bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Numbers 31
Numbers 31
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 30
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 32 →
1
প্রভু পরমেশ্বর মোশিকে বললেন,
2
তুমি ইসরায়েলীদের হয়ে মিদিয়নীদের উপর প্রতিশোধ গ্রহণ কর। তার পরে তুমি তোমার পরলোকগত স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হবে।
3
মোশি তখন ইসরায়েলীদের বললেন, তোমাদের মধ্য থেকে কিছু লোক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও এবং মিদিয়ন আক্রমণ করে প্রভু পরমেশ্বরের নামে প্রতিশোধ গ্রহণ কর।
4
তোমরা ইসরায়েল কুলের প্রত্যেক গোষ্ঠী থেকে এক হাজার লোক যুদ্ধে পাঠাও।
5
তখন ইসরায়েলী বাহিনীর প্রত্যেক গোষ্ঠী থেকে এক হাজার করে লোক মনোনীত হল এবং যুদ্ধের জন্য মোট বারো হাজার লোক সজ্জিত হল।
6
মোশি এইভাবে প্রত্যেক গোষ্ঠী থেকে এক হাজার লোককে এবং সেই সঙ্গে পুরোহিত ইলিয়াসরের পুত্র পিনহসকে যুদ্ধে পাঠিয়ে দিলেন। পবিত্র পীঠস্থানের পাত্র গুলি ও রণতূর্য পিনহসের সঙ্গে ছিল।
7
মোশিকে দেওয়া প্রভু পরমেশ্বরের নির্দেশ অনুসারে তারা মিদিয়নীদের আক্রমণ করল এবং তাদের সমস্ত পুরুষকে হত্যা করল।
8
অন্যান্য লোকজনের সঙ্গে তারা মিদিয়নের পাঁচ জন রাজা-ইবি, রেকেম, সুর, হুর এবং রেবা-কেও হত্যা করল। বিয়োরের পুত্র বিলিয়মকেও তারা অস্ত্রাঘাতে বধ করল।
9
ইসরায়েলীরা মিদিয়নের সমস্ত নারী ও বালকবালিকাদের বন্দী করে নিয়ে গেল এবং তাদের সমস্ত পশু, মেষপাল ও সম্পত্তি লুঠ করে নিল।
10
তারা তাদের সমস্ত জনপদ ও শিবির আগুনে পুড়িয়ে দিল এবং
11
লুঠের মালপত্র, বন্দী ও পশু সঙ্গে নিয়ে চলল।
12
যিরিহোর কাছে জর্ডনের তীরবর্তী মোয়াবের উপত্যকার শিবিরে তারা মোশি, পুরোহিত ইলিয়াসর এবং সমগ্র ইসরায়েলী জনমণ্ডলীর কাছে যুদ্ধবন্দীদের ও লুঠের মালপত্র এবং পশুগুলিকে এনে হাজির করল।
13
তখন মোশি, পুরোহিত ইলিয়াসর এবং ইসরায়েলী সমাজের নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য ছাউনির বাইরে গেলেন।
14
কিন্তু মোশি যুদ্ধপ্রত্যাগত সেনানায়কদের উপরে অর্থাৎ সহস্র সৈন্যের নায়ক ও শত সৈন্যের নায়কদের উপরে অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হলেন।
15
তিনি তাদের বললেন, তোমরা সমস্ত নারীকে জীবিত রেখেছ কেন?
