bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
/
Numbers 31
Numbers 31
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
← Chapter 30
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 32 →
1
সদাপ্রভু মোশিকে বললেন,
2
“তুমি ইস্রায়েলীয়দের পক্ষ থেকে মিদিয়-নীয়দের অন্যায়ের জন্য তাদের পাওনা শাস্তি দাও। তারপর তোমাকে তোমার পূর্বপরুষদের কাছে চলে যেতে হবে।”
3
তখন মোশি ইস্রায়েলীয়দের বললেন, “মিদিয়নীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবার জন্য তোমাদের মধ্য থেকে কিছু লোককে যুদ্ধের সাজে সাজিয়ে নাও, যাতে তারা সদাপ্রভুর হয়ে মিদিয়নীয়দের পাওনা শাস্তি দিতে পারে।
4
ইস্রায়েলীয়দের প্রত্যেক গোষ্ঠী থেকে এক হাজার করে লোক নিয়ে যুদ্ধে পাঠিয়ে দাও।”
5
কাজেই ইস্রায়েলীয়দের বারোটা গোষ্ঠী থেকে এক হাজার করে বারো হাজার লোককে যুুদ্ধের সাজে সাজানো হল।
6
মোশি প্রত্যেক গোষ্ঠী থেকে এক হাজার করে লোক নিয়ে তাদের যুদ্ধে পাঠিয়ে দিলেন। তাদের সংগে গেলেন পুরোহিত ইলিয়াসরের ছেলে পীনহস। সংকেত দেবার তূরীগুলো এবং কয়েকটি পবিত্র জিনিস তিনি সংগে নিলেন।
7
মোশিকে দেওয়া সদাপ্রভুর আদেশ মতই তারা মিদিয়নীয়দের সংগে যুদ্ধ করে সমস্ত পুরুষ লোকদের মেরে ফেলল।
8
অন্যান্যদের সংগে মিদিয়নীয়দের পাঁচজন রাজাকেও তারা মেরে ফেলল। তাঁদের নাম হল ইবি, রেকম, সূর, হূর ও রেবা। ইস্রায়েলীয়েরা বিয়োরের ছেলে বিলিয়মকেও মেরে ফেলল।
9
তারা মিদিয়নীয়দের স্ত্রীলোক ও ছেলেমেয়েদের বন্দী করল আর তাদের সমস্ত গরু, ছাগল ও ভেড়ার পাল এবং জিনিসপত্র লুট করে নিল।
10
মিদিয়নীয়েরা যে সব শহরে বাস করত সেই সব শহরগুলো এবং শহরের বাইরে তাম্বু খাটিয়ে বাস করবার জায়গাগুলো তারা পুড়িয়ে দিল।
11
তারপর তারা মোশি, পুরোহিত ইলিয়াসর ও সমস্ত ইস্রায়েলীয়দের কাছে যাবার জন্য তাদের লুট করা জিনিসপত্র, মানুষ এবং পশুপাল নিয়ে ছাউনির দিকে এগিয়ে চলল। তখন তাদের ছাউনি ছিল যিরীহোর উল্টাদিকে যর্দন নদীর ধারে মোয়াবের সমভূমিতে।
13
মোশি, পুরোহিত ইলিয়াসর এবং ইস্রায়েলীয়দের নেতারা সবাই ছাউনির বাইরে তাদের সংগে দেখা করতে গেলেন।
14
যে সব সেনাপতি, অর্থাৎ যে সব হাজারপতি ও শতপতি যুদ্ধ থেকে ফিরে এসেছিলেন মোশি তাঁদের উপর রেগে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমরা তাহলে সমস্ত স্ত্রীলোকদের বাঁচিয়ে রেখেছ!
16
পিয়োর পাহাড়ের ঘটনায় এরাই তো বিলিয়মের পরামর্শে ইস্রায়েলীয়দের সদাপ্রভুর কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, যার ফলে সদাপ্রভুর লোকদের মধ্যে মড়ক দেখা দিয়েছিল।
17
এখন তোমরা এই সব ছেলেদের এবং যারা কুমারী নয় এমন সব স্ত্রীলোকদের মেরে ফেল;
18
কিন্তু যারা কুমারী তাদের তোমরা নিজেদের জন্য বাঁচিয়ে রাখ।
19
“তোমাদের মধ্যে যারা কাউকে মেরেছে কিম্বা মেরে ফেলা কাউকে ছুঁয়েছে তাদের সাত দিন পর্যন্ত ছাউনির বাইরে থাকতে হবে। তৃতীয় এবং সপ্তম দিনে তোমাদের নিজেদের ও বন্দী করে আনা লোকদের শুচি করে নিতে হবে।
20
সমস্ত কাপড়-চোপড় এবং চামড়া, কাঠ ও ছাগলের লোমের তৈরী সমস্ত জিনিসপত্র তোমরা শুচি করে নেবে।”
21
যে সব সৈন্যেরা যুদ্ধে গিয়েছিল পুরোহিত ইলিয়াসর তাদের বললেন, “এই হল মোশির মধ্য দিয়ে দেওয়া সদাপ্রভুর আইন-কানুনের একটা ধারা।
22
সোনা, রূপা, ব্রোঞ্জ, লোহা, টিন, সীসা এবং আর যা কিছু আগুনের তাপে নষ্ট হয় না সেগুলো আগুনের মধ্য দিয়ে তোমাদের চালিয়ে নিতে হবে, তারপর সেগুলো শুচি হবে। কিন্তু তবুও সেগুলো শুচি করবার জলে দিয়ে শুদ্ধ করে নিতে হবে। যেগুলো আগুনের তাপে নষ্ট হয়ে যায় সেগুলো শুচি করবার জলে ডুবিয়ে নিতে হবে।
