bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Mark 4
Mark 4
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 3
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 5 →
1
যীশু আবার সাগরের তীরে গিয়ে লোকদের শিক্ষা দিতে আরম্ভ করলেন। বিরাট জনতা বিড় করে এল তাঁর কাছে। যীশু একটা নৌকায় উঠে বসলেন এবং জনতা রইল সাগরের কিনারায়।
2
যীশু উপমার ছলে তাদের অনেক বিষয় শিক্ষা দিলেন। এই প্রসঙ্গে তিনি তাদের বললেন,
3
শোন! একজন চাষী মাঠে বীজ বুনতে গেল।
4
বুনবার সময় কিছু বীজ পড়ল পথের উপর, পাখিরা এসে সেগুলি খেয়ে নিল।
5
কিছু বীজ পড়ল পাথুরে জমিতে, সেখানে বেশি মাটি ছিল না। মাটির গভীরতা না থাকায় বীজগুলি তাড়াতাড়ি অঙ্কুরিত হল।
6
তারপর সূর্য উঠলে চারাগুলো ঝলসে গেল, শিকড় না থাকায় শুকিয়ে গেল।
7
কিছু বীজ পড়লল কাঁটাঝোপের মধ্যে। কাঁটাঝোপ বেড়ে উঠে গাছগুলিকে চেপে ধরল, কাজেই সেগুলিতে আর ফসল ফলল না।
8
কিছু বীজ পড়ল ভাল জমিতে। সেগুলি অঙ্কুরিত হল, বেড়ে উঠল, ফসল ফলল তাতে। কেউ ত্রিশগুণ, কেউ ষাটগুণ, কেউ বা শতগুল ফসল দিল।
9
যীশু বললেন, যার শোনার মত কান আছে সে শুনুক এ কথা।
10
যীশু যখন একলা ছিলেন সেইসময় শ্রোতাদের মধ্যে কিছু লোক যীশুর বারোজন শিষ্যের সঙ্গে তাঁর কাছে এসে এই উপাখ্যানের মর্ম জানতে চাইল।
11
যীশু তাদের বললেন, ঈশ্বরের রাজ্যের নিগূঢ়তত্ত্ব তেআমাদের জানতে দেওয়া হয়েছে কিন্তু বাইরের যারা, তাদের কাছে তা উপমার মাধ্যমেই ব্যক্ত হয়েছে,
12
কারণ তারা দেখেও দেখতে পায় না, শুনেও বুঝতে পারে না। যদি পারত তাহলে তারা ফিরে এসে ক্ষমা লাভ করত।
13
যীশু তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা এই উপমাটি বুঝতে পারলে না? তাহলে অড়্য সব উপমার অর্থ কি করে বুঝবে?
14
বপনকারী ঈশ্বরের বাক্য বপন করে।
15
পথের ধারে পড়া বীজ বলতে সেই শ্রোতাদের বোঝায় যাদের অন্তরে বাক্যরূপ বীজ বপন করার সঙ্গে সঙ্গে শয়তান এসে তা হরণ করে নিয়ে যায়।
16
পাথুরে জমিতে বপন করা বলতে তাদেরই বোঝায় যারা ঈশ্বরের বাক্য শোনার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করে
17
কিন্তু তাদের অন্তরে মূল থাকে না তাই তা হয় ক্ষণস্থায়ী। ঈশ্বরের এই বাক্যের জন্য তাদের জীবনে দুঃখ-নির্যাতন এলে তৎক্ষণাৎ তাদের পতন হয়।
18
কাঁটাঝোপের মধ্যে বোনা বলতে তাদেরই বোঝায় যারা বাক্য শোনে
19
কিন্তু জাগতিক চিন্তাভাবনা, ধনসম্পত্তি এবং সাংসারিক সুখভোগের আসক্তিতে ঈশ্বরের বাক্য চাপা পড়ে যায়, তখন তাতে আর ফসল হয় না।
20
ভাল মাটিতে বোনা বলতে তাদেরই বোঝায় যারা বাক্য শোনে, তা গ্রহণ করে এবং কেউ ত্রিশগুণ, কেউ ষাটগুণ ও কেউ বা শতগুণ ফসল ফলায়।
21
যীশু বললেন, প্রদীপ জ্বালা হয় কি পাত্র দিয়ে ঢেকে রাখার জন্য, না খাটের তলায় রাখার জন্য? বাতিদানের উপরে রাখার জন্যই কি প্রদীপ জ্বালা হয় না?
