্তুতি নিচ্ছে যুদ্ধের জন্য।
23
তারা ধনুর্বাণ ও তরবারিতে সজ্জিত হয়েছে। অত্যন্ত নিষ্ঠুর তারা, দয়ামায়া বলে তাদের কিছুই নেই। অশ্বপৃষ্ঠে তারা যখন ছুটে চলে, তখন সমুদ্রগর্জনের ধ্বনি শোনা যায়। জেরুশালেমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তারা প্রস্তুত।
24
জেরুশালেমের লোকেরা বলে, আমরা এ খবর শুনেছি। আমাদের হাত অবশ হয়ে গেছে। প্রসব-বেদনাতুরা নারীর মত আমরা আড়ষ্ট হয়ে গেছি মর্মযন্ত্রণা ও ব্যথায়।
25
শহরের বাইরে অথবা রাস্তায় বার হওয়ার সাহসও নেই আমাদের। কারণ আমাদের শত্রুরা সশস্ত্র। চারিদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের ঘিরে।
26
প্রভু পরমেশ্বর তাঁর প্রজাদের বলেন, চটের বস্ত্র পরে ছাইয়ের উপর গড়াগড়ি দাও। একমাত্র পুত্রের জন্য মানুষ যেভাবে কাঁদে, সেইভাবে বুকফাটা কান্নায় ভেঙ্গে পড়, কারণ যে আসছে তোমাদের ধ্বংস করতে, সে হঠাৎই এসে আক্রমণ করবে।
27
যিরমিয়, ধাতুকে যেভাবে পরীক্ষা করা হয়, সেইভাবে ওদের পরীক্ষা কর, দেখা ওরা কিসের মত?
28
ওরা সকলে জেদী, দুরাচারী, ব্রোঞ্জ ও লোহার মত কঠিন। ওরা দুর্নীতিপরায়ণ, চারিদিকে মিথ্যা রটনা করে বেড়ায়।
29
আগুনের চুল্লী ভয়ানকভাবে জ্বলছে, কিন্তু ধাতুর বর্জ্য পদার্থ গলে না, গড়িয়ে পড়ে না। আমার প্রজাদের সংশোধন করা বৃথা কারণ যারা মন্দ, তাদের শাসন করা যায় না।
30
ওদের বলা হবে অপদার্থ, কারণ আমি, প্রভু পরমেশ্বর ওদের প্রত্যাখান করেছি।
← Chapter 5
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 7 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52