bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
/
Numbers 11
Numbers 11
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 12 →
1
ইস্রায়েলীয়দের যে সব দুঃখ-কষ্ট হচ্ছিল তা নিয়ে তারা সদাপ্রভুর সামনে চেঁচামেচি করতে লাগল। তা শুনে সদাপ্রভু ভীষণ অসন্তুষ্ট হলেন। তাঁর পাঠানো আগুন তাদের মধ্যে জ্বলতে লাগল এবং ছাউনির কিনারার কিছু লোককে পুড়িয়ে মারল।
2
এতে লোকেরা মোশির কাছে কান্নাকাটি করতে লাগল আর তিনি সদাপ্রভুর কাছে প্রার্থনা করলেন। তাতে আগুন নিভে গেল।
3
সদাপ্রভুর এই আগুন তাদের মধ্যে জ্বলেছিল বলে সেই জায়গাটার নাম হল তবেরা।
4
ইস্রায়েলীয়দের সংগে অন্যান্য জাতির যে লোকেরা ছিল তারা অন্য রকম খাবারের লোভে পাগল হয়ে উঠল। তাদের দেখাদেখি ইস্রায়েলীয়েরা আবার কান্নাকাটি করে বলতে লাগল, “হায়, যদি আমরা মাংস খেতে পেতাম!
5
মিসর দেশে বিনা পয়সায় মাছ খাবার কথা আমাদের মনে পড়ছে। এছাড়া শসা, তরমুজ, পিঁয়াজ, সবজী পিঁয়াজ এবং রসুনের কথাও আমাদের মনে পড়ছে।
6
কিন্তু এখন আমাদের ভিতরটা শুকিয়ে গেছে। মান্না ছাড়া আমাদের চোখে আর কিছুই পড়ছে না।”
7
মান্নার আকার ছিল ধনে বীজের মত, আর তা দেখতে ছিল গুগ্গুলুর মত।
8
লোকেরা ঘুরে ঘুরে সেগুলো কুড়িয়ে আনত আর জাঁতায় কিম্বা হামানদিস্তায় গুঁড়া করে নিত। সেগুলো তারা হাঁড়ির মধ্যে সিদ্ধ করত কিম্বা তা দিয়ে রুটি বানাত। তার স্বাদ ছিল জলপাইয়ের তেল দিয়ে বানানো পিঠার মত।
9
রাতে ছাউনি-এলাকায় শিশির পড়ত আর তার উপর পড়ত মান্না।
10
মোশি শুনতে পেলেন প্রত্যেক পরিবারের লোকেরা তাদের নিজের নিজের তাম্বুর দরজার কাছে কাঁদছে। এতে সদাপ্রভু ক্রোধে জ্বলে উঠলেন আর মোশিও বিরক্ত হলেন।
11
তিনি সদাপ্রভুকে বললেন, “তুমি তোমার দাসকে কেন এই বিপদে ফেলেছ? তোমাকে অসন্তুষ্ট করবার মত আমি এমন কি করেছি যে, তুমি এই সমস্ত লোকদের বোঝা আমার উপর চাপিয়েছ?
12
আমি কি এই সব লোকদের পেটে ধরেছি? আমি কি এদের প্রসব করেছি? তুমি এদের পূর্বপুরুষদের কাছে যে দেশ দেবার শপথ করেছিলে সেখানে কেন তুমি আমাকে পালক-পিতার মত করে তাদের কোলে করে নিয়ে যেতে বলছ?
13
এই সমস্ত লোকদের জন্য আমি কোথায় মাংস পাব? তারা আমার কাছে কেবলই ‘মাংস খেতে দাও’ বলে কান্নাকাটি করছে।
14
তাদের বোঝা খুব ভারী, আমার একার পক্ষে তা বয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
15
তুমি যদি আমার অবস্থা এই রকমই কর তবে এখনই তুমি আমাকে মেরে ফেল। যদি আমি তোমার দয়া পেয়েই থাকি তবে নিজের চোখে আমার নিজের সর্বনাশ আমাকে দেখতে দিয়ো না।”
16
সদাপ্রভু মোশিকে বললেন, “ইস্রায়েলীয়দের মধ্যে যাদের তুমি নেতা এবং সম্মানিত লোক বলে জান তাদের মধ্য থেকে সত্তরজন বৃদ্ধ নেতাকে আমার কাছে নিয়ে এস। তুমি তাদের মিলন-তাম্বুর কাছে এসে তোমার সংগে দাঁড়াতে বল।
17
আমি সেখানে নেমে এসে তোমার সংগে কথা বলব। তোমার উপর যে আত্মা রয়েছেন আমি তাঁকে তাদের উপরেও দেব। লোকদের বোঝা বয়ে নিতে তারাই তোমাকে সাহায্য করবে। তাতে তোমাকে আর একা বোঝা বইতে হবে না।
18
তুমি লোকদের বল, ‘তোমরা নিজেদের সদাপ্রভুর উদ্দেশ্যে আলাদা করে নিয়ে কালকের জন্য প্রস্তুত হও, কারণ কালকেই তোমরা মাংস খেতে পাবে। তোমরা সদাপ্রভুর কাছে কেঁদে কেঁদে মাংস খাবার কথা বলেছিলে আর জানিয়েছিলে যে, এর চেয়ে মিসর দেশেই তোমরা ভাল ছিলে। তাই এখন তিনি তোমাদের মাংস দেবেন আর তোমরা তা খাবে।
