bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Mark 10
Mark 10
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 9
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 11 →
1
যীশু সেখান থেকে চলে গেলেন যিহুদীয়া অঞ্চলে জর্ডনের ওপারে। সেখানে আবার লোক জমা হল তাঁর কাছে। তিনি যথারীতি তাদের উপদেশ দিতে লাগলেন।
2
ফরিশীরা তাঁর কাছে এলেন তাঁকে যাচাই করতে। তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, কোন ব্যক্তিরর পক্ষে স্ত্রীকে পরিত্যাগ করা কি বিধানসম্মত?
3
যীশু বললেন, মোশি তোমাদের কি আদেশ দিয়েছেন?
4
তাঁরা বললেন, মোশি ত্যাগপত্র লিখে স্ত্রীকে ত্যাগ করার অনুমতি দিয়েছেন।
5
যীশু তাঁদের বললেন, তোমাদের হৃদয় কঠোর বলেই তিনিই এই আজ্ঞা লিখে গেছেন।
6
কিন্তু সৃষ্টির শুরুর থেকেই ‘ঈশ্বর মানুষকে নর ও নারীরূপেই সৃষ্টি করেছন।’
7
‘এইজন্যই পুরুষ তার পিতামাতাকে পরিত্যাগ করে স্ত্রীর প্রতি আসক্ত হবে
8
এবং তারা দুজনে হবে একাঙ্গ।’ সুতরাং তারা আর দুজন নয়, একজন।
9
ঈশ্বর যাদের যুক্ত করেছেন, মানুষ তাদের বিচ্ছিন্ন না করুক।
10
বাড়িতে গিয়ে শিষ্যেরা যীশুকে এ বিষয়ে আবার জিজ্ঞাসা করলেন।
11
যীশু তাঁদের বললেন, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে পরিত্যাগ করে আর একজনকে বিবাহ করে সে স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অপরাধ করে
12
এবং স্ত্রী যদি স্বামীকে পরিত্যাগ করে অন্য একজনকে বিবাহ করে, তাহলে সেও ব্যভিচার করে।
13
লোকেরা যীশুর কাছে ছেলেমেয়েদের আনতে লাগল যেন তিনি তাদের স্পর্শ করেন। এতে শিষ্যেরা তাদের তিরস্কার করতে লাগলেন।
14
এই দেখে যীশু বিরক্ত হয়ে তাঁদের বললেন, শিশুদের আমার কাছে আসতে দাও, বাধা দিও না ওদের। ঈশ্বরের রাজ্য এদের মত লোকদের জন্যই।
15
সত্যিই আমি তোমাদের বলছি, শিশুর মত হয়ে যে ঈশ্বরের রাজ্যকে গ্রহণ না করে, সে সেখানে প্রবেশ করতে পারবে না।
16
যীশু তাদের কোলে নিয়ে তাদের মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করেলন।
17
যীশু আবার যাত্রা শুরু করলেন, এমন সময় একটি লোক এসে তাঁর সামনে নতজানু হয়ে বলল, সদ্গুরু, কি করলে আমি শাশ্বত জীবনের অধিকারী হব?
