bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Mark 9
Mark 9
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 10 →
1
যীশু তাঁদের বললেন, সত্যই আমি তোমাদের বলছি, যারা আজ এখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে তাদের মধ্যে এমন কেউ কেউ আছে যারা সপরাক্রমে ঈশ্বরের রাজ্যের আগমন না দেখা পর্যন্ত মৃত্যুর স্পর্শ লাভ করবে না।
2
এর ছয়দিন পরে যীশু পিতর, যাকোব ও যোহনকে সঙ্গে নিয়ে নিরালায় এক উঁচু পাহাড়ে গেলেন। তাঁদের সামনেই তাঁর রূপান্তর হল।
3
তাঁর বসন হয়ে উঠল উজ্জ্বল ও শুভ্র। পৃথিবীর কোন রজক কাপড় এত সাদা করতে পারে না।
4
তারপর সেখানে মোশি এবং এলিয় আবির্ভূত হয়ে যীশুর সঙ্গে কথা বলতে লাগলেন।
5
পিতর তখন যীশুকে বললেন, গুরুদেব, আমরা এখানে থাকলেই ভাল হয়। এখানে আমরা তিনটে তাঁবু খাটাই, একটা আপনার জন্য, একটা মোশির জন্য, আর একটা এলিয়ের জন্য।
6
তাঁরা এত ভয় পেয়েছিলেন যে বুঝতে পারেননি কি বলা উচিত।
7
এমন সময় একখণ্ড মেঘ এসে তাঁদের ঢেকে ফেলল এবং সেই মেঘ থেকে ভেসে এল একটি কণ্ঠস্বর: ইনিই আমার প্রিয় পুত্র, এঁর কথা শোন।
8
সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা চেয়ে দেখলেন চারিদিকে। কিন্তু যীশুকে ছাড়া আর কাউকে তংআদের সঙ্গে দেখতে পেলেন না।
9
পাহাড় থেকে নেমে আসার সময় যীশু তাঁদের নিষেধ করে দিলেন যেন মৃতলোক থেকে মানবপুত্র পুনরুত্থিত না হওয়অ পর্যন্ত তাঁরা এই দর্শনের কথা কাউকে না বলেন।
10
সুতরাং তাঁরা এই ব্যাপারটি গোপন রাখলেন এবং মৃতলোক থেকে পুনরুত্থিত হওয়অর কি অর্থ হতে পারে এই নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে লাগলেন।
11
তাঁরা যীশুকে জিজ্ঞাসা করলেন, শাস্ত্রীরা কেন বলেন যে, এলিয়ই প্রথমে আসবেন?
12
যীশু তাঁদের বললেন, এলিয়ই প্রথমে এসে সব কিছু প্রস্তুত করবেন। তাহলে কেন শাস্ত্রে লেখা আছে যে মানবপুত্রকে বহু যন্ত্রণাভোগ করতে হবে এবং অবজ্ঞাত হতে হবে।
13
কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, এলিয় এসে গেছেন এবং তাঁর সম্বন্ধে শাস্ত্রে যেমন লেখা আছে সেইভাবে তারা তাঁর সঙ্গে যথেচ্ছ ব্যবহার করেছে।
14
অন্য শিষ্যদের কাছে ফিরে এসে তাঁরা দেখলেন বিরাট এক জনতা ঘিরে রয়েছে তাঁদের এবং শাস্ত্রীরা তাঁদের সঙ্গে তর্ক করছেন।
15
যীশুকে দেখতে পেয়ে সকলে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে গেল। ছুটে গিয়এ তাঁকে অভিবাদন জানাল।
16
তিনি শিষ্যদের জিজ্ঞাসা করলেন, ওদের সঙ্গে তোমরা কি নিয়ে তর্ক করছ?
