bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Numbers 14
Numbers 14
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 13
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 15 →
1
তখন সমগ্র জনমণ্ডলী গোলমাল করতে শুরু করল এবং সারা রাত লোকেরা কান্নাকাটি করল।
2
ইসরায়েলীরা সকলেই মোশি ও হারোণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রকাশ করতে লাগল। জনতা তাঁদের বলল, মিশরে কিম্বা এই প্রান্তরেই আমাদের মরণ হলে ভাল হত,
3
যুদ্ধবিগ্রহে নিহত হওয়ার জন্য প্রভু পরমেশ্বর কেন আমাদের এই দেশে নিয়ে এলেন? আমাদের স্ত্রী ও শিশুসন্তানেরা তো হবে লুঠের সম্পত্তি, এর চেয়ে আমাদের মিশরে ফিরে যাওয়াই ভাল।
4
তারা তারা পরস্পর বলাবলি করতে লাগল, চল, আমরা একজনকে নেতা ঠিক করে মিশরে ফিরে যাই।
5
মোশি ও হারোণ তখন ইসরায়েলী জনতার সাক্ষাতে মাটিতে উবুড় হয়ে পড়লেন।
6
যাঁরা দেশ পর্যবেক্ষণ করতে গিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে দুইজন, নুনের পুত্র যিহোশূয় এবং যিফুন্নির পুত্র কালেব নিজেদের পরণের বস্ত্র ছিঁড়ে ইসরায়েলী জনমণ্ডলীকে সম্বোধন করে বললেন,
7
যে দেশ আমরা দেখতে গিয়েছিলাম সেই দেশ খুবই ভাল।
8
প্রভু পরমেশ্বর যদি আমাদের উপর প্রসন্ন হন তাহলে তিনি নিশ্চয়ই সেই দেশে আমাদের নিয়ে যাবেন, সুজলা সুফলা সেই দেশ তিনি আমাদের দেবেন।
9
প্রভু পরমেশ্বরের বিরোধিতা তোমরা করো না, সে দেশের লোকদের তোমরা ভয়ও করো না, ওদের আমরা সহজেই পরাস্ত করবো। ওদের রক্ষা করার কেউ নেই, কিন্তু প্রভু পরমেশ্বর আমাদের সঙ্গে রয়েছেন, সুতরাং তোমরা ওদের ভয় করো না।
10
কিন্তু সমগ্র জনতা তাঁদের পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলতে উদ্যত হল। এমন সময় তাঁদের সকলের সামনে হঠাৎ সম্মিলন শিবিরে প্রভু পরমেশ্বরের প্রতাপ দৃশ্যমান হল।
11
প্রভু পরমেশ্বর মোশিকে বললেন, এই লোকগুলি আর কতকাল আমাকে অগ্রাহ্য করবে? এদের মাঝে আমার সমস্ত অলৌকিক নিদর্শন প্রদর্শিত হওয়া সত্ত্বেও এরা আর কতকাল আমাকে অবিশ্বাস করবে?