16
দেখ, এরাই বিলিয়মের পরামর্শে পিয়োরের ঘটনায় প্রভু পরমেশ্বরের বিরুদ্ধাচরণ করতে ইসরায়েলীদের প্ররোচিত করেছিল এবং তারই ফলে প্রভু পরমেশ্বরের প্রজামণ্ডলী মহামারীর দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল।
17
সুতরাং তোমরা এই বালকবালিকাদের মধ্যে সমস্ত বালককে বধ কর এবং যে সব নারী পুরুষ-সংসর্গের অভিজ্ঞতা লাভ করেছে তাদের সকলকে বধ কর।
18
কিন্তু যে বালিকারা পুরুষ-সংসর্গের অভিজ্ঞতা লাভ করে নি শুধু তাদের তোমরা জীবিত রাখ।
19
আর তোমরা যারা নরহত্যা করেছ এবং মৃতদেহ স্পর্শ করেছ তারা সাতদিন ছাউনির বাইরে থাক।তৃতীয় দিনে ও সপ্তম দিনে তোমরা নিজেদের ও বন্দীদের শুচি কর।
20
তোমরা তোমাদের সমস্ত পরিধেয় বস্ত্র, চামড়ার সাজসরঞ্জাম, ছাগলোমের তৈরা পোশাক ও কাঠের তৈরী জিনিসপত্র অবশ্যই শুচি করবে।
21
পুরোহিত ইলিয়াসর যুদ্ধপ্রত্যাগত সকল লোককে বললেন, মোশির মাধ্যমে প্রদত্ত প্রভু পরমেশ্বরের বিধি এই:
22
সোনা, রূপো, পিতল, লোহা, টিন, সীসা, প্রভৃতি ধাতুর দ্রব্য যা আগুনে নষ্ট হয় না সেগুলি আগুনে শোধন করবে, তাহলে সেগুলি শুচি হবে। কিন্তু তা সত্ত্বেও শুদ্ধিবারিতে সেগুলিকে শুদ্ধ করে নিতে হবে। যে সব দ্রব্য আগুনে নষ্ট হয় সেগুলি তোমরা জলে শোধন করবে।
24
সপ্তম দিনে তোমরা নিজেদের পরিধেয় বস্ত্র ধুয়ে ফেলবে, তাহলে শুচি হবে, তখন তোমরা ছাউনিতে ফিরে আসবে।
25
প্রভু পরমেশ্বর মোশিকে বললেন,
26
তুমি পুরোহিত ইলিয়াসর এবং গোষ্ঠীপ্রধানেরা মিলে যুদ্ধে বন্দী মানুষ ও পশুদের সংখ্যা গণনা কর।
27
লুণ্ঠিত প্রাণীদের দুই ভাগে ভাগ কর এবং যারা যুদ্ধে গিয়েছিল তাদের ও জনমণ্ডলীর মধ্যে তোমরা বন্টন করে দাও।
28
যুদ্ধপ্রত্যাগতদের অংশ থেকে তোমরা প্রভু পরমেশ্বরের জন্য এই হারে কর ধার্য কর: মানুষ, গরু, গাধা, ভেড়া ইত্যাদি প্রাণীর প্রত্যেক পাঁচশোর মধ্যে থেকে একটি নিয়ে তোমরা প্রভু পরমেশ্বরের অর্ঘ্য রূপে নিবেদন করার জন্য পুরোহিত ইলিয়াসরকে দাও।
30
ইসরায়েলীদের অংশ থেকে মানুষ, গরু, গাধা, ভেড়া ইত্যাদি প্রাণীর প্রতি পঞ্চাশটির একটি হিসাবে নিয়ে প্রভু পরমেশ্বরের আবাসের রক্ষক লেবীয়দের হাতে দাও।
31
প্রভু পরমেশ্বর মোশিকে যেমন আদেশ দিলেন, মোশি, পুরোহিত ইলিয়াসর সেই মতই কাজ করলেন।
32
সেনাবাহিনীর দ্বারা লুণ্ঠিত সমস্ত জিনিসপত্র ছাড়াও ধৃত প্রাণীদের সংখ্যা ছিল এই: ছয় লক্ষ পঁচাত্তর হাজার ভেড়া, বাহাত্তর হাজার গবাদি পশু, একষট্টি হাজার গাধা এবং এর সঙ্গে পুরুষ-সংসর্গের অভিজ্ঞতা লাভ করে নি এমন বত্রিশ হাজার তরুণী।
