bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Jeremiah 51
Jeremiah 51
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 50
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 52 →
1
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, ব্যাবিলন ও তার অধিবাসীদের বিরুদ্ধে আমি আনব প্রচণ্ড এক বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়।
2
ব্যাবিলন ধ্বংস করার জন্য আমি বিদেশীদের পাঠাব প্রচণ্ড ঝড়ের মত, যা খড়কুটো পর্যন্ত উড়িয়ে নিয়ে যায়। চরম বিনাশের দিনে তারা চারিদিক থেকে তাকে আক্রমণ করবে এবং দেশকে শূন্য করে ফেলে দেব।
3
এদেশের সৈন্যবাহিনীকে ধনুর্বাণ চালনার সুযোগ দিও না। অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত হবার সুযোগও যেন তারা না পায়। যুবকদের কোনও ক্রমেই রেহাই দেবে না। সমগ্র সৈন্যবাহিনী নিঃশেষে ধ্বংস করে ফেলবে।
4
তারা আহত হয়ে তাদেরই শহরের পথে পথে পড়ে মারা যাবে।
5
আমি, সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর ইসরায়েলকে পরিত্যাগ করিনি, যদিও ইসরায়েলের পবিত্রতম যে আমি, সেই আমারই বিরুদ্ধে ইসরায়েল পাপ করেছে।
6
ব্যাবিলন ত্যাগ করে শীঘ্র পালাও। প্রাণ নিয়ে পালাও এখান থেকে। নইলে ব্যাবিলনের পাপের জন্য তোমাকেও মরতে হবে। কাল পূর্ণ হয়েছে, এবার আমি তাকে যোগ্য দণ্ডদান্য উদ্যত হয়েছি।
7
ব্যাবিলন ছিল আমার হাতে সোনার পেয়ালা, সারা পৃথিবীকে আমি মত্ত করেছি। জাতিবৃন্দ এই পেয়ালায় পান করে মত্ত হয়েছে, মতিচ্ছন্ন হয়েছে তাদের।
8
ব্যাবিলনের পতন হয়েছে অকস্মাৎ, ধ্বংস হয়ে গেছে সে! শোক কর তার জন্য! তার ক্ষত সারাবার জন্য ওষুধ আনো, তাতে হয়ত সে আরোগ্য লাভ করতে পারে।
9
সেখানকার বিদেশীরা বলছে, আমরা ব্যাবিলনকে সাহায্য করতে চেষ্টা করেছি, কিন্তু তখন বড় দেরী হয়ে গেছে। চল, এবার আমরা এ দেশ ত্যাগ করে বাড়ি ফিরে যাই। ঈশ্বর সর্বশক্তি দিয়ে ব্যাবিলনকে শাস্তি দিয়েছেন, সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছেন তাকে।
10
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, আমার প্রজারা উচ্চকণ্ঠে বলছে, প্রভু পরমেশ্বর দেখিয়ে দিয়েছেন যে আমরা ঠিকপথে আছি। প্রভু পরমেশ্বর, আমাদের আরাধ্য ঈশ্বর, আমাদের জন্য যা করেছেন, চল আমরা জেরুশালেমে গিয়ে সকলকে বলি।
11
প্রভু পরমেশ্বর মিডিয়ার রাজাদের উত্তেজিত করেছেন, তিনি ব্যাবিলনকে ধ্বংস করতে চান। তাঁর মন্দির ধ্বংসের প্রতিশোধ তিনি এইভাবেই নেবেন। আক্রমণে উদ্যত সেনাপতিরা আদেশ দিচ্ছে, ‘শান দাও তোমাদের বাণে, প্রস্তুত রাখ ঢাল!
