bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Jeremiah 31
Jeremiah 31
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 30
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 32 →
1
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, এমন সময় আসছে, যেদিন আমিই হব ইসরায়েলের সমস্ত গোষ্ঠীর ঈশ্বর এবং তারা হবে আমার প্রজা।
2
মরুপ্রান্তরে আমি ইসরায়েলকে করুণা করেছিলাম, যুদ্ধে মৃত্যুর হাত থেকে তারা নিষ্কৃতি পেয়েছিল। যখন ইসরায়েল বিশ্রামের জন্য লালায়িত হয়েছিল, আমি দূর থেকে আবির্ভূত হয়েছিলাম তাদের কাছে।
3
ওগো কুমারী ইসরায়েল, আমি চিরদিন তোমাকে ভালবেসেছি, আমার শাশ্বত প্রেম অনুক্ষণ তোমাকে ঘিরে থাকবে।
4
আমার আমি তোমাকে গড়ে তুলব, আবার তুমি তম্বুরা হাতে তুলে নেবে, নৃত্যপরা হয়ে উঠবে আনন্দ হিল্লোলে।
5
আবার তুমি শমরিয়ার পাহাড়ের বুকে রচনা করবে দ্রাক্ষাকুঞ্জ। ভোগ করবে দ্রাক্ষাকুঞ্জের ফলসম্ভার।
6
সেই দিন আগতপ্রায়, যেদিন ইফ্রয়িমের পাহাড়ী এলাকা থেকে প্রহরীরা ডেকে বলবে, ‘এস আমরা সিয়োনে যাই, আমাদের প্রভু পরমেশ্বরের কাছে।’
7
প্রভু পরমেশ্বর বলেন,আনন্দ সঙ্গীত গাও, ইসরায়েলের জন্য,জাতিবৃন্দের মাঝে যে জাতি মহান্, গাও তার স্তবগান। রক্ষা করেছেন প্রভু পরমেশ্বর তাঁর প্রজাবৃন্দকে উদ্ধার করেছেন তাদের যারা ছিল অবশিষ্ট।
8
উত্তর দেশ থেকে আমি আনব তাদের, একত্র করব তাদের পৃথিবীর সকল প্রান্ত থেকে। অন্ধ ও খঞ্জেরা আসবে তাদের সাথে, আসবে তাদের সাথে সন্তানসম্ভবা রমনী, আসবে আসন্নপ্রসবা জননীও, আসবে পিরে এক সুবিশাল জনতা।
9
জলভরা চোখে তারা ফিরে আসবে, আমি পথ দেখিয়ে নিয়ে যাব তাদের পরম মমতায়। নিয়ে যাব আমি সমতল পথে স্রোতস্বিনীর তীরে, যে পথে তারা উছোট খাবে না, লাগবে না ব্যথা পায়ে। ইসরায়েলের জনক আমি, জ্যেষ্ঠপুত্র আমার ইফ্রয়িম।
10
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, হে জাতিবৃন্দ, শোন আমার কথা, ঘোষণা কর আমার বাণী দূর-দূরান্তরে, সুদূর দিগন্তে। আমি ছড়িয়ে দিয়েছিলাম আমার প্রজাদের, কিন্তু একত্র করব তাদের আবার। রাখব তাদের সতর্ক প্রহরায়, মেষপালক যেমন রাখে তার মেষপাল।
11
আমি মুক্ত করেছি ইসরায়েলকে, পরাক্রান্ত জাতির কবল থেকে করেছি উদ্ধার।
12
তারা আসবে, গাইবে আনন্দগান সিয়োন পর্বতে, আনন্দে মুখর হবে আমার বহু উপহারে শস্য, সুরা আর জলপাই তেলের উপহার, গবাদি পশু আর মেষের উপহার। তারা হবে জল-সিঞ্চিত উদ্যানের মত অপূর্ণ থাকবে না তাদের কোন প্রয়োজন।
13
কুমারী কন্যারা আনন্দে উচ্ছল হবে নৃত্যের তালে যুবা, বৃদ্ধ সকলেই হবে উল্লসিত। আমি তাদের শোক পরিবর্তিত করে দেব আনন্দে, তাদের আমি দেব সান্ত্বনা,বেদনা তাদের হবে আনন্দ শতদল।
