bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
/
Numbers 14
Numbers 14
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
← Chapter 13
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 15 →
1
এই কথা শুনে ইস্রায়েলীয়েরা সকলে চেঁচামেচি করতে লাগল। তারা সারা রাত ধরে কান্নাকাটি করল।
2
মোশি ও হারোণের বিরুদ্ধে তারা অনেক কথা বলল। তারা সবাই মিলে তাঁদের বলল, “মিসর দেশে বা এই মরু-এলাকায় মারা যাওয়াই ছিল আমাদের পক্ষে ভাল।
3
যুদ্ধে মারা যাবার জন্য কেন সদাপ্রভু আমাদের সেই দেশে নিয়ে যাচ্ছেন? তারা আমাদের স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের কেড়ে নেবে। এর চেয়ে মিসরে ফিরে যাওয়া কি আমাদের ভাল নয়?”
4
তারা একে অন্যকে বলল, “চল, একজন নেতা ঠিক করে নিয়ে আমরা মিসরেই ফিরে যাই।”
5
এই অবস্থা দেখে মোশি ও হারোণ ইস্রায়েলীয়দের গোটা দলটার সামনেই মাটিতে উবুড় হয়ে পড়লেন।
6
যাঁরা সেই দেশের খোঁজ-খবর নিতে গিয়েছিলেন তাঁদের মধ্য থেকে তখন নূনের ছেলে যিহোশুয় এবং যিফুন্নির ছেলে কালেব তাঁদের কাপড় ছিঁড়ে ইস্রায়েলীয়দের গোটা দলটাকে বললেন, “আমরা যে দেশটা দেখতে গিয়েছিলাম সেটা একটা চমৎকার দেশ।
8
সদাপ্রভু যদি আমাদের উপর সন্তুষ্ট থাকেন তবে সেই দেশটায় তিনি আমাদের নিয়ে যাবেন যেখানে দুধ, মধু আর কোন কিছুর অভাব নেই, আর তিনি সেটা আমাদের দেবেন।
9
তবে তোমরা সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ কোরো না। তোমরা সেই দেশের লোকদের ভয় কোরো না; তাদের গিলে খেতে আমাদের দেরি হবে না। তাদের আর রক্ষার উপায় নেই। তাদের তোমরা ভয় কোরো না কারণ সদাপ্রভু আমাদের সংগে রয়েছেন।”
10
কিন্তু দলের সবাই যিহোশুয় ও কালেবকে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলবার কথা বলতে লাগল। তখন মিলন-তাম্বু থেকে সমস্ত ইস্রায়েলীয়দের সামনে সদাপ্রভুর মহিমা দেখা দিল।
11
সদাপ্রভু মোশিকে বললেন, “আর কত কাল এই লোকগুলো আমাকে তুচ্ছ করে চলবে? তাদের মধ্যে আমি যে সব আশ্চর্য চিহ্ন দেখিয়েছি তার পরেও আর কতকাল তারা আমাকে অবিশ্বাস করবে?