18
যীশু তাকে বললেন, তুমি আমাকে সৎ বলছ কেন? একমাত্র ঈশ্বর ছাড়া সৎ আর কেউ নেই।
19
সমস্ত অনুশাসন তুমি জান, ‘নরহত্যা করো না, ব্যভিচার করো না, চুরি করো না, মিথ্যা সাক্ষ্য দিও না, কাউকে প্রবঞ্চনা করো না, মাতাপিতাকে সম্মান করো।’
20
সে তখন যীশুকে বলল, গুরুদেব, এ সমস্তই তো আমি ছোটবেলা থেকে পালন করে আসছি।
21
যীশু সস্নেহে তার দিকে চেয়ে দেখলেন, বললেন, তোমার একটি জিনিষের অভাব রয়েছে। যাও, যা কিছু তোমার আছে, সমস্ত বিক্রী করে গরীবদের বিলিয়ে দাও, তাহলে স্বর্গে তোমার জন্য ঐশ্বর্য সঞ্চিত হবে। তারপর এস, আমার অনুগামী হও।
22
এ কথায় তার মুখ বিষণ্ণ হয়ে উঠল, ক্ষুণ্ণ মনে সে চলে গেল, কারণ তার প্রচুর ধন-সম্পত্তি ছিল।
23
যীশু তখন চারিদিকে তাকিয়ে শিষ্যদের বললেন, ধন-সম্পত্তি যাদের আছে, তাদের পক্ষে ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করা কত দুরূহ।
24
শিষ্যেরা তাঁর এ কথায় অবাক হয়ে গেলেন। যীশু তাঁদের আবার বললেন, বৎসেরা, ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করা কত কঠিন!
25
একটি সূচের ছিদ্রপথে উটের প্রবেশ করাবরং সহজ কিন্তু ধনবানের পক্ষে ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করা কঠিন।
26
তাঁরা এতে খুবই অবাক হয়ে গেলেন এবং নিজেদের মধ্যে বলতে লাগলেন, তাহলে পরিত্রাণ কে পাবে?
27
যীশু তাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেন, মানুষের পক্ষে এ কাজ সাধ্যের অতীত কিন্তু ঈশ্বরের পক্ষে নয়। ঈশ্বরের পক্ষে সবকিছুই সম্ভব।
28
পিতর তাঁকে বললেন, দেখুন, আমরা সব কিছু ত্যাগ করে আপনার অনুগামী হয়েছি।
29
যীশু বললেন, সত্যিই আমি তোমাদের বলছি, আমার জন্য ও সুসমাচারের জন্য যারা গৃহত্যাগ করেছে, ভাই-বোন, মা-বাবা, ছেলেমেয়ে, জমিজমা ত্যাগ করে এসেছে তাদের এন একজনও নেই যে
30
ইহজীবনেই তার শতগুণ ফিরে পাবে না। সে ইহজীবনেই ঘরবাড়ি, ভাই-বোন, মা-বাবা, ছেলেমেয়ে, জমিজমা লাভ করবে এবং সেই সঙ্গে নির্যাতনও ভোগ করবে। আগাম যুগে সে লাভ করবে অনন্ত জীবন।
31
কিন্তু যারা প্রথমে রয়েছে তাদের অনেকেই শেষে পড়বে এবং যারা শেষে রয়েছে তারা হবে অগ্রগণ্য।
32
শিষ্যদের রনিয়ে যীসু জেরুশালেমের পথে চলেছেন, যীশু চলেছেন তাঁদের আগে আগে। শিষ্যেরা এতে উৎকণ্ঠিত হলেন এবং যারা পিছনে আসছিল তারা ভয় পেল। যীশু তাঁর বারোজন সিষ্যকে আবার একান্তে নিয়ে গিয়ে তাঁর উপর যা কিছু ঘটবে সে কথা বলতে আরম্ভ করলেন। বললেন,
33
দেখ, আমরা চলেছি জেরুশালেমে। সেখানে মানবপুত্রকে নেতৃস্থানীয় পুরোহিত ও শাস্ত্রীদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হবে। তারা তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে বিজাতীয়দের হাতে তুলে দেবে।
34
তারা তাঁকে বিদ্রূপ করবে, গায়ে থুতু দেবে, কশাঘাত করবে তারপর হত্যা করবে। কিন্তু তিনদিন পরে তিনি পুনরুত্থিত হবেন।
35
সিবদিয়ের পুত্র যাকোব আর যোহন যীশুর কাছে এসে বললেন, গুরুদেব, আমাদের ইচ্ছা, আমরা যা চাইব, আপনি আমাদের জন্য তাই করবেন।
36
তিনি তাঁদের বললেন, তোমাদের জন্য আমাকে কি করতে বল?
