bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
1 Samuel 1
1 Samuel 1
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 2 →
1
ইফ্রয়িম প্রদেশের পার্বত্য অঞ্চলে রামাথায়িম-সোফিম একটি গ্রাম। সেখানে এলকানা নামে ইফ্রয়িম বংশের এক ব্যক্তি বাস করতেন। তাঁর পিতার নাম যিহোরাম। যিহোরাম ছিলেন ইলিহুর পুত্র। ইলিহু তোহের পুত্র। তোহ সুফের পুত্র।
2
এলকানার দুই স্ত্রী। একজনের নাম হান্না, অন্যজনের নাম পনিন্না। পনিন্নার ছেলেমেয়ে ছিল, কিন্তু হান্না ছিলেন নিঃসন্তান।
3
এলকানা প্রতি বৎসর সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বরের আরাধনা ও তাঁর উদ্দেশে বলি উৎসর্গ করার জন্য শীলোতে যেতেন। সেখানে এলির দুই পুত্র হফনি ও পিনহস প্রভু পরমেশ্বরের পুরোহিত ছিলেন।
4
বলি উৎসর্গের দিন এলকানা তাঁর স্ত্রী পনিন্না ও তাঁর ছেলেমেয়েদের নৈবেদ্যের অংশ দিতেন।
5
কিন্তু তিনি হান্নাকে দিতেন দ্বিগুণ অংশ। কারণ তাঁকেই তিনি ভালবাসতেন কিন্তু প্রভু পরমেশ্বর হান্নাকে নিঃসন্তান করেছিলেন।
6
প্রভু পরমেশ্বর হান্নাকে বন্ধ্যা করেছিলেন বলে তাঁর সপত্নী তাঁকে উত্যক্ত করে তুলতেন।
7
প্রভু পরমেশ্বরের মন্দিরে গেলে হান্নার স্বামী তাঁর সঙ্গে অনুরূপ আচরণ করতেন, আর তাঁর সপত্নীও একইভাবে তাঁকে উত্যক্ত করতেন।
9
একবার শীলোতে তাঁদের খাওয়াদাওয়ার পাট সারা হলে হান্না উঠে মন্দিরে গেলেন পুরোহিত এলি তখন প্রভু পরমেশ্বরের মন্দিরের দ্বারের পাশে একটি আসনে বসেছিলেন।
10
তীব্র মনোবেদনায় ব্যাকুল হয়ে হান্না কাঁদতে কাঁদতে প্রভুর কাছে প্রার্থনা করতে লাগলেন।
11
তিনি মানত করে বললেন, হে সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বর, দেখ তোমার এই দাসীর দুর্দশা, ভুলো না আমায়, তোমার এই দাসীকে একটি পুত্র সন্তান দাও। যদি দাও, তবে চিরদিনের জন্য তাকে আমি তোমার উদ্দেশে নিবেদন করে দেব। তার মাথায় কখনও ক্ষুর স্পর্শ করা হবে না।
12
হান্না দীর্ঘ সময় ধরে প্রভু পরমেশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছিলেন বলে এলি তাঁর মুখভাব লক্ষ্য করছিলেন।
13
হান্না নীরবে প্রার্থনা করছিলেন, তাঁর ঠোঁট শুধু নড়ছিল,কিন্তু স্বর শোনা যাচ্ছিল না।
14
তাই এলি ভাবলেন তিনি সুরায় মত্ত হয়েছেন। তিনি তাঁকে বললেন, তুমি আর কতক্ষণ নেশার ঘোরে থাকবে? এবার সুরার প্রভাব মুক্ত হও।
15
হান্না বললেন, না গুরুদেব, তা নয়। আমি অতি দুঃখিনী নারী, সুরা কিম্বা উত্তেজক কোন পানীয় আমি গ্রহণ করিনি। আমি প্রভু পরমেশ্বরের কাছে আমার হৃদয়ের দুঃখ উজাড় করে দিচ্ছিলাম।
16
দয়া করে মনে করবেন না যে আপনার এই দাসী নীচ প্রকৃতির স্ত্রীলোক। গভীর দুঃখ ও তীব্র মনোবেদনায় কাতর হয়ে আমি এতক্ষণ ধরে বিনতি করছিলাম।
17
এলি তখন তাঁকে বললেন, তুমি শান্তিতে ফিরে যাও, ইসরায়েলের আরাধ্য ঈশ্বরের কাছে তুমি যা প্রার্থনা করলে, তিনি তা পূর্ণ করুন।
18
হান্না বললেন, আপনার এই দাসীর প্রতি কৃপাদৃষ্টি রাখবেন। হান্না তারপর ফিরে গিয়ে খাদ্য গ্রহণ করলেন। তাঁর মুখের বিষণ্ণতা দূর হল।
19
পরদিন ভোরে তাঁরা প্রভু পরমেশ্বরের উদ্দেশে প্রণতি জানিয়ে রামায়-তাঁদের নিজেদের বাড়িতে ফিরে গেলেন। এলকানা তাঁর স্ত্রী হান্নার সঙ্গে মিলিত হলে প্রভু পরমেশ্বর হান্নাকে অনুগ্রহ দান করলেন।
20
হান্না যথাসময়ে একটি পু্ত্রসন্তানেন জননী হলেন এবং তিনি বললেন, ‘প্রভু পরমেশ্বরের কাছে একে আমি চেয়েছি’-এই বলে তার নাম রাখলেন শমুয়েল।
21
পরের বৎসর এলকানা সপরিবারে প্রভু পরমেশ্বরের উদ্দেশে বার্ষিক বলি উৎসর্গ ও মানত পূর্ণ করতে গেলেন।
22
কিন্তু হান্না গেলেন না, তিনি তাঁর স্বামীকে বললেন, শিশুটি স্তন্যত্যাগ করা মাত্রই আমি প্রভু পরমেশ্বরের উদ্দেশে তাকে নিবেদন করে আসব, সে চিরকাল সেখানেই থাকবে।
23
তাঁর স্বামী এলকানা বললেন, তোমার যা ভাল মনে হয় তাই কর। শিশুটি স্তন্যত্যাগ না করা পর্যন্ত অপেক্ষা কর। প্রভু পরমেশ্বর তোমার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করুন। হান্না বাড়িতেই থাকলেন এবং স্তন্যত্যাগ না করা পর্যন্ত শিশুটিকে লালনপালন করতে লাগলেন।
24
শিশুটি স্তন্যত্যাগ না করলে হান্না তিন বৎসর বয়স্ক একটি বৃষ, এক এফা পরিমাণ ময়দা এবং দ্রাক্ষারস পূর্ণ একটি চর্মপাত্রসহ শিশুটিকে নিয়ে শীলোতে প্রভু পরমেশ্বরের মন্দিরে গেলেন।
25
শিশুটির বয়স তখন খুবই কম ছিল। বৃষ বলিদানের পর তাঁরা শিশুটিকে এলির কাছে নিয়ে গেলেন।
26
হান্না বললেন, গুরুদেব বিশ্বাস করুন, আমিই সেই নারী যে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে প্রভু পরমেশ্বরের কাছে বিনতি করেছিল।
27
এই শিশুটিকে কামনা করে আমি বিনতি করেছিলাম, প্রভু আমার প্রার্থিত ধন আমাকে দিয়েছেন।
28
তাই আমিও একে প্রভু পরমেশ্বরের উদ্দেশে ফিরিয়ে দিলাম। চিরদিনের জন্য একে প্রত্যর্পণ করা হল। তারপর তাঁরা সেখানে প্রভু পরমেশ্বরের উদ্দেশে প্রণতি জানালেন।
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 2 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31