12
আমি একটা মড়ক আনব আর প্রতিজ্ঞা করা দেশের অধিকার তাদের কাছ থেকে কেড়ে নেব, কিন্তু তোমার মধ্য থেকে আমি তাদের চেয়েও বড় এবং শক্তিশালী একটা জাতি সৃষ্টি করব।”
13
এই কথা শুনে মোশি সদাপ্রভুকে বললেন, “তা যদি কর তবে কথাটা মিসরীয়দের কানে যাবে। তাদের মধ্য থেকেই তো তুমি তোমার নিজের ক্ষমতায় এই সব লোকদের নিয়ে এসেছ।
14
সেই কথা তখন মিসরীয়েরা এই দেশের লোকদেরও বলবে। হে সদাপ্রভু, এর মধ্যেই এই দেশের লোকেরা শুনেছে যে, তুমি ইস্রায়েলীয়দের সংগে সংগে আছ, আর হে সদাপ্রভু, তোমাকে খুব কাছেই দেখা যায়। তারা শুনেছে যে, তোমার মেঘ এদের উপর আছে আর দিনের বেলা তুমি মেঘের থামের মধ্যে এবং রাতের বেলা আগুনের থামের মধ্যে থেকে এদের আগে আগে চল।
15
তাই তুমি যদি এদের সবাইকে একসংগে মেরে ফেল তবে যে সব জাতি তোমার সম্বন্ধে ঐ সব কথা শুনেছে তারা বলবে যে,
16
সদাপ্রভু ঐ লোকদের কাছে যে দেশ দেবার শপথ করেছিলেন সেখানে নিয়ে যাবার ক্ষমতা নেই বলেই তিনি মরু-এলাকাতে তাদের মেরে ফেলেছেন।
17
“এখন হে প্রভু, তুমি তোমার ক্ষমতা দেখাও। তুমি তো ঘোষণা করেছিলে,
18
‘সদাপ্রভু সহজে অসন্তুষ্ট হন না, তাঁর ভালবাসার সীমা নেই এবং তিনি অন্যায় ও বিদ্রোহ ক্ষমা করেন, কিন্তু দোষীকে তিনি শাস্তি দিয়ে থাকেন; তিনি বাবার অন্যায়ের শাস্তি তার বংশের তৃতীয় ও চতুর্থ পুরুষ পর্যন্ত দিয়ে থাকেন।’
19
মিসর দেশ ছেড়ে আসবার সময় থেকে এই পর্যন্ত তুমি যেমন তাদের ক্ষমা করে আসছ তেমনি তোমার সেই অটল ভালবাসার সংগে মিল রেখে তুমি এই লোকদের অন্যায় ক্ষমা কর।”
20
তখন সদাপ্রভু বললেন, “তোমার কথামত আমি তাদের পাপ ক্ষমা করলাম।
21
কিন্তু আমি বেঁচে আছি এই কথা যেমন সত্যি এবং সারা দুনিয়া আমার মহিমায় পরিপূর্ণ এই কথা যেমন সত্যি তেমনই সত্যি যে,
22
এই লোকদের একজনও সেই দেশ দেখতে পাবে না, যে দেশ দেব বলে আমি তাদের পূর্বপুরুষদের কাছে শপথ করেছিলাম। এর কারণ হল, এই লোকেরা আমার মহিমা এবং মিসরে আর মরু-এলাকায় দেখানো আমার আশ্চর্য চিহ্নগুলো দেখেও আমাকে অগ্রাহ্য করেছে এবং দশ দশবার আমার পরীক্ষা করেছে। যারা আমাকে তুচ্ছ করেছে তারা কেউই সেই দেশ দেখতে পাবে না।
24
কিন্তু আমার দাস কালেবের মনে সেই রকম ভাব নেই এবং সে আমার কথা পুরোপুরি মেনে চলে। সেইজন্য যে দেশে সে গিয়েছিল আমি তাকে সেই দেশে নিয়ে যাব আর তার বংশধরেরা তা সম্পত্তি হিসাবে পাবে।
25
সেই সব উপত্যকায় এখন অমালেকীয় ও কনানীয়েরা বাস করছে। তোমরা আগামী কাল পিছন ফিরে আকাবা উপসাগরের রাস্তা ধরে মরু-এলাকার দিকে যাত্রা করবে।”
26
এর পর সদাপ্রভু মোশি ও হারোণকে বললেন,
27
“আর কতকাল এই দুষ্ট জাতি আমার বিরুদ্ধে বক্বক্ করবে? তাদের বক্বক্ করা আমি শুনেছি।”
28
সদাপ্রভু মোশি ও হারোণকে ইস্রায়েলীয়দের বলতে বললেন, “আমার জীবনের দিব্য দিয়ে বলছি যে, আমি সদাপ্রভু তোমাদের যা বলতে শুনেছি তা-ই আমি তোমাদের প্রতি করব।
