bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
1 Samuel 20
1 Samuel 20
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 19
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 21 →
1
দাউদ নায়োথ থেকে যোনাথনের কাছে পালিয়ে এসে বললেন, আমি কি করেছি? কি আমার অপরাধ? আমি তোমার পিতার কি অনিষ্ট করেছি যে তিনি আমার প্রাণনাশের চেষ্টা করছেন?
2
যোনাথন তাঁকে বললেন, কখনও না, কোনক্রমে তোমার জীবনহানি হবে না। দেখ, আমার বাবা আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে ছোট বড় কোন কাজই করেন না, তবে বাবা আমার কাছে এ কথা কেন গোপন করবেন?
3
তোমার আশঙ্কা সত্য নয়। কিন্তু দাউদ শপথ করে আবার বললেন, তোমার বাবা ভাল করেই জানেন যে তুমি আমার উপর সদয়, তাই তিনি হয়তো ভাবছেন, যোনাথনকে এ বিষয়ে না জানানোই ভাল, সে হয়তো দুঃখ পাবে। কিন্তু জাগ্রত প্রভু পরমেশ্বরের দিব্য এবং তোমার দিব্য, মৃত্যুর ও আমার মাঝখানে মাত্র একটি পদক্ষেপের ব্যবধান।
4
তখন যোনাথন দাউদকে বললেন, তুমি যা করতে বলবে আমি তোমার জন্য তাই করব।
5
দাউদ বললেন, দেখ, আগামী কাল অমাবস্যা। আমাকে মহারাজের সঙ্গে ভোজে যোগদান করতেই হবে। কিন্তু তুমি আমাকে যেতে দাও, আমি তৃতীয় দিনের সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রান্তরে লুকিয়ে থাকব।
6
আমাকে দেখতে না পেয়ে যদি তোমার বাবা আমার খোঁজ করেন তবে বলবে যে দাউদের বাড়িতে তাদের গোষ্ঠীর বার্ষিক যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই সে তাড়াতাড়ি বেথলেহেমে বাড়ীতে যাওয়ার জন্য একান্তভাবে অনুমতি চাইল।
7
তিনি যদি বলেন ভাল, তবে বুঝবে তোমার এ দাসের কুশল, কিন্তু যদি তিনি রুষ্ট হন তাহলে জানবে যে তিনি আমার অনিষ্ট করাই স্থির করেছেন।
8
তুমি এখন তোমার এই দাসের প্রতি দয়া কর কারণ তুমি তোমার এই দাসের সঙ্গে এক পবিত্র সম্বন্ধ স্থাপন করেছ। যদি আমার কোন অপরাধ থাকে, তুমি নিজেই আমাকে হত্যা কর, তোমার বাবার কাছে আমাকে ধরিয়ে দিও না।
9
যোনাথন বললেন, এমন কখনও না হোক, বরং আমি যদি কোন ক্রমে জানতে পারি যে আমার বাবা যদি তোমার অনিষ্ট করাই স্থির করেছেন তাহলে আমি সে কথা নিশ্চয়ই তোমাকে বলে দেব।।
10
দাউদ বললেন, তোমার বাবা যদি তোমার সঙ্গে রাগতভাবে কথা বলেন তাহলে কে তা আমাকে জানাবে?