14
প্রাচুর্য আর উৎকৃষ্ট খাদ্য সম্ভারে, আমি ভরিয়ে দেব পুরোহিতদের, পূর্ণ করব প্রজাবৃন্দের সকল প্রয়োজন। আমি, প্রভু পরমেশ্বর, এ কথা বললাম।
15
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, রামায় ধ্বনিত হচ্ছে একটি কণ্ঠস্বর, আকুল কান্না আর তীব্র বিলাপে ভরা রাহেল কাঁদছে তার সন্তানদের শোকে, তারা আজ আর নেই! মানে না সে কোন সান্ত্বনার বাণী।
16
ওগো ইসরায়েল, মোছ আঁখিজল, ব্যর্থ হবে না কর্ম তেমার, সন্তানদের জন্য যা কিছু করেছ, পাবে তুমি তার যোগ্য পুরস্কার, তারা আসবে ফিরে শত্রুপুরী থেকে।
17
তোমার আগামী দিনের আশা ভাস্বর হয়ে আছে, সন্তানেরা তোমার আবার আসবে ফিরে তোমার কোলে।
18
ইসরায়েলকে আমি দুঃখে কাতর হয়ে বলতে শুনেছি, ‘হে প্রভু পরমেশ্বর, আমি ছিলাম পোষ না মানা পশুর মত, কিন্তু তুমি শিখিয়েছ আমায় বাধ্য হতে। ফিরিয়ে নিয়ে যাও আমাকে, আমি ফিরে যেতে চাই তোমার কাছে, হে আমার প্রভু, আরাধ্য আমার।
19
তোমাকে ত্যাগ করে আমি চলে গিয়েছিলাম, কিন্তু আজ আমি অনুতপ্ত, চেয়েছি আসতে ফিরে তোমার কাছে। যেদিন আমার চেতনা এল, আমি অবনত হলাম অনুতাপে, আমি লজ্জিত হতমান, এতদিন আমি লিপ্ত ছিলাম পাপে।
20
ইসরায়েল, তুমি আমার প্রিয়তম সন্তান, যাকে আমি সবার চেয়ে বেশী ভালবাসি। যখনই আমি তোমার বিরুদ্ধে বলি, তখনই স্নেহসিক্ত হয়ে ভাবি তোমার কথা আমার মন চলে যায় তোমার কাছে ভেবে স্থির করি আর হব না নির্দয়
21
চিহ্নিত কর তোমার পথ, স্থাপন কর পথের নিশানা, খুঁজে বার কর সেই পথ, যে পথ ধরে তুমি গিয়েছ চলে। ফিরে এস হে কুমারী ইসরায়েল তোমার নগরে, ফিরে এস তোমার আপন ঘরে।
22
আর কতদিন তুমি থাকবে দ্বিধাভরে ওগো অবিশ্বাসিনী কন্যা? আমি সৃষ্টি করেছি এক অভিনব বস্তু, একেবারে ভিন্নতর, যেমন ভিন্ন এক পুরুষকে নারীর রক্ষা করা।
23
সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর, ইসরায়েলের আরাধ্য ঈশ্বর বলেন, আমি যখন প্রজাদের আবার প্রতিষ্ঠিত করব তাদের আপন দেশে, তখন তারা আবার যিহুদীয়া ও তার শহর-নগর মুখরিত করে বলবে, ‘প্রভু পরমেশ্বরের আশিস্ধন্য হও হে পবিত্র পর্বত, ধন্য হও জেরুশালেমের পবিত্র পর্বত, যেখানে ন্যায় ও ধর্মের অধিষ্ঠান।’
24
প্রজারা যিহুদীয়া ও তার সমস্ত নগর-জনপদে বাস করবে। সেখানে একই সঙ্গে বাস করবে কৃষক আর মেষপালসহ মেষপালকবৃন্দ।
25
আমি অবসন্ন মানুষের অবসাদ দূর করব, ক্ষুধায় ক্লিষ্ট মানুষকে তৃপ্ত করব আহার্য দানে।
26
তখন তারা বলে, ‘সুখ-নিদ্রার পর আমরা আবার সতেজ হয়েছি।’
27
আমি প্রভু পরমেশ্বর বলছি, এমন সময় আসছে, যখন আমি যিহুদীয়া ও ইসরায়েল দেশ মানুষ ও পশুর নতুন প্রজন্মে ভরে দেব।