17
ভিড়ের মধ্য থেকে একজন বলল, গুরুদেব, আমার ছেলেটাকে আপনার কাছে এনেছিলাম। ওকে অশুচি আত্মায় পেয়েছে। তাই সে বোবা হয়ে আছে।
18
সে যখন ওর উপর ভর করে তখন ওকে আছাড় দিয়ে ফেলে দেয়। ওর মুখ থেকে তখন ফেনা বার হতে থাকে, দাঁত কড়মড় করে, আর ওর শরীর আড়ষ্ট হয়ে যায়। আমি আপনার শিষ্যদের অশুচি আত্মাটাকে ছাড়িয়ে দিতে বলেছিলাম কিন্তু ওঁরা পারেননি।
19
যীশু তাঁদের বললেন, হে বিস্বাসহীন যুগের মানুষ আর কতদিন আমি তোমাদের সঙ্গে থাকব? কতদিন তোমাদের জন্য ধৈর্য ধরে থাকব? নিয়ে এস ওকে আমার কাছে।
20
তারা ছেলেটিকে নিয়ে এল। যীশুকে দেখতে পেয়েই অশুচি আত্মাটা ছেলেটিকে খুব জোরে মুচড়ে ধরল। সে মাটিতে পড়ে গড়াগড়ি দিতে লাগল, ওর মুখ থেকে ফেনা বার হতে লাগল।
21
ছেলেটির বাবাকে যীশু জিজ্ঞাসা করলেন, কতদিন থেকে ওর এরকম হচ্ছে? সে বলল, ছেলেবেলা থেকেই।
22
বহুবার ছেলেটাকে ও মেরে ফেলার জন্য আগুনে ও জলে ফেলে দিয়েছে। আপনি যদি কিছু করতে পারেন দেখুন, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।
23
যীশু তাকে বললেন, ‘যদি পারেন’ কেন? যে বিশ্বা করে তার জন্য সবই করা সম্ভব।
24
ছেলেটির বাবা চীৎকার করে বলল, আমি বিশ্বাস করতে চাই, আমার অবিশ্বাস দূর করুন।
25
যীশু যখন দেখলেন, ভিড়ের সমস্ত লোক চেপে পড়ছে তখন তিনি সেই অশুচি আত্মাকে ধমক দিয়ে বললেন, হে মূক ও বধির অশুচি আত্মা, আমি আদেশ দিচ্ছি, বেরিয়ে এস ওর ভেতর থেকে, আর কখনও এর উপর ভর করো না।
26
তখন সে চীৎকার করে ছেলেটিকে মারাত্মকভাবে মুচড়ে দিয়ে বেরিয়ে গেল। ছেলেটা মরার মত পড়ে রইল। তাই দেখে অনেকে বলতে লাগল, ও মরে গেছে।
27
কিন্তু যীশু তাকে হাত ধরে তুললেন, সে উঠে দাঁড়াল।
28
বাড়িতে যাবার পর শিষ্যেরা যীশুকে গোপনে জিজ্ঞাসা করলেন, কেন আমরা ঐ আত্মাটাকে ছাড়াতে পারলাম না?
29
যীশু তাঁদের বললেন, এই ধরণের আত্মা প্রার্থনা ছাড়া তাড়ানো যায় না।
30
তাঁরা সেই স্থান ত্যাগ করে গালীল পেরিয়ে চলে গেলেন। তিনি চাননি যে কেউ সে কথা জানুক।
31
সেইসময় তিনি তাঁর শিষ্যদের শিক্ষা দিচ্ছিলেন। তিনি তাঁদের বললেলন, মানবপুত্র মানুষের কবলে পড়তে চলেছেন। তারা তাঁকে হত্যা করবে কিন্তু নিহত হওয়ার তিনদিন পরে তিনি পুনরুত্থিত হবেন।
32
শিষ্যেরা তাঁর কথা বুঝতে পারলেন না কিন্তু তাঁকে সে কথা জিজ্ঞাসা করতেও ভয় পেলেন।
33
তাঁরা এলেন কফরনাউমে। বাড়ির ভেতরে যাবার পর যীশু শিষ্যদের জিজ্ঞাসা করলেন, পথে তোমরা কি আলেআচনা করছিলে?