24
সপ্তম দিনে তোমরা তোমাদের কাপড়-চোপড় ধুয়ে ফেলবে আর তখন তোমরা শুচি হবে এবং ছাউনির মধ্যে যেতে পারবে।”
25
এর পর সদাপ্রভু মোশিকে বললেন,
26
“পুরোহিত ইলিয়াসর, ইস্রায়েলীয়দের বংশের নেতারা এবং তুমি বন্দী করে আনা সমস্ত মানুষ ও পশুদের সংখ্যা গণনা কর।
27
লুটের সব কিছু দু’ভাগ করে এক ভাগ দাও সৈন্যদের যারা যুদ্ধ করেছে আর অন্য ভাগ দাও সমাজের বাদবাকী লোকদের।
28
সেই সব সৈন্যদের ভাগে যত মানুষ, গরু, গাধা, ভেড়া ও ছাগল পড়বে তার প্রতি পাঁচশো থেকে একটা করে সদাপ্রভুর কর্ হিসাবে আলাদা করে রাখতে হবে।
29
সৈন্যদের ভাগের এই কর্ তুমি সদাপ্রভুর পাওনা অংশ হিসাবে পুরোহিত ইলিয়াসরের হাতে দেবে।
30
ইস্রায়েলীয়দের ভাগে যে সমস্ত মানুষ, গরু, গাধা, ভেড়া, ছাগল বা অন্য যে কোন পশু পড়বে তার প্রতি পঞ্চাশটা থেকে একটা করে আলাদা করে রাখবে। সেগুলো তুমি লেবীয়দের হাতে দেবে যাদের উপর আবাস-তাম্বুর দেখাশোনার ভার রয়েছে।”
31
সদাপ্রভু মোশিকে যে সব আদেশ দিলেন সেইমতই তিনি ও পুরোহিত ইলিয়াসর সব কিছু করলেন।
32
সৈন্যদের আনা লুট থেকে যা বাকী রইল তা হল ছয় লক্ষ পঁচাত্তর হাজার ভেড়া ও ছাগল,
33
বাহাত্তর হাজার গরু, একষট্টি হাজার গাধা এবং বত্রিশ হাজার কুমারী মেয়ে।
36
যারা যুদ্ধ করেছিল তাদের ভাগের অংশ হল, তিন লক্ষ সাঁইত্রিশ হাজার পাঁচশো ভেড়া ও ছাগল, ছত্রিশ হাজার গরু, ত্রিশ হাজার পাঁচশো গাধা আর ষোল হাজার কুমারী মেয়ে। এগুলোর মধ্যে সদাপ্রভুর পাওনা কর্ হল ছ’শো পঁচাত্তরটা ভেড়া ও ছাগল, বাহাত্তরটা গরু, একষট্টিটা গাধা এবং বত্রিশজন কুমারী মেয়ে।
41
সদাপ্রভু মোশিকে যে আদেশ দিয়েছিলেন সেইমতই তিনি সদাপ্রভুর এই পাওনা কর্ নিয়ে পুরোহিত ইলিয়াসরের হাতে দিলেন।
42
যে অর্ধেক ভাগ মোশি ইস্রায়েলীয়দের, অর্থাৎ সমাজের বাদবাকী লোকদের পাওনা হিসাবে সৈন্যদের ভাগের কাছ থেকে সরিয়ে রাখলেন সেই ভাগে ছিল তিন লক্ষ সাঁইত্রিশ হাজার পাঁচশো ভেড়া ও ছাগল,
44
ছত্রিশ হাজার গরু, ত্রিশ হাজার পাঁচশো গাধা, আর ষোল হাজার কুমারী মেয়ে।
47
সেই ইস্রায়েলীয়েরা যে অর্ধেক ভাগ পেল তার মধ্য থেকে মোশি প্রতি পঞ্চাশজন কুমারী মেয়ে থেকে একজন করে এবং প্রতি পঞ্চাশটা পশু থেকে একটা করে নিয়ে সদাপ্রভুর আদেশ মত লেবীয়দের দিলেন, যাদের উপর সদাপ্রভুর আবাস-তাম্বুর দেখাশোনার ভার ছিল।
48
এর পর সৈন্যদের বিভিন্ন দলের সেনাপতিরা, অর্থাৎ হাজারপতি ও শতপতিরা মোশির কাছে গিয়ে বললেন, “আপনার দাসেরা, অর্থাৎ আমরা আমাদের অধীন সৈন্যদের গুণে দেখলাম তাদের মধ্যে কেউই মারা পড়ে নি।
50
তাই আমরা প্রত্যেকে যে সমস্ত সোনার বাজু, বালা, সীলমোহর করবার আংটি, কানের দুল ও গলার হার পেয়েছি, আমাদের পাপ ঢাকা দেবার উদ্দেশ্যে আমরা সেগুলো সদাপ্রভুর কাছে উৎসর্গ করতে নিয়ে এসেছি।”
51
তখন মোশি ও পুরোহিত ইলিয়াসর তাদের কাছ থেকে সেই সব সোনার গহনাগুলো নিলেন।
52
মোশি ও ইলিয়াসর হাজারপতি ও শতপতিদের যে সব সোনা সদাপ্রভুর উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন তার ওজন হল প্রায় একশো আটষট্টি কেজি।
53
এছাড়া সৈন্যেরা সকলেই নিজের নিজের জন্য জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে এসেছিল।
54
সদাপ্রভু যাতে ইস্রায়েলীয়দের প্রতি খেয়াল রাখেন সেইজন্য মোশি ও পুরোহিত ইলিয়াসর হাজারপতি ও শতপতিদের কাছ থেকে সোনার জিনিসগুলো নিয়ে মিলন-তাম্বুতে রাখলেন।
← Chapter 30
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 32 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36