bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
/
Numbers 35
Numbers 35
Bengali Bangladesh 2000 SBCL (Pobitro Baibel)
← Chapter 34
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 36 →
1
যিরীহোর সামনে যর্দন নদীর ধারে মোয়াবের সমভূমিতে সদাপ্রভু মোশির মধ্য দিয়ে ইস্রায়েলীয়দের আদেশ দিলেন, “সম্পত্তি পাবার পরে তোমরা তা থেকে লেবীয়দের বাস করবার জন্য কতগুলো গ্রাম ও শহর দেবে, আর তার সংগে তার চারপাশের পশু চরাবার মাঠও দেবে।
3
এতে লেবীয়েরা বাস করবার জন্য গ্রাম ও শহর পাবে আর তাদের গরু-ভেড়া-ছাগল ও অন্যান্য পশু চরাবার মাঠও পাবে।
4
“যে সব গ্রাম ও শহর তোমরা লেবীয়দের দেবে তার চারপাশের পশু চরাবার মাঠের জায়গাগুলো যেন গ্রাম বা শহরের দেওয়াল থেকে এক হাজার হাত পর্যন্ত হয়।
5
প্রত্যেকটা গ্রাম বা শহর মাঝখানে রেখে তার বাইরে উত্তর ও দক্ষিণে দু’হাজার এবং পূর্ব ও পশ্চিমে দু’হাজার হাত মেপে দেবে। এই সব জায়গাগুলো তারা তাদের গ্রাম বা শহরের পশু চরাবার মাঠ হিসাবে পাবে।
6
“তোমরা যে সব গ্রাম ও শহর লেবীয়দের দেবে তার মধ্যে ছয়টা হবে আশ্রয়-শহর। কেউ কাউকে মেরে ফেললে ঐ সমস্ত আশ্রয়-শহরের কোন একটাতে সে পালিয়ে যেতে পারবে। এগুলো ছাড়া তোমরা তাদের আরও বেয়াল্লিশটা গ্রাম দেবে।
7
মোট আটচল্লিশটা গ্রাম ও শহর লেবীয়দের দিতে হবে এবং তার প্রত্যেকটার চারপাশে পশু চরাবার মাঠ থাকবে।
8
ইস্রায়েলীয়দের সম্পত্তি থেকে লেবীয়দের যে সব গ্রাম ও শহর দেওয়া হবে তা প্রত্যেক গোষ্ঠীর পাওয়া সম্পত্তির পরিমাণ বুঝে দিতে হবে। যে গোষ্ঠীর ভাগে বেশী গ্রাম ও শহর পড়বে সেই গোষ্ঠী থেকে বেশী এবং যে গোষ্ঠীর ভাগে কম গ্রাম ও শহর পড়বে সেই গোষ্ঠী থেকে কম নেবে।”
9
এর পর সদাপ্রভু মোশিকে ইস্রায়েলীয়দের বলতে বললেন, “যর্দন নদী পার হয়ে কনান দেশে গিয়ে তোমরা নিজেদের জন্য কতগুলো আশ্রয়-শহর ঠিক করে নেবে যেন কেউ কাউকে হঠাৎ মেরে ফেললে সেখানে পালিয়ে যেতে পারে।
12
যার প্রতিশোধ নেবার কথা, এগুলো হবে তার হাত থেকে রক্ষা পাবার আশ্রয়-শহর, যাতে খুনের দায়ে পড়া লোক ইস্রায়েলীয়দের বিচার-সভার সামনে দাঁড়াবার আগে মারা না পড়ে।
13
এই যে ছয়টা শহর তোমরা লেবীয়দের দেবে সেগুলো হবে তোমাদের আশ্রয়-শহর।
14
এগুলোর তিনটা থাকবে যর্দন নদীর পূর্ব পারে আর তিনটা থাকবে কনান দেশের মধ্যে।
15
এই ছয়টা হবে ইস্রায়েলীয়দের, ইস্রায়েলীয় করে নেওয়া বাসিন্দাদের এবং পরদেশী বাসিন্দাদের আশ্রয়-শহর। কোন লোক হঠাৎ কাউকে মেরে ফেললে সেখানে পালিয়ে যেতে পারবে।
16
“কোন লোক যদি লোহার কিছু দিয়ে কাউকে আঘাত করে আর তাতে সে মারা যায় তবে সে খুনী। সেই খুনীকে মেরে ফেলতে হবে।
17
যা দিয়ে মানুষ মেরে ফেলা যায় এমন কোন পাথর যদি কারও হাতে থাকে আর তা দিয়ে যদি সে কাউকে আঘাত করে আর তাতে সে মারা যায় তবে সে খুনী। সেই খুনীকে মেরে ফেলতে হবে।
18
যা দিয়ে মানুষ মেরে ফেলা যায় এমন কোন কাঠের জিনিস যদি কারও হাতে থাকে আর তা দিয়ে যদি সে কাউকে আঘাত করে আর তাতে সে মারা যায় তবে সে খুনী। সেই খুনীকে মেরে ফেলতে হবে।