12
আমি মহামারী দিয়ে এদের ধ্বংস করব এবং সমূলে বিনাশ করব। আর তোমাকে আমি করব এদের চেয়ে মহান ও শক্তিশালী এক জাতির জনক।
13
তখন মোশি প্রভু পরমেশ্বরকে বললেন, প্রভু তুমি এমন কাজ করলে মিশরীরা সে কথা শুনতে পাবে। তুমিই তো নিজ পরাক্রমে তাদের কবল থেকে এদের উদ্ধার করে এনেছ।
14
মিশরীরা তখন এই দেশের অধিবাসীদের সেই কথা বলবে। তারা শুনেছে যে তুমি প্রভু পরমেশ্বর স্বয়ং এদের মাঝে রয়েছ, তুমি প্রভু পরমেশ্বর এদের প্রত্যক্ষ ভাবে দর্শন দিয়ে থাক, তোমার মেঘপুঞ্জ এদের উপর বিরাজ করে এবং তুমি দিনে মেঘপুঞ্জ ও রাত্রে অগ্নিস্তম্ভ থেকে এদের অগ্রবর্তী হয়ে চলেছ।
15
এখন তুমি যদি এদের একেবারে নিধন কর তাহলে ঐ সব জাতি যারা তোমার খ্যাতি শুনেছে, তারা বলবে,
16
প্রভু পরমেশ্বর এই লোকদের যে দেশ দেওয়ার শপথ করেছিলেন, সেই দেশে এদের নিয়ে যেতে পারলেন না বলেই প্রান্তরে এদের বিনাশ করলেন।
17
বিনতি করি, এখন তোমরা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমাদের মাঝে তোমার পরাক্রমের মহত্ত্ব প্রকাশিত হোক।
18
তুমিই তো বলেছ, সহজে তুমি ক্রুদ্ধ হও না, অসীম তোমার প্রেম, অবিচল তোমার সত্যানিষ্ঠা। সর্বমানবের জন্যই আছে তোমার অনন্ত করুণা। পুরুষ পরম্পরায় তুমি তোমার প্রতিশ্রুতি রক্ষা কর, ক্ষমা কর পাপ অপরাধ। কিন্তু অধর্মচারীর পাপের প্রতিফল তুমি তৃতীয় ও চতুর্থ পুরুষ পর্যন্ত বর্তাও।
19
বিনতি করি, মিশর থেকে আরম্ভ করে এ পর্যন্ত তুমি এই লোকদের যে ভাবে সহ্য করে এসেছ, সেইভাবেই তোমরা অবিচল প্রেমের মাহাত্ম্যে এদের অপরাধ ক্ষমা কর।
20
তখন প্রভু পরমেশ্বর বললেন, তোমরা কথায় আমি এদের ক্ষমা করলাম। কিন্তু আমি শপথ করে বলছি,
21
আমার জাগ্রত সত্তা যেমন সত্য, এ বিশ্ব সংসার আমার মহিমায় পরিপূর্ণ- একথা যেমন সত্য তেমনি সত্য হবে আমার এ কথা-
22
এই লোকেরা কেউ সেই প্রতিশ্রুত দেশে প্রবেশ করতে পারবে না। এরা মিশরে ও মরুপ্রান্তরে আমার অলৌকিক প্রতাপ ও পরাক্রম দেখেও বার বার আমার ধৈর্যের পরীক্ষা করেছে, আমার কথা গ্রাহ্যই করে নি।
23
সেইজন্য আমি তাদের পিতৃপুরুষদের যে দেশ দেব বলে শপথ গ্রহণ করেছিলাম, সেই প্রতিশ্রুত দেশে তারা কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। যারা আমাকে অবজ্ঞা করেছে তারা কেউ সে দেশ দেখতে পাবে না
24
কিন্তু আমার দাস কালেব-এর মনোভাব ছিল ভিন্ন, সে একান্তভাবে আমার অনুগত, তাই সে পর্যবেক্ষণের জন্য যে দেশে গিয়েছিল, সেখানে আমি তাকে নিয়ে যাব ও তার বংশধরেরা সেই দেশ অধিকার করবে।
25
অমালেকী ও কনানী জাতির লোকেরা যেহেতু এই উপত্যকায় রয়েছে সেই হেতু আগামী কাল তোমরা লোহিত সাগরের পথ ধরে আকাবা মরু প্রান্তরের দিকে ফিরে যাও।
26
প্রভু পরমেশ্বর মোশি ও হারোণকে বললেন,
27
আর কত কাল আমার বিরুদ্ধে এই দুষ্ট প্রকৃতির লোকদের বিক্ষোভ আমি সহ্য করব? আমার বিরুদ্ধে ইসরায়েলীদের অসন্তোষের কথা আমি শুনেছি।
28
তুমি তাদের বল যে প্রভু পরমেশ্বর এই কথা বলেছেনঃ আমার জাগ্রত সত্তার দিব্য তোমাদের ইচ্ছাই আমি পূর্ণ করব।