12
ব্যাবিলনের নগর-প্রাকার আক্রমণের সঙ্কেত দাও! শক্তি বৃদ্ধি কর প্রহরীদের। শান্ত্রী মোতায়েন কর! গোপন স্থানে সমাবেশ কর সৈন্যবাহিনী!’ প্রভু পরমেশ্বর যা বলেছিলেন, তাই করেছেন এবং ব্যাবিলনবাসীর প্রতিও তিনি সেই রকমই করবেন।
13
নদ-নদীতে ভরা এ দেশ, এখানে আছে অতুল ঐশ্বর্য। কিন্তু কাল পূর্ণ হয়েছে, ছিন্ন হয়েছে এর জীবনের সূত্র।
14
সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর নিজের নামে শপথ করেছেন যে, ব্যাবিলন আক্রমণের জন্য আমি পঙ্গপালের মত অসংখ্য সৈন্য নিয়ে আসব। জয়োল্লাসে তারা হর্ষধ্বনি করবে।
15
প্রভু পরমেশ্বর আপন ক্ষমতাবলে রচনা করেছেন এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এই জগৎ-সংসার আপন প্রজ্ঞায়, বিস্তৃত করেছেন অসীম গগনতল আপনার জ্ঞানে।
16
তাঁরই আদেশে গর্জন করে অন্তরীক্ষের জলরাশি, পৃথিবীর প্রান্ত থেকে আনয়ন করেন তিনি মেঘপুঞ্জ, বর্ষণকালে তিনিই সৃষ্টি করেন বিদ্যুৎ চমক! প্রেরণ করেন তিনি বায়ুর প্রবাহ আপন ভাণ্ডার হতে।
17
এই দৃশ্য দেখে মানুষ হয় স্তম্ভিত, হারায় চেতনা, প্রতিমা-নির্মাতাদের হয় নিদারুণ মোহভঙ্গ, কারণ তাদের হাতে গড়া প্রতিমারা অলীক নিষ্প্রাণ।
18
অসার অলীক সে সব, ঘৃণার পাত্র। প্রভু পরমেশ্বর যখন আসবেন তাদের তত্ত্ব নিতে, ধ্বংস করবেন তাদের অকরুণ হাতে।
19
যাকোবের ঈশ্বর তাদের মত নন, তিনিই সেইজন যিনি সর্ববস্তু করেছেন সৃজন। ইসরায়েলকে তিনি করেছেন মনোনীত তাঁর একান্ত আপন প্রজারূপে, সর্বশক্তিমান প্রভু পরমেশ্বর তাঁর নাম।
20
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, ব্যাবিলন, তুমি আমার হাতুড়ি, আমার যুদ্ধের অস্ত্র, জাতিবৃন্দ ও রাজ্যসমূহকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে আমি ব্যবহার করেছি তোমাকে।
21
অশ্ব ও অশ্বারোহী বাহিনীকে, রথ ও সারথিবৃন্দকে চূর্ণ করবার জন্য
22
সমস্ত নরনারীকে হত্যা করবার জন্য শিশু ও বৃদ্ধদের নিধন করবার জন্য বালক ও বালিকাদের হত্যা করতে আমি ব্যবহার করেছি তোমাকে।
23
ব্যবহার করেছি তোমার মেষপাল ও পালককে, চাষী ও হালের বলদগুলিকে হত্যা করতে, শাসনকর্তা ও রাজপুরুষদের সংহার করার জন্য আমি ব্যবহার করেছি তোমায়।
24
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, ব্যাবিলন ও তার অধিবাসীরা জেরুশালেমের প্রতি যে চরম অন্যায় করেছে তার যে প্রতিফল আমি তাদের দেব, তা তোমরা দেখতে পাবে।
25
তুমি একটি পর্বতের মত, যা সমগ্র পৃথিবীকে ধ্বংস করে। কিন্তু আমি, প্রভু পরমেশ্বর, তোমার শত্রু। আমি তোমাকে পর্বতশৃঙ্গ থেকে নিক্ষেপ করব জঙ্গলে, ভস্মসাৎ করে দেব তোমাকে।
26