29
তোমাদের মধ্যে বিশ বছর বা তারও বেশী বয়সের যাদের লোকগণনার সময় গোণা হয়েছিল, অর্থাৎ যারা আমার বিরুদ্ধে বক্বক্ করেছিল, তাদের মৃতদেহ এই মরু-এলাকাতেই পড়ে থাকবে।
30
বাস করবার জন্য যে দেশ তোমাদের দেব বলে আমি শপথ করেছিলাম একমাত্র যিফুন্নির ছেলে কালেব ও নূনের ছেলে যিহোশূয় ছাড়া আর কেউ সেই দেশে ঢুকতে পারবে না।
31
তোমাদের যে ছেলেমেয়েদের কেড়ে নেওয়া হবে বলে তোমরা বলেছিলে সেই ছেলেমেয়েদেরই আমি সেই দেশে নিয়ে যাব। এই ছেলেমেয়েরাই সেই দেশ ভোগ করবে যা তোমরা পায়ে ঠেলে দিয়েছ।
32
তোমাদের মৃতদেহ এই মরু-এলাকায় পড়ে থাকবে।
33
তোমাদের শেষ লোকটি এই মরু-এলাকায় মরে না যাওয়া পর্যন্ত তোমাদের অবিশ্বস্ততার জন্য তোমাদের ছেলেমেয়েরা চল্লিশ বছর ধরে এখানে ভেড়া চরিয়ে বেড়াবে।
34
দেশটা দেখে আসতে যে চল্লিশ দিন লেগেছিল তার প্রত্যেক দিনের জন্য এক বছর করে মোট চল্লিশ বছর পর্যন্ত তোমরা তোমাদের অন্যায়ের জন্য কষ্ট ভোগ করবে এবং বুঝবে যে, আমি বিরুদ্ধে থাকলে অবস্থাটা কেমন হয়।
35
এই দুষ্ট জাতির লোকেরা যারা আমার বিরুদ্ধে দল পাকিয়েছে তারা সবাই এই মরু-এলাকাতেই শেষ হয়ে যাবে। আমি সদাপ্রভু এই কথা বলছি।”
36
দেশটার খোঁজ-খবর নিয়ে আসবার জন্য মোশির পাঠিয়ে দেওয়া যে দলটা ফিরে এসে বাজে কথা ছড়িয়ে দিয়ে মোশির বিরুদ্ধে সমস্ত ইস্রায়েলীয়দের বক্বক্ করবার উস্কানি দিয়েছিল,
37
অর্থাৎ যে লোকেরা সেই দেশ সম্বন্ধে বাজে কথা ছড়িয়ে দেবার জন্য দায়ী ছিল তারা সবাই সদাপ্রভুর সামনে মড়কে মারা গেল।
38
বেঁচে রইলেন কেবল নূনের ছেলে যিহোশূয় এবং যিফুন্নির ছেলে কালেব।
39
মোশি সদাপ্রভুর কথা সমস্ত ইস্রায়েলীয়দের জানালেন। তাতে মনের দুঃখে তারা ভেংগে পড়ল।
40
পরের দিন খুব সকালে তারা সেই পাহাড়ী এলাকার দিকে যাবার জন্য তৈরী হয়ে বলল, “এই যে আমরা যাচ্ছি। আমরা পাপ করে ফেলেছি; এখন আমরা সদাপ্রভুর প্রতিজ্ঞা করা দেশেই যাব।”
41
কিন্তু মোশি বললেন, “তোমরা সদাপ্রভুর আদেশের বিরুদ্ধে যাচ্ছ কেন? তোমাদের এই কাজ সফল হবে না।
42
তোমরা যেয়ো না, কারণ সদাপ্রভু তোমাদের সংগে নেই। শত্রুদের কাছে তোমরা হেরে যাবে।
43
সেখানে তোমরা অমালেকীয় ও কনানীয়দের সামনে পড়বে। তোমরা সদাপ্রভুর কাছ থেকে সরে গেছ বলে তিনি তোমাদের সংগে থাকবেন না। তাতে তোমরা যুদ্ধে মারা পড়বে।”
44
তবুও তারা দুঃসাহস করে সেই পাহাড়ী এলাকার দিকে এগিয়ে গেল। কিন্তু মোশি গেলেন না আর সদাপ্রভুর ব্যবস্থা-সিন্দুকও ছাউনির মধ্যে রয়ে গেল।
45
তাদের দেখে সেই পাহাড়ী এলাকার অমালেকীয় ও কনানীয়েরা নেমে এসে তাদের আক্রমণ করল এবং হর্মা শহর পর্যন্ত তাদের তাড়িয়ে নিয়ে গেল।
← Chapter 13
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 15 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36