29
তোমাদের শব এই প্রান্তরে পড়ে থাকবে। তোমাদের মধ্যে বিশ বছর এবং তার চেয়ে বেশী বয়সের তালিকাভুক্ত যত লোক আমার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রকাশ করেছে,
30
তাদের মধ্যে কেবলমাত্র যিফুন্নির পুত্র কালেব এবং নুনের পুত্র যিহোশূয় ছাড়া আর কেউ আমার প্রতিশ্রুত সেই দেশে যেতে পারবে না।
31
তোমাদের শিশুসন্তানেরা যাদের সম্পর্কে তোমরা বলেছিলে যে তারা লুঠের সম্পত্তি হবে, তাদেরই আমি সেখানে নিয়ে যাব। তোমরা যে দেশের নিন্দা করেছ, সে দেশ তারাই ভোগ দখল করবে।
32
কিন্তু তোমাদের মৃতদেহ এই প্রান্তরেই পড়ে থাকবে।
33
তোমাদের সন্তানেরা চল্লিশ বছর এই প্রান্তরে পশুচারণ করবে এবং তোমাদের শেষ লোকটির মৃতদেহ এই প্রান্তরে পতিত না হওয়া পর্যন্ত তারা তোমাদের অবাধ্যতার প্রতিফল ভোগ করবে।
34
চল্লিশ দিন ধরে তোমরা সেই দেশ পর্যবেক্ষণ করেছ, তাই প্রত্যেক দিনের জন্য এক বছর হিসাবে চল্লিশ বছর তোমরা তোমাদের অধর্মাচরণের দণ্ড ভোগ করবে। আমার বিরোধিতা করার পরিণাম যে কি, তা তোমরা বুঝতে পারবে।
35
আমি, প্রভু পরমেশ্বর এই কথা বলেছি, আমার বিরুদ্ধে চক্রান্তকারী এই দুষ্ট প্রকৃতির লোকদের সকলের এই দশা আমি করব। এই প্রান্তরে তারা নিঃশেষ হয়ে যাবে, এখানেই মরবে তারা।
36
দেশ পর্যবেক্ষণ করার জন্য মোশি যাদের পাঠিয়েছিলেন, যারা ফিরে এসে সেই দেশের কুখ্যাতি করে তাঁর বিরুদ্ধে সমগ্র জনমণ্ডলীকে বিক্ষুব্ধ করে তুলেছিল,
37
সেই লোকগুলি প্রভু পরমেশ্বরের সম্মুখে মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেল।
38
পর্যবেক্ষকদের মধ্যে কেবলমাত্র নুনের পুত্র যিহোশূয় এবং যিফুন্নির পুত্র কালেব বেঁচে রইলেন।
39
প্রভু পরমেশ্বরের এই সমস্ত কথা মোশি ইসরায়েলীদের জানালেন, তারা তখন হাহাকার করতে লাগল।
40
পরের দিন ভোরে তারা সেই পাহাড়ী এলাকা আক্রমণের উদ্যাগ করে বলল, যদিও আমরা পাপ করেছি, তবুও প্রভু পরমেশ্বর যে স্থানের কথা বলেছেন, চল, আমরা সেখানে যাই।
41
কিন্তু মোশি বললেন, তোমরা কেন আবার প্রভু পরমেশ্বরের নির্দেশ অমান্য করছ? তোমাদের এই প্রচেষ্টা সফল হবে না।
42
তোমরা যেও না, কারণ প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের পক্ষে নেই। এখন গেলে তোমরা শত্রুদের হাতে পরাজিত হবে।
43
তোমাদের সামনে অমালেকী ও কনানীর রয়েছে। তাদের সঙ্গে যু্দ্ধ তোমরা নিহত হবে। তোমরা প্রভুর অনুগত হয়ে চল নি তাই প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের সঙ্গে থাকবেন না।
44
কিন্তু ইসরায়েলীরা বেপরোয়া হয়ে দেশ আক্রমণের জন্য এগিয়ে গেল। প্রভু পরমেশ্বরের চুক্তি সিন্দুক কিন্তু স্থানান্তর করা হল না আর মোশিও শিবিরের বাইরে গেলেন না।
45
পর্বত নিবাসী অমালেকী ও কনানীরা পাহাড় থেকে নেমে এসে তাদের আক্রমণ করে পরাজিত করল এবং হর্মা পর্যন্ত তাদের তাড়িয়ে নিয়ে গেল।
← Chapter 13
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 15 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36