bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
1 Corinthians 15
1 Corinthians 15
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 16 →
1
বন্ধুগণ, আমি যে সুসমাচার তোমাদের কাছে প্রচার করেছি, যা তোমরা গ্রহণ করেছ এবং যার উপরে তোমরা প্রতিষ্ঠিত হয়েছ, তার কথাই আমি তোমাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।
2
তোমরা যদি আমার প্রচারিত সেই সুসমাচার দৃঢ়রূপে অবলম্বন করে থাক, তাহলে তোমরা পরিত্রাণ পাচ্ছ। অন্যথায় বৃথাই তোমাদের বিশ্বাস।
3
সর্বপ্রধান যে বিষয়ে আমি শিখেছি এবং তোমাদেরও শিখিয়েছি তা হচ্ছে এই, যে শাস্ত্র অনুযায়ী খ্রীষ্ট আমাদের পাপের জন্য মৃত্যুবরণ করেছেন ও সমাহিত হয়েছেন
4
এবং শাস্ত্রের বচন অনুসারেই তিনি তৃতীয় দিবসে পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।
5
তিনি পিতরকে এবং পরে তাঁর দ্বাদশ শিষ্যকে দর্শন দিয়েছেন।
6
তার পরে তিনি একসঙ্গে পাঁচশোরও বেশি বিশ্বাসী ভাইদের কাছে আবির্ভূত হয়েছেন। তাদের অধিকাংশ লোক এখনও বর্তমান, তবে কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে।
7
এর পরে তিনি যাকোবকে এবং তারও পরে সকল প্রেরিত শিষ্যকে দর্শন দিয়েছেন।
8
সর্বশেষে প্রেরিত শিষ্যকুলে অকালজাত যে আমি, সেই আমাকেও তিনি আকস্মিকভাবে দেখা দিলেন।
9
আমি তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট, এমনকি প্রেরিত নামেরও যোগ্য নই, কারণ ঈশ্বরের মণ্ডলীকে আমি নির্যাতন করতাম।
10
কিন্তু এখন আমি যা হয়েছি তা ঈশ্বরের অনুগ্রহেই হয়েছি এবং আমার প্রতি তাঁর অনুগ্রহ নিষ্ফল হয়নি বরং অড়্যান্য সকলের চেয়ে আমি বেশি পরিশ্রম করেছি। আমি যে করেছি তা নয়, ঈশ্বরের যে অনুগ্রহ আমার ওপরে রয়েছে তার দ্বারাই এ কাজ হয়েছে।
11
সুতরাং আমি হই বা তাঁরাই হোন, আমরা সকলে এই একই সুসমাচার প্রচার করি এবং তোমরা সেই সুসমাচারেই বিশ্বাস করেছ।
12
একথা যদি প্রচার করা হয় যে খ্রীষ্ট মৃতদের মধ্য থেকে উজ্জীবিত হয়েছেন, তাহলে তোমাদের কিছু লোক কি করে বলে যে মৃতদের পুনরুত্থান হবে না?
13
মৃতদের পুনরুত্থান যদি না হয় তাহলে খ্রীষ্ট পুনরুত্থিত হননি।
14
আর খ্রীষ্ট যদি পুনর্জীবিত না হয়ে থাকেন তাহলে আমাদের প্রচার বৃথা এবং তোমাদের বিশ্বাসও অর্থহীন।
15
তাছাড়া এও প্রমাণিত হবে যে ঈশ্বর সম্পর্কে আমরা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছি কারণ আমরা ঈশ্বরের বিরুদ্ধে এই সাক্ষ্য দিয়েছি যে তিনি খ্রীষ্টকে পুনরুত্থিত করেছেন। কিন্তু মৃতদের পুনরুত্থান যদি না হয় তাহলে তিনি তাঁকে পুনরুত্থিত করেননি।
16
কারণ মৃতদের পুনরুত্থান যদি না হয় তাহলে খ্রীষ্টও পুনরুত্থিত হননি।
17
