bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Jeremiah 29
Jeremiah 29
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 28
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 30 →
1
রাজা নেবুকাডনেজার জেরুশালেম থেকে যে সব পুরোহিত, নবী এবং নেতৃবৃন্দকে বন্দী করে ব্যাবিলনে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাদের কাছে আমি একটা চিঠি লিখলাম।
2
রাজা যিহোয়াকিম, তাঁর জননী, রাজপ্রাসাদের কর্মচারীবৃন্দ, যিহুদীয়া ও জেরুশালেমের নেতৃবৃন্দ, শিল্পী ও দক্ষ কারিগরদের নির্বাসনে নিয়ে যাবার পর আমি চিঠি লিখেছিলাম।
3
চিঠিটা আমি দিয়েছিলাম শাফনের পুত্র ইলিয়াসা এবং হিল্কিয়ের পুত্র গমরিয়ের হাতে। যিহুদীয়ারাজ সিদিকিয় এদের ব্যাবিলনের রাজা নেবুকাডনেজারের কাছে পাঠিয়েছিলেন। চিঠিতে লেখা ছিল:
4
সর্বশক্তিমান প্রভু পরমেশ্বর, ইসরায়েলের আরাধ্য ঈশ্বর যাদের জেরুশালেম থেকে ব্যাবিলনে বন্দীরূপে পাঠিয়েছিলেন, সেই সমস্ত ইহুদীদের বলছেন,
5
‘গৃহ নির্মাণ কর, বসবাস কর সেখানে। উদ্যান রচনা কর, ভোগ কর উদ্যানের ফলমূল।
6
বিবাহ কর, জন্ম দাও সন্তান-সন্ততির। তারপর সন্তানদের বিবাহ দাও, তাদেরও সন্তান-সন্ততি হোক। সংখ্যায় তোমরা বৃদ্ধিলাভ কর, কমে যেও না।
7
যেখানে বন্দীরূপে আমি তোমাদের পাঠিয়েছি, সেই সমস্ত নগরের কল্যাণের দিকে দৃষ্টি রেখো। তাদের হয়ে আমার কাছে প্রার্থনা কর, কারণ তারা সমৃদ্ধিলাভ করলে তোমাদেরও সমৃদ্ধি হবে।
8
আমি, প্রভু পরমেশ্বর, ইসরায়েলের আরাধ্য ঈশ্বর, তোমাদের সাবধান করে দিচ্ছি, তাদের দ্বারা প্ররোচিত হয়ো না বা যারা ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে বলে দাবী করে, তাদের কথা শুনো না। তাদের স্বপ্নদর্শনের কথায় কান দিও না।
9
তারা আমার নাম করে মিথ্যা বলে। আমি তাদের পাঠাই নি। আমি সর্বশক্তিমান প্রভু পরমেশ্বর এই কথা বললাম।
10
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, ব্যাবিলনে সত্তর বছর কেটে গেলে, তোমাদের জন্য আমার চিন্তাভাবনার প্রকাশ দেখতে পাবে। তখনই আমি তোমাদেরর ঘরে ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করব।
11
একমাত্র আমিই জানি তোমাদের জন্য আমার পরিকল্পনার কথা, তোমাদের আগামী দিনের স্বপ্ন ও আশাকে সফল করার কথা, বিপর্যয়ের নয়, তোমাদের মঙ্গল ও সমৃদ্ধিশালী করার পরিকল্পনার কথা।
12
তারপর তোমরা আমার কাছে আসবে। তোমরা আমার কাছে প্রার্থনা করবে, আমি উত্তর দেব।
13
আমার অনুসন্ধান করবে তোমরা, আমাকে পাবে কারণ তোমরা সর্বান্তঃকরণে আমাকে চাইবে।
14
হ্যাঁ, আমি বলছি তোমরা আমাকে পাবে। আমি যেখানে যেখানে তোমাদের ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছিলাম, প্রতিটি দেশ ও প্রতিটি স্থান থেকে আমি তোমাদের দেশে ফিরিয়ে আনব, যেখান থেকে তোমাদের আমি নির্বাসনে পাঠিয়েছিলাম। তোমাদের আমি তোমাদেরই দেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করব। আমি, প্রভু পরমেশ্বর এই কথা বললাম।
15
তোমরা বলেছ, প্রভু পরমেশ্বর, ব্যাবিলনে তোমাদের জন্য নবীর উদ্ভব করেছেন।
16
শোন তোমরা, প্রভু পরমেশ্বর সেই রাজার সম্বন্ধে, যিনি দাউদের সিংহাসনে বসেছেন, এবং তোমাদের এই নগরীর অধিবাসীদের সম্বন্ধে কি বলেছেন। তারা তোমাদের সঙ্গে নির্বাসনে যায়নি।
17
সর্বাধিপতি প্রভু বলেন, আমি তাদের মধ্যে পাঠাব যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ ও মহামারী। এদের অবস্থা করব ঐ পচা ডুমুরের মত, যেগুলি খাওয়ার অযোগ্য।
18
যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ ও মহামারী দিয়ে আমি তাদের তাড়া করব। তাদের এই অবস্থা দেখে পৃথিবীর সমস্ত জাতি আতঙ্কগ্রস্ত হবে। আমি তাদের চারিদিকে ছড়িয়ে দেব। তাদের এই দুর্দশা দেখে লোকে হতচকিত হবে, বিহ্বল হবে আতঙ্কে। লোকে তাদের উপহাস করবে, তাদের নাম নিয়ে অভিসম্পাত দেবে।
19
কারণ আমি আমার সেবক দ্রষ্টা নবীদের তাদের কাছে পাঠিয়ে বারবার সাবধান করেছি, কিন্তু তারা তাদের কথায় কান দেয়নি, গ্রাহ্যই করেনি তাদের।
20
তোমরা, যাদের আমি ব্যাবিলনে পাঠিয়েছি, শোন, আমি প্রভু পরমেশ্বর যা বলছি।
21
সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর, ইসরায়েলের ঈশ্বর কোলায়ের পুত্র আহাব এবং মাসেয়ের পুত্র সিদিকিয়ের সম্বন্ধে বলেছেন, যারা তাঁর নাম নিয়ে মিথ্যা কথা বলে, তাদের তিনি ব্যাবিলনের রাজা নেবুকাডনেজারের হাতে তুলে দেবেন। রাজা তোমাদের সকলের চোখের সামনে তাদের মৃত্যু ঘটাবেন।
22
জেরুশালেম থেকে যাদের ব্যাবিলনে বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তারা যদি কখনও কাউকে অভিসম্পাত দিতে চায়, তারা বলবে, ‘প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের সঙ্গে রাজা আহাব ও সিদিকিয়ের মত ব্যবহার করুন, যাদের ব্যাবিলনের রাজা জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছিলেন।’
23
এই-ই হল তাদের ভবিতব্য, কারণ তারা সাংঘাতিক পাপে লিপ্ত তারা পরস্ত্রীর সঙ্গে ব্যভিচার করেছে, প্রভু পরমেশ্বরের নাম নিয়ে মিথ্যা বলেছে। এ কাজ পরমেশ্বরের ইচ্ছাবিরুদ্ধ। তারা কি করেছে, সব তিনি জানেন। তিনি এর প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী। এ কথা প্রভু পরমেশ্বর বলেন।
24
সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর, ইসরায়েলের ঈশ্বর নিহিলামবাসী শময়িয়কে দেবার জন্য আমাকে একটি বার্তা দিয়েছিলেন। শময়িয় জেরুশালেমবাসী সমস্ত লোককে মাসেয়ের পুত্র পুরোহিত সফনিয় ও অন্যান্য সমস্ত পুরোহিতদের কাছে একটি চিঠি লিখেছিল। চিঠিতে শময়িয় সফনিয়কে লিখেছিল:
26
প্রভু পরমেশ্বর যিহোয়াদার জায়গায় তোমাকে পুরোহিত করেছেন, এখন তুমি মন্দিরের মুখ্য আধিকারিক। প্রত্যেকটি উন্মত্ত ব্যক্তির উপর তোমার দৃষ্টি থাকা উচিত, যারা নিজেদের নবী বলে ভাণ করে, তাদের প্রত্যেকের গলায় লোহার কড়া পরিয়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা উচিত।
27
অনাথোৎ নিবাসী যিরমিয়ের প্রতি এই ব্যবস্থা নেওয়া হল না কেন, সে প্রজাদের কাছে প্রবক্তা নবীর ভূমিকা নিয়ে ভাষণ দিচ্ছে?
28
তাকে থামাতে হবে, কারণ সে ব্যাবিলনিয়ায় ইহুদীদের বলছে যে, সেখানে তাদের দীর্ঘদিন বন্দী হয়ে থাকতে হবে। কাজেই সেখানে তারা ঘরবাড়ি তৈরী করুক, বসবাস করুক, বাগান তৈরি করুক, তাদের উৎপাদিত ফসল ভোগ করুক তারা।
29
সফনিয় এসে আমার কাছে চিঠিটা পড়ল এবং
30
সে চিঠি পড়ার পরেই প্রভু পরমেশ্বর আমাকে বললেন,
31
ব্যাবিলনের বন্দীদের কাছে শময়িয় সম্বন্ধে আমার এই বার্তা পাঠিয়ে দাও, ‘আমি প্রভু পরমেশ্বর, শময়িয় ও তার সমস্ত বংশধরকে শাস্তি দেব। আমি তাকে পাঠাই নি, কিন্তু সে তোমার কাছে এমন ভাবে কথা বলেছে যেন সে একজন নবী এবং সে তোমাকে তার মিথ্যা কথায় বিশ্বাস করিয়েছে। তোমাদের মাঝে তার কোনও বংশধর থাকবে না। আমার প্রজাদের জন্য আমি যে কল্যাণমূলক কাজ করতে চলেছি, তার কিছুই সে দেখতে পাবে না, কারণ সে তাদের বিদ্রোহ করতে বলেছে।’ আমি, প্রভু পরমেশ্বর, এই কথা বললাম।
← Chapter 28
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 30 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52