22
এমন কিছুই লুকানো থাকতে পারে না যা জানা যাবে না, এমন কিছুই গোপন থাকতে পারে না যা প্রকাশ পাবে না।
23
শোনার মত কান যার আছে সে শুনুক।
24
যীশু তাদের বললেন, মন দিয়ে শোন, যে মাপকাঠিতে তোমরা বিচার করবে সেই মাপকাঠিতেই তোমাদের বিচারর হবে। বরং তার চেয়েও কঠোর হবে।
25
যার আছে তাকে আরও দেওয়া হবে এবং যার নেই তার যেটুকু আছে তাও কেড়ে নেওয়া হবে।
26
যীশু বললেন, ঈশ্বরের রাজ্য হল এইরকম: একটি লোক জমিতে গিয়ে বীজ বুনে এল।
27
তারপর কিছুদিন ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিল। ওদিকে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠল। কি করে যে এটা হল লোকটি সে সম্বন্ধে কিছুই জানল না।
28
মাটি নিজে থেকেই ফসল ফলায়। প্রথমে অঙ্কুর, তারপর শীষ, তারপরে সেই শীষ পরিণত হয় শস্যে।
29
ফসল পেকে গেলে লোকটি তখন কাস্তে লাগায়, কারণ ফসল কাটার সময় হয়ে গেছে।
30
যীশু বললেন, কিসের সঙ্গে ঈশ্বরের রাজ্যের তুলনা দেব? কোন উপমা দিয়ে বোঝাব?
31
এ হল সরষে দানার মত। বুনবার আগে পর্যন্ত এটি থাকে পৃথিবীর সমস্ত বীজের চেয়ে ছোট।
32
বীজ বোনার পর যে গাছ হয় তা যে কোন গাছের চেয়ে বড় হয়। তার বড় বড় ডালপালা হয়, সেই ডালে পাখিরা এসে বাসা বাঁধে।
33
লোকদের বোঝার ক্ষমতা অনুসারে যীশু এইভাবে অনেক উপমা দিয়ে বাণী প্রচার করতেন।
34
উপমা ছাড়া তিনি তাদের কিছু বলতেন না কিন্তু পরে একান্তে তিনি নিজের শিষ্যদের সব ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিতেন।
35
সেই দিনই সন্ধ্যেবেলায় যীশু তাঁর শিষ্যদের বললেন, চল আমরা সাগরের ওপারে যাই।
36
তাঁরা লোকদের কাছ থেকে চলে এলেন। যীশু নৌকায় যেমন ছিলেন তেমনিই থাকলেন, তাঁরা সেই নৌকায় উঠে যীশুকে নিয়ে চলে গেলেন। তাঁদের সঙ্গে আরও কয়েকটা নৌকা ছিল।
37
তারপর হ্রদে উঠল প্রচণ্ড ঝড়। ঢেউ আছড়ে পড়তে লাগল নৌকার উপরে, নৌকায় জল উঠতে লাগল।
38
যীশু নৌকার পিছন দিকে বালিশে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছিলেন। শিষ্যেরা তাঁকে জাগিয়ে বললেন, গুরুদেব, আমরা যে মরতে চলেছি, আপনি কি কিছু করবেন না?
39
যীশু উঠে ঝড়কে ধমক দিলেন, থাম! সাগরকে বললেন, শান্ত হও। ঝড় থেমে গেল, সাগরে নেমে এল প্রশান্তি।
40
তিনি তাঁদের বললেন, তোমরা এত ভয় পেলে কেন? এখনও কি তোমাদের বিশ্বাস জন্মাল না?
41
এতে তাঁরা আরও ভীত হয়ে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগলেন, কে ইনি? ঝড় আর সাগর পর্যন্ত এঁর আদেশ পালন করে?
← Chapter 3
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 5 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16