আর খ্রীষ্ট যদি পুনরুত্থিত না হয়ে থাকেন তাহলে তোমাদের বিশ্বাস অলীক এবং তোমরা এখনও তোমাদের পুরাতন পাপে আবদ্ধ রয়েছ,
18
এবং খ্রীষ্টাশ্রিত যারা লোকান্তরিত হয়েছে তারাও বিনাশপ্রাপ্ত হয়েছে।
19
আমরা যদি শুধু এই জীবনেই কিছু পাওয়ারর আশায় খ্রীষ্টের উপর নির্ভর করে থাকি তাহলে মানব সমাজে আমাদের চেয়ে হতভাগ্য আর কেউ নেই।
20
প্রকৃত সত্য এই যে, খ্রীষ্ট মৃতলোক থেকে পুনরুত্থিত হয়েছেন। তাই একথা সুনিশ্চিত যে যারা নিদ্রাগত হবে, তারাও পুনরুত্থিত হবে।
21
একজন মানুষের মধ্য দিয়ে যেমন মৃত্যু এসেছিল তেমনি আর একজন মানুষের দ্বারাই মৃতদের পুনরুত্থান সম্ভব হয়েছে।
22
আদমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ার জন্য যেমন সকলের মৃত্যু হয় তেমনি খ্রীষ্টের মাঝে সকলেই হবে সঞ্জীবিত,
23
তবে প্রত্যেকে নিজস্ব পর্যায়ক্রমে। প্রথমে খ্রীষ্ট সর্বপ্রথম উৎপন্ন ফলস্বরূপ, তারপর তাঁর পুনরাবির্ভাব কালে খ্রীষ্টের প্রজাবৃন্দ।
24
তারপর উপস্থিত হবে সমাপ্তির কাল। তখন সমস্ত আধিপত্য, কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে তিনি পিতা ঈশ্বরের হাতে রাজ্য অর্পণ করবেন।
25
কারণ যতদিন ঈশ্বর তাঁর সমস্ত শত্রুকে তাঁর পদানত না করেন ততদিন তাঁকে রাজত্ব করতে হবে।
26
সর্বশেষ শত্রু যে মৃত্যু, সেও হবে বিলুপ্ত।
27
শাস্ত্রে বলা হয়েছে: ঈশ্বর সবকিছুই তাঁর পদানত করেছেন কেবলমাত্র তিনিই ব্যতিক্রম।
28
যখন সবকিছুই তাঁর বশীভূত হবে তখন পুত্র নিজেও বশ্যতা স্বীকার করবেন তাঁর কাছে, যিনি সবকিছুই তাঁর পদানত করেছেন। ফলে ঈশ্বরই হবেন সর্বময়।
29
আরও বলি, মৃতদের পক্ষ হয়ে কেন তবে লোকে বাপ্তিষ্ম গ্রহণ করে? মৃতেরা যদি আদৌ পুনরুত্থিত না হয় তাহলে তাদের পক্ষে দীক্ষা গ্রহণ করার সার্থকতা কি?
30
আর আমরাই বা কেন প্রতি মুহূর্তে প্রাণ বিপন্ন করছি?
31
বন্ধুগণ, আমি প্রতিদিনই মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছি। আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের আশ্রয়ে তোমাদের এনেছি বলে আমার যে গর্ব, তারই দোহাই দিয়ে একথা বলছি।
32
আমি সাধারণ মানুষের মতই যদি বলি, ইফিসাসে আমি বন্য পশুদের সঙ্গে লড়াই করেছিলাম, কিন্তু তাতে আমার কি লাভ হয়েছে? মৃতেরা যদি পুনরুত্থিত না হয় তাহলে বরং ‘এস, আমরা পান, ভোজন ও স্ফূর্তি করি, কারণ কালই আমাদের মৃত্যু হবে।
33
তোমরা ভুল করো না, ‘কুসংসর্গে স্বভাব নষ্ট হয়’।
34
মোহের ঘোর কাটিয়ে ওঠ, সংযত হও, আর পাপ করো না। এমন লোক আছে যাদের ঈশ্বর সম্পর্কে কোন জ্ঞান নেই। তোমাদের লজ্জা দেবার জন্য আমি এইসব কথা বলছি।
35
কেউ হয়তো তর্ক তুলবে, মৃতেরা কীভাবে পুনরুত্থিত হবে? তাদের দেহই বা কেমন হবে?
