bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Exodus 13
Exodus 13
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 14 →
1
প্রভু পরমেশ্বর মোশিকে বললেন,
2
ইসরায়েলী সমাজের প্রত্যেকটি জ্যেষ্ঠ সন্তান, প্রত্যেকটি প্রথমজাত সন্তানকে আমার উদ্দেশে উৎসর্গ করতে হবে। মানুষের হোক বা পশুরই হোক, প্রত্যেকটি প্রথম সন্তান আমার।
3
মোশি ইসরায়েলীদের বললেন, আজকের এই দিনটি তোমরা বিশেষভাবে স্মরণে রাখবে। এই দিন তোমরা দাসত্বের আগার মিশর ছেড়ে বেরিয়ে এসেছ, প্রভু পরমেশ্বর মহাপরাক্রমে তোমাদের উদ্ধার করেছেন। এই দিনে খামিরযুক্ত কোন কিছুই খাওয়া চলবে না।
4
আবির মাসের এই দিনে তোমাদের যাত্রা সুরু হল।
5
প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের পূর্বপুরুষদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে কনানী, হিত্তীয়, ইমোরী, হিব্বীয় এবং যিবুষী প্রভৃতি জাতি যে দেশে বাস করে, সুজলা-সুফলা সমৃদ্ধিশালী সেই কনান দেশ তিনি তোমাদের দান করবেন। প্রভু পরমেশ্বর যখন সেই দেশে তোমাদের নিয়ে যাবেন তখন সেখানেও তোমরা এই মাসে এই অনুষ্ঠান পালন করবে।
6
সাতদিন তোমরা খামিরবিহীন রুটি খাবে এবং সপ্তম দিনে পরমেশ্বরের সম্মানার্থে উৎসব করবে।
7
সাতদিন তোমাদের খামিরবিহীন রুটি খেতে হবে, ঐ সময়ে সারা দেশে খামিরযুক্ত কোন দ্রব্য কিংবা খামির যেন দেখতে পাওয়া না যায়।
8
ঐ দিন তোমরা তোমাদের সন্তানসন্ততিদের বলবে মিশর ছেড়ে চলে আসার দিন প্রভু পরমেশ্বর আমাদের জন্য যা করেছিলেন তারই স্মরণে এই অনুষ্ঠান।
9
প্রভু পরমেশ্বরের নির্দেশ যাতে সর্বদা তোমাদের ওষ্ঠাগ্রে থাকে সেই জন্য হাতে ও কপালে ধারণ করা স্মারক চিহ্নের মতই এই অনুষ্ঠান হবে তোমাদের কাছে স্মারক স্বরূপ। কারণ প্রভু পরমেশ্বর মহাপরাক্রম প্রকাশ করে মিশর থেকে তোমাদের উদ্ধার করেছেন।
10
এই বিধি অনুযায়ী প্রতি বৎসর নির্দিষ্ট সময়ে তোমার এই অনুষ্ঠান পালন করবে।
11
তোমাদের পূর্বপুরুষ ও তোমাদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের কনান দেশে নিয়ে যাবেন ও, সেই দেশ তোমাদের দান করবেন।
12
তোমরা কিন্তু তখন তোমাদের সমস্ত প্রথম সন্তানকে প্রভু পরমেশ্বরের উদ্দেশে উৎসর্গ করো। তোমাদের পশুপালের প্রথমজাত পুং শাবকগুলিও প্রভু পরমেশ্বরের হবে।
13
প্রথমজাত পুং গর্দভ শাবকগুলিও তোমরা মেষ কিম্বা ছাগশিশুর বিনিময়ে মুক্ত করতে পার। যদি মুক্ত না কর তাহলে সেগুলির ঘাড় ভেঙ্গে ফেলবে। প্রথমজাত পুত্র-সন্তানদের তোমরা মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত করবে।
14
পরবর্তীকালে তোমাদের সন্তানসন্ততিরা যখন জিজ্ঞাসা করবে, এ সবের অর্থ কি? তখন তোমরা তাদের বলবে, প্রভু পরমেশ্বর নিজ শক্তিতে দাসত্বের আগার মিশর থেকে আমাদের উদ্ধার করে এনেছিলেন।
15
উদ্ধত ফারাও আমাদের মুক্তি দিতে অস্বীকার করেছিল, প্রভু পরমেশ্বর তখন মিশরের মানুষ ও পশুকুলের প্রথমজাত সমস্ত সন্তানকে সংহার করেছিলেন। এই কারণেই আমরা প্রথমজাত সন্তান যদি পুরুষ হয় তবে তাকে প্রভুর উদ্দেশে উৎসর্গ করি, আর জ্যেষ্ঠ পুত্রকে আমরা পণ দিয়ে মুক্ত করি।
16
প্রভু পরমেশ্বরের এই মহান কীর্তি স্মরণে রাখার জন্য এর প্রতীক চিহ্ন তোমরা হাতে ও কপালে ধারণ করবে। কারণ প্রভু পরমেশ্বর নিজ পরাক্রমে মিশর থেকে আমাদের উদ্ধার করেছিলেন।
17
ফারাও ইসরায়েলীদের মুক্তি দেওয়ার পর ঈশ্বর তাদের ফিলিস্তিনীদের দেশের মধ্যে দিয়ে নিয়ে গেলেন না, যদিও সেই পথেই কনানের দূরত্ব ছিল সবচেয়ে কম। কারণ ঈশ্বর মনে করলেন, পথে যুদ্ধবিগ্রহের সম্মুখীন হলে ইসরায়েলীরা হয়তো মত পরিবর্তন করে আবার মিশরে ফিরে যাবে।
18
তাই ঈশ্বর তাদের ঘুর-পথে প্রান্তরের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দিকে পরিচালিত করলেন। সশস্ত্র ইসরায়েলীরা ব্যূহ রচনা করে মিশর ছেড়ে এগিয়ে চলল।
19
মোশি যোষেফের অস্থিগুলি সঙ্গে নিলেন, কারণ যোষেফ এ ব্যাপারে ইসরায়েলীদের শপথ করিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি তাদের বলেছিলেন, ঈশ্বর একদিন নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতি সদয় হবেন, সেদিন তোমরা যখন এখান থেকে চলে যাবে তখন আমার অস্থিগুলি সঙ্গে নিয়ে যেও।
20
ইসরায়েলীরা সুক্কোত থেকে রওনা হয়ে প্রান্তরের সীমান্তে এথসে এসে শিবির স্থাপন করল।
21
যাত্রাপথে ঈশ্বর সর্বদা তাদের অগ্রবর্তী থাকতেন। দিনে তিনি মেঘপুঞ্জ থেকে তাদের পথ নির্দেশ করতেন এবং রাতে অগ্নিস্তম্ভের মধ্য থেকে আলোক বিতরণ করতেন, ফলে তারা দিনে ও রাতে সব সময়েই পথ চলতে পারত।
22
ইসরায়েলীদের সম্মুখ থেকে দিনের মেঘপুঞ্জ ও রাতের অগ্নিস্তম্ভ কখনোই অপসৃত হত না।
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 35
Chapter 36
Chapter 37
Chapter 38
Chapter 39
Chapter 40
Chapter 14 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40