11
যোনাথন বললেন, চল আমরা বেরিয়ে প্রান্তরে যাই। তাঁরা দুজনে প্রান্তরে বেরিয়ে গেলেন।
12
যোনাথন দাউদকে বললেন, ইসরায়েলের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বর সাক্ষী, আগমীকাল কিম্বা পরশু এই সময়ে আমি বাবার সঙ্গে কথা বলে দেখব, যদি বুঝি তোমার পক্ষে অবস্থা ভাল তাহলে নিশ্চয়ই লোক পাঠিয়ে তোমাকে সে কথা জানাব।
13
কিন্তু যদি বুঝি যে তোমার অনিষ্ট করাই বাবার ইচ্ছা তাহলে নিশ্চয়ই আমি তোমাকে তা বলব এবং নিরাপদে তোমাকে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব। যদি না করি তবে প্রভু পরমেশ্বর যেন যোনাথনকে সর্বপ্রকার দণ্ডে দণ্ডিত করেন।
14
প্রভু পরমেশ্বর যেমন আমার বাবার সঙ্গে আছেন তেমনি তোমরাও সঙ্গে থাকুন। তিনি যেমন তোমার প্রতি দয়া করেছেন তেমনি যতদিন আমি জীবিত থাকব ততদিন তুমিও আমার প্রতি দয়া করবে।
15
আমাকে প্রাণে মারবে না। আমার বংশকেও কোন দিন তোমার দয়া থেকে বঞ্চিত করো না। প্রভু পরমেশ্বর যেদিন দাউদের শত্রুকুলের প্রত্যেককে ধরাপৃষ্ঠ থেকে উচ্ছিন্ন করবেন সেদিনও যেন যোনাথনের নাম দাউদের কুল থেকে লুপ্ত না হয়।
16
প্রভুই দাউদের শত্রুকুলের উপর প্রতিশোধ গ্রহণ করুন।
17
যোনাথন তখন তাঁর প্রতি দাউদের ভালবাসার দিব্য দিয়ে দাউদকে শপথ করালেন, কারণ দাউদ তাঁকে প্রাণের চেয়েও ভালবাসতেন।
18
যোনাথন দাউদকে বললেন, আগামীকাল অমাবস্যা, ভোজসভায় তোমার আসন শূন্য থাকলে তোমার খোঁজ করা হবে।
19
পরশু দিন আরও বেশী করে খোঁজ করা হবে। তখন তুমি আগে একদিন এই ব্যাপারে যেখানে লুকিয়েছিলে সেখানে যাবে এবং কাছাকাছি কোন পাথরের ঢিবির আড়ালে লুকিয়ে থাকবে।
20
আমি তার পাশে লক্ষ্যভেদ করার ছলে তিনটি তীর ছুঁড়ব।
21
আর আমার বালক ভৃত্যটিকে বলব, যাও, তীরগুলো কুড়িয়ে নিয়ে এস।যদি আমি তাকে বলি, তীরগুলো তোমার এপাশে আছে, তুলে নাও, তাহলে তুমি চলে আসবে, জাগ্রত প্রভু পরমেশ্বরের দিব্য তুমি নিরাপদ, ভয়ের কোন কারণ নেই।
22
কিন্তু আমি যদি ছেলেটিকে বলি, দেখ, তীরগুলো তোমার ওপাশে রয়েছে, তাহলে চলে যেও, জেনো প্রভুই তোমায় বিদায় দিচ্ছেন।
23
আর যে বিষয়ে তোমার সঙ্গে আমার কথা হল, জেন সে বিষয়ে তোমার এবং আমার মধ্যে প্রভু পরমেশ্বর চিরকাল মধ্যস্থ থাকবেন।
24
এই কথামত দাউদ প্রান্তরে গিয়ে লুকিয়ে রইলেন। অমাবস্যার দিন রাজা ভোজে যোগদান করলেন।
25
অন্যান্য দিনের মত তিনি দেওয়ালের কাছে নিজের আসনে বসলেন। যোনাথন তাঁর বিপরীত দিকে বসলেন। অবনের বসলেন শৌলের পাশে। দাউদের আসন শূন্য রইল।
26
শৌল সেদিন কিছুই বললেন না, তিনি ভাবলেন, হয়তো দাউদের কিছু হয়েছে, তার নিশ্চয় অশৌচচলছে।
27
কিন্তু দ্বিতীয় দিন, অমাবস্যার পরের দিনও দাউদের আসন শূন্য থাকায় তিনি যোনাথনকে জিজ্ঞাসা করলেন, যিশয়ের পুত্র কাল ও আজ কেন ভোজ সভায় আসেনি?