36
ওরে নির্বোধ, তুমি যে বীজ বপন কর, তার মৃত্যু না হলে কখনও তাতে জীবন সঞ্চারিত হয় না।
37
যে দেহ উৎপন্ন হবে তুমি তা বপন কর না, তুমি বপন করর গম কিম্বা অন্য কোন শস্যের বীজ মাত্র।
38
ঈশ্বর সেটিকে আপন ইচ্ছানুযায়ী রূপ দেন। প্রত্যেক জাতের বীজকে তার নিজস্ব রূপ তিনি দান করেন।
39
সব দেহ এক প্রকারের নয়। মানুষের দেহ একপ্রকার। পশুর দেহ অন্য প্রকার, আবার পাখি ও মাছের দেহ আর একপ্রকার।
40
স্বর্গীয় ও পার্থিব উভয় প্রকারের দেহ আছে। স্বর্গীয় দেহের কান্তি একপ্রকার, পার্থিব দেহের কান্তি অন্যপ্রকার।
41
সূর্যের দ্যুতি একপ্রকার, চন্দ্রের অন্যপ্রকার, নক্ষত্ররাজির দ্যুতিও ভিন্ন প্রকার। নক্ষত্রের সঙ্গে নক্ষত্রের দীপ্তির পার্থক্য আছে।
42
মৃতদেহের পুনরুত্থান সম্পর্কেও একথা প্রযোজ্য। যা সমাহিত করা হয়, তা নশ্বর। পুনরুত্থিত হলে তা হবে অবিনশ্বর।
43
অনাদরে যা সমাহিত হয়, গৌরবমণ্ডিত হয়ে তা পুনরুত্থিত হয়। যা সমাহিত করা হয় তা দুর্বল, কিন্তু যা পুনরুত্থিত হয় তা শক্তিমান।
44
সমাধিস্থ করা হয় জৈব দেহ, কিন্তু উত্থাপিত হয় আত্মিক দেহ। জৈব দেহ যেমন আছে তেমনি আত্মিক দেহও আছে।
45
শাস্ত্রে লেখা আছে, ‘প্রথম মানব আদম জীবন্ত প্রাণীরূপে সৃষ্ট হলেন’। কিন্তু শেষের ‘আদম’ হলেন জীবনদায়ী আত্মা।
46
আত্মিক বিষয় প্রথম নয়, জৈব বিষয়ই প্রথম, তারপর আসে আত্মিক বিষয়।
47
প্রথম মানব ধরণীরর দূলি থেকে উৎপন্ন, দ্বিতীয় মানব স্বর্গ থেকে অবতীর্ণ।
48
পার্থিব সব মানব সেই ধূলিজাত মানবের মত, আর স্বর্গীয় সত্তা লাভ করেছে যারা, তারা সেই স্বর্গীয় মানবের মত।
49
আমরা যেমন সেই ধূলিজাত মানবের প্রতিরূপ ধারণ করেছি, তেমনি সেই স্বর্গীয় মানবের সাদৃশ্যেও রূপায়িত হব।
50
বন্ধুগণ, আমি এ কথাই বলতে চাই যে রক্তমাংসের দেহে ঐশরাজ্যের অধিকারী হওয়া যায় না। নশ্বর বস্তু কখনও অবিনশ্বরতা লাভ করতে পারে না।
51
আমি একটি নিগূঢ়তত্ত্ব তোমাদের জানাচ্ছি, আমাদের সকলেরই মৃত্যু হবে না কিন্তু সকলেই হব রূপান্তরিত।
52
মুহূর্তে, চোখের পলকে, শেষ তূরীধ্বনি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনা ঘটবে। যখন তূরীধ্বনি হবে, মৃতেরা পুনরুত্থিত হবে, লাভ করবে অবিনশ্বরতা এবং আমরা হব রূপান্তরিত।
53
কারণ এই নশ্বর সত্তাকে অবিনশ্বরতা ধারণ করতে হবে, এই মরদেহকে অমরতায় মণ্ডিত হতে হবে।
54
এই নশ্বর সত্তা যখন অবিনশ্বরতা লাভ করবে, এই মরদেহ যখন অমরতায় মণ্ডিত হবে, তখনই পূর্ণ হবে শাস্ত্রের এই বাণী: ‘মৃত্যু হল পরাভূত, বিজয় হল সম্পূর্ণ’।
55
মৃত্যু তোমায় জয় কোথায়?মৃত্যু তোমার হুল কোথায়?
56
পাপ থেকে উদ্ভূত হয় বিধ্বংসী শক্তি এবং এই পাপ শক্তি পায় বিধান থেকে।
57
কিন্তু ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিই, তিনিই প্রভু যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে আমাদের জয়ী করেন।
58
অতএব প্রিয় বন্ধুগণ, তোমরা দৃঢ়প্রতিষ্ঠ হও, অবিচল থাক, প্রভুর কাজে সর্বদা তৎপর হও। তোমরা একথা জান যে প্রভুর জন্য তোমাদের পরিশ্রম কখনও নিষ্ফল হবে না।
← Chapter 14
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 16 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16