19
সেই মাংস যে তোমরা কেবল একদিন, দু’দিন, পাঁচ দিন, দশ দিন কিম্বা বিশ দিন খাবে তা নয়,
20
খাবে গোটা এক মাস ধরে। তখন সেই মাংস তোমাদের নাক দিয়ে বেরিয়ে আসবে আর মাংসে তোমাদের অরুচি ধরে যাবে। এই সব হবে কারণ যিনি তোমাদের মধ্যে রয়েছেন সেই সদাপ্রভুকে তোমরা অগ্রাহ্য করেছ আর তাঁর সামনে কেঁদে কেঁদে বলেছ যে, মিসর দেশ ছেড়ে আসা তোমাদের উচিত হয় নি।’ ”
21
এই কথা শুনে মোশি বললেন, “যুদ্ধ করবার মত লোকই আমার সংগে রয়েছে ছয় লক্ষ, আর তুমি বলছ পুরো এক মাস ধরে তুমি তাদের মাংস খেতে দেবে।
22
তাদের গরু-ভেড়া সমস্ত কাটলেও তাদের পক্ষে যথেষ্ট হবে না। সমুদ্রের সমস্ত মাছ ধরে আনলেও তাতে তাদের কুলাবে না।”
23
উত্তরে সদাপ্রভু মোশিকে বললেন, “সদাপ্রভুর ক্ষমতা কি এতই কম? আমার কথাটা তোমার কাছে সত্যি হয়ে ওঠে কি না তা তুমি এবার দেখতে পাবে।”
24
এই কথা শুনে মোশি বাইরে গিয়ে সদাপ্রভু যা বলেছেন তা লোকদের জানালেন। তিনি ইস্রায়েলীয়দের সত্তরজন বৃদ্ধ নেতাকে এনে মিলন-তাম্বুর সামনে দাঁড় করালেন।
25
তখন সদাপ্রভু সেই মেঘে ঘেরাও হয়ে নেমে এসে মোশির সংগে কথা বললেন। মোশির উপর যে আত্মা ছিলেন তাঁকে তিনি ঐ সত্তরজন বৃদ্ধ নেতার উপরেও দিলেন। যখন সেই আত্মা তাঁদের উপর আসলেন তখন কিছুকালের জন্য তাঁরা নবী হিসাবে কথা বললেন।
26
ইল্দদ আর মেদদ নামে দু’জন লোক ছাউনির মধ্যেই রয়ে গিয়েছিলেন। বেছে নেওয়া বৃদ্ধ নেতাদের মধ্যে এই দু’জনও ছিলেন, কিন্তু তারা মিলন-তাম্বুর কাছে যান নি। তবুও তাঁদের উপর সেই আত্মা এসেছিলেন। তাতে তাঁরাও ঐ সময় ছাউনির মধ্যে নবী হিসাবে কথা বলতে লাগলেন।
27
একজন যুবক দৌড়ে গিয়ে মোশিকে বললেন, “ইল্দদ আর মেদদ ছাউনির ভিতরে নবী হিসাবে কথা বলছেন।”
28
তখন নূনের ছেলে যিহোশূয় মোশিকে বললেন, “হে আমার প্রভু, ওদের চুপ করবার নির্দেশ দিন।” যিহোশূয় যুবা বয়স থেকে মোশির সাহায্যকারী ছিলেন।
29
উত্তরে মোশি বললেন, “আমার মান-সম্মানটাই তোমার কাছে বড় হয়ে উঠল? আমি চাই সদাপ্রভুর সব লোকেরাই যেন নবী হয় এবং সদাপ্রভু যেন তাঁর আত্মা তাদের উপর দেন।”
30
এর পর মোশি ও ইস্রায়েলীয় বৃদ্ধ নেতারা ছাউনিতে ফিরে গেলেন।
31
পরে সদাপ্রভু একটা বাতাস বহালেন। সেই বাতাস সমুদ্র থেকে ভারুই পাখী ঠেলে এনে ছাউনির চারপাশে এক দিনের পথ জুড়ে এমনভাবে ফেলে দিল যে, সেগুলো মাটি থেকে দু’হাত পর্যন্ত উঁচু হয়ে গাদা হয়ে রইল।
32
সেই দিন ও সেই রাত এবং তার পরের সারাটা দিন লোকেরা বাইরে গিয়ে ভারুই পাখী কুড়িয়ে আনল। তারা প্রত্যেকেই কমপক্ষে এক হাজার আটশো কেজি করে কুড়াল। সেগুলো তারা ছাউনির চারপাশে বিছিয়ে রাখল।
33
কিন্তু সেই মাংস মুখে দিয়ে চিবাতে না চিবাতেই লোকদের বিরুদ্ধে সদাপ্রভু ক্রোধে জ্বলে উঠলেন। তিনি তাদের উপর একটা ভীষণ মড়ক পাঠিয়ে দিলেন।
34
সেইজন্য সেই জায়গাটার নাম দেওয়া হল কিব্রোৎ-হত্তাবা (যার মানে “লোভীদের কবর”), কারণ লোকেরা সেখানে লোভীদের কবর দিয়েছিল।
35
এর পর লোকেরা কিব্রোৎ-হত্তাবা ছেড়ে হৎসেরোতে গিয়ে সেখানে রইল।
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 12 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36