28
যেমন আমি তাদের উৎপাটন করতে, ভেঙ্গে ফেলতে, ভূপাতিত করতে, ধ্বংস করতে এবং ধূলিসাৎ করে দিতে মনোযোগী হয়েছিলাম, ঠিক তেমনি এবার আমি তাদের গাছের মত রোপণ ও গড়ে তোলার কাজে মনঃসংযোগ করব।
29
সেই সময়ে লোকে বলবে না, ‘পিতামাতারা খেয়েছিল টক আঙুর, আর দাঁত টকেছে সন্তানদের।’
30
কিন্তু যে টক আঙুর খাবে, তার দাঁত টকবে, প্রত্যেকে নিজের পাপে নিজেই মরবে।
31
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, কাল আসন্ন, যখন আমি ইসরায়েল ও যিহুদীয়ার মানুষের সঙ্গে একটি নতুন সন্ধিচুক্তি স্থাপন করব।
32
এই সন্ধিচুক্তি পুরাতন সন্ধিচুক্তির মত নয়, যা আমি স্থাপন করেছিলাম তাদের পূর্বপুরুষদের মিশর থেকে হাত ধরে বার করে আনার সময়। যদিও আমি তাদের প্রভু ছিলাম, তারা কিন্তু সেই সন্ধিচুক্তি ভঙ্গ করেছিল।
33
এবার আমি ইসরায়েলীদের সঙ্গে যে নতুন সন্ধিচুক্তি স্থাপন করব, তা হল এই: তাদের অন্তরে আমি সঞ্চারিত করব আমার ধর্মানুশাসন, লিখে দেব বিধান তাদের হৃদয়-ফলকে,আমি হব তাদের ঈশ্বর, তারা হবে আমার প্রজা।
34
তাদের দেশবাসীকে ঈশ্বর-জ্ঞান দেবার জন্য কাউকে আর শিক্ষা দিতে হবে না, কারণ মহান তুচ্ছ নির্বিশেষে সকলেই আমাকে মানবে। আমি তাদের পাপ ক্ষমা করব, কোনদিনও আর স্মরণে আনব না তাদের অপরাধ। আমি, প্রভু পরমেশ্বর এই কথা বললাম ।
35
প্রভু পরমেশ্বর দিবসে আলোর জন্য দিয়েছেন সূর্য, রাত্রিকে আলোকিত করার জন্য দিয়েছেন চন্দ্র আর নক্ষত্ররাজি। সমুদ্রকে তিনি মন্থন করেন, গর্জন করান তাকে, সর্বাধিপতি প্রভু তিনি।
36
তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যতদিন বজায় থাকবে প্রকৃতির এই নিয়মশৃঙ্খলা, ততদিন একটি জাতিরূপে বেঁচে থাকবে ইসরায়েল।
37
যদি কোনদিন আকাশকে মাপা হয়, যদি খুঁড়ে ফেলা হয় ধরিত্রীর ভিত্তিমূল, একমাত্র সেদিনই তাদের কর্মের প্রতিফলে ইসরায়েলকে তিনি করবেন প্রত্যাখ্যান।
38
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, কাল সমাগত, যেদিন পশ্চিমে হনলেল মিনার থেকে কোণের দেউড়ি পর্যন্ত জেরুশালেমকে পুনর্গঠিত করা হবে,
39
এবং পশ্চিমে গারের পাহাড় থেকে এগিয়ে গিয়ে গো-আহ্কে বেষ্টন করে তার সীমানা বিস্তৃত হবে।
40
সমগ্র উপত্যকায়, যেখানে মৃতদেহ কবর দেওয়া হত, পূর্বে অশ্বদ্বারের কোণ পর্যন্ত এবং কিদ্রোণ নদীর তীরের সমস্ত ক্ষেত আমার কাছে পবিত্র বলে পরিগণিত হবে। এই নগরীকে আর কোনদিন নির্মূল করে ধ্বংস করা হবে না।
← Chapter 30
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 32 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52