তোমার ধ্বংসস্তূপের একটি পাথরও নতুন ইমারৎ তৈরীর কাজে লাগবে না। চিরদিন তুমি মরুভূমি হয়ে থাকবে। আমি, প্রভু পরমেশ্বর, এই কথা বললাম।
27
আক্রমণের সঙ্কেত দাও! বাজাও তুরী উচ্চনিনাদে যেন শুনতে পায় সর্বজাতি। ব্যাবিলনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত কর জাতিবৃন্দকে। আরারট, মিন্নি ও অস্কেনস রাজ্যকে বল আক্রমণ করতে। আক্রমণ পরিচালনার জন্য নিযুক্ত কর সৈন্যাধ্যক্ষ। প্রেরণ কর অশ্ববাহিনী পঙ্গপালের মত।
28
ব্যাবিলনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত কর জাতিবৃন্দকে। মিডিয়ার রাজাদের, নেতাদের এবং রাজপুরুষদের আর তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন দেশগুলির সৈন্যবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দাও।
29
ব্যাবিলনকে জনমানবহীন ঊষর মরুতে পরিণত করার যে পরিকল্পনাকে বাস্তবরূপ দিতে চলেছেন প্রভু পরমেশ্বর, তাতে পৃথিবী কাঁপছে, দুলে উঠছে।
30
ব্যাবিলনের সৈন্যবাহিনী যুদ্ধ থামিয়ে দুর্গের মধ্যে আত্মরক্ষা করছে। তারা বীর্যবানের সাহস হারিয়ে হয়ে গেছে অবলা নারীর মত। নগর-তোরণ ভেঙ্গে গেছে, গৃহগুলি জ্বলছে আগুনে।
31
একের পর এক দূত ছুটে যাচ্ছে ব্যাবিলনরাজের কাছে এই সংবাদ নিয়ে, যে তাঁর নগরী ব্যাবিলন ভেঙ্গে পড়েছে চারিদিক থেকে।
32
শত্রুসৈন্য দখল করেছে নদীর খেয়াঘাট এবং দুর্গগুলিতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। ব্যাবিলনের সৈন্যেরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।
33
অনতিবিলম্বে শত্রুসৈন্য তাদের হত্যা করবে এবং খামারে শস্য মাড়াই করার মত তাদের মাড়াবে। আমি, সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর, ইসরায়েলের আরাধ্য ঈশ্বর, এই কথা বললাম।
34
ব্যাবিলনরাজ গ্রাস করেছে জেরুশালেমকে, করছে দলিত মথিত, শূন্য করেছে আমায় জলশূন্য পাত্রের মত, গ্রাস করেছে দানবের মত। তার আকাঙ্ক্ষিত বস্তু সে নিয়ে গেছে, ছুড়ে ফেলে গেছে বাকী সব কিছু।
35
সিয়োনের মানুষ বলুক, ‘আমাদের প্রতি যে দৌরাত্ম্য ঘটেছে, তার জন্য ব্যাবিলনই দায়ী! জেরুশালেমের জনসাধারণ বলুক, ‘যে নিগ্রহ ভোগ করেছি আমরা, তার জন্য দায়ী ব্যাবিলন!
36
তাই, প্রভু পরমেশ্বর জেরুশালেমের লোকদের বললেন, আমি তামাদের বিবাদ নিষ্পত্তি করব, এবং তোমাদের প্রতি যে অন্যায় উৎপীড়ন তারা করেছে, আমি তার প্রতিশোধ নেব। শুকিয়ে যাবে ব্যাবিলনের সমস্ত জলের উৎস, নদীতে আর বইবে না স্রোতের ধারা।
37
এ দেশ পরিণত হবে ধ্বংসস্তূপে যেখানে হিংস্র জন্তুর আস্তানা। এ হবে এক ভয়াবহ দৃশ্য, যেখানে কোন জনমানবের বাস নেই। এ দৃশ্য যে দেখবে, সে-ই হবে আতঙ্কিত।
38
লুব্ধ সিংহের মত গর্জন করবে ব্যাবিলনের মানুষ। কি চায় ওরা?