28
যোনাথন বললেন, দাউদ বেথলেহেমে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আমার কাছে একান্তভাবে অনুরোধ করেছিল।
29
সে আমাকে বলেছিল, দয়া করে আমাকে যেতে দাও। নগরে আমাদের গোষ্ঠীর জন্য একটি যজ্ঞের অনুষ্ঠান হবে, আমার দাদা সেখানে যেতে আমাকে আদেশ দিয়েছেন। তুমি যদি আমায় সত্যিই ভালবাস তাহলে অনুমতি দাও, আমি গিয়ে একবার আমার আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করে আসি।এই জন্যই সে মহারাজের ভোজসভায় আসতে পারেনি।
30
এ কথা শুনে শৌল যোনাথনের উপর রাগে জ্বলে উঠে বললেন, ওরে ভ্রষ্টা স্বেচ্ছাচারিণীর সন্তান, আমি বুঝেছি তুই নিজের আর তোর মায়ের নামে কলঙ্ক লেপন করার জন্যই যিশয়ের ছেলের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিস।
31
কিন্তু যিশয়ের ছেলে যতদিন এই পৃথিবীতে থাকবে ততদিন তোর ও তোর রাজত্বের কোন স্থিরতা নেই, তা জানিস? এক্ষুণি লোক পাঠিয়ে তাকে আমার কাছে ধরে আন, তাকে মরতেই হবে।
32
যোনাথন উত্তর দিলেন, কেন তাকে মরতে হবে? সে কি করেছে?
33
শৌল তাঁকে আঘাত করার জন্য বর্শা ছুড়ে মারলেন। যোনাথন বুঝতে পারলেন যে তাঁর পিতা দাউদকে হত্যা করার জন্য দৃঢ়সঙ্কল্প করেছেন।
34
যোনাথন তখন অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে ভোজসভা ত্যাগ করে বেরিয়ে গেলেন। মাসের দ্বিতীয় দিন তিনি কোন খাদ্য গ্রহণ করলেন না। কারণ দাউদের জন্য তাঁর মন উদ্বিগ্ন ছিল এবং তাঁর পিতাও তাঁকে অপমান করেছিলেন।
35
পরদিন সকালে যোনাথন প্রান্তরে দাউদের সঙ্গে যে স্থান নির্দিষ্ট করেছিলেন সেখানে গেলেন।
36
তাঁর সঙ্গে একটি ছোট ছেলে ছিল। তিনি ছেলেটিকে বললেন, আমি যে তীরগুলো ছুড়ব, তুই দৌড়ে গিয়ে সেগুলো কুড়িয়ে আনবি। ছেলেটি দৌড়াতে শুরু করলে তিনি তাকে ছাড়িয়ে সামনের দিকে তীর ছুঁড়লেন।
37
ছেলেটি তাঁর নিক্ষিপ্ত তীরের কাছে উপস্থিত হলে তিনি তাকে ডেকে বললেন, তীরগুলো তোর সামনের দিকে ওপাশে নেই কি?
38
তিনি তাকে ডেকে বললেন, শিগগির চলে আয়, দেরী করিস না।
39
ছেলেটি তীরগুলো কুড়িয়ে তার প্রভু যোনাথনের কাছে নিয়ে এল, এ সবের কিছুই সে বুঝতে পারল না, কেবল যোনাথন ও দাউদই ব্যাপারটা জানতেন।
40
যোনাথন তাঁর অস্ত্রশস্ত্র ছেলেটিকে দিয়ে বললেন, এগুলো নিয়ে নগরে চলে যা।
41
ছেলেটি চলে যাওয়ামাত্র দাউদ পাথরের ঢিবির আড়াল থেকে উঠে দাঁড়ালেন এবং মাটিতে উপুড় হয়ে পড়ে তিনবার প্রণিপাত করলেন।
42
তাঁরা দুইজনে পরস্পরকে চুম্বন করলেন এবং কাঁদতে লাগলেন। দাউদ কান্নায় খুব ভেঙ্গে পড়েছিলেন। তারপর যোনাথন দাউদকে বললেন, ঈশ্বর তোমার সহবর্তী, ভালোয় ভালোয় যাও। আমরা দুজনে তো প্রভু পরমেশ্বরের নামে দিব্য করেছি, প্রভু চিরকাল আমার ও তোমার, আমার বংশের ও তোমার বংশের মধ্যে মধ্যস্থ থাকবেন। তখন দাউদ বিদায় নিলেন, যোনাথনও নগরে ফিরে এলেন।
← Chapter 19
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 21 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31