36
যুদ্ধে যারা অংশগ্রহণ করেছিল তাদের অর্ধাংশে প্রাপ্য হল, তিন লক্ষ সাঁইত্রিশ হাজার পাঁচশো ভেড়া,
37
এর থেকে প্রভু পরমেশ্বরকে দেয় কর হল ছয়শো পঁচাত্তরটি ভেড়া।
38
গবাদি পশুর সংখ্যা ছিল ছত্রিশ হাজার, তা থেকে প্রভু পরমেশ্বরকে দেয় কর বাহাত্তরটি।
39
গাধার সংখ্যা ছিল ত্রিশ হাজার পাঁচশো, তা থেকে প্রভুকে দেয় কর হল একষট্টিটি।
40
আর মানুষের সংখ্যা ছিল ষোল হাজার, তার মধ্যে প্রভু পরমেশ্বরকে দেয় কর হল বত্রিশ জন।
41
প্রভু পরমেশ্বর মোশিকে যেমন আদেশ দিয়েছিলেন সেই অনুসারে মোশি প্রভু পরমেশ্বরের প্রাপ্য কর অর্থাৎ প্রভু পরমেশ্বরের উদ্দেশে নিবেদনের জন্য অর্ঘ্যরূপে পুরোহিত ইলিয়াসরকে দিলেন।
42
সেনাবাহিনীর কাছ থেকে যে অর্ধাংশ নিয়ে মোশি ইসরায়েলী জনমণ্ডলীকে দিয়েছিলেন, সেই অংশে ছিল তিন লক্ষ সাঁইত্রিশ হাজার পাঁচশো ভেড়া,
43
ছত্রিশ হাজার গবাদি পশু, ত্রিশ হাজার পাঁচশো গাধা এবং ষোল হাজার মানুষ।
47
মোশি ইসরায়েলীদের অংশ থেকে প্রভু পরমেশ্বরকে দেয় কর বাবদ মানুষ ও পশুর প্রত্যেক পঞ্চাশটি প্রাণীর মধ্যে একটি করে নিয়ে প্রভুর আবাসের সেবায়েত লেবীয়দের হাতে দিলেন। প্রভু পরমেশ্বর মোশিকে এই নির্দেশই দিয়েছিলেন।
48
পরে সহস্র ও শত সৈন্যের নায়কেরা মোশির কাছে এসে বললেন,
49
আপনার সেবক আমরা, আমাদের অধীনস্থ সৈন্যদের সংখ্যা গণনা করে দেখেছি, আমাদের একজনও লোকক্ষয় হয় নি।
50
আমরা প্রত্যেকে যা সোনার অলঙ্কার, নুপুর, বালা, আংটি, কানের দুল ও হার পেয়েছি তা থেকে প্রভু পরমেশ্বরের সাক্ষাতে আমাদের প্রায়শ্চিত্তের জন্য তাঁর উদ্দেশে আমাদের অর্ঘ্য এনেছি।
51
মোশি ও পুরোহিত ইলিয়াসর তাঁদের কাছ থেকে সেই স্বর্ণালঙ্কারগুলি গ্রহণ করলেন।
52
সহস্র ও শত সৈন্যের নায়কেরা প্রভু পরমেশ্বরের উদ্দেশে অর্ঘ্যস্বরূপ যে স্বর্ণালঙ্কার দিয়েছিলেন, ওজনে তার পরিমাণ হয়েছিল ষোল হাজার সাতশো পঞ্চাশ শেকেল।
53
সেনাবাহিনীর প্রত্যেকেই লুঠ করেছিল।
54
মোশি ও পুরোহিত ইলিয়াসর সহস্র ও শত সৈন্যের নায়কদের কাছ থেকে সেই স্বর্ণালঙ্কারগুলি গ্রহণ করে সম্মিলন শিবিরে নিয়ে এলেন এবং ইসরায়েলীদের স্মারকচিহ্ন রূপে সেগুলি প্রভু পরমেশ্বরের সম্মুখে রাখলেন।
← Chapter 30
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 32 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36