34
তাঁরা চুপ করে রইলেন কারণ তাদের মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ —এই নিয়ে পথে তাঁরা তর্কাতর্কি করছিলেন।
35
তিনি তখন আসন গ্রহণ করে বারোজনকে ডেকে বললেন, যদি কেউ প্রথম হতে চায় তাহলে তাকে থাকতে হবে সবার শেষে, তাকে হতে হবে সকলের সেবক।
36
তিনি একটি শিশুকে এনে তাঁদের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে দিলেন তারপর তাকে কোলে নিয়ে বললেন,
37
এর মত একটি শিশুকে যে কেউ আমার নামে গ্রহণ করে সে আমাকেই গ্রহণ করে এবং যে কেউ আমাকে গ্রহণ করে সে শুধু আমাকে নয়, কিন্তু যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন তাঁকেই বরণ করে।
38
যোহন যীশুকে বললেন, গুরুদেব, আমরা একটি লোককে আপনার নামে ভূত ছাড়াতে দেখেছি। আমরা তাকে এ কাজ করতে বারণ করেছি, কারণ সে আমাদের কেউ নয়।
39
কিন্তু যীশু বললেন, নিষেধ করো না তাকে কারণ আমার নামে অলৌকিক কাজ করার পর কেউ আমার দুর্নাম করতে পারে না।
40
যে আমাদের বিপক্ষে নয় সে আমাদের সপক্ষে। সত্যই আমি তোমাদের বলছি,
41
তোমরা খ্রীস্টের অনুগামী বলেল কেউ যদি তোমাদের এক ঘটি জলও খেতে দেয় তাহলেও সে পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হবে না।
42
এই নগণ্য ব্যক্তিরা, যারা বিশ্বাসে আমাকে আশ্রয় করেছে, তাদের কোন একজনেরও বিশ্বাসে কেউ যদি ব্যাঘাত ঘটায় তাহলে তার গলায় ভারী যাঁতা বেঁধে সমুদ্রে ফেলে দেওয়াই তার পক্ষে ভাল।
43
যদি তোমার হাত তোমাকে পাপে প্রলুব্ধ করে, তাহলে সে হাত কেটে ফেল। কারণ দুই হাত নিয়ে নরকের জ্বলন্ত আগুনে পড়ার চেয়ে অঙ্গহীন হয়ে অনন্ত জীবনে প্রবেশ করা তোমার পক্ষে ভাল।
44
(নরকে কীট তাদের অনন্তকাল ধরে খেতে থাকে আর আগুন জ্বলে অনন্তকাল।)
45
যদি তোমার পা তোমার পতন ঘটায় তাহলে কেটে ফেল সেই পা। দুই পা নিয়ে নরকে নিক্ষিপ্ত হওয়অর চেয়ে খঞ্জ হয়ে অনন্ত জীবনে প্রবেশ করা ভাল।
46
(নরকে কীট তাদের অনন্তকাল ধরে খেতে থাকে অর আগুন জ্বলেল অনন্তকাল।)
47
যদি তোমার চোখ তোমাকে পাপে প্রবৃত্ত করে তাহলে তা উপড়ে ফেল। দুচোখ নিয়ে নরকে নিক্ষিপ্ত হওয়অর চেয়ে একটি চোখ নিয়ে ঈশ্বরের রাজে প্রবেশ করা ভাল।
48
নরকে কীটের মৃত্যু নেই, আগুন সেখানে কখন্য নেভে না।
49
অগ্নিদহনে প্রত্যেককে শুচিশুদ্ধ হতে হবে, যেমন নিবেদিত বলিকে লবণাক্ত করে শুচি করা হয়।
50
লবণ ভাল জিনিষ কিন্তু লবণ যদি লবণত্ব হারায় তাহলে কি করে তোমরা তার লবণত্ব ফিরিয়ে আনবে? তোমাদের অন্তর লবণময় হোক এবং পরস্পর শান্তিতে থাক।
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 10 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16