39
ওরা কি চায় ভোজন-পান? আমি ওদের জন্য ভোজের আয়োজন করেছি, সুরাতে ওদের মত্ত করে দেব আমি। ওরা উল্লাসে বেসামাল হবে, তারপর ঘুমিয়ে পড়বে, জাগবে না আর কোনদিন।
40
ছাগ ও মেষের মত তাদের নিয়ে গিয়ে হত্যা করাব। আমি, প্রভু পরমেশ্বর, এই কথা বললাম।
41
ব্যাবিলন সম্বন্ধে প্রভু পরমেশ্বর বলেন, বিশ্বনন্দিত ব্যাবিলন অধিকৃত হয়েছে। জাতিবৃন্দের কাছে সে আজ বিভীষিকা।
42
তাকে সমুদ্র গ্রাস করেছে, গর্জনশীল তরঙ্গের উচ্ছ্বাসে আবৃত হয়েছে ব্যাবিলন।
43
তার শহর-নগর হয়েছে আতঙ্কস্থল, জলহীন সেই শুষ্ক মরুতে কেউ বাস করে না, এমন কি সে পথে চলে না কেউ।
44
ব্যাবিলনের দেবতা বেলকে আমি শাস্তি দেব, যা কিছু সে কেড়ে নিয়েছে, সব ফিরিয়ে দিতে বাধ্য করব। জাতিবৃন্দ আর তাকে পূজা করবে না। ব্যাবিলনের প্রাচীর ভেঙ্গে পড়েছে।
45
হে ইসরায়েল, পালাও, পালাও সেখান থেকে! আমার ভয়াবহ ক্রোধের করাল গ্রাস থেকে পালাও!
46
জনরব শুনে ভয় পেয়ো না, হারিও না সাহস। প্রতি বছর এক এক রকম জনরব শোনা যাবে। কখনও শোনা যাবে দেশে দৌরাত্ম্যের জনরব, আবার কখনও বা রাজায় রাজায় যুদ্ধের রটনা।
47
এবার আসছে ব্যাবিলনের অলীক প্রতিমাগুলির পালা। সেগুলির ব্যবস্থা এবার আমি অবশ্যই করব। সারা দেশ লজ্জায় পড়বে আর তার অধিবাসীরা হবে নিহত।
48
উত্তর দেশ থেকে আগত ধ্বংসকারীদের হাতে যখন ব্যাবিলন বিপর্যস্ত হবে, তখন এই পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলে যা কিছু আছে, সকলে আনন্দে হর্ষধ্বনি করবে।
49
কারণ যে ব্যাবিলন একদিন সারা পৃথিবী জুড়ে হত্যালীলায় মত্ত হয়েছিল, হরণ করেছিল বহু ইসরায়েলীর প্রাণ, আজ তার পতন অনিবার্য। আমি, সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর এই কথা বললাম।
50
ব্যাবিলন নিবাসী ইসরায়েলীদের প্রভু পরমেশ্বর বলেন, তোমরা মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গেছ। এবার পালাও তোমরা! অপেক্ষা করাে না। যদিও স্বদেশ থেকে অনেক দূরে রয়েছ, তবুও তোমরা আমাকে স্মরণ করো, মনে রেখো জেরুশালেমকে।
51
তোমরা বলেছ, তোমাদের অপমান করা হয়েছে, লজ্জায় ফেলা হয়েছে, তোমরা দারুণ অসহায় বোধ করছ কারণ বিদেশীরা মন্দিরের পবিত্র স্থানগুলি দখল করেছে।
52
তাই, আমি বলছি ব্যাবিলনের অলীক অসার প্রতিমাগুলির জন্য সমুচিত ব্যবস্থা করার কাল আসন্ন। আহত মানুষের গোঙানিতে পূর্ণ হবে দেশের আকাশ বাতাস।
53
ব্যাবিলন যদি আকাশে গিয়ে সুদৃঢ় দুর্গ নির্মাণ করে সেখানে, তাহলে সেখানেও আমি লোক পাঠাব তাকে ধ্বংস করতে। আমি, প্রভু পরমেশ্বর এই কথা বললাম।