19
খুন হওয়া লোকটার রক্তের প্রতিশোধ যার নেবার কথা তাকেই সেই খুনীকে মেরে ফেলতে হবে; দেখা পেলেই সে যেন তাকে মেরে ফেলে।
20
যদি কেউ মনে কোন হিংসা নিয়ে কাউকে ধাক্কা মারে কিম্বা ইচ্ছা করে তার দিকে কিছু ছুঁড়ে মারে কিম্বা শত্রুভাব মনে নিয়ে তাকে ঘুঁসি মারে আর এর কোনটাতে সে মারা যায়, তবে যে মেরেছে সে খুনী; তাকে মেরে ফেলতে হবে। খুন হওয়া লোকটার রক্তের প্রতিশোধ যার নেবার কথা, খুনীর দেখা পেলেই সে যেন তাকে মেরে ফেলে।
22
“কিন্তু মনে শত্রুভাব না থাকলেও যদি কেউ মুহূর্তের ভুলে কাউকে ধাক্কা মারে কিম্বা মনে কোন খারাপ উদ্দেশ্য না থাকলেও তার দিকে কিছু ছুঁড়ে মারে কিম্বা তাকে মেরে ফেলতে পারে এমন কোন পাথর তার উপর না দেখে ফেলে দেয় এবং এর যে কোন একটাতে যদি সে মারা যায়, তবে লোকটা তার শত্রু ছিল না বলে এবং তার ক্ষতি করবার ইচ্ছা তার ছিল না বলে এই সমস্ত নিয়ম অনুসারে ইস্রায়েলীয়দের বিচার-সভার লোকেরা রক্তের প্রতিশোধ যার নেবার কথা তার এবং খুনের জন্য দায়ী লোকটির সম্বন্ধে বিচার করবে।
25
বিচার-সভার লোকেরা তখন রক্তের প্রতিশোধ যার নেবার কথা তার হাত থেকে খুনের জন্য দায়ী করা লোকটাকে রক্ষা করে আবার তাকে সেই আশ্রয়-শহরে পাঠিয়ে দেবে যেখানে সে পালিয়ে গিয়েছিল। পবিত্র তেল দিয়ে অভিষেক করা মহাপুরোহিতের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত সেই লোকটাকে সেখানে থাকতে হবে।
26
কিন্তু লোকটি যদি সেই আশ্রয়-শহরের এলাকা পার হয়ে কখনও বাইরে আসে আর রক্তের প্রতিশোধ যার নেবার কথা সে তাকে শহরের এলাকার বাইরে পায় তবে সে তাকে মেরে ফেলতে পারবে, আর তাতে সে খুনের জন্য দায়ী হবে না।
28
মহাপুরোহিতের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত সেই লোকটিকে আশ্রয়-শহরের ভিতরেই থাকতে হবে। কেবলমাত্র মহাপুরোহিতের মৃত্যুর পরেই সে নিজের জায়গাতে ফিরে আসতে পারবে।
29
তোমরা দেশের মধ্যে যেখানেই বাস কর না কেন, বংশের পর বংশ ধরে তোমাদের জন্য এগুলো হল আইনের কতগুলো ধারা।
30
“সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করেই খুনীকে মেরে ফেলা চলবে। তবে কেবলমাত্র একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে কাউকে মেরে ফেলা চলবে না।
31
মৃত্যুই যার পাওনা শাস্তি এমন কোন খুনীকে টাকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া চলবে না। তাকে মেরে ফেলতেই হবে।
32
আশ্রয়-শহরে পালিয়ে যাওয়া কোন লোককে টাকার বদলে মহাপুরোহিতের মৃত্যুর আগে তার জায়গা-জমিতে ফিরে গিয়ে বাস করতে দেওয়া চলবে না।
33
তোমরা তোমাদের দেশকে অশুচি করবে না, কারণ রক্তপাত হলে দেশ অশুচি হয়। যে দেশে রক্তপাত হয়েছে রক্তপাতকারীর রক্ত ছাড়া আর কোনভাবেই সেই দেশের অশুচিতা ঢাকা দেওয়া যায় না।
34
তোমরা যে দেশে থাকবে আমিও সেখানে থাকব বলে সেই দেশ অশুচি করা চলবে না। আমি সদাপ্রভু ইস্রায়েলীয়দের মধ্যে বাস করি।”
← Chapter 34
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 36 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36