37
তাঁরা তাঁকে বললেন, আপনি যখন মহিমান্বিত হবেন, সেই সময় আমাদের একজনকে আপনার ডানদিকে আর একজনকে আপনার বাঁদিকে বসার অধিকার দিন।
38
যীশু তাঁদের বললেন, তোমরা জান না তোমরা কি চাইছ। যে পেয়ালায় আমি পান করব, পারবে কি তোমরা সেই পেয়ালা থেকে পান করতে? অথবা যে বাপ্তিষ্ম আমি গ্রহণ করব, পারবে কি তোমরা সেই বাপ্তিষ্ম গ্রহণ করতে?
39
তাঁরা যীশুকে বললেন, পারব। যীশু তাঁদের বললেন, যে পেয়ালায় আমি পান করব তোমরাও সেই পেয়ালায় পান করবে, যে বাপ্তিষ্ম আমি গ্রহণ করব সেই বাপ্তিষ্ম তোমরাও গ্রহণ করবে
40
কিন্তু আমার ডানদিকে বা বাঁদিকে বসতে দেওয়ার অধিকার আমার নেই। যাদের জন্য সেই স্থান নির্ধারিত হয়েছে, তারাই এই অধিকার পাবে।
41
একথা শুনে অন্য দশজন শিষ্য যাকোব আর যোহনের উপর খুব বিরক্ত হলেন।
42
যীশু তাঁদের কাছে ডেকে বললেন, তোমরা জান যে, যারা অন্যান্য জাতির শাসনকর্তারূপে পরিগণিত, তারা প্রজাদের উপরে কর্তৃত্ব করে, আবার শাসন কর্তাদের মধ্যে যারা প্রধান, তারা তাদের উপর কর্তৃত্ব করে।
43
তোমাদের মধ্যে কিন্তু তেমন হবে না। তোমাদের মধ্যে কেউ যদি প্রধান হতে চায় তাহলে তাকে পরিচারক হতে হবে
44
এবং কেউ যদি অগ্রগণ্য হতে চায় তাহলে তাকে হতে হবে সকলের দাস।
45
কারণ মানবপুত্রও সেবা পেতে আসেননি, এসেছেন সেবা করতে, বহুজনের মুক্তিপণরূপে নিজের প্রাণ দান করতে।
46
তাঁরা তারপর গেলেন জেরিকোতে। শিষ্য এবং লোকজনদের সঙ্গে জেরিকো থেকে যীশু যখন চলে যাচ্ছিলেন, সেই সময় তীময়ের পুত্র অন্ধ ভিক্ষুক বর্তীময় রাস্তার ধারে বসেছিল।
47
সে শুনতে পেল যে ইনি নাসরতের যীসু, তখন সে চীৎকার করে বলতে লাগল, হে যীশু, দাউদ কুলতিলক, আমায় দয়া করুন।
48
অনেক লোক তাকে ধমক দিয়ে চুপ করতে বলল, সে কিন্তু আরও বেশি চীৎকার করে বলতে লাগল, হে দাউদ কুলতিলক! আমায় দয়া করুন।
49
যীশু থেমে দাঁড়ালেন। বললেন, ওকে ডাক। তারা তখন অন্ধ লোকটিকে ডেকে বলল, ভয় নেই! ওঠ, উনি তোমাকে ডাকছেন।
50
সে নিজের জামা ছুঁড়ে ফেলে লাফিয়ে উঠে যীশুর কাছে এল।
51
যীশু তাকে বললেন, তুমি কি চাও, তোমার জন্য আমি কি করব? অন্ধ লোকটি বলল, গুরুদেব, আমি যেন দেখতে পাই।
52
যীশু তাকে বললেন, যাও, তোমার বিশ্বাসের জন্যই তুমি সুস্থ হলে। সঙ্গে সঙ্গে সে দৃষ্টি লাভ করল এবং সেই পথেই তাঁর পিছনে চলল।
← Chapter 9
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 11 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16