54
প্রভু পরমেশ্বর বলেন, ঐ শোন ব্যাবিলনে ক্রন্দনধ্বনি, ধ্বংসলীলা চলছে সেখানে ঐ শোন তার আর্ত কোলাহল।
55
আমি ধ্বংস করেছি ব্যাবিলনকে, ডুবিয়ে দিয়েছি তাকে নীরবতার গভীরে। গর্জনশীল তরঙ্গের মত ছুটে আসছে সৈন্যবাহিনী, আক্রমণ করছে বীভৎস চীৎকারে।
56
তারা এসেছে ব্যাবিলনকে ধ্বংস করতে, তার সৈন্যেরা হয়েছে বন্দী, ভেঙে গেছে তাদের ধনুক। আমি প্রতিফলদাতা ঈশ্বর, ব্যাবিলনকে আমি সমুচিত শাস্তি দেব।
57
তার শাসনকর্তাকে আমি মত্ত করব সুরাপানে, মত্ত করব তার জ্ঞানীজনদের, নেতাদের ও সৈনিকদের। তারা নিদ্রা যাবে, আর জাগবে না কখনও। আমিই রাজা, এ কথা বললাম, আমি সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর।
58
পরাক্রান্ত ব্যাবিলনের প্রাকার ধূলায় পড়বে ভেঙে, পুড়ে যাবে তার সুউচ্চ তোরণদ্বার। সমস্ত জাতির কর্মপ্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেছে, তাদের সকল চেষ্টা লেলিহান অগ্নিশিখায় ভস্ম হয়ে গেছে একেবারে। আমি, সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর এই কথা বললাম।
59
রাজা সিদিকিয়ের খাস ভৃত্য ছিল সরায়। তার পিতা বেরিয় এবং তার পিতামহ মাসেয়। যিহুদীয়ার রাজা সিদিকিয়ের রাজত্বের চতুর্থ বছরে সরায় তাঁর সঙ্গে ব্যাবিলনে যাচ্ছিল এবং আমি তাকে কিছু নির্দেশ দিয়েছিলাম।
60
ব্যাবিলনের ভাবী ধ্বংস ও আরও অন্যান্য যা কিছু ঘটবে ব্যাবিলনে, তার সব বিবরণ আমি একটি পুস্তকে লিখে রেখেছি।
61
আমি সরায়কে বলেছি, তুমি যখন ব্যাবিলনে যাবে, তখন এই পুস্তকে যা কিছু লেখা আছে, সব পড়বে লোকদের সামনে।
62
তারপর তুমি প্রার্থনা করবে, ‘হে প্রভু পরমেশ্বর, তুমি বলেছ এই স্থান তুমি ধ্বংস করবে, যাতে কোন জনপ্রাণী এখানে বাস না করে, এই স্থান ঊষর মরুভূমিতে পরিণত হবে চিরতরে।’
63
সরায়, তুমি লোকদের সামনে পুস্তকটি পড়ার পর পুস্তকটির সঙ্গে একটি পাথর বেঁধে ইউফ্রেটিস নদীর জলে ফেলে দেবে এবং
64
ওদের বলবে, ব্যাবিলনের দশাও এমনই হবে, সে ডুবে যাবে চিরতরে, আর কোনদিন তার উত্থান হবে না। যে মন্দ কাজ সে করেছে, তার জন্যই প্রভু পরমেশ্বর তার উপর চরম আঘাত হানতে চলেছেন। আমি, প্রভু পরমেশ্বর, এই কথা বললাম।
← Chapter 50
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 41
Chapter 42
Chapter 43
Chapter 44
Chapter 45
Chapter 46
Chapter 47
Chapter 48
Chapter 49
Chapter 50
Chapter 51
Chapter 52
Chapter 52 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52